19/07/2026
আমার এই পোস্টে ৩ টা ছবি শেয়ার করেছি।
প্রথম ছবিটা পাবনার সাঁথিয়ায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি শুক্কুর আলীর। হত্যার পরে যার লাশ ফেলে রাখা হয়।পরবর্তীতে পুলিশ সহ এলাকাবাসী লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছে।
দ্বিতীয় ছবিতে কুমিল্লার গুণবতী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।রেললাইনের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার হয়।উল্লেখ্য ৫ আগস্ট পরবর্তী বিএনপি জামায়াত তার উপর এর আগের হিসেবে ৫ বার আক্রমণ করেছে।বারবার সাহায্য চাওয়া সত্ত্বেও প্রশাসন কোনো ভ্রুক্ষেপই করেনি।
তৃতীয় ছবিতে পটুয়াখালী মির্জাগঞ্জ উপজেলায় এক আওয়ামী নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বাড়ি ভেকু দিয়ে গুড়িয়ে দিচ্ছে আলতাফ চৌধুরীর লোকজন।
এইসব কোন কাকতাল ঘটনা নয়।সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবেই করা হচ্ছে।প্রথমত, আওয়ামী জনগোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। দ্বিতীয়ত যদি সেটা সম্ভব না হয় সেক্ষেত্রে বাদবাকি সবাইকে ভড়কে দেয়া, আতঙ্কিত করার জন্য, যদি আওয়ামী লীগ করিস তাহলে তোদের পরিণতিও কিন্তু এইরকমটাই হবে।
চতুর্দিকে যা দেখতেছি বা শুনতেছি তাতে মনে হচ্ছে সামনে আমাদের জন্য আরো কঠিন সময় সমাসন্ন। ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে।মনোবল কঠিন থেকে কঠিনতর করতে হবে।আর সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সেই পরিস্থিতি ফেইস করতে হবে।মনে রাখবেন একা হলে হারি, দশে মিলে পারি।
বিএনপি জামায়াতের জন্য আমার সত্যিই করুণা হয়।২০০১-২০০৬ সালে তারা সারাদেশব্যপী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উপর যে বর্বরোচিত অত্যাচার করেছে তারপরও কিন্তু শেখ হাসিনা তাদের মাফ করে দিয়েছে।
২০২৪ এ এসেও তারা তাদের টেম্পারেচার ধরে রাখতে পারে নাই।ইতিহাস বলে,যারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না তাদের ধ্বংস অনিবার্য।
আওয়ামী লীগ যদি মিন করতো গত পনেরো বছরে বিএনপিকে নি:শেষ করে দিতে পারতো, অন্তত ২০০১ এর সরকারে তারা যা করেছিল তার বিনিময়ে। কিন্তু সেটা আমরা করিনি।
দেখা যাক এবার কি হয়.....
18/07/2026
পাকিস্তান ভাঙ্গতে পারে, তবে বালুচিস্তান স্বাধীন রাষ্ট্র হতে গেলে আওয়ামী লীগ ও একজন শেখ মুজিব লাগবে
-
