Current WORLD

Current WORLD

Share

This page may help you about your general knowledge. This page will contain the significant news portion of the current world.

Photos 10/05/2014

৬০ কোটি ভারতীয় খোলা জায়গায় মলত্যাগ করে..........

জাতিসংঘের এক রিপোর্টে বলা হচ্ছে, বিশ্বে একশো কোটি মানুষ এখনো খোলা জায়গায় মলত্যাগ করে এবং এর ফলে কলেরা, ডায়ারিয়া এবং হেপাটাইটিসের মতো মারাত্মক রোগ-ব্যাধির বিস্তার ঘটছে।

জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের রিপোর্টে বলেছে, খোলা জায়গায় মলত্যাগের অভ্যাস সবচেয়ে বেশি ভারতে। দেশটির ষাট কোটির বেশি মানুষ উন্মুক্ত জায়গায় মলত্যাগ করে। ভারত সরকার স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা তৈরির জন্য শত শত কোটি ডলার ব্যয় করেও পরিস্থিতি খুব বেশি বদলাতে পারেনি।

অন্যদিকে বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনাম যেভাবে উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগের অভ্যাস প্রায় দূর করতে সক্ষম হয়েছে, জাতিসংঘ তার প্রশংসা করেছে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, নব্বুইয়ের দশকে যেখানে এই দুটি দেশে প্রতি তিন জনের একজন খোলা জায়গায় মলত্যাগ করতো, ২০১২ সালে এসে সেই অভ্যেস প্রায় নেই বললেই চলে।

স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা তৈরি করে খোলা জায়গায় মলত্যাগের অভ্যেস বন্ধের জন্য শত শত কোটি ডলার খরচ করা হলেও এই অর্থ কার্যত নর্দমায় গেছে বলে মন্তব্য করা হয় জাতিসংঘ রিপোর্টে।

রিপোর্টে এক্ষেত্রে সবচেয় কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে ভারতের।

ইউনিসেফের একজন বিশেষজ্ঞ রলফ লায়েনডিক বলেছেন, স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট সুবিধা তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের কৌশল যেখানে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে, এর বিপরীতে প্রতিবেশী ভারতের কৌশল ছিল খুবই দুর্বল।

তিনি বলেন, দরিদ্রদের কাছে স্যানিটেশন সুবিধা পৌঁছে দেয়ার জন্য ভারত সরকার শত শত কোটি ডলার খরচ করেছে এটা সত্য। কিন্তু এই অর্থ কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারকে দেয়ার পর বিভিন্ন রাজ্যে তা ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যয় করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই অর্থ আর দরিদ্র জনগোষ্ঠী পর্যন্ত পৌঁছায়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জনস্বাস্থ্য বিষয়ক পরিচালক মারিয়া নিরা বলেন, “ভারতের যে ছবিটা দেখে সবাই ধাক্কা খান তা হলো একটা লোক এক হাতে মোবাইল ফোন নিয়ে খোলা জায়গায় মলত্যাগ করছেন।”

ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়, সাব সাহারান আফ্রিকার ২৬ টি দেশেও এখনো খোলা জায়গায় মলত্যাগের অভ্যাস বাড়ছে। সেখানে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা নাইজেরিয়ার। দেশটির প্রায় চার কোটি মানুষ এখনো উন্মুক্ত জায়গায় মলত্যাগ করে।– বিবিসি।

Photos 10/05/2014

দুর্ঘটনায় হৃৎপিণ্ড উল্টে বাম থেকে ডানে ! .............

এক মোটর সাইকেল দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরার পর চিকিৎসকরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করেছেন দুর্ঘটনাকবলিত ওই ব্যক্তির হৃৎপিণ্ডটি উল্টে বাম দিক থেকে ডান দিকে চলে এসেছে।

নিউ ইংল্যান্ড মেডিসিনের জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ৪৮ বছর বয়স্ক লোকটির চিকিৎসা শুরু করার পর তার হৃদস্পন্দন পরীক্ষার জন্য একটি এক্স-রে এবং ক্যাট স্ক্যান করান। পরে রিপোর্টেই ধরা পরে যে ওই রোগীর হৃত্পিণ্ডটি দেহের বাম পাশ দিক থেকে ৯০ ডিগ্রি পরিমাণ ডান দিকে চলে এসেছে।

