18/02/2026
ইমরান আহম্মেদ খান নিয়াজি ওরফে ইমরান খান
৮৫% দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, চলাফেরায় ব্যাবহার করছেন হুইল চেয়ার।পাকিস্তানের মানুষের সাত জনমের ভাগ্য এমন প্রধানমন্ত্রি পেয়েছিলেন। এমন নিষ্ঠুর বর্বরতা শত্রুর সাথেও মানুষ করেনা। দোয়া রইল এই কিংবদন্তির জন্য।
বাংলার পথিক
18/02/2026
(স্পন্সর)
সৌদি আরবে সরাসরি কোম্পানিতে জরুরি নিয়োগ
প্রয়োজনীয় কাগজ সমূহ:
✅পাসপোর্ট এর মেয়াদ ১.৫ বছর থাকতে হবে।
✅ ২১- ৪৫ বছর বয়স সীমা হতে হবে।
কোম্পানির সুবিধা ⬇️
✅ থাকা, আকামা, চিকিৎসা খরচ কোম্পানি দিবে।
✅ ২ বছর পর ছুটিকালীন সময় আসা-যাওয়ার টিকেট ও বেতন কোম্পানি দিবে
✅পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও মেডিকেল ফিট কার্ড রেডি থাকলে ৭-১৫ দিনের মধ্যে ভিসা প্রদান করা হবে।
বি: দ্র: জরুরি ভাবে এজেন্ট নিয়োগ চলছে 👍✌️✌️
পদের নাম:
- ইলেকট্রিশিয়ান, স্টীল ফিক্সার
- ব্লক মেশন, টাইলস মেশন
- ওয়েল্ডার (3G, 4G, 6G,TIG,MIG,ARC)
- পেইন্টার, কারপেন্টার (সাটারিং)
- প্লাম্বার, পাইপ ফিটার, জিপসাম টেকনিশিয়ান
- রেস্ট্রুরেন্ট কফিশপ ওয়েটার, ক্লিনার।
- ইন্ডোর ক্লিনার
- হসপিটাল ক্লিনার
- ফ্রি ভিসা
- মসজিদ ক্লিনার
বেতন ও সুবিধাসমূহ :
- বেতন : কাজের ধরন অনুযায়ী ১২০০-২৬০০ রিয়াল
-️ কোম্পানি প্রদান করবে : খাবার, থাকা, ইকামা, ট্রান্সপোর্ট এবং চিকিৎসা সুবিধা ।
✳ আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে ইনবক্স করুন অথবা সরাসরি যোগাযোগ করুন ।
- 01576674785 ( imo)
-01635568869 ( WhatsApp)
অফিসের ঠিকানা : লিফট-৪, রুপায়ন মিলেনিয়াম স্কয়ার, AMZ হাসপাতাল এবং হোসেন মার্কেট এর বিপরীত পাশে, উত্তর বাড্ডা, ঢাকা।
16/12/2025
বিজয়ের দিনে ঢাকা শহরবাসীর কাছে খোলা চিঠি:
ধানমন্ডির বাসিন্দা Ibrahim Azam Khan স্যার এর বদান্যতায় পুরা একটা পাড়ার ম্রো কমিউনিটির ৪৫ জনের থাকার ব্যাবস্থা তার নিজ ফ্ল্যাট বাসার ৩ টি রুমে হয়েছে। তারা আমাদের Pawmum Parban 2025 I পাওমুম পার্বণ এর অতিথী। এছাড়া পাওমুম থারক্লা র প্রাক্তন বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষকগনসহ আরো অনেকেই আগামী ৭ দিন (১৭ ডিসেম্বর - ২৪ ডিসেম্বর) এই শহরে থাকবেন আপনাদের মাঝে। প্রতিদিন বিকাল ৩ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ধানমন্ডির আলিয়াস ফ্রাসেস (Alliance Française) দ্যা ঢাকাতে নানা আয়োজনে থাকছে তাদের সাথে মিট করার সুযোগ। পাহাড়ে গেলে এই মানুষগুলো তদের সর্বোচ্চ দিয়ে আমাদের অবকাশ যাপনকে যেমন আকর্ষনীয় ও স্মরনীয় করে ঠিক তেমনি আমরা শহরবাসী আসুন তাদের এই শহর যাপনকে সুন্দর ও আনন্দময় করে তুলি। পুরো আয়োজনটি সবার জন্য উন্মুক্ত।
