সবাই বলে ছাড়তে তোকে পাবার আশা কেমনে ছাড়ি বল তুই যে আমার বেঁচে থাকার সামান্য সম্বল....
ভুল না সঠিক তা জানিনা দুচোখ ভরা জল শুধু এতটুকু জানি তুই যে আমার বেঁচে থাকার সামান্য সম্বল...
Maraj Hossain
Ami habib adnan.
সাল:২০০৬
(নিঝুম রাস্তা দিয়ে যাবার সময় হটাৎ
রনি পথ আটকালো।)
---তোমার সাথে আমার কিছু কথা
আছে।(রনি)
---জি ভাইয়া বলেন। (নিঝুম)
---আমি তোমাকে ভালবাসি।
---কি বলেন আলতু ফালতু কথা।
আপনার লজ্জা করেনা?
ক্লাস ১০এ পরে একটা ক্লাস ৬এর
মেয়েকে প্রপোজ করেন।
আমি আপনি বড় ভাইয়ের মত দেখছি।
আর আপনি এত নিচু তা আগে
জানতাম না।
---আমি সত্যিই তোমায় ভালবাসি।
---আমি কি বলছি আমাকে
ভালবাসতে? ?আর কখনো আমাকে
এইসব বলে বিরক্ত করবেন না।
তাহলে আব্বুকে বলে দিব।
---কথাটা বুঝার চেষ্টা কর।
(নিঝুম কথা না শুনেই চলে যায়।রনি
ওদের দুঃসম্পর্কের ভাই।রনি
নিঝুমকে ভালবাসে।নিঝুম এইসব কম
বুঝে তাই এইসব জিনিসে নিজেকে
জরাতে চায়না।পরেরদিন কোচিং এ
যাবার সময় রনি আবার নিঝুমের
সামনে আসে।)
---কেমন আছো? (রনি)
---ভালো,আপনি?
---যেমন রাখছো।
---আপনি আবার শুরু করছেন?এইবার
কিন্তু আমি বাবার কাছে বিচার
দিবো।(ক্ষেপে গেছে)
---আচ্ছা, বাই
---বাই।
-
এইভাবে কয়েকদিন রনি নিঝুমকে
তার ভালবাসা দেখাতে চেষ্টা করে।
কিন্তু নিঝুম তা মানে না।নিঝুম এক
সময় ওকে অনেক গালাগালি আর
কটুকথা বলে।রনি এইবার তার
ভালবাসাটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে
দেখে।তাই সে নিঝুম কে কম বিরক্ত
করে।
সাল:২০১০
(নিঝুম এখন ক্লাস ১০এ পরে।বাবা
মা তাকে ফোন কিনে দিছে ।কারন
তাকে পড়াশোনার কিশোরগঞ্জ
থাকতে হয়।
খোঁজ খবর নেওয়ার জন্যই ফোন
দেয়।
এর মধ্যে রনি নিঝুমের ফোন
নাম্বার জোগার কইরা ফেলে।
প্রায়ই ফোন দেয়।নিঝুম আত্বীয়
হিসেবে কথা বলত।একদিন বিকালে
রনির নাম্বার থেকে নিঝুমের ফোনে
কল যায়। কল রিসিভ করতেই, ,,)
---হ্যালো ভাইয়া বলো।
---নিঝুম আমি তোর কাকা।
---আসসালামু আলাইকুম।
---ওলাইকুম আসসালাম।
(কাকার সাথে কথা হওয়ার পর নিঝুম
কিছুটা বিস্মিত হয়।তার কেন যেন
মনে হচ্ছে রনির জন্য কিছুটা হলেও
ফিলিংস আছে।আর কিছুদিন ধরে রনি
তার এক বন্ধুকে দিয়ে আবার
নিঝুমকে পাওয়ার জন্য চেষ্টা করে।
অন্যদিকে নিঝুম তার এক বান্ধবীর
সাথে থাকত।সেও নিঝুমকে বোঝায়
যে রনি তার জন্য উপযুক্ত। আর
নিঝুম নিজেও কিছুটা উপলব্ধি করে।
আর সে এখন কিছুটা হলেও
ম্যাচিউর।)
সাল:২০১০। ফেব্রুয়ারি ৫
(অবশেষে রনির সত্য কথার জালে
নিঝুম ফেসে যায়।রাতে নিঝুম নিজেই
রনিকে কল দেয়।তারপর, ,,)
---হাই। (নিঝুম)
---হাই।(রনি)
---কি করেন?