পুরো ঘটনাটিকে চিকিৎসকরা আখ্যায়িত করছেন বেশ মজার বিষয় হিসেবে। হৃৎপিণ্ড উল্টে বিপরীত দিকে চলে আসার পরেও লোকটি কিভাবে বেঁচে আছেন তা নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তারা।

তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় কোন হৃৎপিণ্ডটির এই অবস্থা হয়নি বরং ফুসফুসে আঘাত লাগার কারণে সৃষ্ট বায়ু চাপের জন্য হৃত্পিণ্ডটি ডান দিকে ঘুরে গিয়েছিল। বিষয়টি লক্ষ্য করার পর চিকিৎসকরা বায়ুচাপ সরিয়ে দেয়া মাত্রই হৃত্পিণ্ডটি আবার মূল জায়গায় ফিরে আসে। সূত্র: ওয়েবসাইট।

Photos 06/05/2014

ভিয়েতনাম যুদ্ধে ফ্রান্সকে পরমাণু বোমা ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল আমেরিকা। ৬০ বছর আগে ১৯৫৪ সালের এই সপ্তাহে দিয়েন বিয়েন ফু’র যুদ্ধে ভিয়েতনামি বাহিনীর কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয় ফরাসি বাহিনী। সে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে ফ্রান্সকে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল আমেরিকা। তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এজন্য প্যারিসকে দু'টি পরমাণু অস্ত্র সরবরাহেরও প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ জুলিয়ান জ্যাকসনের বরাত দিয়ে বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে নিজেদের উপনিবেশ বজায় রাখার জন্য ১৯৪৬ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ আট বছর ধরে যুদ্ধে ৫৫ হাজার ফরাসি সেনা নিহত হয়েছিল। দিয়েন বিয়েন ফু’র গেরিলা যুদ্ধে ভো নগুয়েন গিয়াপের নেতৃত্বাধীন ভিয়েতনামি গেরিলা যোদ্ধাদের হাতে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ফরাসি বাহিনী ওই অঞ্চল থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়।

১৯৫৩ সালের দিকে ফরাসি সেনাপ্রধান জেনারেল নাভারে ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় থেকে ২৮০ মাইল দুরে দিয়েন বিয়েন ফু’এর উপত্যকায় একটি শক্তিশালী গ্যারিসন মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেন। এই উপত্যকা ঘিরে ঘন জঙ্গল এবং পার্বত্য এলাকা রয়েছে। এই উপত্যকায় একটি বিমান অবতরণ ক্ষেত্র ছিল এবং তার মাধ্যমে সরবরাহ ব্যবস্থা অটুট রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করেছিল ফরাসিরা। এ ছাড়া, তারা উপত্যকার ভেতরের টিলাগুলোতে নিজেদের অবস্থান বজায় রাখতে পারবে বলেও ধারণা করেছিল।

কিন্তু গিয়াপের নেতৃত্বাধীন ভিয়েতনামি গেরিলারা প্রাকৃতিক বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে সাঁজোয়া বহরের সমাবেশ ঘটায় ফরাসি অধিকৃত টিলাগুলোর ঠিক উল্টো দিকে। রসদ এবং সামরিক সরঞ্জাম বহনের কাজে ভিয়েতনামের গেরিলারা সাইকেল ব্যবহার করে বিশ্বকে হতবাক করে দেয়। অন্যদিকে গিয়াপের বাহিনীর হঠাৎ গোলাবর্ষণে হতচকিত হয়ে যায় ফরাসি সেনারা। একই সঙ্গে স্থানীয় বাহিনী ফরাসি সেনাদের বিমান অবতরণ ক্ষেত্রটি অচল করে দেয়। ফলে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ফরাসিদের।

ভিয়েতনাম যুদ্ধের এমন শোচনীয় পরিস্থিতিতে সহায়তা করার জন্য আমেরিকার প্রতি আহ্বান জানায় ফ্রান্স। কিন্তু মার্কিন কংগ্রেস সে সময়ে সরাসরি ভিয়েতনাম যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে অস্বীকার করে। এ সময় প্যারিসে তৎকালীন মার্কিন যুদ্ধবাজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফস্টার ডালাস ফরাসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ডালাস এ বৈঠকে ফরাসি কর্মকর্তাদের বলেন, তোমাদেরকে দু’টো পরমাণু বোমা সরবরাহ করলে কেমন হয়? তার প্রস্তাবে হতচকিত হয়ে গিয়েছিল ফ্রান্স।

