04/06/2026
মন্ত্রী সভায় প্রস্তাব করা হয়েছিলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম আবারো পরিবর্তন করে পুর্বের ন্যায় জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রুপান্তরিত করার জন্য।
আওয়ামিলীগের আমলে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হয: শাহজালাল নাম পরিবর্তনের জন্য খরচ হয়েছিলো তখনকার সময়ের ১৬ হাজার কোটি টাকা ।
যেটা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে প্রস্তাব করলে তিনি সেটা নাকচ করে দেন, তিনি বলেন নামে কি আসে যায়, এখন নতুন করে নাম পরিবর্তন করতে গেলে ২০ হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রয়োজন, যেটা অহেতুক।
তিনি আরো বলে– এই টাকা জনগণের। শুধুমাত্র একটা নামের পেছনে এই টাকা ব্যয় না করে দেশের কাজে জনগণের উন্নয়নে ব্যয় করবো।
29/05/2026
৭ দিন ৮ হাসপাতালে ঘুরেও মেলেনি চিকিৎসা, অবশেষে জিয়াউদ্দিন হায়দারের হস্তক্ষেপে ভর্তি দুলালী
বিশেষ প্রতিবেদন :
রাজধানীর সরকারি ও বেসরকারি অন্তত আটটি হাসপাতালে ঘুরেও চিকিৎসাসেবা পাচ্ছিলেন না মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী। পরিচয়পত্র ও অভিভাবক না থাকার অজুহাতে বারবার ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল তাকে।
অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারের হস্তক্ষেপে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে ওই নারীকে, যিনি নিজের নাম ‘দুলালী’ বলে জানিয়েছেন।
জানা গেছে, দীর্ঘ সাত দিন ধরে দুলালীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল ও মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ঘুরেছেন সমাজকর্মী মুছা করিম রিপন। তবে কোথাও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), কোথাও অভিভাবক, আবার কোথাও রোগীর আচরণকে কারণ দেখিয়ে ভর্তি নিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়।
রিপনের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২২ মে সকালে মিরপুর-২ এলাকার একটি গলির মুখে প্রথম দুলালীকে দেখতে পান তিনি। অপুষ্টিতে কঙ্কালসার হয়ে যাওয়া ওই নারীর শারীরিক অবস্থা দেখে মানবিক কারণে এগিয়ে আসেন তিনি। খাবার দেওয়ার চেষ্টা করলেও দুলালী স্বাভাবিকভাবে খেতে পারছিলেন না। পরে দুই নারীর সহায়তায় তাকে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ভর্তি নেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ফার্মগেটের একটি বেসরকারি মানসিক হাসপাতাল, কেরানীগঞ্জের একটি সেন্টার, এক্সিম ব্যাংক হাসপাতাল, মোহাম্মদপুরের নিরাময় ক্লিনিকসহ একের পর এক হাসপাতালে দুলালীকে নেওয়া হয়। বিভিন্ন অজুহাতে তারাও তাকে রাখে নি।
এাটি পরীক্ষায় জানা যায়, দুলালীর রক্তচাপ ছিল ৬০/৪০ এবং হিমোগ্লোবিন নেমে আসে মাত্র ৬-এ। তার শরীরে রক্তও দেন মুছা করিম রিপন।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুসা করিমের সাথে যোগাযোগ হয় ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারের। তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেন। আজ সকালে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে দুলালীর ভর্তির ব্যবস্থা করেন তিনি। একই সঙ্গে তার চিকিৎসার সার্বিক তত্ত্বাবধান সরকারিভাবে নিশ্চিত করার আশ্বাসও দেন তিনি।
এ বিষয়ে মুছা করিম রিপন বলেন, “আমি একজন অসহায় মানুষকে নিয়ে সাত দিন ধরে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ঘুরেও তাকে ভর্তি করাতে পারিনি। শেষ পর্যন্ত ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার স্যারের হস্তক্ষেপে দুলালী চিকিৎসা পেয়েছেন, এজন্য আমি কৃতজ্ঞ।”
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, “মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সহ সমাজের পিছিয়ে পড়া সব মানুষের জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। পরিচয়পত্র বা সামাজিক অবস্থানের কারণে কেউ চিকিৎসাবঞ্চিত হবে না। মানবসেবায় মুছা করিম রিপন যে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা সত্যিই অনুকরণীয়।”
তিনি আরও বলেন, দুলালীর চিকিৎসার বিষয়টি সরকারিভাবে মনিটর করা হবে এবং ভবিষ্যতে এমন অসহায় রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
উল্লেখ্য, আজ দুপুর ২ ঘটিকায় দুলালীকে দেখতে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটে যাবেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার । তার সঙ্গে আরও থাকবেন থাকবেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান।
#
মো. শাহীন আলম