---তোমায় মিস করি।
---ও তাই।
---হুম
---ভাল।আমিও তোমায় অনেক মিস
করি।
---অই তুমি আমাকে তুমি বলছ?
---হ্যা।আর সবসময় বলব।
---আই লাভ ইউ নিঝুম।আমি তোমায়
অনেক ভালবাসি।
---কেন?
---জানিনা।
---আমিও তোমাকে ভালবেসে
ফেলেছি রনি।
---কি বল তুমি?আজ আমার মনের
আশা পুর্ন করে দিলা তুমি।আই লাভ
ইউ সো মাচ।
(নিঝুম আর রনির রিলেশন সেইদিনের
পর থেকে কনটিনিউ চলে।রনির সাথে
রিলেশন হওয়ার পর সে রনিকে
একদিন না দেখলে পাগল হয়ে যেত।
এমন দিন আছে যে সে নিজেই রনির
বাসায় চলে যেত রনিকে দেখার জন্য।
নিঝুম সবসময় রনিকে সাপোর্ট
দিত।সে অনেক কিছু করেছে রনিকে
সারাজীবন কাছে পাওয়ার জন্য।
যমযমের পানি,শবে বরাতের নামাযে
শুধু ওকেই চেয়েছে।যখনি বিয়ের কথা
উঠতো তখনি আল্লাহর নাম নিতে
বলত রনিকে।)
সাল:২০১৫।নভেম্বর
(নিঝুম রনিকে ফোন দেয়।)
---হ্যালো।(নিঝুম)
---হা।বল।(রনি)
---তুমি আমাকে এড়িয়ে চলছ কেন
কিছুদিন যাবত?
---কই নাতো?
---মিথ্যা বলনা।
---আসলে আমার ফ্যামিলিতে আমার
আর তোমার ব্যাপারটা জানাজানি
হয়ে গেছে।আর বাবা মা রাজীনা তাই
আমি তোমায় বিয়ে করতে পারবনা।
---কি????
---হ্যা, বাই।ভালো থেকো। আর
আমাকে ভুলে যাও।
---অই শুনো।
(রনি ফোন কেটে সুইচ অফ করে
দেয়।নিঝুম পাগলের মত কান্না শুরু
করে।একসময় নিঝুম রনির এক
বন্ধুর কাছ থেকে জানতে পারে রনি
তার সাথে ভালবাসার অভিনয়
করেছে।কিন্তু নিঝুম তা বুঝতে
পারেনাই।আজ ওদের রিলেশন ব্রেক
আপ এর ২মাস।নিঝুম আজও রনির
ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করে।)
…….
…..
….
.…
…….সত্য ঘটনা অবলম্বনে
তানিয়া -
রাহাত আমায় গত দুই মাস ধরে খুব
কম
সময় দিচ্ছিল । ওর অফিসে নাকি
কাজের চাপ খুব বেড়ে গিয়েছে । তাই
আমিও আর ওকে ওতটা জিগ্ঙাসা
করি
নি । আর এর মধ্যেই আমার অফিসে
একটি ছেলে জয়েন করে । ছেলেটার
নাম
শাফি । ছেলেটা খুবই মিশুক । ও
সকলের
সাথেই খুব কম সময়ে মিশতে পারত ।
তো ছেলেটা অফিস ব্রেকের সময়
আমার
ডেস্কে এসে গল্প করার চেষ্টা
করত ।
আমি প্রথমে খুব একটা পারতা
দিতাম
না । কিন্তু এক সময় আমরা ভাল
বন্ধু
হয়ে গেলাম । ছেলেটা খুব পাগলামু
করত
। এই কোন দিন চকলেট কোন দিন
সাদা
গোলাপ আনত আমার জন্য যা
আমার
জন্য । মাঝ রাতে কল দিয়ে আমার
সাথে কথা বলা । অফিস শেষে ওর
সাথে
পার্কে গিয়ে ফুসকা খাওয়া আর
গল্প
করা । আসলে রাহাত আগে যে কাজ
গুলো করত এই ছেলেও সেই কাজ
গুলো
করত । যে সময় গুলোতে রাহাতকে
খুব
মিস করতাম সেই সময় কেন যানি এই
ছেলেটা আমায় সঙ্গ দিত । আমি
বুঝতে
পারতাম যে রাহাত এই বিষয় গুলো
বুঝতে পারছে । কিন্তু আমি যেন
কিছুই
করতে পারছিলাম না । তাহলে কি
আমার শাফির উপর আলাদা অনুভূতি
সৃষ্টি হয়েছিল ? যাকে ভালবাসা
বলে !
