08/11/2024
https://www.facebook.com/share/p/1M7uEF1W5Z/
📷
#মামলা না থাকার পরেও চলছে #গণগ্রেফতার; আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার নামে চলছে #নির্যাতন ও প্রহসন।
কোন #মামলা ছাড়াই ডিবি পুলিশ কর্তৃক অন্যায়ভাবে #গ্রেফতার হয়েছেন #বরগুনা জেলা #আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান নসা।
এই অন্যায় #আটকের নিন্দা ও বন্ধের দাবী জানাই।
20/10/2024
নতুন #বিচারপতি হিসেবে সগীর হোসেন লিয়ন কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যিনি ছিলেন বরগুনা-২ আসনে #বিএনপি'র মনোনয়ন প্রত্যাশী।
তাদের তথাকথিত নতুন #বাংলাদেশ কি আসলেই সাম্যের কথা বলে?
14/10/2024
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি
"সাংবিধানিক পদগুলিতে সরাসরি দেশবিরোধী এবং রাজনৈতিক দলের শীর্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ দেশে পাকিস্তানী ভাবধারা ফিরিয়ে আনার চক্রান্ত"
--------
এই অবৈধ সরকার পাকিস্তানী ভাবধারা ফিরিয়ে এনে দেশ ধ্বংসের মহাপরিকল্পনায় মেতে উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল রাজনৈতিক শক্তিকে ঘায়েল ও হেয় করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সাংবিধানিক পদগুলোতে তাদের পছন্দমত আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়ার চক্রান্ত শুরু করেছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আমরা জানতে পেরেছি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ একজনকে একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান করার চক্রান্ত চলছে যা বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য হুমকি স্বরূপ। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যদি রাজাকার-আলবদর জয়ী হতো তাহলে এদেশে যে শাসনব্যবস্থা কায়েম হতো বর্তমান এই অবৈধ সরকার দেশে সেই শাসনব্যবস্থাই শুরু করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ সেটা মেনে নেবে না।
আওয়ামী লীগ কখনও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান হিসাবে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিবেচনা করেনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সবসময় এই পদগুলোতে নিয়োগদানের পথ প্রসস্থ রেখেছিল। সাংবিধানিক পদগুলোতে দলীয়করণ একটি দেশের সুশাসনের হুমকিস্বরূপ। এই পদগুলোতে যখনই কোন রাজনৈতিক নেতারা আসীন হবে তখনই তারা তাদের পদগুলোকে তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল ও ঘায়েল করার কাজে ব্যবহার করবে। নিরীহ ও নিরপরাধ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ তাদের হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডের শিকার হবে। এবং শুধুমাত্র এই উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্যই বর্তমান অবৈধ সরকার দেশের সাংবিধানিক পদগুলোকে কলুষিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে যার ফল কখনোই ভালো হবে না। আজ যে উদ্দেশ্য নিয়ে তারা এই ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে একদিন তারাই সেসব কর্মকাণ্ডের শিকার হবে।
আমরা আশা করবো তারা তাদের এই ভয়ংকর ও আত্মঘাতী এইসব খেলা থেকে বিরত থাকবে। সেই পাকিস্তান আমল থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কে ধ্বংস করার জন্য বিভিন্ন সরকার নানা ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিয়েছে কিন্তু কখনও সফল হয়নি। এই অবৈধ সরকারও সফল হবে না। বরং ইতিহাস সাক্ষী যখনই ষড়যন্ত্র হয়েছে আওয়ামী লীগ সেই ষড়যন্ত্র থেকে শক্তি সঞ্চয় করে কয়েকগুণ শক্তি নিয়ে প্রত্যাবর্তন করেছে।
14/10/2024
বাংলাদেশে আরেকটি #দায়মুক্তি - আরেকটি #ইমডেমনিটি
----------
৫ আগস্ট দুপুর ১২ টার পর থেকে হাজার হাজার আওয়ামী লীগ নেতা কর্মী #হত্যা, পুলিশ #হত্যা, লক্ষ লক্ষ বাড়িঘর, অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও থানা #ভাংচুর, #লুটপাট ও #জ্বালিয়ে দেওয়া কোন কিছুরই বিচার হবে না?
এর নাম সংস্কার?
এর নাম আইনের শাসন?
12/10/2024
এই বাংলাদেশ চেয়েছিল দেশবাসী?