প্রখ্যাত দার্শনিক হেগেল বলে গেছেন, একটা রাষ্ট্র হচ্ছে দুনিয়ার বুকে ঈশ্বরের পদযাত্রা। সেই রাষ্ট্র যারা প্রতিষ্ঠা করে, তাদের ঈশ্বরের মতো গুণাবলি থাকতে হয়। তেমনই ঐশ্বরিক নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। এখানে ঈশ্বরের মতো বা ‘ঐশ্বরিক’ মানে ধর্মীয় ঈশ্বর নয়। এখানে ‘ঐশ্বরিক’ মানে সামগ্রিক মানবীয় আদর্শ যার অস্তিত্ব ও চিন্তার ভিত্তি। যেগুলো হল তার মানুষদের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও প্রগতির চিন্তা ও সর্বোপরি থাকতে হয় ন্যায়বিচারের গুণ। রাষ্ট্রের অর্থ হচ্ছে তার নাগরিকের সাথে একটি অলিখিত চুক্তি। যে চুক্তি হয় ঐশ্বরিক সংজ্ঞায় ও প্রতিজ্ঞায়।
হাজার হাজার বছর আগে বেদ-উপনিষদ যারা লিখেছিলেন, তারা খেয়াল করেছিলেন যে লোভ, হিংসা, ভয় তথা ইন্দ্রিয়প্রভাবমুক্ত একটি মন—যেটা বিদ্যালয়ের শিক্ষায় অশিক্ষিত ও আইন-কানুন সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ হলেও—সেটা ন্যায়বিচার করতে পারে। বেদ-উপনিষদের ধারণায় সকল প্রাণের এই “ন্যায়বিচার” অংশটুকুর সমষ্টিই ঈশ্বর। মানুষের মন, মানুষের অবচেতন নিয়ে কাজ করা খ্যাতনামা মনোবিশ্লেষক কার্ল গুস্তাভ ইয়ুং বলেছেন, আমাদের মনের মধ্যে এমন কিছু আছে যেটা সার্বিক পর্যবেক্ষণে দক্ষ ও নিজে থেকেই ন্যায্য বিচার করতে পারে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বলে গেছেন:
“সরকারি কর্মচারীদের বলি, মনে রেখো, এটা স্বাধীন দেশ। এটা ব্রিটিশের কলোনি নয়। পাকিস্তানের কলোনি নয়। যে লোককে দেখবে, তার চেহারাটা তোমার বাবার মতো, তোমার ভাইয়ের মতো। ওরই পরিশ্রমের পয়সায় তুমি মাইনে পাও। ওরাই সম্মান বেশি পাবে। কারণ, ওরা নিজেরা কামাই করে খায়। আপনি চাকরি করেন, আপনার মাইনে দেয় ঐ গরিব কৃষক। আপনার মাইনে দেয় ঐ গরিব শ্রমিক। আপনার সংসার চলে ওই টাকায়। আমরা গাড়ি চড়ি ঐ টাকায়। ওদের সম্মান করে কথা বলুন, ইজ্জত করে কথা বলুন। ওরাই মালিক। ওদের দ্বারাই আপনার সংসার চলে।”
একজন ঐশ্বরিক নেতার সাথে সমাজের নিম্নতম স্তরের মানুষের সেই আধ্যাত্মিক, আত্মিক যোগাযোগটা থাকে সবসময়। সে হয় সমাজের নিম্নতম স্তরের মানুষের প্রতিনিধি। এবং সেটা শুধু উন্নয়নে যোগাযোগ নয়, সেটা হল মানুষের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের অধিকারের যোগাযোগ। তাই সে হয় ঈশ্বরের প্রতিবিম্ব। এমনকি সেটা শুধু জীবিত মানুষ নয়, মৃতদের আত্মার দায়িত্বও।
বঙ্গবন্ধু বলে গেছেন:
“আজ এ দিনে কেন বলছি একথা? অনেক বলেছি, এত বলার দরকার ছিল না। কিন্তু আমার চোখের সামনে মানুষের মুখ ভাসে। আমার দেশের মানুষের রক্ত ভাসে। আমার চোখের সামনে ভাসে আমারই মানুষের আত্মা। আমার চোখের সামনে সে সমস্ত শহীদ ভাইয়েরা ভাসে, যারা ফুলের মতো ঝরে গেল, শহীদ হল। রোজ কিয়ামতে তারা যখন বলবে, আমার রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করলাম, তোমরা স্বাধীনতা নস্যাৎ করছো, তোমরা রক্ষা করতে পার নাই, তখন তাদের আমি কী জবাব দেব?”
