Bourhanul H Chowdhury

Bourhanul H Chowdhury

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bourhanul H Chowdhury, 207 Chosma Hill, East Nasirabad, Panchlaish., Chittagong.

29/05/2026

An Appeal to the Students of Premier University and the People of Chittagong

Premier University Building 1 and Building 2 at Probortak Mor are not just buildings. They carry the history, contribution, and sacrifice of thousands of students, guardians, teachers, and well-wishers of Chittagong.

These buildings were established on land taken under a long-term rental/lease arrangement from Chittagong City Corporation. At that time, the university was built with a vision to provide quality education for the people of Chittagong, especially for students who needed affordable access to higher education.

During the previous waterlogging mitigation project, parts of the backside of these buildings were dismantled and later reconstructed/refurbished with major effort and financial cost. This was not done for anyone’s personal benefit. It was done to preserve the university’s facilities while cooperating with the city’s drainage and waterlogging solution.

Now we hear that the entire Building 1 and Building 2 may be dismantled for only around Tk 15 lakh. This raises serious questions.

Whose money was used to build, repair, and preserve these buildings?

Was it not the money of students and guardians?

Why were these buildings reconstructed with so much cost if they are now being handed over like scrap?

Who will benefit from removing these buildings?

Is there any plan to build shops or a commercial market there?

The students of Premier University deserve answers.

We also ask: if Premier University is being claimed as a City Corporation-controlled institution, then where is the government approval document showing that City Corporation had the authority to establish and operate a private university?

Premier University is a private university. A City Corporation executive alone cannot establish a private university without proper legal authority and approval. If anyone claims otherwise, let them show the documents publicly.

At the same time, tuition fees have increased, and students are suffering. If this was truly a government institution, why would students face such private-university-level fee pressure?

The dream of ABM Mohiuddin Chowdhury was to make education accessible for the people of Chittagong. That dream must not be destroyed by mismanagement, political control, or commercial interest.

We request the students, guardians, teachers, alumni, journalists, and conscious citizens of Chittagong to raise peaceful, lawful, and united questions:

Why are Building 1 and Building 2 being dismantled?
Who approved it?
Where is the valuation report?
Where is the public tender?
Where is the legal document?
Who will benefit from this decision?
Why is students’ money being treated like scrap?

Premier University belongs to its students, its academic community, and the people of Chittagong — not to any individual, group, or political interest.

Let us raise our voice peacefully, lawfully, and strongly to protect the institution, protect transparency, and protect the future of education in Chittagong.

Save Premier University.
Save students’ money.
Save Chittagong’s educational heritage.

28/05/2026

খাসি খাওয়া হয়ে গেলে
জাশি খাওয়ার প্রস্তুতি নিন

সময় সন্নিকটে!

28/05/2026

মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বঞ্চিতের মুখে হাসি ফোটানো এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক, সহমর্মী সমাজ গড়ার অঙ্গীকার হোক আমাদের ঈদের সবচেয়ে বড় প্রার্থনা।

সকলের জীবনে শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণ বয়ে আনুক পবিত্র ঈদুল আজহা।

ঈদ মোবারক।

23/05/2026

এই যে 'জুলাই যোদ্ধা'দের যুদ্ধ। নিজেই স্বীকার করলো, তারাই ভায়োলেন্স করেছে এবং তাদের চেয়ে বেশি এটা কেউ করতে পারবে না। আর শেখ হাসিনার সরকার সে সময় তাদের ভায়োলেন্স প্রতিহত করে, সাধারণ নাগরিকের জানমাল রক্ষা করতে গিয়ে আজ হয়েছে ফ্যাসিস্ট!

সেসময় তারা পরিকল্পিতভাবে দেশের নানা জায়গায় আগুন দিয়েছে, সেটা রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারে ছিলো।

সেসময় তারা স্নাইপার ঢুকিয়েছিলো ঢাকা শহরে, অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা সাখাওয়াতই সে কথা বলেছেন, এবং সেই স্নাইপারের গুলিতে রিয়া গোপ সহ অনেকে প্রাণ হারায়। আরো প্রাণহানি প্রতিহত করার চেষ্টা করে আজ শেখ হাসিনা হয়েছেন ফ্যাসিস্ট!

গত কয়েকদিনে দেশে শিশুধর্ষণের যতো ঘটনা, আপনারা কি মনে করেন, এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা? দেশকে অস্থিতিশীল করার ঘোষণা তো এই আসিফ-পাটোয়ারীরাই দিয়েছে ক'দিন আগে, নাকি দেয়নি?