আমরা যা করতে পারি:
১/ আমরা তাদের জন্য খাবার রান্না করে নিয়ে যেতে পারি। আমরা যা বাসায় খাই, বা আমাদের যে যা ভালো রান্না পারি স্বামর্থ অনুযায়ী তাদের জন্য রান্না করে নিয়ে যেতে পারি। কিংবা তাদের আহারের জন্য এক বেলার চাল বা সমমূল্যের অর্থ, সবজি ডাল অথবা সম মূল্যের অর্থ তদের দিতে পারি৷
২/ পাহাড়ে আগামী ১ -২ মাস দারুন শীত। আমরা তদের শীতবস্ত্র দিতে পারি।
৩/ আমরা এই মানুষদের যে কোন পন্য, পেইন্টংস, জুয়ালারী ইত্যাদি কিনে নিয়ে তাদের পাশে দাড়াতে পারি।
৪/ আমরা তাদের ঢাকা শহর ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য কোন পরিবহন দিয়ে সহোযোগিতা করতে পারি, অথবা তারা যেনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চিড়িয়াখানা,যাদুঘর, সংসদ ভবন, ধানমন্ডি লেক ইত্যাদি ঘুরে দেখতে পারে তার জন্য কিছু নগদ অর্থ সাহায্য করতে পারি।
৫/ আমরা শিশুদের জন্য রং, তুলি,পেন্সিল, কলম, খাতা ইত্যাদি উপহার দিতে পারি। উপহার দিতে পারি বই।
শিশুদের কল্পনায় যে শহর, আসুন তাকে সহোযোগিতার সহমর্মিতার শহর বানাই।
আমরা আমাদের প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গা থেকে তাদের পাশে সামান্য হলেও দাড়াতে পারি। মেহমানদারী একটা ইবাদতের অংশ। আমরা নানান ভাবে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারি।
বিশেষ প্রয়োজনে শাহারিয়ার পারভেজ ২৪ ঘন্টা ততপর আছেন৷ আছেন Uthoiyoy Marma সহ আরো অনেকে।
এই শহরের সবাইকে আবার আমন্ত্রন।
বাংলার পথিক পথে প্রান্তে
02/12/2025
রহস্যময় লালন! ছেউড়িয়ার ছোট্ট কুঠিরে বসে কি করে জানতেন জটিল বিশ্বকে!
লালন জন্ম থেকেই বিষ্ময় বালক? উনার জন্ম কোথায় হইছে এটা যেমন সঠিক করা যায়নি তেমনি উনি কোন ধর্মের তাও কেউ জানেন না।
উনি গানে বলেছেন_
তিব্বত দেশের মেয়েরা একাধিক স্বামী গ্রহন করেন যা অন্য ধর্মে ঘোরতর পাপ! যিশু বলেছেন তোমরা গরু ও শুকড় খাও এটাও অন্য ধর্ম সাপোর্ট করেনা।
পাপ পূন্য নিয়ে গানটা শুনেনাই এমন লোক পাওয়া ভার!
আবার তিনি রামানন্দের কথা বলেছেন, বলেছেন পূরীদেশের কথা! বলেছেন নবীপ্রেম ছাড়া ফকিরি হবেনা। বলেছেন খোদা ভীতির কথা। খুবই রহস্যভরা তার বুঝ বিচার!