না আসলে ঐটা ছিল নিছক একটি
ভাললাগা । একটি ঘোর । একটি ভুল ।
আর যখন আমি আমার ভুলটা বুঝতে
পারলাম তখন অনেক দেরি হয়ে
গিয়েছে
। রাহাত তার জীবন থেকে আমায়
মুক্তি দিয়েছে । মুক্তি দিয়েছে তার
স্বপ্ন গুলো থেকে ।
এখন আমার দিন গুলো মনে হয়
কাটতে
চায় না । আমি পাথর হয়ে বেচেঁ আছি ।
বেচেঁ আছি তার স্বপ্ন গুলো নিয়ে ।
আমি চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছি । আজ
চলে
যাব রাজশাহীতে । রাহাতের সাথে ঘর
আর না বাঁধতে পারি তাকে অন্তত
চোখের দেখাত দেখতে পারব । আর
এতেই হয়ত আমার মন একটু হলেও
শান্তি পাব । আমি এখনও ডির্ভস
পেপারে সই করতে পারি নি । কাউকে
বলতে পারি নি যে আমাদের ডির্ভস
হচ্ছে । কারণ আমি এখনও একটা
সুযোগ আশায় আছি । সেই সুযোগ
হয়ত
আমাকে ফিরিয়ে দিবে আমার
ভালোবাসার পৃথীবিটিকে । হয়ত
সারাটি
জীবন কেটে যাবে কিন্তু আমি
থাকবো
তোমার আশায় । আর সেই আশা যদি
না
পূরণ হয় তাহলে এই পৃথিবীতেও আর
থাকবো না ।
রাহাত -
ট্রেন্সেফার নিয়ে আমি ঢাকা থেকে
রাজশাহীতে আমাদের বাসার কাছে
চলে
আসি । আসার পর থেকে আমার বাবা
মা ও তানিয়ার বাবামার কাছ থেকে
অনেক প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হচ্ছে
(তানিয়াদের বাসা আর আমার বাসা
পাশাপাশি) । এই যেমন তাদের মেয়ে
বা
বউমা আসলো না কেন ? কবে
আসবে ?
তুই কেন হঠাত্ ট্রেন্সেফার নিলি ?
কোন রাগারাগি করছিস কিনা ?
ইত্যাদি
। কিন্তু আমি কিছুই খুলে বলছিলাম
না
কারণ তানিয়া ডির্ভস পেপারটা সই
করে দিয়ে পাঠালে আমি সব বলতে
চাচ্ছিলাম সবাইকে । এই দিকে নতুন
অফিসে আসার পর থেকে আমার
মানসিক অবস্থা খুবিই খারাপ ।
অফিস
শেষে বাসায় আসলে মনমরা হয়ে
ঘরের
মধ্যে বসে থাকি । যে ছেলে ছিগরেট
পর্শ করত না সেই আজ সিগরেটের
প্রিয় বন্ধু । আসলে আমি স্থৃতি
গুলো
ভুলতে পারছিলাম না । এগুলো বাবামা
খেয়াল করেছে । এবং তারা মনে হয়
এটাও বুঝতে পারছে যে আমাদের
মধ্যে
কনো বড় ধরনেরই মন্যমালিন্য
হয়েছে
।
আজ অফিস থেকে ফিরে এসে
তানিয়াকে
আমার বেডরুমে দেখে যত না অবাক
হয়েছি তারচেয়ে বেশি ওর প্রতি
আমার
ঘৃণা উদ্দেরক হয়েছে । একজন মানুষ
কত যে নিল্লর্জ হতে পারে তা মনে
একে না দেখলে বুঝতে পারতাম না ।
আমি তত্ক্ষণাত রুম থেকে বের হয়ে
আসি এবং মাকে বলি ও এখানে
কেন ?
মা বলল ও নাকি চাকুরি ছেড়ে দিয়ে
চলে
এসেছে । আর এখন থেকে এখানেই
থাকবে । আমি তানিয়াকে গিয়ে বলি
ডির্ভস পেপার কই ? ও
ডির্ভসপেপারটা আমায় দিল কিন্তু
তাতে ওর সই করাছিল না । আমি ওর
মতামত বুঝতে পেরে ওকে বলি হয়
তুমি
এই বাসায় থাকবে না হয় আমি । ও
তারপর বাসা থেকে চলে যায় ওদের
বাসায় ।
ও বাসা থেকে চলে যাওয়ার পর
বাবামা
আমায় চাপ দেয় যে আমাদের মাঝে
কি
হয়েছে তা বলার জন্য । আমি
আমাদের
ডির্ভসের ব্যাপারটা বলি কিন্তু কি
কারণে হয়েছে তা বলতে পারি নি !
