Chapapur Social Welfare Association

Chapapur Social Welfare Association

Share

Goals and objectives:
(01) To work for the development of the society and the people. (02) To co-ope Bogura

30/03/2025

ঈদের দিনের ১৩টি সুন্নত, যা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমল করতেন।

১. অন্যদিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া। (বায়হাকি -৬১২৬)
২. মিসওয়াক করা। (তাবয়ীনুল হাকায়েক ১/৫৩৮)
৩. গোসল করা। (ইবনে মাজাহ ১৩১৫)
৪. শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা। (বুখারি ৯৪৮)
৫. সামর্থ অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা। (বুখারি ৯৪৮, মুস্তাদরাকে হাকেম ৭৫৬০)
৬. সুগন্ধি ব্যবহার করা। (মুস্তাদরাকে হাকেম ৭৫৬০)
৭. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টি জাতীয় যেমন খেজুর ইত্যাদি খাওয়া। তবে ঈদুল আজহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাজের পর নিজের কোরবানির গোশত আহার করা উত্তম। (বুখারি ৯৫৩, তিরমিজি ৫৪২, সুনানে দারেমি ১৬০৩)
৮. সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া। (আবু দাউদ ১১৫৭)
৯. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহতে যাওয়ার পূর্বে সদকায়ে ফিতর আদায় করা। (দারাকুতনি ১৬৯৪)
১০. ঈদের নামাজ ঈদগাহে আদায় করা, বিনা অপরাগতায় মসজিদে আদায় না করা। (বুখারি ৯৫৬, আবু দাউদ ১১৫৮)
১১. যে রাস্তায় ঈদগাহতে যাবে, সম্ভব হলে ফেরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরা। (বুখারি ৯৮৬)
১২. হেঁটে যাওয়া। (আবু দাউদ ১১৪৩)
১৩. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার সময় আস্তে আস্তে এই তাকবীর পড়তে থাকা- اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ তবে ঈদুল আজহায় মাঠে যাবার সময় পথে এ তাকবীর উচ্চ আওয়াজ করে পড়তে থাকবেন। (মুস্তাদরাকে হাকেম ১১০৫)

29/04/2023
Photos from Chapapur Social Welfare Association's post 29/04/2023

গত ২৮-০৪-২০২৩খ্রিঃ রোজ- শুক্রবার, চাঁপাপুর সমাজ কল্যাণ সংস্থার পক্ষে বগুড়া, আদমদীঘির চাঁপাপুর ইউনিয়নে উক্ত প্রতিষ্ঠানের আজীবন স্থায়ী সদস্য মোঃ ওমর আলী সিদ্দিক এর উদ্যোগে, স্বেচ্ছাসেবক সদস্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম তুফান, মোঃ আল-মাছুম মানিক, রতন, মাহবুবুর রহমান, ফিরোজ হোসেন সহ আরো অন্যান্য সদস্যদের মাধ্যমে দুঃস্থ ও অভাবীদের মধ্যে এলাকার বিভিন্ন গ্রাম বড় ঝাঁখইড়, ছোট ঝাঁখইড়, হাউসপুর, বিহিগ্রাম, জিরাগাড়ি, চাঁপাপুর, কাঞ্চনপুর ও অন্যান্য এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দ্বারা ঈদ সামগ্রীগুলো তাদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে পৌঁছে দেওয়া হয়।

এবারের ঈদ সামগ্রী ছিল প্রতিটি ৫০০/- টাকার পরিমাণে।
(১) খাদ্যদ্রব্যঃ সেমাই ২ পদের, চিনি, তেল, সাবান, বাদাম কিসমিস।
অথবা
(২) বস্ত্রঃ পোশাক, ম্যাক্সি-ওরনা, পাঞ্জাবি, শাড়ি।
অথবা
(৩) অর্থঃ নগদ ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা করে।
অথবা
(৪) শিক্ষা সহায়ক।
ধন্যবাদ।