আ
আবার তিনি জাতের কথা বলেছেন। যাওয়া আসা মৃত্যু দেহতত্ব দর্শন এমন অনেক সেক্টর তার গানে উঠে আসে।
এই মানুষ প্রায় ২০৮ টি দিকধর্মি গান লেখেন যার পুরোটা কোথাও নেই সংগ্রহে। তিনি সংসারি ছিলেন, করতেন কৃষিকাজ, ছিলো ঘোড়া চালানোর অভ্যাস।
আবার লালন ছিলেন মানবধর্মের প্রবর্তক।
প্রাচীন গ্রিসে সক্রেটিস, প্লেটো ও এরিস্টোটলের মতো দার্শনিকেরা যুক্তি, নৈতিকতা ও মানবজীবনের গুরুত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁরা বিশ্বাস করতেন, মানুষ নিজস্ব চিন্তা-শক্তি ও যুক্তিবোধ দিয়ে নৈতিক ও সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।
এদিকে ভারতীয় উপমহাদেশে গৌতম বুদ্ধ এবং মহাবীর অহিংসা, সহমর্মিতা ও আত্মউন্নতির ওপর গুরুত্ব দেন। বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের মাধ্যমে মানব ধর্মের ওপর গুরুত্ব দেন। বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের মাধ্যমে ব্যক্তির নৈতিক আচরণ, মানবিকতাবোধ এবং দায়িত্বের কথা সমাজে ছড়িয়ে পড়ে। চীনের কনফুসিয়াসও সামাজিক ন্যায়, পারিবারিক দায়িত্ব এবং মানবিক মূল্যবোধের কথা বলেন। এসব চিন্তাধারার মূল কেন্দ্রে ছিল মানুষ এবং মানুষের মঙ্গল।
এখন একবার ভাবুন! না ছিলো স্কুল বিশ্ববিদ্যালয়! না তিনি কোন বই কিতাব বা কোন পান্ডুলিপি মুখস্থ করেছেন! কিন্তু তার বানী হিসাব করলে সমগ্র বিশ্বে
ছড়িয়ে আছে!
বাংলার পথিক পথে প্রান্তে
28/11/2025
ভাবা যায়? গবাদি পশু গোসল এবং পানি খাওয়ানোর জন্য খনন করা হয় ৫৪ একর দিঘি?
ইতিহাসের বিভিন্ন লগ্নে সময় নামক চলমান রাস্তায় পদচারনা করতে করতে গিয়ে সকালবেলা হাজির হিয়েছিলাম প্রাচীন নীলসাগর দিঘি।
যে সকল মানুষ এই বাংলার রত্নভান্ডার সমৃদ্ধ করেছেন তাঁদের মধ্যে 'বিরাট রাজা' অন্যতম। বিরাট ছিলেন মৎস্যরাজ্যের রাজা এবং মহাভারতের যুদ্ধের একজন অংশগ্রহণকারী। পাণ্ডবরা যখন তাঁদের বারো বছরের বনবাস এবং এক বছরের অজ্ঞাতবাসে ছিলেন, তখন তাঁরা ছদ্মবেশে বিরাটের দরবারে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তার কন্যা উত্তরার সংগে অভিমন্যুর বিয়ে দিয়েছিলানে।
মহাভারত এ বিরাট পর্ব ৫৩৮-৬০৯ এ এই রাজার বর্ননা পাওয়া যায়। বুদ্ধের জন্মের ৫৬৭ অব্দ পূর্বে এই রাজা বর্তমান উত্তরবংগের সবচেয়ে সৌখিন আলিশান এবং আমদপ্রিয় দানশীল মানুষ ছিলেন। প্রত্নতত্মে বরেন্দ্র অঞ্চল যতোটা সমৃদ্ধ তাঁর চেয়ে কম জান না বিরাট রাজার কির্তি । গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে টিলা আকারে আজো বিদ্যমান বিরাট রাজার দূর্গ ও বিরাট নগরী।
বিরাট রাজার সময় পুরো নীলফামারি ছিলো গরু পালনের চারন ভূমি। প্রচুর গরুর পানির চাহিদা গরমের সময় বৃদ্ধি পেতো আরো বেশি। তাই বিরাট রাজা নীলফামারি জেলাসদর থেকে ১৪ কিঃমিঃ দূরে গোড়াগ্রাম ইউনিয়নের ধোবাডাংগা মৌজায় প্রায় ৫৪ একর জায়গা জুড়ে খনন করেন বিরাট দিঘি, যা কালক্রমে বিরান দিঘি এবং বিন্নার দিঘি নামকরন হয়।
