যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নম্র হয়, আল্লাহ তাকে মর্যাদায় উন্নীত করেন।” _(মুসলিম)
BDOnline-Library
Largest Online Bangla Library.Place To Get All kind Of bangla EBook.
25/09/2021
"ধনীরা যখন ডাকাতি করে তখন তাকে ব্যবসা বলে।
আর গরীবেরা যখন তা ফিরে পেতে লড়াই করে তখন তাকে বিশৃঙ্খলা বলে "
-মার্ক টোয়েন।
বইঃ দেবী
লেখকঃহুমায়ূন আহমেদ
প্রকাশনীঃ অবসর প্রকাশনা
ধরণঃরহস্যময় উপন্যাস
পৃষ্ঠাঃ ৮০
“দেবী” - হুমায়ূন আহমেদের মিসির আলি সিরিজের প্রথম বই। পাঠক রা কম বেশি সবাই জানে নতুন করে পরিচয় করার মত তেমন কিছু নেই। রহস্যময় কিছুটা ভৌতিক আভাস রয়েছে উপন্যাস টিতে।
কাহিনী সংক্ষেপঃ
উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র রানু নামক এক নববিবাহিতা।ঘরের বাইরে ও ভিতরে টের পায় কোনো একজনের অস্তিত্ব - যে তাকে ডেকে তার সাথে কথা বলে।রানুর একটি বিশেষ গুণ হচ্ছে সে স্বপ্নের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগাম জানতে পারে কী ঘটতে পারে।আনিসের চোখে সে অপ্রকৃতিস্থ।রানুর চিকিৎসার জন্য আনিস যোগাযোগ করে মিসির আলির সঙ্গে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মিসির আলী যুক্তির সাহায্যে প্রতিনিয়ত কাটাকুটি করেন ভ্রান্ত ধারণা, জমে থাকা ভয়।কাহিনীসূত্রে এগিয়ে আসে রানুর বাড়িওয়ালা এবং তার দুই মেয়ে। বড় মেয়ে নীলু। বেশ শান্ত মেয়েটি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়া এক অজ্ঞাত যুবকের সাথে জড়িয়ে পড়ে বন্ধুত্বে।সেই বন্ধুত্বের ফাঁদে পড়ে ভীষণ এক বিপদে পড়ে নীলু এবং এটা রানু কিভাবে জানি টের পায়! সেখান থেকে নীলু ফিরে আসে একদম অক্ষত অবস্থায়। কি করে সম্ভব! কে তাকে রক্ষা করলো! রানু?সেই কিশোরী যার নূপুরের শব্দ শুনা যেতো? দেবী এক রহস্যময় উপন্যাস।
দেবী বই থেকেঃ
#কালো এবং অসুন্দরী মেয়েদের জেদ কখনো থাকে না। এদের জীবন কাটাতে হয় একাকী।
#মানুষের সব শখ মেটা উচিত নয়। একটা ডিসস্যাটিসফেকশন থাকা দরকার।’
‘কেন?’
‘তাহলে বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে। সব শখ মিটে গেলে বেঁচে থাকার প্রেরণা নষ্ট হয়ে যায়। যে সব মানুষের শখ মিটে গেছে, তারা খুব অসুখী মানুষ।’
# মৃত্যুর সময় কেউ পাশে থাকবে না, এর চেয়ে ভয়াবহ বোধহয় আর কিছু নেই।
# নাম মনে না করতে পারার একটিই কারণ- মানুষের প্রতি তার আগ্রহ নেই। আগ্রহ থাকলে নাম মনে থাকত।
# সারা জীবন পাশাপাশি থেকেও এক সময় একজন অন্যজনকে চিনতে পারে না। আবার এমনও হয়, এক পলকের দেখায় একে অন্যকে চিনে ফেলে।
পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ
বইয়ের শুরু থেকেই রহস্য, রহস্য টাইপ একটা গন্ধ। যদিও ভৌতিক নয়, তবে গাঁ ছমছমে ভাবটা ঠিকই আসবে।যদিও বইটি ভৌতিক নয়, তবুও রাতের অন্ধকারে পড়তে গিয়ে একটু ভয় ভয় ই লাগছিলো। সেই রাতে সেখান থেকে কী এক অলৌকিক শক্তির সাহায্যে নীলু ফিরে আসে। কিন্তু এই অলৌকিক শক্তির উৎস কী? রানু আসলে কে? এই সব কিছু এখন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।
রুপাঃ তুমি কি জানো, আমি তোমার কথা খুব ভাবি?
হিমুঃ আমি জানি।
রুপাঃ সত্যি জানো?