প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোঃ ওমর আলী সিদ্দিক তাঁর বক্তব্যের শুরুতে মহান আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা করে সংগঠন এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সর্ম্পকে ব্যক্ত করেন। আগামী বছরে আরও ভালোভাবে কাজ সম্পন্ন করার জন্য সকলের কাছে সহযোগিতা কামনা করেন। পরিশেষে এই কাজে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণকারী দূরের বা কাছের সকলের সুস্থতা, শান্তি ও মঙ্গল এর জন্য দোয়া করেন। বিশেষ করে যারা এই সংগঠনের স্থায়ী ফান্ড গঠনে আর্থক সহযোগিতা করেছে, করতেছে এবং করবে। পরিশেষে ইফতার এর ব্যবস্থা করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানকে সাফল্যমন্ডিত করতে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন প্রধান ও বিশেষ উপদেষ্টা সদস্য এম.এ মান্নান সহ আরও অনেকে।

বিঃদ্রঃ এখানে কেউ দান/ডোনেট করতে চাইলে দিতে পারবেন।
১) স্থায়ী ফান্ড গঠনে।
২) দানের ফান্ড।

মোবাইল একাউন্টঃ ০১৭১২১৯২০৩০ (বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়)

08/07/2022

এক ভদ্রলোক ডিম বিক্রেতাকে জিজ্ঞেস করলো'
ডিম কত করে বিক্রি করছেন?
বৃদ্ধ বিক্রেতা বললো' স্যার পাঁচ টাকা করে প্রতিটি।
স্যার বললো, আমি ৬টি ২৫ টাকা দেব, না হয় চলে যাবো!
বৃদ্ধ বিক্রেতা উত্তর দিলো, আসেন স্যার নিয়ে যান আপনার দামে। কারণ সারাদিন একটিও বিক্রি করতে পারিনি। আপনার মাধ্যমেই আজকের বিক্রি শুরু।।
স্যারটি ডিম কিনে জিতে গেল।
তারপর স্যারটি তার দামী গাড়ীতে চড়ে তার বন্ধুর সাথে অভিজাত রেস্তোরাতে গেলো। সেখানে, সে আর তার বন্ধুরা তাদের পছন্দসই অনেককিছু অর্ডার করলো। কিন্তু তারা যা অর্ডার দিলো তার স্বল্প খেলো আর বেশিরভাগ রেখে দিলো। তারপর সে বিল দিতে গেল।বিল আসলো ১৪০০টাকা। সে দিলো ১৫০০টাকা এবং রেস্তোরা মালিককে বললো বাকিটা রেখে দিতে।
এ ব্যাপারটা রেস্তোরা মালিকের কাছে খুবই স্বাভাবিক হতে পারে কিন্তু দরিদ্র ডিম বিক্রেতার কাছে খুবই বেদনাময়।
ভদ্রতার চাদরে আসলে আমরা আমাদের মূল্যবোধকে হারিয়ে ফেলেছি ... যখনি কোন অসহায়, বৃদ্ধ, গরীব লোকের কাছ থেকে কিছু ক্রয় করবেন তখন তাকে মূল্যের চেয়ে একটু বেশী দিবেন ...
সৃষ্টির সকল প্রাণীকে ভালবাসতে শিখি,,,,
অসহায় মানুষকে আপন ভাবতে শিখি।

21/01/2022

"পরিবর্তন" :

আমি যেদিন ৪৫ বছর বয়সে পা দিয়েছি..
আমার এক বন্ধু জিজ্ঞেস করল, আমি নিজের মধ্যে -এই বয়েসে পৌঁছে, কিছু পরিবর্তন অনুভব করছি কি?
আমি উত্তর দিলাম ...

এতবছর নিজের পিতামাতা, ভাইবোন, ছেলেমেয়ে, বন্ধুবান্ধব সবাইকে ভালবাসা দেবার পর এবার শুধু নিজেকে ভালবাসতে শুরু করেছি। হ্যাঁ, আমি পরিবর্তিত হচ্ছি।

দীর্ঘদিন পরে বুঝতে পেরেছি যে আমি কোনো মানচিত্র নই যে সমস্ত জগত আমার ওপর দাঁড়িয়ে থাকবে। তাই, সবাইকে ঝেড়ে ফেলে -আমি বদলে যাচ্ছি।