পঁচাত্তরে যারা বঙ্গবন্ধুকে খুন করেছিল তারা আজও ক্ষমা চায়নি। সেই খুনের পরবর্তী বিশ বছর তারা ‘বঙ্গবন্ধু’ শব্দটি বা তার দল আওয়ামী লীগের স্লোগান “জয় বাংলা” উচ্চারণ করলে চোখ রাঙানি দিয়েছে, মানুষকে তুলে নিয়ে গেছে, হেনস্থা করেছে। এই বিশ বছরেও তারা বঙ্গবন্ধুকে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলতে পারেনি কেন? কারণ বঙ্গবন্ধুর ঐ হেগেলীয় ঐশ্বরিকতা যেটি প্রতিটি নিপীড়িত মানুষের হৃদয়ের অংশ। তারাই সেটা ধরে রেখেছিল।
প্লেটোর রিপাবলিকে সবচেয়ে বিখ্যাত অংশগুলোর একটি হল গুহার উপমা, যাকে অ্যালিগরি অব দ্য কেভ বলা হয়। যেখানে প্লেটো একজন বন্দির গল্প বলেন যিনি একটি গুহায় বন্দি থাকাকালীন বাইরের দুনিয়ার কেবল ছায়া দেখতে পান এবং সেগুলোকেই বাস্তবতা বলে মনে করেন। কিন্তু যখন তিনি মুক্ত হন এবং বাইরে আসেন, তখন তিনি সত্যিকারের বাস্তবতা দেখতে পান।
এই উপমা জ্ঞানের সন্ধানে মানুষের যাত্রার প্রতীক এবং প্লেটো বিশ্বাস করতেন যে শিক্ষা মানুষকে ছায়া থেকে বাস্তব জ্ঞানের দিকে নিয়ে যায়। এখানে শিক্ষা অর্থ জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে দর্শনের শিক্ষা, যা শুধু পরিণত মানুষই অর্জন করতে পারে। বয়ঃসন্ধির অপরিণত মন থেকে মানুষ পরিণত মানুষ না হলে সেই শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া যায় না। নিজের মনের সেই গুহা থেকে সে বের হতে পারে না এবং বাস্তবতার বক্র, বিকৃত ছায়াগুলোকেই বাস্তবতা বলে মনে করে।
বালুচিস্তান রাষ্ট্র হতে গেলে সেখানে ঈশ্বরের পদযাত্রা কেউ অনুসরণ করেছে কিনা সেই খবর নিতে হবে। বালুচিস্তানের উঁচু পর্বতগুলোর গুহায় বন্দিরা গুহায় বন্দী হয়ে বাইরের ছায়া দেখে তার সাথে যুদ্ধ করছেন নাকি তাঁরা সত্যিই মুক্ত ও বাস্তবতা দেখছেন সেটা জানতে হবে। এবং তাঁরা উপনিষদের ‘ঐশ্বরিক’ মানে সামগ্রিক মানবীয় আদর্শ ও অস্তিত্বের জন্য লড়াই করছেন, নাকি শুধু্ই নিজ স্বার্থে করছেন সেটাও জানতে হবে। সেসব খবর এখনও আমাদের কাছে পরিষ্কারভাবে আসছে না।
© সিরাজুল হোসেন
17/07/2026
অধ্যাপক ইউনুস চট্টগ্রামেরই সন্তান। দেশজুড়ে এই মুহূর্তে বন্যা চলছে, বিশেষতঃ চট্টগ্রামে।
স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে, চট্টগ্রামের বন্যাপ্লাবিত অঞ্চলে ওর কর্মযজ্ঞের কথা শুনে— চক্ষু রীতিমতো চড়কগাছ হয়েছে।
নিজের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ব্যবহার করে চট্টগ্রামের বন্যার্তদের জন্য মানুষটা ইউএসএ, ফ্রান্স, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ের কাছে হাত পেতে দশ হাজার কোটি টাকা নিয়ে এসেছেন; খরচ করে চলছেন বানভাসী মানুষের কল্যাণে।
ইতালি, পোল্যান্ড এবং ডেনমার্ক থেকে আনবেন আরও তিন হাজার কোটি। গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে তিনি নামিয়ে দিয়েছেন বন্যার্তদের জন্য রান্নার কাজে। এদের কেউ রান্না করছেন, কেউ খাবার নিয়ে বন্যার্তদের কাছে ছুটে যাচ্ছেন, কেউ বা বিতরণ করছেন ঔষধপত্র। বন্যাকবলিত নারীদের স্বাস্থ্যসেবায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের নেতৃত্বে।
আরও আছে, ইউনুস সেন্টারের একঝাঁক চৌকস কর্মকর্তা, ইউরোপ থেকে আসা চিকিৎসকদের নিয়ে বন্যাপ্লাবিত অঞ্চলে দ্বারে-দ্বারে যাচ্ছেন ডা. তাসনিম জারা।
আর বন্যার্তদের জন্য আরও বড় তহবিল যোগাড়ে আন্তর্জাতিক মহলে অবিরাম তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন ইউনুস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোরশেদ।