হিমুঃ হ্যাঁ জানি।
রুপাঃ কি করে জানো?
হিমুঃ ভালোবাসা টের পাওয়া যায়।
রুপাঃ কেন জানি তোমার কথা সব সময় মনে হয়, এর নাম
কি ভালোবাসা?
হিমুঃ আমার জানা নেই রুপা।
রুপাঃ তুমি কি আসবে আমাদের বাসায়?
হিমুঃ আসব।
রুপাঃ কখন আসবে?
হিমুঃ এক্ষুনি আসছি।
রুপাঃ এত রাতে এলে বাবা হইচই করবেন, তুমি কি সকালে
আসতে পারো না?
হিমুঃ না রুপা, আমাকে এক্ষুনি আসতে হবে।
রুপাঃ আচ্ছা বেশ, আসো।
হিমুঃ তুমি নীল রঙের শাড়ি পরে আছো?
রুপাঃ কেনো বল তো?
হিমুঃ যদি থাকে তাহলে নীল রঙের শাড়ি পরে গেটের
কাছে থাকো। আমি এলেই গেট খুলে দেবে।
রুপাঃ আচ্ছা।
আমি গেলাম না। আবারো মাসখানেক এর জন্য ডুব দিলাম।
কারন ভালোবাসার মানুষদের খুব কাছে কখনও যেতে নেই।
—হুমায়ূন আহমেদ (ময়ূরাক্ষী )
23/06/2018
একদিন বৃষ্টিতে বিকেলে
থাকবেনা সাথে কোন ছাতা,
শুধু দেখা হয়ে যাবে মাঝ রাস্তায়
ভিজে যাবে চটি - জামা- মাথা,
থাকবেনা রাস্তায় গাড়ি - ঘোড়া
দোকান - পাট সব বন্ধ
শুধু তোমার আমার হৃদয়ে
ভিজে মাটির সোঁদা গন্ধ ।
একদিন বৃষ্টিতে বিকেলে
মনে পড়ে যাবে সব কথা
কথা দিয়ে কথাটা না রাখা
ফেলে আসা চেনা চেনা ব্যথা
অদূরে কোথাও কোন রেডিওতে
‘এই পথ যদি না শেষ হয় ’
আর বৃষ্টির রং হয়ে যাবে নীল
আর আকাশের রংটা ছাই ।
একদিন .. বৃষ্টিতে………
একদিন ….বৃষ্টিতে বিকেলে!
বই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ আত্মীয়, যার সঙ্গে
কোনদিন ঝগড়া হয় না, কোনদিন মনোমালিন্য
হয় না।
02/06/2018
কৃষ্ণকলি "
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি,
কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক।
মেঘলাদিনে দেখেছিলেম মাঠে
কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ।
ঘোমটা মাথায় ছিলনা তার মোটে,
মুক্তবেণী পিঠের ‘পরে লোটে।
কালো? তা সে যতই কালো হোক,
দেখেছি তার কালো হরিণ-চোখ।
ঘন মেঘে আঁধার হল দেখে
ডাকতেছিল শ্যামল দুটি গাই,
শ্যামা মেয়ে ব্যস্ত ব্যাকুল পদে
কুটির হতে ত্রস্ত এল তাই।
আকাশ-পানে হানি যুগল ভুরু
শুনলে বারেক মেঘের গুরুগুরু।
কালো? তা সে যতই কালো হোক,
দেখেছি তার কালো হরিণ-চোখ।
পূবে বাতাস এল হঠাত্ ধেয়ে,
ধানের ক্ষেতে খেলিয়ে গেল ঢেউ।
আলের ধারে দাঁড়িয়েছিলেম একা,
মাঠের মাঝে আর ছিল না কেউ।
আমার পানে দেখলে কিনা চেয়ে,
আমি জানি আর জানে সেই মেয়ে।
কালো? তা সে যতই কালো হোক,
দেখেছি তার কালো হরিণ-চোখ।
এমনি করে কাজল কালো মেঘ
জ্যৈষ্ঠমাসে আসে ঈশান কোণে।
এমনি করে কালো কোমল ছায়া
আষাঢ়মাসে নামে তমাল-বনে।
এমনি করে শ্রাবণ-রজনীতে
হঠাত্ খুশি ঘনিয়ে আসে চিতে।
কালো? তা সে যতই কালো হোক,
দেখেছি তার কালো হরিণ-চোখ।
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি,
আর যা বলে বলুক অন্য লোক।
দেখেছিলেম ময়নাপাড়ার মাঠে
কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ।
মাথার পরে দেয়নি তুলে বাস,
লজ্জা পাবার পায়নি অবকাশ।
কালো? তা সে যতই কালো হোক,
দেখেছি তার কালো হরিণ-চোখ।
___বাস্তব_কিছু_তথ্য______
★. আপনার বয়স যদি ৬০ বছর হয় তাহলে
আপনি ১৯ বছর ৬ মাস ঘুমিয়ে কাটিয়ে
দিয়েছেন।
★. প্রত্যেক মানুষের মাথার গড় ওজন ৩
থেকে ৭ কেজি।
★. সূর্যের ভিতর এমন একটি গর্ত পাওয়া
গেছে যেখানে কিনা কয়েকশো পৃথিবী
মার্বেল এর মতো আনায়াসে চলে যাবে।
★. মঙ্গল গ্রহে চাঁদ ২ টি, তাই সেখানে
এসিড বৃষ্টি হয়।
★. জেনে অবাক হবেন যে ৩ টি আপেলের
চেয়ে একটি আমড়ার পুষ্টি গুন বেশি।
★. ৮৫ % মেয়ে ছেলের ধন সম্পদ দেখে
প্রেমে পড়ে যায়।
★★★.......
