25/04/2026
We respectfully call on the Prime Minister of Malaysia, Anwar Ibrahim
Rohingya refugees are not migrants by choice — they are survivors of genocide. They are fathers who watched their families burned alive, mothers who carried their children through fire and fear and children who have known nothing but violence, displacement and loss.
They fled Myanmar not for opportunity but for survival.
For decades, Rohingya people have been denied citizenship, stripped of basic human rights and subjected to systematic violence. Entire villages were destroyed, thousands were killed and many more were forced to cross dangerous seas with nothing but hope.
Malaysia became a destination because it represents safety, dignity, and a shared sense of humanity. Many Rohingya believed they would find protection in a Muslim-majority country that understands suffering and compassion.
But today, many of these same survivors are being detained, arrested, and treated as criminals — despite having committed no crime except escaping death.
We urge your government to:
• Release Rohingya detainees from detention centers and prisons
• Provide access to UNHCR ID cards so they can be recognized and protected
• Stop arrests and ensure humane, dignified treatment
• Allow children access to education — they deserve a future, not a lifetime of fear
• Ensure families are not separated — they have already lost too much
• Recognize that trauma does not end at the border; detention only deepens their suffering
These are not numbers. These are human beings carrying deep scars — both visible and invisible.
Every Rohingya refugee in Malaysia has a story of survival:
— A child who has never seen a classroom
— A mother who still wakes up to nightmares of violence
— A father who risks everything just to keep his family alive
Detention does not solve their pain. Compassion does.
Malaysia has the opportunity to stand on the right side of history — to lead with humanity, to protect the persecuted, and to show the world what true justice looks like.
Stand for justice. Stand for humanity.
21/04/2026
We want justice for All Rohingya Mr. Mohammed Ullah
13/12/2025
আসসালামুয়ালাইকুম
আজ ১৩/১২/২০২৫ সাল
সকাল ৪:৩০ মিনিট এর সময় আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি ARA এর সাথে যুদ্ধ শুরু হয়েছে প্রায় পাঁচ ঘন্টা মতো মুকাবেলা চলতেছে । আলহামদুলিল্লাহ ARA অনেক সফল হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি । বেশি মকদের কে জাহান্নামের মধ্যে পাঠিয়ে দিয়েছে আলহামদুলিল্লাহ সবার কাছে ARA এর পক্ষ থেকে দোয়ার দরখাস্ত।
12/12/2025
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন সংগঠনের (তানজিম) পক্ষ থেকে একটি কথা বলা হচ্ছে যে, "একজনের দিলে আরেকজনের প্রতি যদি ঘৃণা পোষণ করা হয়, তাহলে মাকসাদের (লক্ষ্য/উদ্দেশ্য) মঞ্জিলে পৌঁছানো সম্ভব হবে না।"
রোহিঙ্গাদের প্রতিটি সংগঠন (তানজিম) একত্রিত হোক। আলহামদুলিল্লাহ, এটি রোহিঙ্গাদের জন্য অনেক বড় একটি গণিমত (সৌভাগ্য/প্রাপ্তি)।
এখন রোহিঙ্গাদের প্রতিটি সংগঠনের নেতাদের একটি দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, এই ঐক্যকে যেকোনো মূল্যেই টিকিয়ে রাখতে হবে। বর্তমানে রিফিউজি ক্যাম্পে কিছু কথা চলছে:
এক সংগঠন আরেক সংগঠনকে হেয় করছে (নফরৎ)।
এক সংগঠন আরেক সংগঠনের প্রতি সম্মান দেখাচ্ছে না।
কে কেমন কথা বলবে, কার সাথে কেমন ব্যবহার করবে— এর কোনো তোয়াক্কা করা হচ্ছে না।