মুহাম্মদ ইউনুস নিজে এই মুহূর্তে সার্বক্ষণিক চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন, নিজ উপজেলা হাটহাজারিতে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে সমন্বয় করে চলছেন ‘ইউনুস সেন্টার’-এর সুবিশাল বন্যা-মোকাবেলা কার্যক্রম।
ছিয়াশি বছর বয়সেও চব্বিশ ঘণ্টায় ঘুমুচ্ছেন মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টা।
আর বাংলাদেশের হলুদ গণমাধ্যম ওর এই কার্যক্রম সম্পর্কে একটা খবরও প্রকাশ করছে না।
নিভৃতচারী ইউনুসও ফেসবুক পেজে এসব পোস্ট করে বাহবা কুড়োতে চাইছেন না। তার কার্যক্রম ফেসবুকে দিতে মানা করে দিয়েছেন অন্যদেরকেও। আর ডা. জারা তো আরও একডিগ্রী উপ্রে। সেও ড. ইউনুসের মত তার কার্যক্রম অন্যেদের জানাতে ইচ্ছুক নন।
ড. ইউনুস আসলে অন্ধদেশে চশমা বিক্রি করতে এসেছেন। এসে ভুল করেছেন, লামিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ইউরোপ-আমেরিকা ঘুরে-ঘুরে বাকিটা জীবন পার করে দিলেই পারতেন।
'মুহাম্মদ ইউনুস’ নামক এই দেশপ্রেমিক মহাকায় মানুষটা নিজ এলাকার বানভাসী মানুষদের জন্য যা করে চলছেন, তা রীতিমতো গায়ে কাঁটা দেওয়ার মতো।
আমাদের প্রজন্ম, বর্তমান প্রজন্ম আমরা এখন সবাই বুঝতে পেরেছি বিশ্ব বরেণ্যেরা কেন শান্তিতে নোবেল দিয়েছিলেন এই মহাজাগতিক মানুষটাকে।
মাথা মোটা গাম্ভার্ড
17/07/2026
বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলায় আজ সন্ধ্যায় অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে গৌরনদী পৌর আওয়ামী লীগের সম্মানিত সাংগঠনিক সম্পাদক এবং গৌরনদী পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের বারবার নির্বাচিত জনপ্রিয় কাউন্সিলর, আমাদের সবার প্রিয় ও মোঃ লিটন ব্যাপারীর উপর গৌরনদী বন্দরে বিএনপি সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে।
এই বর্বরোচিত ও ন্যাক্কার জনক হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। আমরা এই বিএনপি সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি।
সবাই লিটনের জন্য দোয়া করবেন লিটন যেন দ্রুত সুস্থতা লাভ করে।
17/07/2026
"শোক সংবাদ !"
গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য,মাহিলারা নিবাসী মোঃ জালাল উদ্দিন সরদারের বাবা আজ ১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, আনুমানিক দুপুর ১ ঘটিকায় মৃত্যুবরন করছেন,
তাঁর মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোকাবহ পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি জ্ঞাপন করছি।
17/07/2026
১৯৭৭ সালে মার্কিন ডিপ স্টেট বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে তাদের অনুগত সামরিক অপশক্তিকে রাস্ট্র ক্ষমতায় বসিয়েছিল এবং দুই দেশে যে দুজন সামরিক শাসক তারা নিযুক্ত করেছিল দুজনের নামই ছিল জিয়া।
বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল রাস্ট্রপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করেন এবং সামরিক শাসন জারি করেন।
এর কয়েক মাস যেতে না যেতেই ১৯৭৭ সালের ৫ জুলাই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভূট্টোকে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরিয়ে জেনারেল জিয়াউল হক রাস্ট্র ক্ষমতা দখল করেন।