৫৬ দিন অবরোধের পর ফরাসি সেনারা শেষ পর্যন্ত ৭ মে ভিয়েতনামের গেরিলাদের কাছে আত্মসর্পন করতে বাধ্য হয়। যুদ্ধে ফ্রান্সের ১,১৪২ জন নিহত, ১,৬০৬ জন নিখোঁজ এবং ৪,৫০০ জন আহত হয়েছিল। ভিয়েতনামিদের হতাহতের সংখ্যা ২২ হাজারে গিয়ে ঠেকেছিল।

অবশ্য পরবর্তীতে অনেকেই দাবি করেছেন, প্রকৃতপক্ষে পরমাণু বোমা সরবরাহের প্রস্তাব দেননি ডালাস। অনুবাদকের ভুলের কারণে এমনটি ঘটে থাকতে পারে বলে তাদের দাবি। তবে দলিল-প্রমাণ থেকে জানা যায়, ১৯৫৪ সাল থেকেই ফ্রান্স পরমাণু বোমা তৈরির তৎপরতা শুরু করে। আর পরবর্তীতে ভিয়েতনামে যুদ্ধে আমেরিকা নিজেই জড়িয়ে পড়ে এবং ফরাসিদের মতই শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়।

Photos 05/05/2014

ইন্টারনেটের স্বাধীনতা নিয়ে দুনিয়াজুড়ে চর্চা হচ্ছে৷ বিভিন্ন দেশের সরকার ইন্টারনেট পরিষেবায় নজরদারি চালাচ্ছে৷ এনিয়ে সেই সব দেশের সরকারে সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ-বিক্ষোভ বাড়ছে৷ এই পরিস্থিতিতে একটি নতুন প্রযুক্তির উদয় হচ্ছে৷ এই প্রযুক্তির মাধ্যমেই এবার কোনো রকম ইন্টারনেট ছাড়াই চলবে মোবাইল চ্যাট৷ বিনা ইন্টারনেটেই এখন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে৷ যুগান্তকারী এই প্রযুক্তি শিগগির হাতের মুঠোর পেয়ে যাবেন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা৷

এই নয়া প্রযুক্তির নাম ‘মেশ নেটওয়ার্ক’৷ এই নেটওয়ার্কের সুবিধা রয়েছে, যা দুনিয়ায় একটা বিপ্লব ঘটাতে চলেছে৷ ‘মেশ নেটওয়ার্ক’ প্রযুক্তির মাধ্যমে দুরসঞ্চার দুনিয়ার মানুষজন ইন্টারনেটে মুখ্য ধারায় জুড়ে যাবে৷ এরজন্য কোনো রকম ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন পড়বে না৷

বাস্তবে দেখা গিয়েছে, জঙ্গল ও প্রত্যন্ত এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার থাকে না৷ অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু স্থানে মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্লক করে দেওয়া হয়৷ এই সময় চ্যাট এবং মেসেজ পাঠানো সমস্য হয়ে যায়৷ এবার ‘মেশ নেটওয়ার্ক’ এই সমস্যা সহজেই সমাধান করতে চলেছে৷

মেশ নেটওয়ার্ক আসলে কী?
বাস্তবে দেখা যায়, আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো রেলপথে মোবাইলের সিগন্যাল হারিয়ে যায়৷ মেশ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেটের মূলধারার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়ে থাকে৷এই মেশ নেটওয়ার্কের ক্ষমতাও অনেকটা বেশি৷সহজ কথা মেশ নেটওয়ার্ক অনেকটা সাইকেলের চাকার মতো৷ যার প্রত্যেকটি স্পক একটি কেন্দ্রীয় বিন্দুতে গিয়ে যুক্ত৷ মেশ নেটওয়ার্কের ওই কেন্দ্রীয় বিন্দু মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক এবং কমপিউটারের সরবরাহ করে৷ যদি আপনার ফোনে মোবাইলে সিগন্যাল না থাকে, তবে আপনি মেশ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্য মোবাইলে মেসেজ করতে পারবেন৷

মেশ নেটওয়ার্কের নিজস্ব কোনো সেন্ট্রাল কানেকশন বিন্দু থাকে না৷ তা সত্বেও এই নেটওয়ার্কের এক একটু দন্ড না তরঙ্গ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্র্যান্ড নোডের মতো কাজ শুরু করে৷ ফলে, খুব ভাল নেটওয়ার্ক রেঞ্জ পাওয়া যায় অন্য মোবাইলে৷ এর ফলে কোনো রকম মুখ্যধারার নেটওয়ার্ক ছাড়াই যেকোনো নেটওয়ার্কের মোবাইলে মেসেজ করা সম্ভব৷