এ ধরনের কিছু বিষয়বস্তু রিফিউজি ক্যাম্পের ভেতরে চলছে। বিশেষ করে যারা আরাকানে এবং আরাকানের স্বাধীনতার জন্য (হক) কাজ করছে, তাদের মাঝে এই সমস্যা দেখা যাচ্ছে।
এক সংগঠনের পক্ষ থেকে অন্য সংগঠনের প্রতি সম্মান না দেখানোর বিষয়টি খুব বেশি চলছে।
⚠️ নেতাদের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান
যেকোনো সংগঠনের সদস্যদের (ফয়েন) হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে ময়দানে নামানোর আগে, তাদের কিছু তালিম-তারবিয়াত (শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ) এবং কিছু শিক্ষাদান করা প্রয়োজন। যদি এমন হয় যে, ধরে এনে অস্ত্র ধরিয়ে দিয়ে বলা হলো যে, "যাও, আরাকানের জন্য কাজ করো" এবং তাদের দেশের ভেতরে ছেড়ে দেওয়া হলো, তাহলে:
তারা অন্য সংগঠনের মানুষকে অসম্মান করবে।
তাদের মনে অন্য সংগঠনের প্রতি কোনো সম্মান থাকবে না।
যেকোনো সংগঠনের সদস্যদের দেশের ভেতরে পাঠানোর আগে, তাদের কিছু তালিম-তারবিয়াত দিয়ে এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে ঢোকানো উচিত।
শুধু সদস্যদের ঢুকিয়ে দিয়ে যদি পেছনে কোনো দায়িত্বশীল বা সংগঠনের নেতা না থাকে, তাহলে তারাও হক পথে চলতে পারবে না।
রোহিঙ্গাদের প্রতিটি সংগঠনের নেতাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ (আরআরবির তরফ থেকে):
আপনারা তালিম-তারবিয়াত (শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ) ছাড়া কোনো সদস্যকে দেশের ভেতরে পাঠাবেন না।
নেতা ছাড়া কোনো সদস্যকে দেশের ভেতরে পাঠাবেন না।
👨👩👧👦 পারিবারিক উদাহরণ
আমাদের পরিবারগুলোর দিকেও খেয়াল করুন। কোনো সন্তান যদি মা-বাবার কথা না মানে, মা-বাবা যদি তাদের সাহায্য না করে বা পথ না দেখায়, তাহলে:
সন্তান নষ্ট হয়ে যায়।
সন্তান খারাপ পথে চলে যায় এবং খারাপ কাজে জড়িয়ে পড়ে।
একইভাবে, যদি আমরা দায়িত্বশীল ছাড়া সদস্যদের (ফয়েন) ঢুকিয়ে দিই, তাহলে তারাও সঠিক রাস্তায় থাকবে না।
তাই প্রতিটি সংগঠনের নেতাদের উচিত সচেতনতার সাথে এবং দায়িত্বের সাথে কাজ করা। যদি আপনারা এমন সদস্য ঢুকিয়ে দেন, তাহলে মঞ্জিলে মাকসাদে পৌঁছাতে পারবেন না।
07/12/2025
মংডুতে দুই ভয়াবহ ঘটনা: শিলখালীতে রোহিঙ্গাদের আটক – শহরের কেন্দ্রে প্রতিবন্ধী বৃদ্ধকে নির্মম মারধর
মংডু টাউনশিপে পরপর দুইটি গুরুতর ঘটনা স্থানীয় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। একদিকে শিলখালী গ্রামে আরাকান আর্মির (AA) হাতে বহু রোহিঙ্গা পুরুষ আটক হয়েছে, অন্যদিকে শহরের ঘড়ি টাওয়ারের পাশে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী বৃদ্ধকে দিনের আলোয় নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে।
শিলখালী গ্রামে অভিযান: ৩৬ রোহিঙ্গা পুরুষ আটক, নারীদের এক ঘরে আটকে রাখা হয়।
৩০ নভেম্বর সকালে প্রায় ৩০ জন সশস্ত্র এ.এ সদস্য উত্তর মংডুর শিলখালী গ্রামে ঢুকে পড়ে। গ্রামবাসীরা জানান—সশস্ত্র দলটি এত দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে যে পালানোর সুযোগই ছিল না।
স্থানীয়দের বর্ণনা:
সব নারীকে একটি বাড়িতে আটকে রাখা হয়। পুরুষদের জঙ্গল এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুর পর্যন্ত অন্তত ৩৬ জন পুরুষ আটক অবস্থায়। সবার মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত—বাইরের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই।
এক বৃদ্ধ গ্রামবাসী বলেন, “দরজার ফাঁক দিয়ে শুধু তাকাইছি—কিছুই বলতে পারছি না।”
অন্যজন জানান, তাদের ওপর একটি ভিন্ন সংগঠনকে সমর্থনের অভিযোগ চাপানো হয়, ফলে গ্রামে চরম ভীতির সৃষ্টি হয়েছে।
পরিবারগুলো জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের খাবার–পানিও দেওয়া হয়নি, যা তাদের জীবনঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। স্থানীয়রা বলেন, এ.এ–এর আটক কেন্দ্রগুলো অত্যন্ত সংকীর্ণ, অস্বাস্থ্যকর এবং সম্পূর্ণ যোগাযোগবিহীন।
গ্রামবাসীদের দাবি:
মানবাধিকার ও মানবিক সংস্থাগুলোর জরুরি হস্তক্ষেপ—অন্তত আটক ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান।
এদিকে মংডু শহরে প্রতিবন্ধী বৃদ্ধকে পিটিয়ে জখম: হামলাকারী মগবাগির দালাল।
২৫ নভেম্বর বিকেলে মংডু ঘড়ি টাওয়ারের পাশের একটি দোকানে বসে থাকা ৬৩ বছর বয়সী শারীরিক প্রতিবন্ধী রোহিঙ্গা ব্যক্তি ইউ ইয়াহিয়া খান–কে বিনা কারণে মারধর করে এ.এ এবং ইউএলএ–এর দালাল আর্মান উল্লাহ।
হামলাকারী সম্পর্কে স্থানীয়দের অভিযোগ:
বয়স প্রায় ৫০, পান্তাও পিয়ন গ্রামের লোক,প্রায়ই মদ্যপ অবস্থায় শহরে ঘোরাফেরাকরে,দোকানপাট ভাঙচুর ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে, বর্তমানে একটি দখল করা দুইতলা বাড়িতে বসবাস করে।
ঘটনার সময় আর্মান উল্লাহ মোটরসাইকেলে এসে কোনো কথা না বলেই বৃদ্ধকে ঘুষি ও লাথি মারতে শুরু করে। আশপাশের মানুষ ভয় পেয়ে কেউ এগিয়ে যেতে পারেনি। একজন কিশোর সাক্ষী বলেন, “সবাই ভয়ে এক জায়গায় দাঁড়ায় রইল—কেউ কাছে যায় নাই। আহত ইউ ইয়াহিয়া খানের অবস্থা গুরুতর। স্থানীয়রা তার জীবন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছে।
একজনমন্তব্য করেন—
“দিনদুপুরে সশস্ত্র সদস্যের দাপটে যদি সাধারণ মানুষও নিরাপদ না থাকে, তাহলে আইন–শৃঙ্খলা বলে কিছুই আর অবশিষ্ট নেই।”
দুই ঘটনার পর মংডুর রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জানাচ্ছে—
সাধারণ মানুষকে রক্ষা করা যাদের দায়িত্ব, তারা যদি উল্টো ক্ষতি করে, তাহলে জনগণ কোথায় যাবে?
বিশেষ করে একজন প্রতিবন্ধী বৃদ্ধের ওপর হামলা—এটি মানবিক মূল্যবোধ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার সরাসরি অপমান।
মানুষ এখন চরম অনিরাপত্তায় দিন কাটাচ্ছে। সবার দাবি—হামলাকারীর বিচার ও আটক রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
07/12/2025
কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প এইট-ইতে ডিসেম্বরের 6 তারিখ রাতের দিকে মাদককারবারিরা ধেয়ে ধেয়ে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানা গেছে। হঠাৎ গুলির শব্দে পুরো ক্যাম্পজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তাহীনতায় সাধারণ রোহিঙ্গারা ঘরের ভেতর আশ্রয় নেন এবং অনেকেই নিজেদের পরিবারকে নিয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পে সক্রিয় থাকা একটি মাদকচক্র বড় ইকটি ইয়াবার চালান ক্যাম্পে প্রবেশ করাতে এই ঘঠনার সূত্রপাত হয়। রাতের আঁধারে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গুলির শব্দে ক্যাম্পের চারদিক ভয় ও অস্থিরতায় ভরে যায়। রোহিঙ্গা পরিবারগুলো জানান, প্রতিদিনের মতো শান্ত পরিবেশ হঠাৎ করেই যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। শিশুরা কান্নাকাটি শুরু করে এবং নারীরা ভয়ে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে দেয়।
এদিকে ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে আরআরভি প্রতিনিধি জানতে পারে আরাকান আর্মীর দালাল ইয়াবা গড় ফাদাররা মাদকের চালান ক্যাম্পে প্রবেশ করানোর জন্য আতংক সৃষ্ঠি করেছে বলে জানতে পারে। এদিকে ক্যাম্পের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, ক্যাম্পে মাদককারবারিদের দৌরাত্ম্য রোধে বিশেষ নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। যে কেউ এই ধরনের অপরাধে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্যাম্পবাসীরা দ্রুত স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসার আশা করছেন।
25/11/2025
রোহিঙ্গা মুসলমানদের ইতিহাস সংক্ষেপে
===================
১. উৎপত্তি ও বসবাস
রোহিঙ্গারা মূলত মায়ানমারের রাখাইন (আরাকান) অঞ্চলের মুসলিম জনগোষ্ঠী।
এ অঞ্চলে আরব বণিক, সুফি ও মুসলিম বসতকারীরা ৮ম শতক থেকেই বসবাস শুরু করে বলে অনেক ঐতিহাসিক সূত্রে উল্লেখ আছে।
২. আরাকান রাজ্য ও মুসলিম প্রভাব
মধ্যযুগে আরাকান রাজ্যে মুসলমানদের বিশেষ প্রভাব ছিল।