আজকাল আমি দোকানে, বাজারে গিয়ে দু'পয়সা নিয়ে আর ঝগড়া করি না। কারণ আমি বুঝতে শিখেছি, দু'চার পয়সা বেশী খরচ হলে আমি দরিদ্র হয়ে যাব না। বরং যে লোকটি দু'পয়সা বেশী রোজগারের আশায় মাথার ঘাম পায়ে ফেলছে সে দু'পয়সা বেশী পেলে হয়ত তার মেয়েটির লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারবে। সত্যি, আমি বদলে যাচ্ছি।

আজকাল রিক্সা-টেম্পো থেকে নেমে খুচরো টাকা নেবার জন্য অপেক্ষা করি না। যে লোকটি রাস্তায় পরিশ্রম করছে রাতদিন, ক'টা টাকা বেশী পেলে হয়ত তার মুখে হাসি ফুটবে। সেই হাসিটুকুর আশায় আমি নিজেকে বদলে দিচ্ছি।

বয়স্ক লোকদের বলা একই গল্প বারবার শুনেও থামতে বলি না। বুঝতে শিখেছি, এই গল্পগুলোর মধ্যে তাদের অতীতের স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে, যা তাদের নিস্তরঙ্গ জীবনে কিছুটা আনন্দ বয়ে আনে।তাই, আমি আর সেই আগের মত তাদের কথা শুনে বিরক্ত হই না।

লোকের ভুল ত্রুটি দেখে তাকে শুধরে দেবার জন্য আগের মতন আর প্রাণপণ লড়াই শুরু করি না কারণ আমি বুঝতে শিখে গেছি, সারা পৃথিবীর লোকদের শোধরানোর দায় আমার নয়। বরং আমার মনের শান্তি আমার কাছে অনেক বেশী দামী।

হ্যাঁ, আমি বদলে গেছি। এখন আমি বিনা কারণেই মানুষকে অভিনন্দন জানাই, তাদের প্রশংসা করি, এতে তারা যে আনন্দ পায়, তাদের সেই আনন্দ দিতে পেরে আমি নিজেও আনন্দিত হই।

আমাকে কেউ অবজ্ঞা করলে আমি আর আগের মত অপমানিত হই না, বরং দূরে সরে যাই তাদের থেকে। আমি বুঝি, তারা হয়ত আমার মূল্য বুঝতে না পেরে আমায় হেলা করছে, কিন্তু আমিতো জানি -আমার কাছে আমি অমূল্য।

আজকাল আবেগের যখন-তখন অপ্রত্যাশিত প্রকাশ আমাকে আর লজ্জিত করে না কারণ আমি শিখে গেছি যে এই আবেগগুলোই আমাকে ‘মানুষ’ বলে নিজের কাছে পরিচয় করিয়ে দেয়।

এখন আর নিজের Ego কে আঁকড়ে ধরে থাকি না। বুঝে গেছি, Ego মানুষকে একাকীত্বের দিকে ঠেলে দেয়। বরং এটি ছেড়ে দিলে সম্পর্কগুলো সুন্দর হয়ে ওঠে।

প্রতিটি দিনকে জীবনের শেষ দিন মনে করে বাঁচি, তাই দিনের প্রতিটি মুহূর্তকে মূল্যবান মনে করে জীবনকে উপভোগ করে বাঁচতে শিখে গেছি।

আমি অন্তর দিয়ে অনুভব করেছি, নিজেকে আনন্দ দেবার জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করতে নেই, আমার আনন্দের জন্য কেউ দায়ী নয়, আমি নিজেই সম্পূর্ণভাবে আমার সুখ, আমার আনন্দের জন্যে দায়ী। হ্যাঁ, আমি বদলে যাচ্ছি, এই বয়সে পৌঁছে আমি জীবনের প্রকৃত অর্থ বুঝতে শিখেছি। তাই আমার ভেতরেও পরিবর্তন হয়ে চলেছে।

পৃথিবীর সবকিছুই আরও সুন্দর মনে হচ্ছে..মহান সৃষ্টিকর্তাকে এত বছর স্মরণ না করলেও সৃষ্টিকর্তা আমার প্রতি যে করুণা দেখিয়েছেন..তা ভেবে আমি আরও বেশি লজ্জিত বোধ করছি।
#সংগৃহীত

Want your business to be the top-listed Government Service in Bogura?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Bogura
5800

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00