এই নেটওয়ার্ক কি কাজ করছে?
ফায়ারচ্যাট নামে একটি অ্যাপ অনেকটা এই নেটওয়ার্কের কাজ করছে৷ ফায়ারচ্যাট গত মার্চ মাসেই ওয়েব দুনিয়ার আত্মপ্রকাশ করেছে৷ এই অল্প সময়ের মধ্যে লাখো মানুষ এই অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করেছে৷এই মেশ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আপনি সহজেই মেসেজ, ফটো এবং ভিডিও পাঠাতে পারবেন৷ খুব শিগগির জনপ্রিয় হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরাও মেশ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে চ্যাট করতে পারবেন৷ এই অ্যাপটি সম্প্রতি অ্যান্ডয়েড মোবাইলেও যুক্ত কার হয়েছে৷ ফলে, যেকোনো দিন আপনিও কোনো মোবাইলের সিগন্যাল ছাড়াই মেসেজ, ছবি পাঠাতে পারবেন৷

এই নয়া প্রযুক্তির নাম ‘মেশ নেটওয়ার্ক’৷ এই নেটওয়ার্কের সুবিধা রয়েছে, যা দুনিয়ায় একটা বিপ্লব ঘটাতে চলেছে৷ ‘মেশ নেটওয়ার্ক’ প্রযুক্তির মাধ্যমে দুরসঞ্চার দুনিয়ার মানুষজন ইন্টারনেটে মুখ্য ধারায় জুড়ে যাবে৷ এরজন্য কোনো রকম ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন পড়বে না৷

বাস্তবে দেখা গিয়েছে, জঙ্গল ও প্রত্যন্ত এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার থাকে না৷ অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু স্থানে মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্লক করে দেয়া হয়৷ এই সময় চ্যাট এবং মেসেজ পাঠানো সমস্য হয়ে যায়৷ এবার ‘মেশ নেটওয়ার্ক’ এই সমস্যা সহজেই সমাধান করতে চলেছে৷- ওয়েবসাইট।

Photos 05/05/2014

প্রতিদিন বিভিন্ন নামের ও কাজের মানুষ পৃথিবীতে আসছে। তাদের মধ্যে কিছু মানুষ কাজের গুণে ইতিহাসে স্থান করে নেয়।
১৮১৮ সালে আজকের এই দিনে জার্মানির ট্রায়ারে জন্মেছিলেন কমিউনিস্ট দার্শনিক কার্ল মার্ক্স। এই বিখ্যাত দার্শনিকের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি আসুন জেনে নিই।

নাম: কার্ল মার্ক্স
জাতীয়তা: জার্মান
পেশা: কমিউনিস্ট দার্শনিক

মানব ইতিহাসে প্রভাব বিস্তারকারী যে কয়জন মানুষের নাম জানা যায় তার মধ্যে কার্ল মার্ক্স অন্যতম। ২০ শতকে বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক নেতারা এই দার্শনিকের মতবাদ গ্রহণ করে রাষ্ট্র ক্ষমতা অর্জন করেছিলেন। নতুন রাষ্ট্র ধারণা প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। যেমন-সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পিপল’স রিপাবলিক অব চীনা।

১৮৪২ সালের ১৯ জুন তিনি ২৫ বছর বয়সে জার্মানির ওয়েস্টফালিনের মেয়ে জেনি ভনকে বিয়ে করেন।

১৮৪২ সালের ১৫ অক্টোবার তিনি রিনিসে জিটাং পত্রিকার এডিটর-ইন-চিফ হিসেবে যোগ দেন।
১৮৬৭ সালের ০১ অক্টোবার তার বিখ্যাত “ডাস ক্যপিটাল” প্রকাশিত হয়।

তিনি অ্যমেস্টার্ডামে ১৯৭২ সালের ১০ অগাস্ট ভাষণ দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।

এই বৃষরাশির পুরুষ ১৪ মার্চ, ১৮৮৩ সালে ৬৪ বছর বয়সে ব্রংকাইটিস ও প্লুরিসি নামক রোগে মারা যান।

Photos 04/05/2014

চালকবিহীন গাড়ি নিয়ে কাজ করছে গুগল...........

