ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশ্যে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিলো হুথি বাহিনী।
কিন্তু সৌদির আকাশ সীমা দিয়ে যাওয়ার সময় সৌদি এটিকে ভূপাতিত করে।
ভিডিওটি মদীনা থেকে ধারণ করা হয়েছে।
#কালেক্টেড
Fairness
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত যা বলব সব সত্য বলে যাব! যতদিন বাচবো সত্যের কথা বলে যাব আল্লাহ ছাড়া কাউকে করিনা ভয়!
-ছাত্রলীগ আমাকে মারছে।
-ছাত্রলীগ একটা সন্ত্রাসী সংগঠন। ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ চাই।
-ছাত্রদল আমাকে মারছে।
-ছাত্রদল একটা সন্ত্রাসী সংগঠন। ছাত্রদল নিষিদ্ধ চাই।
-শিবির আমাকে মারছে।
-শালা শাহবাগী, মিথ্যুক, কাফের, নাস্তেক , দালাল, দোসর। শিবির মারছে প্রমাণ কই? মারার সময়ের ছবি কই? হামলাকারীদের শিবিরের মেম্বারশিপ কার্ড কই?
শিবিরের কোনো প্রোগ্রামে হামলাকারীদের ছবি কই?
-ভাই তদন্ত করে দ্যাখেন।
-শিবির একটা মেধাবী সংগঠন। শিবির যারা করে তাদের মেম্বার হতে ৭৯ টা বই পড়তে হয়। শিবির যারা করে তাদের সবার সিজিপিএ ফোর। শিবির যারা করে তারা একমাত্র খাঁটি দেশপ্রেমিক সহিহ বিপ্লবী। শিবিরই জুলাইয়ের প্রকৃত মাস্টারমাইন্ড। শিবির মারলে ভালোর জন্য মারছে। শিবির মারলে সওয়াব হয়।
১৯৯৭ সালে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক দখলের জন্য পলিটেকনিক ছাত্রসংসদের ভিপি জিএসকে প্রথমে কোপায় তারপর রগ কেটে হত্যা করে। এরপর আলোচিত এইট মার্ডারের কথা বলা বাহুল্য। আশির দশকে চট্টগ্রামে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখলের জন্য শিবির যে আন্ডারগ্রাউন্ড প্রোগ্রাম চালায় তা কয়জনে জানে। শিবির প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকার কটেজগুলি মেস হিসাবে ব্যবহার করে। তারপর গরীব কর্মীদের ঐ এলাকায় বিয়ের ব্যবস্থা করে। এমনকি রিকশাওয়ালা মুদিদোকানে বিনিয়োগ করে ক্যাডার তৈরী করে।
দেখেন কথা আর কাজে মিল আছে কিনা....!?
18/02/2025
চট্টগ্রাম সিটি কলেজ চত্বরকে বলা হয় তবারক চত্বর। এই তবারক চত্বর হলো সিটি কলেজ ছাত্র সংসদের এজিএসের নামে। তিনি কিভাবে মারা গিয়েছিলেন- জানেন? শিবির ক্যাডারদের হাতে নিজ ক্যাম্পাসে কিরিচের কোপের পর কোপে। মূমুর্ষ অবস্থায় মারা যাওয়ার পূর্বে তবারক পানি চাইলে এক শিবির কর্মী তার মুখে প্রস্রাব করে দেয়। আমি জানি না এই ইতিহাস শোনার পর আপনি শিবিরকে কেন দোষী করবেন? একজন মানুষকে কুপিয়ে হত্যা করার জন্য নাকি জনসম্মুখে গোপানাঙ্গ প্রদর্শন করার জন্য।
যাক আরেকটা ঘটনা বলি।শাহাদাতের ব্যবহারিক পরীক্ষা পরদিন সকালে। সেই রাতে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে বেশ রাত করে ঘুমাতে যায় শাহাদাত। তার সাথে একই রুমে থাকত তার দুই বন্ধু। নাম যতটুকু মনে আসছে শফিক-মামুন। সেই রাতে রুমমেট দুইজন শাহাদাতকে ঘুমের মধ্যে জবাই করে হত্যা করে। শাহাদাতের অপরাধ কি ছিল জানেন? দুই রুমমেটের দাওয়াতি ডাকে সাড়া না দেয়া, ই-স-লা-মী ছাত্র শিবিরে যোগ না দেয়া। শাহাদাতের নামেও চট্টগ্রামে একটা চত্বর আছে।ঠিক স্মরণে আসছে না কোথায়- সম্ভবত নিউমার্কেট বা তার আগে কপার হাউজের মোড়ে।