শুধু নামে নয়, এই দুই জিয়ার ক্ষমতা দখল, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দেশে সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদের চাষাবাদ, রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে যাকে খুশি বিনা বিচারে ফাঁসীতে ঝোলানো এবং শেষে নিজেরা নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া সহ অনেক ঘটনাতেই দুই জিয়ার প্রচুর মিল ছিল।
বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে রাজনীতিকে মারাত্মক হিংসাত্মক ও খুনী সন্ত্রাসীদের সরকারী মদদে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করে হত্যার রাজনীতি চালু করেছিলেন এই দুই জেনারেল জিয়া।
পাকিস্তানের অত্যন্ত চৌকষ রাজনীতিবিদ জুলফিকার আলি ভুট্টোকে এক প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে তরিঘড়ি করে ফাঁসীতে ঝুলিয়ে জেনারেল জিয়াউল হক টানা ১১ বছর পাকিস্তানের রাস্ট্র ক্ষমতায় টিকেছিলেন।
অন্যদিকে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ষড়যন্ত্র, কর্নেল তাহের সহ প্রায় ১২ শত সেনা সদস্যদের প্রহসনের বিচারে ফাঁসীতে ঝুলিয়ে ৪ বছর পর্যন্ত ক্ষমতায় টিকে ছিলেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান।
পাকিস্তানের পরবর্তি সরকার সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধান থেকে জিয়াউল হকের নাম মুছে দিলেও তার হাত ধরে পাকিস্তানের রাজনীতিতে যে ধর্মের ব্যবহার তা আজ পর্যন্ত বাদ দিতে পারেনি, ফলে ধর্মীয় উগ্রবাদ এবং জঙ্গীবাদের আতুড়ঘরে পরিনত হয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের সাধারন মানুষের কাছে এ যেন একটি জ্বলন্ত জাহান্নাম।
২৪ এর ৫ আগস্ট হতে সেই একই পথে হাঁটছে বাংলাদেশ, পুরোপুরি জাহান্নাম না হলেও ধর্মান্ধতা এবং সবকিছুতে ধর্মের ব্যবহারের ফলে সেই পাকিস্তানের মতোই জাহান্নামে পরিনত হতে যাচ্ছে। জিয়াউল হকের হাত ধরে যে নারায়ে তাকবির আল্লাহ আকবর শ্লোগানে পাকিস্তানে ধর্মীয় উগ্রপন্থার শুরু হয়েছিল সেই শ্লোগান এখন বাংলাদেশেও ব্যপক প্রসার পেয়েছে।
আমেরিকার প্রেসক্রিপশনে ধর্মকে ব্যবহার করে জেনারেল জিয়াউল হক পাকিস্তানের বিভিন্ন গ্রাম হতে নির্বোধ তরুন মুসলমানদের জোগাড় করে জিহাদের নামে হাতে অস্ত্র ধরিয়ে ট্রেনিং দিয়ে আফগান-রাশিয়া যুদ্ধে আফগানের পক্ষে যুদ্ধ করিয়েছিল।ঠিক একইভাবে এই আমেরিকার প্রেসক্রিপশনে ধর্মের নামে, জিহাদের নামে বাংলাদেশের অশিক্ষিত মুসলমানদের হাতে অস্ত্র ধরিয়ে ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে।
বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের যে ভয়াবহ ক্ষতি এই দুই জেনারেল জিয়া করে গেছেন, তার রেশ আরও কত বছর থাকে কে জানে ?
তবে এই দুই দেশের দুরত্ব অনেক হলেও পাকিস্তানের মানুষ তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে যে অনেক পরিমাণ পিছিয়ে গেছে তা তারা বুঝতে পারছে অনেক আগেই।
কিন্তু বাংলাদেশের অবস্থা খুবই ভালো একটা পর্যায়ে পৌঁছেছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যা থমকে দিলো ২৪ এ মার্কিন ডিপ স্টেট এর ষড়যন্ত্র ।আর তারপর থেকে দেশের অবস্থা খারাপ থেকে খারাপ হয়েছে যা বাংলাদেশের মানুষ এখন বুঝতে পারছে।
15/07/2026
সবুজ মিয়া।
চব্বিশের জুলাইয়ের প্রথম শহীদ।
সবুজ ছিল ছাত্রলীগ কর্মী যাঁকে ১৬ জুলাইয়ের দুপুরেই ঢাকা কলেজের সামনে জঙ্গীরা পিটিয়ে হত্যা করে।
সবুজের ঋণ শোধ হবেনা,,,
15/07/2026
বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই
গোপালগঞ্জের সাহসী সন্তানদের প্রতি।