০১. আপনার জানা আছে কি?মোবাইল
ফোন চার্জ করার সময় Airplane mode বা
Flight mode সেটিং করে দিলে তিন গুন
কম সময়ে চার্জ হবে ।
০২. আপনি জানেন কি, পৃথিবীতে বেশির
ভাগ
মানুষের রক্তের গ্রুপ O+
এবং সবচেয়ে কম মানুষের রক্তের গ্রুপ
AB-
০৩.'হিরোইন' নামক নেশার দ্রব্যটি
শুরুতে সর্দির ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হতো । .
০৪. 1800 খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত মানব সভ্যতা
ক্যামেরায় যতো ছবি
তুলেছে , আমরা এখন বিশ্ব জুড়ে প্রতি দুই
মিনিটে তার চেয়ে বেশি ছবি তুলছি
। .
০৫.পুরুষ এবং মহিলা উভয়েই সুন্দর দেহের
চাইতে সুন্দর মুখের অধিকারীকে জীবন
সঙ্গী হিসেবে বেশি পছন্দ করে ।
০৬. প্রতি সেকেন্ডে আমাদের চোখ
প্রায় 40 টি
স্থির চিত্র মস্তিষ্কে
প্রেরণ করে ।
০৭.ডাক্তারদের খারাপ হাতের
লেখার কারণে পৃথিবীতে প্রতি বছর
প্রায় ৭ হাজার রোগীর মৃত্যু হয় । .
০৮. যে বন্ধুত্ব ৭ বছর পার করেও টিকে
থাকে, তা সারাজীবন টিকে থাকার
সম্ভাবনা আছে ।
০৯. মানুষ সত্যি কথা বলার সময় হাত
নারিয়ে কথা বলে।
মিথ্যা
বলার সময় হাতগুলি লক্ষণীয় ভাবে
স্থির থাকে ।
১১. কোনো নতুন অভ্যাস তৈরী হতে
মানুষের সময় লাগে মাত্র ২১ দিন । .
১২. মেয়েরা অন্য মানুষের মুখ মনে
রাখতে বেশি পারদর্শী, বিশেষ করে
অন্য মেয়েদের মুখ ।
১৩. পরপর মোট 480 টি কলা খেলে, সে
ব্যক্তি
পটাশিয়ামের ওভার ডোজের
কারণে মারা যাবে ।
১৪. Google প্রতি সেকেন্ডে.প্রায় 929+
ডলার আয় করছে ।বাংলাদেশী মুদ্রায়
প্রায় 72,740+ টাকা প্রতি সেকেন্ডে । .
১৫. মঙ্গল গ্রহকে লাল দেখায়,কারণ
এর.মাটি লোহার অক্সাইড
(Fe2O3) দিয়ে তৈরি ।
★★★সংগ্রহীত♥♥♥
এই যে নীল পাথর গুলা দেখছিস, এগুলাকে বলে স্যাফায়ার, যার বাংলা নাম নীলকান্ত মণি। লালগুলা হচ্ছে চুণি অর্থাৎ রুবি আর সবুজ গুলা পান্না-এমারেল্ড। অন্যগুলা যতদূর মনে হচ্ছে পোখরাজ যার ইংরেজি নাম টোপ্যাম। তবে আসল দেখবার জিনিস মাঝখানের ওই হিরেটা। এমন হিরে হাতে ধরে দেখবার সৌভাগ্য সকলের হয় না।"
তিনশো বছরের বেশি পুরনো আওরঙ্গজেবের হিরের আংটি-টি মাঝখানে হিরের নামটি ফেলুদা তপেশকে বললেও গল্পে উল্লেখ করেনি সত্যজিৎ রায়। নামটি জানার ইচ্ছে ছিল খুব কিন্তু রহস্যই রয়ে গেল রহস্য উন্মোচন গল্পে।
..