কারণ যাকে ভালবাসি তার সম্বন্ধে
খারাপ কথা বলা যায় না ।
হম আমি এখনও তানিয়াকে
ভালোবাসি ।
এবং তানিয়া যে জায়গাটা নিয়েছিল
আমার মনের কটোরে তা কেউ নিতে
পারবে না । কিন্তু বর্তমানে ওর উপর
আমার ঘৃণার পরিমানটাই বেশী । যে
ঘূণাই আমায় ওর থেকে সাগর
ব্যবধান
করে দিয়েছে ।
ইদানিং বাবামা আমার সাথে
ভালমতো
কথা বলে না ।তারা ডির্ভসের
ব্যাপারটা মনে নিতে পারছে না ।
কারণ
তারা তানিয়াকে নিজের মেয়ের চেয়ে
বেশী ভালো বাসে । আর যেহেতু
ডির্ভসের ব্যাপারটা আমি এখনও
পরিষ্কার করতে পারি তাই তারাও
আমার উপর রাগ করে আছে ।
গত এক মাসে অনেক বারই তানিয়া
আমার কাছে ঘেষতে চাইছিল কিন্তু
আমি সেই সুযোগ দেই নি ।একমাস
পর
তানিয়াকে ভালভাবে দেখলাম ।
মেয়েটা
একদম শুকিয়ে গেছে । চোখের নিচে
কালি
পরে গিয়েছে । হাতে করে নিয়ে
এসেছে
আমার প্রিয় পায়েশ । প্রথমে একটু
মায়া হলেও তারপর ঘৃণার আধার
ছেয়ে
ফল্লো । আমি সাথেসাথেই চড়
মারলাম
সবার সামনে । মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে
চলে গেল । বাবা এসে সাথে সাথে
আমায়
চড় মারল । খুব কষ্ট হচ্ছিল যে এটা
ভেবে যে মেয়েটাকে আবার ফিরিয়ে
দিলাম ।
রাত ২টা আমি আমার কষ্ট গুলোকে
নিকোটিনের ধোঁয়ায় ছেড়ে দিচ্ছিলাম
।
এমন সময় মা কাঁদতে কাঁদতে এসে
বললো তানিয়া সুইসাইড করেছে ।
আমি
আবার মনে হয় পাখর হয়ে গেলাম ।মা
আমার হাতে একটি চিঠি ধরিয়ে দিয়ে
গেল । আমি বুঝে গেছি কিসের চিঠি ।
আমি মাকে বললাম যাও আমি আসি ।
মা যাওয়ার পর আমি আমার আবেগ
পুরটাই থেমে গেছে । বিশ্বাস করুন
আমি
কাঁদতে পারছি না । কারণ আমার
চোখের জল শুকিয়ে গেছে । অনুভূতি
গুলো বাষ্প হয়ে উড়ে যাচ্ছে ।
ঘরে আমার প্রতিদিনের
ঘুমপারানোর
সাথি ৩৫টা ঘুমের বড়ি ছিল সবগুলো
পানির সাথে মিশিয়ে পান করলাম ।
বাহ
কাজ ভালোই করছে !
আমি একটা চিঠি লিখলাম যেটায়
লিখাছিল "বাবামা আমায় ক্ষমা করে
দিও " আর আমাদের কবরটা এক
সাথে
দিও "।
চোখটা বুজে আসছে । বন্ধ হয়ে
যাচ্ছে
আমার পৃথিবীটা । যেখানে আমার
আরও
কিছুদিন হয়ত থাকার কথা ছিল
সবাইকে
নিয়ে ? এই পৃথীবি থেকে বিদায়
নেওয়ার
আগে পাগলিটাকে একটা কথাই বলব -
"যা পাগলি মুক্ত করে দিলাম তোর
উপর জমে থাকা অভিমান গুলোকে" ।
[এরকম পরিনতী যেন কার জীবনে না
হয় । আসুন পরকিয়াকে না বলি ]
একটি স্বর্থপর ভালবাসার গল্প
পড়ে
দেখুন......
