27/06/2025
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল বাস্তবায়নধর্মী, অগ্রণী এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ববহ। যদিও ১৯৯০ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আইন প্রণয়ন করা হয়, কিন্তু এর বাস্তব কার্যক্রম শুরু হয়নি। ১৯৯১ সালে গণতান্ত্রিক সরকার হিসেবে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরাসরি নির্দেশনা ও অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক কাঠামো, অবকাঠামো নির্মাণ এবং একাডেমিক কার্যক্রম দ্রুত শুরু হয়। ১৯৯১ সালের ২৫ নভেম্বর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়, যা ছিল এই অঞ্চলের মানুষের জন্য এক নতুন উচ্চশিক্ষার দুয়ার। বেগম খালেদা জিয়ার সরকার বিশ্ববিদ্যালয়টিকে রাজনীতিমুক্ত রাখতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করে একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। খুলনা অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার প্রসার, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক বৈষম্য দূরীকরণে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই যাত্রা ছিল এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যার পেছনে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ছিল নির্ধারক ও অনস্বীকার্য।
▪️রাজনীতিমুক্ত রাখার ক্ষেত্রে ভূমিকা
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় একটি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়—এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকবে। শিক্ষার পরিবেশ যেন রাজনীতির প্রভাবমুক্ত থাকে, সেজন্য বেগম খালেদা জিয়ার সরকার এই সিদ্ধান্ত নেয়। এটি দেশে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে আইন করে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়, যা জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচিত হয়।
ছবি: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম উদ্বোধনকালে ততকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