পূজোর ছুটি কাটাতে লখনৌতে যায় তপেশ, ফেলুদা আর তপশের বাবা। সেখানে তপেশের বাবার ছেলেবেলার বন্ধু ধীরুকাকা থাকেন। ধীরুকাকার কাছে যখন তপশে, ফেলুদা আর তপশের বাবা পৌছলেন তখন ধীরুকাকা বাসা আসেন শ্রীবাস্তব। শ্রীবাস্তব হচ্ছেন অস্টিওপ্যাথ।
শ্রীবাস্তবের বাসায় গতকাল চোর ঢুকেছিল। কিন্তু চোর কিছুই নিয়ে যায়নি। শ্রীবাস্তবের সন্দেহ তাঁর কাছে পিয়ারিলালের দেওয়া তিনশো বছরের আংটির কারণে চোর আসে। তাই ওনি ধীরকাকাকে সব খোলে বলে এবং ধীরুকাকা রাজি হন আংটি রাখার জন্য। শ্রীবাস্তবের পাশের বাড়িতে থাকেন বনবিহারীবাবু। যিনি বিভিন্ন জন্তুজানোয়ার দিয়ে চিড়িয়াখানা তৈরীরে রেখেছেন তাঁর ছোট বাড়িতে। সেটা দেখার জন্য ধীরুকাকা, তপেশ, ফেলুদা আর তাঁর বাবা যান।
ধীরুকাকার বাড়ি থেকে আংটি চুরি হয়ে যায়। আর এই দিক থেকে ফেলুদা শখের গোয়েন্দাগিরি শুরু হয়ে যায় এবং পর পর কয়েকবার চিরকুট দিয়ে তাঁকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছিল। একেপর এক ঘটনা ঘটে যাচ্ছিল আর ফেলুদার কাছে রহস্য জড় হতে থাকে। সর্বক্ষণ ফেলুদার সঙ্গে থাকে তপেশ।
অবশেষে জট খোলে তিনশো বছরের পুরানো "বাদশাহী আংটি" র।
এই গল্পে কখনো কখনো আসে ওয়াইল্ড ক্যাট, হাইনা, আমেরিকার র্যাটল স্নেক আর আফ্রিকার বিষাক্ত "ব্ল্যাক উইডো" মাকড়সা এবং লখনৌ শহরে ইতিহাস।
..
আমার কাছে এই গল্পের মূল বিষয় হল সম্পদ কখনো মানুষকে সুখ দিতে পারে না। কোটি কোটি টাকা ব্যাঙ্কে রেখে কেউ শান্তিতে ঘুমাতে পারে না। তাঁকে বিভিন্ন বিষয়ে চিন্তা ফেলে দেয়। কখনো কখনো চোর-ডাকাতের ভয়। আপনি আপনার চারদিকে তাকিয়ে দেখলে দেখবে যাদের ভুরি ভুরি ধন-সম্পদ রয়েছে তাদেরকে চারদিক থেকে চিন্তা এসে ঘিড়ে ধরে। তাদের রোগ-বালা হয় প্রচুর না হয় বিভিন্ন দিক থেকে বিপদ চলে আসে। একটি বিষয় লক্ষ্য করলে দেখবে যে তাদের ঘুম ভালো হয় না কখনো আর সংসারে সুখ নামক শব্দটা কোথায় যেন হারিয়ে যায়। ঢাকা যখন গভীর রাতে ঢেকে যায় তখন রাস্তা-ঘাটের অসংখ্য মানুষকে দেখবেন অদ্ভূত শান্তি ঘুমাচ্ছে আর দ্বিতীয় প্রকার লোকদের দেখবেন যে তাঁরা এসির হাওয়া আর দামি দামি খাট-পালনেও ঘুমের মেডিসিন খেয়েও ঘুম আসছে না।
..
বইঃ বাদশাহী আংটি
লেখকঃ সত্যজিৎ রায়
..
বই পড়ুন এবং বই উপহার দিন।
..
বিঃদ্রঃ আমি বাংলা ভালো লিখতে পারি না। অতএব শব্দের ভুল হওয়া স্বাভাবিক।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Address
Barishal
8217
