26/03/2018
লোভে পাপ পাপে মৃত্যু।
আসুন গ্রামের সুদের পরিণাম সম্পর্কে জানি
কিছু টাকার লোভে সুদে টাকা দিয়ে বিপাকে পড়েছে মাতাইন গ্রামের সুদ ব্যবসায়ীরা। আর যে সুদ গ্রহণ করেছে সে হল মনির মিয়া।মনির মিয়ার জন্মস্থান বাড়ি কান্দাইল গ্রামে। বিগত কিছু বছর ধরে মাতাইন উত্তর পাড়ায় জমি কিনে মনির মিয়া বসবাস করছেন। আর এই মনির মিয়াই বিভিন্ন লোকদের সুদ দেওয়ার কথা বলে লাখ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন প্রায় ১৫ জন ব্যক্তির কাছ থেকে এমনকি মাতাইনসহ রসুলপুর, কান্দাপাড়া, গদাইরচর, পাচরুখির ব্যক্তিদের থেকেও আবার বিভিন্ন কিস্তি থেকেও। সুদ ব্যবসায়ীরাও লোভে পড়ে টাকা দিয়েছিল। একজন সুদ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা আনার সময় তারা দুজন ছাড়া কেউ ব্যাপারটি জানতো না এবং তৃতীয় ব্যক্তিকেও না জানাতে বলেন।আর এভাবেই টাকা আনে অনেক লোকদের কাছ থেকে। কিছু দিন যাবৎ সুদ দিয়ে সুদ ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস অর্জন করেন মনির । তারপর কিছু মাস যাবৎ সুদ দিয়ে আসলেও এতো টাকার সুদ সবাইকে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বিধায় মনির সুদ দেওয়া বন্ধ করে দেয়।আর সুদ ব্যবসায়ীরা সুদের টাকা না পেয়ে, তাদের আসল টাকা চেয়ে বসে কিন্তু মনির টাকা দিয়ে দিবে বলে বল্লেও টাকা দিতে পারে নি। আর এতে একজন মনিরের বাড়িতে গিয়ে জোর গলায় টাকা চেয়ে বসলেই- ব্যাপারটি আস্তে আস্তে বাকি সুদ ব্যবসায়ীরা জেনে ফেলেন।আর এরপরই সকলে টাকা চেয়ে বসে কিন্তু টাকা কাউকেই দিতে পারে নি, টাকা দেওয়ার অবস্থাও ছিল না। সবার কথা শুনে বোঝা গেলো টাকার পরিমাণ ২২ লাখ টাকার মতো প্রায়। তারপর পাওনারদের ঘন ঘন টাকা চাওয়ার চাপে মনির মিয়া পোপনে ঘরের জিনিসপত্র কিছু বেঁচে চলে যায় শ্বশুর বাড়িতে , বাড়িরঘর ফেলে রেখেই। তারপর আজ ১ সপ্তাহ যাবৎ মনিরকে গ্রামের কোথাও দেখা যায় নি। এ দিকে বিপাকে পরে যায় সুদ ব্যবসায়ীরা।তারা বাড়িতে আসা যাওয়া করছে, মনিরকে তার শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে খুঁজছে, সেখানে মনিরের স্ত্রী সন্তানদের পাওয়া গেলেও মনিরকে পাওয়া যায় নি এবং জানা যায় শ্বশুরের কাছ থেকেও টাকা আনার কথা। এদিকে সুদ ব্যবসায়ীরা মনিরের বাড়ির দিকে চেয়ে আছে, ঘরবাড়ি যদি বিক্রি করে চলে যায়, তাহলে ত টাকা আদায় করা কষ্টকর হয়ে যাবে। মনিরের বাড়ি অবস্থিত ৫ ডিসিম জায়গার উপর। আর এই বাড়ি বিক্রি করার কথাও শোনা যায়, যা গোপনে বিক্রির কার্যক্রম চলছে। বাড়ি বিক্রির টাকা দিয়ে ও সবার টাকা পরিশোধ করতে পারবে না (আমি মনে করি আর গোপনে বাড়ি বিক্রি করলেও পরিশোধ করবে না) ঋণদান ব্যক্তিদের মধ্যে ৩ জন মহিলাও ছিল।তাদের কান্নাকাটির কথা শোনা যায় এবং কি পরিমান মধুর কথা শুনিয়ে তাদের নরম মন গলিয়ে টাকা নিয়েছিল তাও শোনা যায়। একজন মহিলা সবোর্চ্চ ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়েছেন শোনা যায়। এবং সর্বনিম্ন টাকা ছিল ৫০ হাজার টাকা।