রাজাদের দরবারে ফারসি ভাষা ব্যবহার হতো এবং মুসলিম সংস্কৃতির উপস্থিতি ছিল শক্তিশালী।
৩. ঔপনিবেশিক যুগ
১৮২৪ সালে ব্রিটিশরা বার্মা দখল করলে আরাকানও তাদের শাসনের অংশ হয়।
ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশ (তৎকালীন বঙ্গ) ও আরাকানের মধ্যে যাতায়াত ও শ্রম স্থানান্তর বৃদ্ধি পায়।
৪. স্বাধীনতার পর বৈষম্য
১৯৪৮ সালে বার্মা (মায়ানমার) স্বাধীন হলে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্বের দাবি জানায়, কিন্তু ধীরে ধীরে তাদের অধিকার সংকুচিত করা হয়।
১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন রোহিঙ্গাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অ-নাগরিক’ ঘোষণা করে এর পর থেকেই তারা রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়ে।
৫. নির্যাতন ও গণহত্যা
দশকজুড়ে সামরিক অভিযান, নির্যাতন, গণহত্যা ও জাতিগত নিধন চালানো হয়।
সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযান ঘটে ২০১৭ সালে, যেখানে হাজার হাজার রোহিঙ্গা নিহত ও লক্ষাধিক মানুষ বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।
৬. বর্তমান অবস্থা
বাংলাদেশের কক্সবাজারে বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী শিবিরে প্রায় দশ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা এখনো আশ্রিত।
তারা রাষ্ট্রহীন, নাগরিকত্ববিহীন ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের অনিশ্চয়তার মধ্যে মানবিক সংকটে রয়েছে।
সংক্ষেপে:
রোহিঙ্গারা আরাকানের প্রাচীন মুসলিম জনগোষ্ঠী, যাদেরকে মায়ানমার সরকার বহু দশক ধরে পদ্ধতিগত নির্যাতন, বৈষম্য ও বঞ্চনার মাধ্যমে রাষ্ট্রহীন করে রেখেছে।
18/11/2025
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নতুন আতঙ্ক!
দিল মোহাম্মদের বিরুদ্ধে ভয়ংকর অভিযোগ ইয়াবা, সন্ত্রাসী গ্রুপ ও প্রশাসনের সাথে যোগসাজশ!
অভিযোগের কেন্দ্রে: দিল মোহাম্মদ RCPR এর চেয়ারম্যান!
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দিন দিন মাদক, সন্ত্রাস ও অত্যাচারের ছোবল বাড়ছে। আর এ অবস্থার জন্য ক্যাম্পবাসীদের বড় একটি অংশ দিল মোহাম্মদ নামের এক ব্যক্তিকে দায়ী করছে।
অভিযোগ ১: ইয়াবা কারবার
স্থানীয় সূত্র দাবি করছে—দিল মোহাম্মদ দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার হোতা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
অভিযোগ ২: আরাকানের সন্ত্রাসী গ্রুপ মগবাগি / AA–এর সঙ্গে যোগাযোগ
বাসিন্দাদের অভিযোগ—সে মগবাগি/AA গোষ্ঠীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখে এবং এই সম্পর্কের ওপর ভর করে ক্যাম্পে ত্রাস সৃষ্টি করে।
অভিযোগ ৩: বাংলাদেশের কিছু প্রশাসনের লোকের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক
ক্যাম্পবাসীরা বলছেন—
“তার পিছে প্রশাসনের কিছু লোক আছে। তাই সে যা খুশি তাই করে বেড়ায়!”
এই alleged সম্পর্ককে ঢাল বানিয়ে সে সাধারণ রোহিঙ্গাদের ভয়-ভীতি দেখায়, হুমকি দেয়, জুলুম করে।
অভিযোগ ৪: বিচার-বৈঠকের নামে অত্যাচার
অনেকে জানিয়েছেন—দিল মোহাম্মদ কথিত ‘বিচার’ বা ‘সালিশ’ দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে ডেকে নিয়ে ধমক, জরিমানা আদায়, এমনকি শারীরিক নির্যাতন পর্যন্ত করে থাকে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নৈরাজ্য চরমে!
যে ক্যাম্পে নিরাপত্তা থাকার কথা, সেখানে আজ মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর দালাল ও ক্ষমতার অপব্যবহারকারীদের দৌরাত্ম্য চলছে।
সে কোথায় থাকে ও কোথায় তার অফিস?
ক্যাম্পবাসীদের অভিযোগ অনুযায়ী
দিল মোহাম্মদের অফিস লাম্বাশিয়া ক্যাম্প ১-ইস্ট (1E)–এর মোখের মাথায়,
ঠিক সেই জায়গাতেই, যেখানে আগে মাস্টার মুহিব্বুল্লাহর অফিস ছিল।
মানুষ প্রশ্ন তুলছে
👉 প্রশাসন কি এসব অভিযোগ দেখবে?
👉 নাকি এই অত্যাচার আরও বাড়তে থাকবে?
রোহিঙ্গা ক্যাম্পকে বাঁচাতে হলে—দ্রুত তদন্ত, কঠোর ব্যবস্থা ও জবাবদিহিতা জরুরি!