১৯৯৭ সালে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক দখলের জন্য পলিটেকনিক ছাত্রসংসদের ভিপি জিএসকে প্রথমে কোপায় তারপর রগ কেটে হত্যা করে। এরপর আলোচিত এইট মার্ডারের কথা বলা বাহুল্য। আশির দশকে চট্টগ্রামে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখলের জন্য শিবির যে আন্ডারগ্রাউন্ড প্রোগ্রাম চালায় তা কয়জনে জানে। শিবির প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকার কটেজগুলি মেস হিসাবে ব্যবহার করে। তারপর গরীব কর্মীদের ঐ এলাকায় বিয়ের ব্যবস্থা করে। এমনকি রিকশাওয়ালা মুদিদোকানে বিনিয়োগ করে ক্যাডার তৈরী করে।
এই সময়ে তাদের ভয়ংকর গ্রুপ ছিল সিরাজুল- সালেহীন গ্রুপ যারা ত্রাস সৃষ্টি করে ছিল হাত পায়ের রগ কাটার মাধ্যমে। এই গ্রুপ চট্রগ্রাম থেকে গিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নৃশংসতা প্রর্দশন করার ঘটনাও আছে। শিবিরের রগকাটার ইতিহাস ও কলংক শুরু হয় এই গ্রুপের মাধ্যমে।
#সমাপ্ত #সংগ্রহীত
ছাত্রদলের একটা পোলা আছিলো, নাম নুরু। ওরে ক্রসফায়ার দিয়া মাইরা ফেলা হইসিল। ওরে যখন রক্ষীবাহিনী গুলি করতেছিল,তখন ওর রুহ কবজ করতে আইসা আজরাইল দেখলেন মানুষ কোরবানির গরু জবাইয়ের পর সেই গরুর হাত-পায়ের বান্ধন খুইলা দেয় জান চইলা যাওয়ার সময়, কিন্তু বাংলাদেশ নামক স্থানে একজন আশরাফুল মাখলুকাতের জান চইলা যাওয়ার সময় ও তার হাত-পায়ের বান্ধন খোলা হয় না।
বিশ্বাস করবেন, আমার কাছে লেখক মোশতাক এর হ্যান্ডকাফ লাগানো অবস্থায় রুহ চইলা যাওয়ার এই ঘটনা নতুন লাগে না!
কারন, আমি ছাত্রদলের মিলন নামের এক পোলারে চিনি,যারে রক্ষীবাহিনী রিমান্ডে নিয়া হাত আর পাওয়ের বিশটা নখ তুইলা নির্মম ভাবে হত্যা করছিলো।
আমি ছাত্র শিবিরের সোহান নামের এক পোলারে চিনি,যারে রক্ষীবাহিনী মাইরা ফেলবার আগে চোখ তুইলা অন্ধ কইরা দিছিলো।
লাশ,গুম,খুন দেখতে দেখতে কেমন জানি এখন এসব সহ্য হয়া গেছে।
বিশ্বাস করবেন, আমি লাশ দেইখা ভয় পাই না,ভয় পাই সেই লাশের সুরতহাল করতে নিয়া আসা রক্ষীবাহিনীকে দেখলে।
সংগৃহিত
গতকালই পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত হবে না বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানিয়ে দেয়া হল। আর আপনারা আজ বিজয় দিবস পালন করছেন? আপনারা কিসের বিজয় লাভ করেছেন? আপনারা তো এখনো পরাজিত!
দুদিন আগে ভারতের সাথে ক্যান্টনমেন্টের বৈঠক এই তদন্তকে থামিয়ে দেয়। আজ নরেন্দ্র মোদি বিজয় দিবস নিয়ে পোস্ট দিল। যেখানে বাংলাদেশ শব্দটি একবারও সে উল্লেখ করে নাই।
বুঝতেই পারছেন, আপনারা কেমন বিজয় অর্জন করেছেন আর কেমন স্বাধীনতা পেয়েছেন! ©
ইসকন আর সনাতনী এক নয়!