ঋণ বিতরণ করা ব্যক্তিদের কেউ কেউ বলছেন - মনির টাকা ধার নিয়েছেন, কেউ বলছেন বেশিদিন হয়নি সুদ খাওয়ার, কেউ বলছেন কষ্টের টাকা, কেউ বলছেন অল্প অল্প করে বড় অঙ্কের টাকা করেন ইত্যাদি । অবস্থা বিবেচনা করে বোঝা যাচ্ছে, সকলে টাকা পাওয়ার সম্ভাবনা ১ %।আবার শোনা যায় মনির বিদেশে যাওয়ার জন্য গোপনে ব্যবস্থা করছেন। অন্যদিকে ব্যাংক থেকে মোটা অংকের টাকা আনার জন্য জাবিনদারের প্রয়োজন হয়েছিল, একজন জাবিনদার হয়ও। কিন্তু কিস্তি ব্যাংকগুলো মনিরকে না পেয়ে জাবিনদারকে জেরা করছে। এখন জাবিনদার মহা ঝামেলায়। মনির ঢাকা মাল দেওয়ার ব্যবসা আছে শোনা যায়। অনেকে দুঃখে মনিরকে মারার কথা বলছে, খোঁজে পাচ্ছে না ।
#প্রশ্নঃ টাকা নিয়ে যাওয়াটা কি , সুদি ব্যবসায়ীদের জন্য উপযুক্ত শাস্তি বলে কি আপনি মনে করেন????
পরিশ্রম করে জীবিকা অর্জন করি, সুদ এর লোভে যেন এই কাজে না জড়াই।এতে পাপ থেকে বিরত থাকা যাবে, মান সম্মান সহ টাকা হারানোর ভয় থাকবে না।
#আসুন সুদ দেওয়া নেওয়া থেকে বিরত থাকি,কেননা সুদ ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম।আর এইটার কুফল যেন আশেপাশের লোকজনদেরকে বলে সচেতন করি।নিজে সচেতন হই, অন্যকে সতর্ক করি।
-------------------------------------------------------------------------
গ্রাম সম্পর্কে সত্য তথ্য দিয়ে আপনিও আমাদেরকে সহায়তা করতে পারেন, আপনি চাইলে আমরা আপনার পরিচয় প্রকাশ করবো না। আমাদের উদ্দেশ্য সত্য প্রকাশ করা।
25/03/2018
ঘটনা সত্য। মানিক বিচারকেরও অবৈধ অনৈতিক কাজের বিচার হয় নি। শুক্রবার কেরামতের বিচারও হয় নি। নিকট ভবিষ্যতে হবে কিনা কেবল আল্লাহ জানেন। কিন্তু আমরা চাই এই সকল কাজের কঠোর শাস্তিমূলক বিচার হোক, যাতে কারো সাহস যেন না হয় অপরাধ করার। কিন্তু বর্তমান সমাজপতিদের দ্বারা সম্ভব না কঠোর শাস্তি-আমি মনে করি।
Screenshot:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=827357587439406&id=100004955170990
24/03/2018
কালকেও বিচার হয়নি।
কোনো বিচারকই বিচার করতে আসে নি। অথচ বুধবারের বিচার একদিন পিছিয়ে শুক্রবার করা হয়েছিল।আর কাল শুক্রবার বিচারের তারিখ ঠিক করেও বিচারক বিচার না করার কারণে অনেকে এটাকে স্বাভাবিক ভাবে দেখছে না। ঘুষ খাওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বুধবার বিচার করতে আসা বিচারকভঙ্গিতে দেখা গেছে :- মিজান ভূঁইয়া, আলমগীর, রফিক, মানিক , মেম্বার লতিফ যারা ( আলমগীর ব্যতীত ) কেউই আজ বিচার করতে আসে নি। - বাদিপক্ষ দানিসের ভাই ইয়ানুস নাম উল্লেখ করে বলেন "সামাদ ভূঁইয়া ( বুধবার উপস্থিত ছিলেন না), মিজান ভূঁইয়া আরো কচি কাচা বিচারক ঘুষ খেয়েই বিচার করতে আসে নি।"( ঘুষ খাওয়ার ব্যাপারটির কোনো দলিল পাওয়া যায় নি) অনেকে ইয়ানুসের কথাটিকে যৌক্তিক মনে করছেন। অন্যদিকে আশে পাশের লোকজন বিচারকদের অনুপস্থিত নিয়ে তিব্র আলোচনা-সমিলোচনা করতে দেখা গেছে। আলোচনা-সমালোচনায় অনেক মহিলাও অংশগ্রহণ করেছে।