যারা এখনো তাদের বিশ্বাস করেন, কেন করেন? এতো সব প্রমাণ থাকার পরও? নাকি স্রেফ শেখ পরিবার ও আওয়ামী লীগের প্রতি নিজের ঘৃণা চরিতার্থ করতেই এদেরকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন? যাদের বিবেক নাই, তারাই জামায়াত-এনসিপির সাপোর্টার।

18/05/2026

জুলাই গ্রাফিতির জন্য এরা রাস্তায় নামতে পারে, পুলিশের উপর হামলা চালাতে পারে কিন্তু...

হামে প্রতিদিন শিশুহত্যা হচ্ছে, তারা রাস্তায় নামে না।
আমেরিকার কাছে দেশ বিক্রি হয়ে যায়, তারা রাস্তায় নামে না।
চট্টগ্রাম বন্দরে আমেরিকার যুদ্ধজাহাজ ঢুকবে, অথচ তারা রাস্তায় নামে না।
মাজার ভেঙে ফেলছে উগ্রবাদীরা, তারা রাস্তায় নামে না।
মানুষের জানমালের কোনো সুরক্ষা নাই, মাগার, তারা রাস্তায় নামে না।

সাধারণ শিক্ষার্থী নামের এই অসাধারণ শিক্ষার্থীদের স্যালুট জানাই। তোমরাই পারবে আমাদের দেশকে আরো সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিতে।

13/05/2026

আজ সকালে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। আব্বার মৃত্যুর পর আমাদের পরিবারের খোঁজখবর রাখতেন, যে কোনো সমস্যায় এগিয়ে আসতেন যে মানুষটা, তাঁকে হারিয়ে ফেললাম আমরা।

মোশাররফ চাচার মতো মানবিক মানুষ আজকের পৃথিবীতে অনেক বেশি দরকার। এই দেশ, দেশের মানুষ এবং আমার মতো আওয়ামী লীগের হাজারো নেতাকর্মীর এমন একজন অভিভাবকের প্রয়োজন আজ অনেক বেশি। এই দুঃসময়ে আমাদের বৈঠা ধরার এক সুদক্ষ নাবিককে আমরা হারালাম।

দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে মানুষ হিসেবে সম্মান জানানো ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন শেষ সময়ে এসে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের শিকার হলেন। ইউনুস সরকার তাকে যোগ্য সম্মান তো দেয়ইনি, বরং কারাবন্দী অবস্থায় যে অবহেলা ও অমানবিক পরিস্থিতিতে তাকে ফেলে দেয়া হয়, তা হত্যাচেষ্টার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।

আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু ইতিহাস তাকে স্মরণ রাখবে।
আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং তার পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দিন।

যারা জাতির জন্য আত্মত্যাগ করেন, তারা কখনো হারিয়ে যান না — তারা বেঁচে থাকেন মানুষের বিবেক ও ইতিহাসে।

10/05/2026

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) স্বাস্থ্য বিভাগ এখন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। চসিকের স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইয়াছিনুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ফিটনেস সনদ বাণিজ্যের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার যে ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে, তা কেবল একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত অপরাধ নয়—বরং ‘স্বনির্বাচিত’ মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণহীনতার এক নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।

নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বেকারিতে কর্মরতদের ফিটনেস সনদ নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাদের হাতে, তারাই এখন জালিয়াতির কারিগর।

স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইয়াছিনুল হক চৌধুরী নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে জেলা সিভিল সার্জনের ভুয়া স্মারক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত 'বাণিজ্য' চালিয়ে যাচ্ছেন।

অথচ মেয়রের চেয়ার দখল করে রাখা ডা. শাহাদাত হোসেন এই শহর অভিভাবকহীন হয়ে পড়া নিয়ে যতোটা চিন্তিত, জনগণের ব্যাপারে তার কোনো মাথাব্যথাই নাই।

জানা গেছে, নগরীর অন্তত ২০টি অভিজাত প্রতিষ্ঠানের প্রায় দেড় হাজার কর্মচারীকে ভুয়া সনদ দিয়েছেন ইয়াছিনুল। জনপ্রতি ২ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা সরকারি ফির চেয়ে ১০ গুণ বেশি। এই বিপুল পরিমাণ অর্থের একটি টাকাও চসিকের রাজস্ব খাতে জমা পড়েনি।

যেসব প্রতিষ্ঠানের নামে জালিয়াতি হয়েছে:
স্বপ্ন সুপার শপ: ১১০ জন
ওয়েল ফুড ও বনফুল: ৩০০ জন
মেরিডিয়ান ও পিটস্টপ: ১৮০ জন
হোটেল আগ্রাবাদ ও মেরিডিয়ান: ১৫০ জন