ছেলেটি খুব ভালবাসতো
মেয়েটিকে।তবে মেয়েটি ছিল অন্ধ।
চোখে দেখতে পারে না।সেই
মেয়েটি এই ছেলেকে ছাড়া আর
কাউকেই বিশ্বাস করতো না।কিন্তু
মেয়েটি প্রায় ছেলেটিকে বলত যদি
আমি চোখে দেখতে পারতাম তবে
তোমাকে বিয়ে করতাম।
একদিন কোন একজন ব্যাক্তি
মেয়েটিকে দুটি চোখ দিতে রাজি
হয়।মেয়েটি তো মহা খুশি।অপারেশন
করার পর মেয়েটি চোখের আলো
ফিরে পায়।একসময় তার প্রেমিক
অর্থাত্ ছেলেটি মেয়েটার কাছে
আসল কিন্তু মেয়েটি ছেলেটিকে
দেখে তো অবাক হয়ে গেছে।সে
দেখতে পেলে যে তার প্রেমিক
ছেলেটিও অন্ধ এবং সে ভাবতে
পারছিল না যে ছেলেটিও চোখে
দেখতে পায় না।তো মেয়েটা এখন
আর ছেলেটিকে গ্রহন করতে চাইল
না
ছেলেটিকে অপমান করে ফিরিয়ে
দিল।
ছেলেটি মুখ বুঝে সব সয়ে গেল কিছুই
বলল না শুধু যাবার সময় মেয়েটাকে
একটি চিঠি দিয়ে গেল।চিঠিতে
লিখা ছিল একটিই বাক্য কথা "Take
my eyes" আমার চোখ দুটির যত্ন
নিও!!
এটাই হল এখনকার যুগের কিছু
মেয়েদের ভালবাসার রূপ স্বর্থ
ফুরিয়ে গেলেই সব শেষ।
গল্পটি পড়ে আপনার কেমন লাগল
জানাবেন।
জাগ্রত কবি মুহিব খানের জাগরনী
সংঙ্গীতঃ ....................................
মোল্লারা সব জাগো...!!! জুব্বা
খুলে নাওরে তুলে বারুদ মাখা
পাঞ্জাবী, শক্ত করে পাগড়ী বাধো
থাকনা পড়ে গোলটুপী। . পান
চিবানোর স্বভাব ছেড়ে হাড্ডি চিবাও
দুশমনের, ঝড়-তুফানে পড়বে মারা
মৌলভী সব খোশমনের। . সুরমা
দেবার কী প্রয়োজন! থাকনা দু'চোখ
রক্তে লাল! ক্ষিপ্ত বাঘের দৃষ্টি
দেখে দৌড়ে পালাক ভেড়ার পাল। .
উপচে পড়া দাড়ির ফাকে গোফটা না
হয় থাক ফুলে, ঝাকড়া চুলের বাবরী
দেখে সিংহ পালাক জঙ্গঁলে। . রুমাল
দিয়ে কান ঢেকে আর ক’দিন রবে
শান্তিতে, বিশ্বটা যে আজ যাচ্ছে
ডুবে গোমরাহী আর ভ্রান্তিতে। .
গামছা ফেলে রুমাল ফেলে হাত রাখ
ভাই বন্দুকে, মারের ভয়ে মরার
আগেই মরতে হবে কোন দুঃখ্যে? .
ডাক দিয়ে যাই মৌলভীদের ঘুম
ভাংগানোর গাইরে গান, সব গোড়ামী
ছাড়তে হবে থাকতে হবে মুক্ত
প্রাণ। . ঘরকুনোদের ঠাই হবে না
ময়দানে বা রাজপথে, আজ থেকে তাই
জাগতে হবে সবাই মিলে একসাথে। .
বাঁচার মত বাঁচতে হলে ঝান্ডা উড়াও
বিপ্লবের, বিশ্বজুড়ে নতুন করে
মৌলভীরাই জাগবে ফের। . এই
শহীদ-গাজীর বাংলা ছেড়ে
নাস্তিকেরা সব ভাগো, আজ দিন
বদলের দিন এসেছে মোল্লারা সবে
জাগো জাগো.......
12/02/2015
25/12/2014
2014 Year In Review: An iguana from "Kingdom of the Oceans" makes a few marine friends (Photo credit: Galante Films)
25/12/2014
Emon hole manus morbena keno?
Hello.how are you?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
ZIPCODE