ইন্টারনেট জায়ান্ট গুগল গত কয়েক বছর ধরে চালকবিহীন গাড়ি নিয়ে কাজ করছে৷ তাদের এই গাড়িটি ইতিমধ্যে হাইওয়েতে নিরাপদভাবে চলাচলও করেছে৷ তাই এবার, শহরের রাস্তায় চলার চেষ্টা করছে আধুনিকতম এই গাড়ি ২০০৯ সাল থেকে গুগলের কয়েকটি চালকবিহীন গাড়ি হাইওয়েতে যাতায়াত করেছে৷ এই সময়ে কোনো রকম দুর্ঘটনা ছাড়াই গাড়িগুলো প্রায় সাত লক্ষ মাইল পথ পাড়ি দেয় বলে জানিয়েছে গুগল৷

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার হাইওয়েতে যেহেতু একটি নির্দিষ্ট লেন ধরে গাড়িগুলো চলেছে তাই মোটামুটি সহজই ছিল সেই পথ চলা৷

কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে চালকবিহীন গাড়ির চল শুরু করতে হলে তাকে শহরের রাস্তায় চলাচলেরও উপযোগী হতে হবে৷ সে লক্ষ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার দ্বিতীয় পর্যায় শুরু করেছে গুগল৷ এ ব্যাপারে গুগলের অফিসিয়াল ব্লগপোস্টে একটি ব্লগ লিখেছেন এই প্রকল্পের পরিচালক ক্রিস উর্মসন৷

তিনি জানিয়েছেন, গাড়ির সফটওয়্যারে অনেক উন্নতি আনা হয়েছে যেন গাড়িটি নিজে থেকেই পথচারী সহ রাস্তায় থাকা অন্যান্য যানবাহনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে পারে৷ এছাড়া কোথাও ট্রাফিক পুলিশ ‘স্টপ' লেখা কিছু নিয়ে দাঁড়িয়ে গেলে সে অনুযায়ী কাজ করা কিংবা কোনো সাইকেল আরোহী যদি হাত দেখিয়ে দিক পরিবর্তন করতে চায় তাহলে সেটা বুঝে সেই অনুযায়ী চলা – এ সব কাজে যেন চালকবিহীন গাড়ি পারদর্শী হয়ে ওঠে সেই চেষ্টা চলছে৷

ভিডিও ক্যামেরা, রাডার সেন্সর ও লেজারের ব্যবহার এবং আশেপাশের গাড়ি থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে সামনে চলতে সমর্থ হবে এই গাড়ি৷

গুগলের আশা, ২০১৭ সালের মধ্যে চালকবিহীন গাড়ির প্রযুক্তি ব্যবহারের উপযোগী হবে৷ অর্থাৎ সেসময় হয়ত গুগলের বাইরের গাড়ি চালকদের পরীক্ষামূলকভাবে এই ধরণের গাড়ি চালাতে দেয়া যাবে৷

এরপর সেটাকে পুরোপরি বাণিজ্যিকীকরণ করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে আরও কয়েক বছর লাগবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা৷ যেমন স্বয়ংক্রিয় যানবাহন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডেভিড আলেকজান্ডারের ধারণা, চালকবিহীন গাড়ি হাতে পেতে ব্যবহারকারীদের ২০২৫ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে৷

তবে গুগল নিজেই চালকবিহীন গাড়ি নিয়ে আসবে, নাকি তার উদ্ভাবিত সফটওয়্যার কোনো গাড়ি নির্মাতা কোম্পানিকে দেবে, সেটা এখনো পরিষ্কার নয়৷

উল্লেখ্য, চালকবিহীন গাড়ি নিয়ে যে শুধু গুগলই কাজ করছে তা নয়৷ নিশান, ফল্কসভাগেন, টয়োটা, মার্সেডিজ-বেনৎস কোম্পানিও এক্ষেত্রে তাদের গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে৷-রয়টার্স

Photos 04/05/2014

প্রাণ রক্ষায় আসাম ছাড়ছেন মুসলমানরা.......