একজন মুরুব্বিকে বলতে শোনা গেল-- "বাদিপক্ষকে নিচ পেয়েই , বিচারক এই কাজগুলো করতে পারছে। বাদিপক্ষ বিত্তশালী ব্যক্তি হলে এই কাজ করার সাহস পেত না। অবশ্যই তারা ঘুষ খেয়েছে।" অন্যদিকে বিচার দেখতে আসা সকল ব্যক্তিই হতাশ হয়েছেন। একপর্যায়ে এই হতাশ ব্যক্তিদের নিয়ে ইয়ানুসের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়, কেরামত আলীরবিচার চাওয়ার দাবিতে। মিছিল এ মুরুব্বিদের দেখা না গেলেও প্রতিবাদি যুবকদের দেখা গেছে (বয়স:১২ থেকে ২০ বছর।সংখ্যা: ৩০ জন প্রায়) যারা এই অন্যায় মেনে নিতে পারেনি ( পুলাপাইন এর মিছিল)। মিছিলটির উদ্দেশ্য ছিল মিজান ভূঁইয়ার বাড়ি। কেরামত এর বিচার চাওয়ার স্লোগান দিয়ে মিজান ভূঁইয়ার বাড়ির সামনে গেলে- বাড়ির গেটের সামনে আগে থেকেই দাঁড়িয়ে থাকা মিজান ভূঁইয়া মিছিলটিকে এক ধমক মেরে মিছিলটির বিরোধীতা করে এবং রাগান্বিত মুখমণ্ডল নিয়ে এক দৌড়ানি দিয়ে মিছিলটিকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।শুনা যায়, মিছিলের কয়েকজন দাঁড়িয়ে থাকার সাহস করলেও শেষ পর্যন্ত ভিতু হয়েই দৌড় দেয়। মিছিলটির উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়েছে কিছু ভিতু যুবকের দৌড়ের কারনে, যারা নাকি মিজান ভূঁইয়াকে দেখেই কুত্তার মতো দৌড় দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মিজান ভূঁইয়ার মুখ থেকে শুনা যায় "বাইরাইয়া আড্ডি গুঁড়া কইরা লামু। বিচার করমু না। যা......" অন্যদিকে মাথায় রক্ত উঠা যুবকেরা শান্ত ভাবে, কেরামতকে খুঁজেছিল, বিচার নিজেরা মেরে করার জন্য, কিন্তু কেরামত কে ঘটনার প্রথম থেকেই দেখা গেল না। কেরামতের বড় ভাই.. আলম খানকেও দেখা গেল না,যে কিনা বুধবার অনেক চুলপাকনা কাজ করেছে। মোটকথা বিপক্ষকে কোনো রকম অবিচলিত দেখা যায় নি যা বুধবার দেখা গিয়েছিল। আবার অন্যদিকে, মাতাইন গ্রামের প্রাপ্তবয়স্ক যুবকদেরসহ সমাজসেবা সংঘগুলোর সমালোচনা করেছেন অনেকে। কেন তারা এই অনৈতিক কাজের প্রতিবাদ করে নি বা করছে না ? ওরা কি এই কাজ গুলোকে খারাপ দেখছে না? নাকি প্রতিবাদ করাটা ওদের সংঘের কাজের মধ্যে পড়ে না?
মাতাইন বেশ কিছু সমাজসেবা সংঘ আছে--- বন্ধন, স্থানী বন্ধন, ইসলামিক আল-ইকরাম, উত্তর পাড়ায় দিশারী। অথচ কারোর দেখা পাওয়া যায় নি ( অবশ্য দর্শক হিসেবে কিছু দেখা গেছে)।
১। আপনি এইটাকে কিভাবে দেখছেন ?
২। বিচারক ঘুষ কি খেয়েছে বলে মনে হয় ?
৩। বিচার না হওয়াতে কোনো প্রভাব পড়বে কি পরবর্তী যুবকের মাঝে?
৪। সমাজসেবা সংঘ গুলোর নিশ্চুপ আপনি সমর্থন করেন কি?
৫। বিচারক একযোগে বিচার না করার কারণ কি হতে পারে বলে মনে করছেন?
৬। আদৌ কি বিচার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে?