নীলসাগরে
শীতকালে প্রচুর অতিথী পাখির আগমন ঘটে। চারিপাশে নীরব নিস্তব্ধতা আর এর টলমলে জলে যদি একটু গোসল সাড়তে পারেন মন্দ হবে না আশাকরি।
বাংলার পথিক পথে প্রান্তে
25/11/2025
এক আবুল সরকার মানেই পুরা বাউল সম্প্রদয় না। তিনি যেভাবে মুখ আর পেছন কোনটা বলে করে আল্লাহকে অবজ্ঞা করেছেন তাতে এ যাত্রায় বেচে গেছেন বলা চলে। আপনাদের কি মনে হয়? বাউল হলেই যা ইচ্ছা বলা যায়, যা খুশি গান বানানো যায়? ব্যাপারটা যেমন খুশি তেমন সাজো এমন কিছু? আপনি কাউকে চোর বলবেন এখন তা ঘুরাই প্যাচাই গানে তালে যেভাবে বলেন বোঝাবে সে চোর ই। তাই অপমান অবমাননা যেমন আপনার বেলায় হয় তেমনি তা সবার বেলায়। আপনি যখনি কারো ধর্ম বা বিশ্বাসকে অবমাননা করবেন তার ফল পাবেন। মাঝে মাঝে তারা এমন ভাবে নিজেদেরকে বুঝায় যেনো পৃথিবীর বাকিরা অবুঝ।
আর একটা বিষয় সব অভিমান সব কিছু তোমাদের আল্লাহর সাথেই ক্যান? আরো তো পৃথিবীতে ধর্ম আছে নাকি? এই কোন টা মুখ কোনটা পিছন ব্যাপার টা হিন্দু,জিসু, গৌতমের বেলায় তোমাদের আসে না ক্যান? আর বাউল মানে কি ফেরেশতা? তাদেরকে আটক করা যাবে না এমন কিছু? পুলিশ বা আইন কি বাউল চেনে নাকি ফেরশতা চিনে??
এবার আসেন আসল কথায় অবশ্যই প্রত্যেকের তার নিজ নিজ শিল্প চর্চা, আদর্শ, চিন্তা ভাবনা, বুদ্ধি বিচার, শিল্পি মন থাকবে৷ শিল্পগুন বা প্রতিভা অন্য জিনিস।
২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে ইউনেস্কো বিশ্বের মৌখিক এবং দৃশ্যমান ঐতিহ্যসমূহের মাঝে বাউলদের বাউল গানকে অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করে। অবশ্যই এই সাংস্কৃতি আমাদের মূল্যবান সম্পদ। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো আপনি বাউল আপনার কথা গ্রাম গঞ্জের আপামর শ্রোতারা শোনে। আপনি এই পর্যায়ে গিয়ে ইনিয়ে বিনিয়ে বানিয়ে এভাবে মহান আল্লাহকে নিয়ে বলতে পারেন না। আশাকরি মুখ আর পিছন কি জিনিস তা জেলে বসে টের পাচ্ছেন।
এখন অনেকে বলবে তুমি মরমি কি বুঝ, আদ্ধাতিক কি বুঝো, ব্লা ব্লা। ভাই উনি এমন কোন বড় কামেল পীর না যে উনার কোন ভুল হবেনা। ভাব জগতে নাও ভাষান, আর দেহতরী বাইয়া সাগর পারি দেন সবকিছু বলার একটা ধরন থাকে। কথায় মধু কথায় বিষ এইটা বাউল কেনো যারাই জনতার মঞ্চে উঠেন তাদেরই মানতে হবে৷
হ্যা পাগল ছাড়া দুনিয়া চলে না। চলবে না। কিন্তু যার মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ে, যার সবকিছু সামাজিক সে কতটা পাগল সেটাই আগে বিশ্লেষন করা দরকার।
আমি আবুল সরকারের মুক্তি চাই। মানুষের আদালত আর তার কত ভালো, সত্যিই যদি বেয়াদবি করে থাকে তার বিচার আল্লাহ যেনো করেন।
বাংলার পথিক পথে প্রান্তে
22/11/2025
আপনাকে আমি কোটি কোটি টাকা দিবো। পারবেন?