জনস্বাস্থ্য নিয়ে এমন ছিনিমিনি খেলা চললেও চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসব সনদের কোনো রেকর্ড নেই। একজন পরিদর্শক কীভাবে বছরের পর বছর মেয়রের নাকের ডগায় এমন সমান্তরাল প্রশাসন চালিয়ে যাচ্ছেন, সেই প্রশ্ন এখন মুখে মুখে।

ডা. শাহাদাত হোসেন যদি দ্রুত এই 'সনদ সিন্ডিকেট' গুঁড়িয়ে দিতে না পারেন এবং ইয়াছিনুলের মতো অসাধু কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করেন, তবে এই দায়ভার সরাসরি তার প্রশাসনের ওপরই বর্তাবে। জনস্বাস্থ্য রক্ষা নাকি পকেট ভারী—মেয়র এখন কোন পক্ষে থাকবেন, সেটাই দেখার বিষয়।

Photos from Bourhanul H Chowdhury's post 09/05/2026

২০০১ সালের ১৬ নভেম্বর। সকাল সাড়ে ছয়টা। চট্টগ্রাম নগরের জামালখান রোডের শাওন ভবন। ভবনটির দ্বিতীয় তলায় থাকতেন নাজিরহাট কলেজের অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী।

তার বাসার গলির মুখে তিন চাকার গাড়ি নিয়ে অপেক্ষায় ছিল দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার ছোট সাইফুল। বাসার দরজায় অস্ত্র হাতে পাহারায় ছিল তসলিম উদ্দিন মন্টু। বাসায় ঢোকে দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার গিট্টু নাছির, আজম ও বাইট্টা আলমগীর। সিঁড়িতেই দেখা হয় গোপাল কৃষ্ণ মুহুরীর স্ত্রী উমা মুহুরীর সঙ্গে। তার কাছে জানতে চায়, 'আমাদের স্যার কোথায়?'।

শব্দ শুনে দরজা খুলে সোফায় এসে বসেন গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী। কে এসেছে জানতে চান। তাৎক্ষণিক গোপাল কৃষ্ণ মুহুরীর মাথা লক্ষ্য করে একে ৫৬ রাইফেল থেকে পরপর দুইটি গুলি করে গিট্টু নাসির।

সেদিন এভাবেই গিট্টু নাছিরসহ শিবিরের দুর্ধর্ষ পাঁচ ক্যাডারের হাতে বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের শিকার হন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, দক্ষ প্রশাসক, শিক্ষাবিদ ও জনপ্রিয় শিক্ষক গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী।

কেন? কী অপরাধ ছিল তাঁর?

তাঁর অপরাধ ছিল তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর অপরাধ ছিল তিনি নাজিরহাট কলেজ থেকে মৌলবাদের বিষদাঁত উপড়ে ফেলেছিলেন। তাঁর অপরাধ ছিল তিনি গিট্টু নাছির আর তসলিম মন্টুদের মতো পেশাদার খুনিদের অভয়ারণ্য ভেঙে দিয়েছিলেন।

নাজিরহাট কলেজ থেকে পুরো চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করতো শিবির ক্যাডার নাছির। তার অনুসারী ও কলেজের মৌলবাদী এবং দুর্নীতিবাজ কিছু শিক্ষক-কর্মচারী মিলে এ কলেজের বিপুল পরিমাণ সম্পদ লুটেপুটে খেতো। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্র করে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য হতো এখানে।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে প্রগতিশীল শিক্ষাবিদ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি কঠোরভাবে প্রশাসন পরিচালনা করেন। সবধরণের অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ করে দেন। শিবির ক্যাডার নাছিরকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেন। কলেজের প্রগতিশীল ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে মৌলবাদি চক্রটি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই গোপাল কৃষ্ণ মুহুরীকে হত্যা করে তারা।

একটি স্বাধীন দেশে একজন শিক্ষককে কেন তাঁর আদর্শের জন্য প্রাণ দিতে হয়? বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় বসার মাত্র দেড় মাসের মাথায় এই হত্যাকাণ্ড কীসের সংকেত ছিল?