আমাদের জানান আপনার মতামত কমেন্টে আর ভিতু হলে মেসেজ এ। আশা করছি এই রকম আরো সঠিক তথ্য দিয়ে আমাদের বাধিত করবেন।
21/03/2018
#সচেতন_হন
বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটছে , আমাদের এই মাতাইন গ্রামে। অধিকাংশ ঘটনা গুলো সহনীয় পর্যায়ের হলেও আজকের ঘটনাটি সহ্য করার মতো না। বহুদিন ধরেই চাচির সাথে শারীরিকভাবে সম্পর্ক করে আসছে, মাতাইন উত্তর পাড়ার হারিজের ছোট্ট ছেলে কেরামত আলী( কত বড় সাহস থাকলে এই গুলো করতে পারে, ভাবা যায় না)। শোনা যাচ্ছে , প্রায় ১ বছর যাবৎ তাদের এই অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক। আর এই ঘটনাটা নাকি চাচি নিজেই স্বীকার করেছেন। চাচিকে বিভিন্ন ভাবে এই অবৈধ শারীরিক সম্পর্কের জন্য জ্বালাতন করত কেরামত, আর এই কুলাঙ্গারের কুপ্রস্তাবের এক পর্যায়ে সাড়াও দিয়ে ফেলেন চাচি।আর এভাবেই চলতে থাকে তাদের অবৈধ অনৈতিক সম্পর্ক (এক প্রকার ফুর্তি বলা যায়)। অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক চলছে তাদের মধ্যে কেউ একজন ধারনা করতে পারলেই, ঐ চাচিটি সব কিছু বলে দেয় অবৈধ শারীরিক সম্পর্কের কথা। আর অন্য দিকে চাচিটি ঐ কুলাঙ্গারের প্রেমে পড়ে যায়, এখন চাচি বিয়ে করতে চাচ্ছে , কেরামত কে বিয়ে করতে না পারলে #বিষ খাওয়ার কথা ও শোনা যায়। বলাবাহুল্য , চাচি তিন পুত্রের মা। অন্যদিকে চাচা, না কুলাঙ্গার যৌবন রস ভর্তি অবিবাহিত তরুণ।
বিচার হতে পারে আজকে, একটি স্বাস্থ্যসম্মত বিচার আশা করছি, কোনো ধরনের একপক্ষ, ঘুষ খাওয়া নয়।আর এই ঘটনার তিব্র প্রতিবাদ জানাই।
@@@@@
আমাদের সমাজটাকে ধ্বংস করার জন্য এই কুলাঙ্গারগুলোই যথেষ্ট (কেউ কেউ মনে করছেন)। এই কুলাঙ্গার গুলোকে কঠোর শাস্তির মাধ্যমে প্রতিহত না করলে, সমাজ এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির সম্মুখীন হবে। কোনোভাবেই এদের প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। আমাদের ছোট ছোট শিশুগুলো যখন তাদের এই কাজের কথা জানতে পারবে, তখন তাদের মধ্যে কি রকম অনুভুতি জাগবে তা একবার ভেবে দেখেছেন। মনে রাখবেন, শিশুরা অনুকরণ প্রিয়, কৌতুহল প্রিয় ( শিশুটা কে বুঝতে হবে)। আসুন, সবাই এই ধরনের খারাপ কাজের প্রতিবাদ করি, তা না হলে খারাপ কাজগুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। ফলে, শিশু ধর্ষণ, খুন খারাপ, মাদক ব্যবসায়ী, মাদক সেবন ইত্যাদি ভয়ংকর খারাপ কাজগুলো করার সাহস হবে বা করবে( অনেক এলাকায় হচ্ছেও)। এইগুলো এক ধরনের ভাইরাস সুতরাং আমাদেরকে এইগুলো কন্ট্রোল এ আনতে হবে, না আনলে বুঝতেই পারছেন। আমাদের সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে গ্রামের খারাপ কাজকে প্রতিহত করতে হবে। গ্রামটা আমাদের, গ্রামের ভালোটা আমাদেরই দেখতে হবে।
-------------------------------------------------------------------------
@মাতাইন গ্রাম সম্পর্কে জানতে বা কোনো কিছু জানাতে , আমাদের এই পেজ এ like দিয়ে জানাতে পারেন, Message এর মাধ্যমে। ধন্যবাদ
20/03/2018
মাতাইন গ্রামের কেউ admin হতে চাইলে। Comment কইরো
16/03/2018
ইসলামি বই পরুন📖📖
সুন্দর জীবন গঠন করুন 😊😊
16/12/2017
বিজয় দিবসে সবাই
কে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা
11/09/2017
আজ সকাল থেকেই প্রচুর ব্রজ্জপাত।এর মূল কারণ কি হতে পারে??????????????
22/05/2014
Amader gramti sobir moto......