পারস্যের বিভিন্ন দেশ থেকে মুসলিম স্থপতি আর শ্রমিক এনে এমন একটি সুন্দর বৈচিত্রময় মন্দির তৈরি করতে? জানি পারবেন না। সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর ও কলি এ চারটি শাস্ত্রীয় যুগের পৌরাণিক কাহিনিগুলো মন্দিরের চার দেয়ালে চিত্রায়িত মাটির টেরাকোটায়। শুধু তাই না আছে মুস্লিম রাজা মোঘলদের ঐতিহ্য পরস্পর মেলবন্ধনের বার্তা।
এখন পারস্য দেশ কোনগুলি জানতে হবে বুঝতে হবে। প্রথমত ৫ মুসলিম দেশ মিশর ইরাক ইরান আফগানিস্থান পাকিস্তান কে পারস্য দেশ বলে।
এই অঞ্চলের মানুষজন পাথর, মাটি, লোহা, কাঠ, ইস্পাত দিয়ে ইমারত তৈরিতে পারদর্শী।
জমিদার প্রাননাথ ও রামনাথ রায় ১৮ বছর চেষ্টায় এই মন্দির স্থাপন করেন এবং এই কমিউনিটির সবাই হিন্দু হয়েও মুসলিম এসব শ্রমিকদের জন্য একটি মসজিদ ও নির্মান করেছিলেন যার নাম নয়াবাদ মসজিদ।
পাথরের তৈরি মিশরের ফারাও এবং তার স্ত্রীর বাসস্থান পিরামিড পর্জটনে বছরে আয় করে ১৪ বিলিয়ন ডলার৷
আর আমাদের এরকম হাজার ঐতিহ্য দেখতে কেউ আসেনা। আফসোস
বাংলার পথিক পথে প্রান্তে
20/11/2025
কোথা থেকে এলো মেঘনা? কে দিলো এই নদীর নাম?
ক্লাউডিয়াস টলেমি নামের একজন গ্রীক পরিব্রাজক পৃথিবীর মানচিত্র আঁকতে গিয়ে এক সময় ভারতের গংগা নদী দিয়ে চলতে চলতে বিশাল এক জলরাশির মধ্যে এসে পড়লেন। ধারনা করা হয় চাঁদপুরের পদ্মা মেঘনা ও ডাকাতিয়ার বিশাল যে ত্রিমোহনা সেখানেই তিনি এসে পড়েছিলেন। তিনি এই কোস্ট লাইনের উৎস দিয়ে বঙ্গোপসাগরে নেমেছিলেন। জিওগ্রাফিয়াতে তিনি লিখে রাখেন "দ্যি গ্রেট মেগা রিভার"। সেই নদীটিই বিখ্যাত ঐতিহাসিক ণীহার রঞ্জন রায় বাঙ্গালীর ইতিহাস ও আদি পর্ব বইতে নাম দিলেন মেঘনাদ। আবার কোথাও লিখেছেন মেঘানন্দ। সেই সাধু রুপ চলিত ভাষায় এসে হলো মেঘনা।
এখন মেঘনা নদী নীরবে বয়ে চলা শান্ত নদী। তাই ঘুরে আসুন ঢাকা থেকে চাঁদপুর। দিনে গেলে বিকেলে নদীর মোহময় রুপ উপভোগ করতে পারবেন। নিয়ে আসতে পারবেন নদীর মাছ।
বাংলার পথিক পথে প্রান্তে