উগ্রপন্থীদের হামলা থেকে নিজেদের প্রাণ রক্ষায় ভারতের আসাম রাজ্য ছাড়ছে বাংলাভাষী মুসলমান ও বোদো সম্প্রদায়। আরো সহিংসতা হতে পারে এমন আশঙ্কায় তারা আসাম ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছে বলে জানা যায়।

শুক্র ও শনিবারের হামলায় নারী ও শিশুসহ ৩২ জন নিহত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত হাজারো বাংলাভাষী মুসলমান আসাম ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

সহিংসতা প্রতিরোধে আক্রান্ত কোঁকরাঝাড়, বাকশা ও চিড়ং জেলায় কারফিউ জারি ও অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করা হলেও গ্রামবাসী ভয়ে দিন কাটাচ্ছে। তাদের আশঙ্কা, যেকোনো সময় আবারো হামলা করতে পারে উগ্রপন্থীরা।

পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল এসএন সিং জানান, সহিংসতার ভয়ে এ পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার গ্রামবাসী পালিয়ে গেছে।

তিনি আরো জানান, এখন পর্যন্ত ২০ সন্দেহভাজন হামলাকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

অন্যদিকে ওই অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সেনা টহল অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া মোতায়েন রয়েছে বিএসএফসহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় বাহিনী। খুব শিগগিরই দেশটির কেন্দ্রীয় বাহিনীর ১০টি কোম্পানি রাজ্যে এসে পৌঁছাবে বলে পুলিশ ইনসপেক্টর জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ভয়ে আসাম ত্যাগ রোধে সরকার যথাযথ প্রচেষ্টা চালালেও আবারো হামলায় ভয়ে ২৫ টি বোদো পরিবার কোঁকরাঝড় থেকে দুবরি জেলার মুসলিম অধ্যুষিত ফকিরাগ্রামে আশ্রয় নিয়েছে।বাঙালি মুসলিমদেরও মালপত্র নিয়ে ফকিরাগ্রামের দিকে ছুটতে দেখা যায়।

পুলিশ দাবি করেছে, নির্বাচনকে ঘিরে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এনডিএফবি) এই হামলা চালিয়েছে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া ও এনডিটিভি

Photos 03/05/2014

প্রকাশ্যে পরমাণু-ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করল সৌদি আরব.....

মধ্যপ্রাচ্যে প্রকাশ্যে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শনকারী প্রথম দেশ হওয়ার রেকর্ড গড়লো সৌদি আরব।

২৭ বছর আগে চীন থেকে কেনা ডিএফ-তিন মডেলের এইসব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রথমবারের মত গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) ইরাক ও কুয়েত সংলগ্ন সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর 'হাফার আল বাতিন'-এ এক সামরিক কুচকাওয়াজে প্রদর্শন করা হয়।

এইসব ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা হলো দুই হাজার ৬৫০ কিলোমিটার। প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র দুই হাজার ১৫০ কেজি বিস্ফোরক বহনে সক্ষম এবং তা এক থেকে তিন মেগাটন মাত্রার একটি পরমাণু বোমায় সজ্জিত।

এই সামরিক কুচকাওয়াজে উপস্থিত ছিলেন শীর্ষস্থানীয় সৌদি সেনা কর্মকর্তারা এবং সৌদি যুবরাজ ও উপপ্রধানমন্ত্রী সালমান বিন আবদুল আজিজ। পাকিস্তানের সেনা প্রধান রাহিল শরিফ ছাড়াও বাহরাইনের রাজা হামাদ এবং আবুধাবির যুবরাজ শেখ মুহাম্মাদ বিন জায়েদও এই অনুষ্ঠানে সৌদি সেনাদের অভিবাদন গ্রহণ করেন। সৌদি রাজা 'আবদুল্লাহর তরবারি' শীর্ষক সামরিক মহড়া শেষ করা হয় এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

ইসরাইলি গোয়েন্দা সংবাদ মাধ্যম 'দেবকাফাইল' এ ঘটনা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছে, এই ঘটনার মাধ্যমে সৌদি সরকার ইরানের সঙ্গে অস্থায়ী পরমাণু সমঝোতা ও আলোচনায় মশগুল ওয়াশিংটনের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা পাঠিয়েছে। এ ঘটনা এটাও তুলে ধরেছে যে, সৌদি সরকার পরমাণু ক্ষেত্রে এখন কেবল আমেরিকার ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং রিয়াদ পাকিস্তান ও চীনের সহায়তা নিয়ে তার নিজস্ব পারমাণবিক বাহিনী গড়ে তুলেছে। –আইআরআইবি।

Photos 01/05/2014

কপিল শর্মা কি শাহরুখ খানের চেয়েও জনপ্রিয়?