এটি ছিল মুক্তচিন্তার টুঁটি চেপে ধরার এক পরিকল্পিত মহড়া। একে-৫৬ রাইফেলের নল দিয়ে তারা সেদিন কেবল একজন মানুষকে মারেনি, তারা মারতে চেয়েছিল আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে, আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে।

আফসোস হয় আজ যখন দেখি, আজম-মন্টু-আলমগীরদের মতো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা আমৃত্যু কারাদণ্ডে লঘূ করা হয়। হাবিব খানের মতো ঘাতকরা এখনো বিদেশের মাটিতে আয়েশ করে সময় কাটাচ্ছে।

আমরা কি ভুলে গেছি সেই ভয়াল দিনগুলোর কথা? যখন শিবিরের কিলিং স্কোয়াড এই চট্টগ্রাম শহরকে লাশের মিছিলে পরিণত করেছিল? লিয়াকত কমিশনার থেকে শুরু করে আট খুনের মহোৎসব—কারা ছিল এই মাস্টারমাইন্ড? আজ সময় এসেছে সেই অপশক্তিকে চিনে নেওয়ার।

মনে রাখবেন, গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী কোনো সাধারণ শিক্ষক ছিলেন না। তিনি ছিলেন আমাদের প্রগতির বাতিঘর। আজ যারা শিক্ষাঙ্গনে আবারও ধর্মীয় গোঁড়ামি আর ক্যাডার রাজনীতির বিষবাষ্প ছড়াতে চায়, তাদের জন্য ২০০১ সালের এই রক্তমাখা সকালটি এক ভয়াবহ সতর্কবার্তা।

রক্ত যখন আমরা দিই, তখন ইতিহাসও আমরাই লিখি। অধ্যক্ষ মুহুরীর রক্ত বৃথা যেতে পারে না। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী এবং পর্দার অন্তরালে থাকা মাস্টারমাইন্ডদের চেহারা যেন আমাদের প্রজন্ম ভুলে না যায়।

মৌলবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইটা জারি রাখা হোক তাঁর স্মৃতির প্রতি আমাদের শ্রেষ্ঠ সম্মান।

জয় বাংলা!

07/05/2026

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ইউনুস, নুরজাহানের বিচার হবে।

নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থে আমাদের বাচ্চাদেরকে হামের মতো একটা মহামারীর দিকে ঠেলে দেয়ার অপরাধ কোনোভাবেই ছেড়ে দেয়া হবে না।

05/05/2026

যারা অল্প ইনভেস্টমেন্টে এককালীন অনেক টাকা আয় করতে চান, তাদের জন্য একটা বিজনেস আইডিয়া-

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একটু ঘোরাঘুরি করে কোনো পিওন বা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এপিএসের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেন। তাদেরকে কিছু টাকা খাওয়ায়ে কয়েকটা প্রজেক্ট কনফার্ম করে নেন।

তারপর স্বাস্থ্যখাত নিয়ে কাজ করে এমন কয়েকটা ছোটখাটো এনজিও'র ঠিকানা বের করে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাদেরকে দিয়ে সেইসব প্রজেক্টের জন্য পেপার রেডি করিয়ে মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়ে কাজটা বাগিয়ে নেন এবং সেইসব এনজিওকে দিয়ে দিন। মাঝখানে আপনি মোটা অংকের কমিশন নিজের জন্য রেখে দেন।

এরপর আরো প্রজেক্ট, আরো টাকা।

আগামী অন্তত পাঁচ বছর তো এভাবে চালিয়ে নিতে পারবেন, সেই ব্যবস্থা করে দিয়ে গেছে ইউনুস।

তবে মনে রাখবেন, বড় প্রজেক্টগুলোর দিকে হাত দিবেন না। ওগুলো ইউনুস ও তার ভাই-ব্রাদাররা নিজেরাই বুকিং করে গেছে।

05/05/2026

জুলাই মূলত ষড়যন্ত্র, কোনো অভ্যুত্থান-বিপ্লব না।

আমেরিকার টাকায় লালিত কিছু মানুষ আর ক্ষমতার জন্য লালায়িত কিছু রাজনৈতিক দল মানুষকে উষ্কানি দিয়ে পথে নামিয়েছিলো, শুধুমাত্র দেশটাকে আমেরিকার হাতে তুলে দেয়ার জন্য। আর বাকি যা অবশিষ্ট থাকবে, তা নিজেরা খাবে।

শেখ হাসিনা যতোদিন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, অন্য কোনো দেশ, এমনকি ভারতও, বাংলাদেশকে এভাবে ধ্বংস করে দেয়ার চুক্তি করতে পারেনি। শেখ হাসিনা যদি কোনো দেশকে ১০ টাকার সুবিধা দিয়ে থাকেন, তো বাংলাদেশের জন্য অন্তত ১২ টাকার সুবিধা তিনি আদায় করে নিয়েছেন। এ কারণেই ইউনুস গং শেখ হাসিনার সময়ের কোনো চুক্তি বাতিল করতে পারেনি।

আসেন, আমরা এখন বসে বসে দেখতে থাকি দেশের সর্বনাশ।

Want your business to be the top-listed Government Service in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

207 Chosma Hill, East Nasirabad, Panchlaish.
Chittagong
4209