গত দুই মাসে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের শিকার ৬২৫, আহত ১০ হাজার
--
মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) এর রিপোর্টঃ
- আগস্ট মাসে হত্যা ৫৪১ এবং সেপ্টেম্বরে ৮৪ জন
- গণপিটুনিতে #নিহত ৬৫ জন
- সেপ্টেম্বরে ১১০ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের মধ্যে #ধর্ষণের শিকার ৪৪
- মবকিলিংয়ের #শিকার ৩৫ জন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন
- পাহাড়ে সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ জন #নিহত ও #আহত শতাধিক
- শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায় ১ শ্রমিককে #গুলি করে #হত্যা
- সেপ্টেম্বরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর #গুলি ও #হেফাজতে ৯ জন #নিহত
- সেপ্টেম্বরে ৯০ জন সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় আহত ২১
15/09/2024
- ত্রাণের টাকা মাইরা খাইছে।
- না না, টাকা একাউন্টে জমা আছে।
- টাকা কেন তুলছিলা?
- ত্রাণ দেয়ার জন্য।
- তাইলে টাকা একাউন্টে কেন?
- আমরা অডিট করতেছি হিসাব দেয়ার জন্য।
- টেকা খরচ না হইলে অডিট কিসের?
- কিছু তো দিছিলাম। সেটার খরচ।
- সবখরচের ইনভয়েস দিলেই তো হয়ে যায়। এ কি গ্রুপ অফ কোম্পানিজ নাকি যে ওভারহেড কস্ট, ডেপ্রিসিয়েশন, ওয়েজেস হিসাব করা লাগবে? হিসাব এতদিনেও দিচ্ছ না ক্যান?
- তুই ফ্যাসিবাদ, তুই দালাল, তুই ভারতীয়, বিপ্লব নৎসাৎ-এর ষড়যন্ত্র... এই সবাই রাজুতে আয়...
12/09/2024
১২ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো রিপোর্ট
৫–২০ আগস্ট: #হামলার শিকার সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০৬৮
-------------
-প্রথম আলোর অনুসন্ধানে দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৪৯টিতে #হামলার ঘটনা ঘটার তথ্য পাওয়া যায়। #নিহত ২ জন।
- দেশের বিভিন্ন জায়গায় #সংখ্যালঘু, বিশেষ করে #হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর বহু হামলার ঘটনা ঘটেছে। কোথাও বাড়িঘরে, কোথাও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে, কোথাও উপাসনালয়ে #হামলা- #ভাঙচুর, #অগ্নিসংযোগ ও #ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
- #হামলা শুরু হয় মূলত গত ৫ আগস্ট বিকেল থেকে। প্রথম দুই দিন হামলার ঘটনা বেশি ঘটে।
- #হামলা হয়েছে ২২টি উপাসনালয়ে।
- সবচেয়ে বেশি #হামলার ঘটনা ঘটেছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগে। বিভাগটিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তত ২৯৫টি বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে #হামলা হয়। রংপুর বিভাগে ২১৯টি, ময়মনসিংহে ১৮৩টি, রাজশাহীতে ১৫৫টি, ঢাকায় ৭৮টি, বরিশালে ৬৮টি, চট্টগ্রামে ৪৫টি এবং সিলেটে ২৫টি বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে #হামলা ও #ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। কোথাও কোথাও স্থাপনা ব্যাপকভাবে #ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কোথাও কোথাও কম।
-- হিন্দুধর্মাবলম্বী ছাড়া হামলা হয়েছে #খ্রিষ্টান ও #আহমদিয়া সম্প্রদায় এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ওপর। বাংলাদেশ #খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, নওগাঁয় চার্চ অব বাংলাদেশ, দিনাজপুরে ইভ্যানজিলিক্যা হলিনেস চার্চ, নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে দি খ্রীষ্টান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের কালেকশন বুথ এবং বরিশালের গৌরনদীতে তিনটি, খুলনা শহরে একটি, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে একটি ও পার্বতীপুরে একটি খ্রিষ্টান বাড়িতে #হামলা হয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ে নিজপাড়া মিশনে মা মারিয়ার মূর্তি #ভাঙা হয়েছে।
* অথচ প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টাদের দাবী এই হামলার সংখ্যা হাতে গোনা মাত্র, সবই রাজনৈতিক!
এই দেশে কি হিন্দুরা বাস করবে না?
তারাও তো #বাংলাদেশী!
পুরো রিপোর্ট পড়ুন কমেন্টে দেওয়া লিঙ্কে...