ফেসবুকের অফিসিয়াল ফ্যান পেজে কমেডি রাজা কপিল শর্মা এবার রোমান্সের রাজা শাহরুখ খানের চেয়ে বেশি লাইক পেয়েছেন।

শাহরুখ খান যেখানে ৮.৩ মিলিয়ন লাইক নিয়ে খুশী আছেন সেইখানে কপিল শর্মার লাইক প্রায় ৯.৩ মিলিয়নেরও বেশি।

শর্মার জনপ্রিয়তা তার নিজের তৈরি কমিডি ‘কমিডি নাইটস উইথ কপিল’ করে বেড়েছে। মজার বেপার হলো শাহরুখ খানও ‘ফৌজি’ নামক একটি টিভি সিরিয়াল করেন যার পরপরই তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। তিনি সুপার স্টার হওয়ার আগে আরও কিছু সিরিয়াল করেন।

শাহরুখ খান কপিল শর্মার অনুষ্ঠানটি এতটাই পছদ করেন, যার ফলে সে ওই অনুষ্ঠানে দুইবার আসেন।

কপিল শর্মা ইয়াইআরএফ নামক একটি বড় প্রতিষ্ঠানের সাথে তিনটি চলচ্চিত্রের জন্য চুক্তি করেছেন। ফলে তিনি ওজন কমানোর কাজে ব্যস্ত রয়েছে।

Photos 01/05/2014

জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে কফিনগুলি। ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে কাঠের পাটাতন, পানির কলস, ভাঙাচোরা বাসনপত্র। অথচ প্রায় অক্ষত রয়ে গেছে কফিনগুলিতে শায়িত ৫০টি মমি! কায়রোর দক্ষিণে ‘কিং অব ভ্যালি’-র কাছে সন্ধান মিলল খ্রিস্টপূর্ব চতুর্দশ শতকের এ রকমই এক সমাধিক্ষেত্রের।

বাসেল ইউনিভার্সিটির প্রত্নতত্ত্ববিদদের দাবি, অষ্টাদশ ফারাও সাম্রাজ্যের রাজা, রানি ও তাদের পরিবারের অন্য সদস্যদের সমাহিত করা হয় এখানেই। এর পর খ্রিস্টপূর্ব উনবিংশ শতকের শেষে এই সমাধিক্ষেত্রে লুটপাট করে আগুন লাগিয়ে দেয় সেখানে চোরেরা।
ফারাও রাজত্বের কনিষ্ঠতম শাসক তুতানখামেনের মৃত্যু ঘিরে গত তিন বছর ধরে লুক্সর শহরের এই ‘কিং অব ভ্যালি’-তেই গবেষণা চালাচ্ছেন প্রত্নতত্ত্ববিদেরা। সেই সূত্রেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় চলছে খননকাজ। সম্প্রতি মাটি থেকে ছয় মিটার গভীরে এই সমাধিক্ষেত্রটি চোখে পড়ে তাদের। ২০ ফুট জুড়ে এই সমাধিক্ষেত্রে আড়াআড়ি ভাবে ছিল ৫০টি সমাধি।

সমাধিগুলির পাশে নাম খোদাই করা কাঠের পাটাতনগুলিও প্রায় অক্ষতই রয়েছে। তার থেকেই প্রায় ৩০ জনের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

পাটাতনে খোদাই করা হিয়েরোগ্লিফিক্স থেকেই জানা গেছে, এখানেই সমাহিত করা হয়েছিল ফারাও তুতমোসিস চতুর্থ ও আমেনহোতেপ তৃতীয়কে। সমাধিক্ষেত্রে সন্ধান মিলেছে সদ্যোজাত কিছু শিশুর মমিরও।

গবেষকদের দাবি, এখানেই সমাহিত করা হয়েছিল অষ্টাদশ ফারাও সাম্রাজ্যের অন্তত চার রাজা, নয় যুবরাণীকে। সন্ধান মিলেছে কিছু বিদেশীর মমিরও। মমিগুলির পাশে প্যাপিরাস কাগজের মণ্ড, ছেঁড়া পোশাক ইত্যাদি পাওয়া যায়।

গবেষকরা আরো বলেন, খ্রিস্টপূর্ব চতুর্দশ শতকের আগেও হয়তো ব্যবহার করা হতো সমাধিক্ষেত্রটি। উদ্ধার হওয়া ছোট ধাতব কলস ইত্যাদি থেকে অনুমান করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব নবম শতকেও ‘কিং অব ভ্যালি’-তে সমাহিত হত কফিন। এখানে উদ্ধার হওয়া কফিনগুলির বেশ কয়েকটির গায়ে ‘প্রিন্স’ এবং ‘প্রিন্সেস’ শব্দ খোদাই করা রয়েছে। তবে দুই তৃতীয়াংশ কফিনের গায়েই তেমন কিছু খোদাই করা নেই।