আমরা ভারতীয় উগ্রবাদী সংগঠন ইসকন এর বিরুদ্ধে। হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে নয়।
এই জ*ঙ্গি*কে অবিলম্বে কঠিন শাস্তি দেওয়া হউক!
বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক।
একটা ভালো পরিবারের সন্তান। প্রেম ও পরিবারের সদস্যদের একের পর এক মৃত্যু তে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। বিভিন্ন জায়গায় ভাতের খোঁজে ভবঘুরে অবস্থায় যেতো। বেশির ভাগ সময়ই হোটেলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতো। হয়তো ওখানেও সেজন্য গেছিলো।
আহ আফসোস। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে মেরে ফেললো।
জামায়াত ও আওয়ামী লীগ মিলে কখনো ইসলাম হবে না!
-হবে মুনাফিক।
02/09/2024
দুই দুইটা পরমাণু বোমা ফেলে লক্ষ মানুষ মেরেও আমেরিকা যদি জাপানের বন্ধু হতে পারে! 🙂
২০০ বছর সীমাহীন শোষণ করেও ইংল্যান্ড ভারতের বন্ধু হতে পারে! 🙂
তাহলে কোন যুক্তিতে পাকিস্তান বাংলাদেশের বন্ধু হতে পারে না?? পাকিস্তান যত খারাপই হোক ভারত কে সঠিক লাইনে আনতে তারা আমাদের সাথে বেইমানি করবে না । এখন পাকিস্তানের সাথে সামরিক বেসামরিক লেনদেন ব্যবসা বাণিজ্য পুরোদমে চালু করা হোক। আর যাদের পাকিস্তানের নাম শুনলেই গা জ্বলে তারা যেনো ভারতে পাড়ি জমায়।
কপি পোষ্ট
এই হইলো ১৬ বছরে উন্নয়নের নমুনা।
এতো পানি কই রাখবো? পদ্মা সেতুতে নাকি মেট্রোরেলে? নাকি স্যাটেলাইটে পাঠিয়ে দিব??
সারা বছর ইলিশ খাওয়াইলেন, আম পাঠাইলেন,
দেশের বুক চিরে রেললাইন দিলেন, ট্রানজিট দিলেনম, মংলা বন্দর দিলেন, ২৬ লাখ চাকরি দিলেন, কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প দিলেন, ঢাকা ছাড়া বাকি ৬৩ জেলার কোথাও বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরি না করে বছর বছর রোগী পাঠাইলেন !!
দিনশেষে কি পেলাম? বন্যার পানি! 🙂
সময় এসে গেছে ফারাক্কার ৪০কিলোমিটার দুরে ৭৫০০ ফিট উচ্চতার দ্বিতীয় ফারাক্কা বাধ নির্মাণের। মাঝ রাতে মানুষের ঘুমন্ত অবস্থায় বাধ ছেড়ে দিয়ে
তারা আজীবনই পৈচাশিক আনন্দ পায়।
তারা বর্ষায় যা পানি দেবে এই ৪০ কিলোর মধ্যেই থাকবে আর যদি এর চেয়ে বেশি পানি ছাড়ে তো তাদের দেশেই সেই পানি চলে যাবে কারন তাদের বাধের উচ্চতা ৭৩৫০।
আর গ্রীষ্মকালে তারা পানি দিতে চায়না এই পানি আমরা তখন আমাদের সুবিধা মতো নিয়ে নিবো। তাই সময় এসেছে এখন আমাদের দ্বিতীয় বাধ নির্মাণের। আমরা চাইলেই সামনে দিয়ে আরেকটা বাঁধ নির্মাণ করতে পারি।
বিদেশে পাচারকৃত টাকা গুলো এনে এই কাজ কার হোক।
পদ্মা সেতু যদি হইতে পারে তবে বাধও হইতে পারে। এবার তাহলে বাধের সামনে বাধই হউক বা স্থায়ী সমাধান হউক।
গর্জে উঠুক নতুন বাংলাদেশ আমরা ও দেখিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ ✊
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
404
Kabul
4400