সমাধিক্ষেত্রের একদম মাঝখানে রয়েছে একটি ঘর। তিন দিকে আরো তিনটি। কিছুটা দূরে আরও একটি। সব মিলিয়ে ভূগর্ভস্থ মোট পাঁচটি ঘরের সন্ধান মিলেছে। মাঝখানে রয়েছে যাতায়াতের পথও।

অষ্টাদশ ফারাও রাজাদের এই সমাধিক্ষেত্রটি মিশরের ইতিহাসে নতুন কোনও অধ্যায়ের সূচনা করবে বলেই দাবি প্রত্নতত্ত্ববিদদের।

মিশর বিশেষজ্ঞ সুজানে বাইকেল বললেন, “আশা করি, এ বার হয়তো জানা যাবে প্রাচীন মিশরে মানুষের জীবনযাত্রা ঠিক কেমন ছিল।” সূত্র: মেইল অনলাইন

Photos 30/04/2014

ঘেরাও হচ্ছে রাশিয়া, রোমানিয়ায় কানাডার জঙ্গি বিমান.......

পূর্ব ইউরোপের দেশ রোমানিয়ায় ছয়টি জঙ্গিবিমান পাঠিয়েছে কানাডা। পূর্ব ও মধ্য ইউরোপে ন্যাটো যে সামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সদস্য হিসেবে কানাডা জঙ্গিবিমান পাঠিয়ে তাতে অবদান রাখলো।

ইউক্রেন নিয়ে আমেরিকা ও ন্যাটো জোটের সঙ্গে রাশিয়ার যখন তীব্র টানাপড়েন চলছে তখন এ পদক্ষেপ নিল কানাডা।

কানাডার কুইবেক বাগোতভিল বিমান ঘাঁটি থেকে এসব বিমান এনে মঙ্গলবার রোমানিয়ায় মোতায়েন করা হয়। বিমান উড্ডয়নের সময় সেখানে উপস্থিতি ছিলেন কানাডার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রব নিকোলসন। তিনি পাইলট ও সহকারীদের বলেন, ইউক্রেন সংকটের কারণেই তাদেরকে রোমানিয়ায় পাঠানো হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, “পূর্ব ও মধ্য ইউরোপে ন্যাটো জোট যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে শিগগির আপনারা আমাদের মিত্রদের সঙ্গে মিলিত হয়ে তাতে অবদান রাখবেন। ইউক্রেন সংকটের সমাধান ও দেশটির জনগণের মধ্যে যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা রয়েছে তা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় সমর্থন দেয়া হবে একটি মৌলিক কাজ।

এদিকে, ডেনমার্কও ওই এলাকায় চারটি জঙ্গিবিমান পাঠিয়েছে। ফ্রান্স এবং বৃটেন পাঠিয়েছে আটটি জঙ্গি বিমান।

পশ্চিমাদের এসব তৎপরতায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শইগু উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, রুশ সীমান্তে আমেরিকা ও তার মিত্ররা অসম সামরিক তৎপরতা শুরু করেছে।

Photos 29/04/2014

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অবৈধ ও অসভ্য: রাশিয়া...........

রাশিয়ার ওপর সর্বশেষ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে মস্কো বলেছে- এ পদক্ষেপ অবৈধ ও অসভ্য।

রাশিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াভকভ সোমবার বলেছেন, “মস্কোর ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য নিষেধাজ্ঞার নামে যেসব ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে আমরা তার চরম নিন্দা জানাই।”

তিনি বলেন, “ভিনদেশিদের যেকোনো একতরফা নিষেধাজ্ঞা স্বাভাবিকভাবেই অবৈধ। তারা আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে সভ্য আচরণের প্রথা অনুসরণ করতেই শুধু ব্যর্থ হয়নি বরং তারা আন্তর্জাতিক আইনের দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক পদেক্ষপ নিয়েছে।”

এর আগে সের্গেই রিয়াবকভ বলেছিলেন- মার্কিন নিষেধাজ্ঞার নিশ্চিত জবাব দেবে মস্কো যা হবে ওয়াশিংটনের জন্য বেদনাদায়ক প্রভাব।

হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে- রাশিয়ার সিনিয়র সাতজন কর্মকর্তা এবং ১৭টি কোম্পানির ওপর আমিরকা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যারা প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বিশেষভাবে ঘনিষ্ঠ।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dubai?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

Dubai
80070