Natural Uproot

Natural Uproot

Share

Our product is Tested by Bangladesh science lab and approved by the Government of Bangladesh and 100

31/05/2022

✅খুব দ্রুত ওজ'ন কমিয়ে নিজেকে করে তুলুন আকর্ষণীয় 🎇

✅সুন্দর ও সুস্থ ফিগা'র পেয়ে যান খুব তাড়াতাড়ি ওজ'ন ক'মান দ্রুত উপায়ে
✅ব্যায়াম ও ডায়েট এর ভে'জাল দূর করে ৫-২৫ কেজি ওজ'ন কমিয়ে নিন প্রাকৃতিক উপায়ে 👍
বিস্তারিত জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন- 01639783183

🎆কোন প্রকার সাইডইফে'ক্ট ছাড়া দেশী ও আমেরিকান ফর্মুলায় তৈরি " ও'য়েট ল'স " আইটেম!

🎆প্রো’ডাক্টটি বাংলাদেশ-সাইন্স ল্যাব দ্বারা অনুমোদিত হ ওয়ায়, নির্দ্ধিধায় আপনি এটি সে'বন করতে- পারবেন!

✓✓বিফলে মূল্য ফেরত ১০০%★★★

✨✨বিস্তারিত জানতে এবং অর্ডার করতে অপশনে ক্লি'ক করে ম্যাসেজ করুন অথবা যোগাযোগ করুন 01639783183 এ নাম্বারে।ধন্যবাদ

18/05/2022

✨নিজেকে আকর্ষনীয় করে তুলতে এখুনি বেছে নিন আপনার প্যাকেজ টি✨

✅জীবন টা আরো সুন্দর হবে যদি আপনি সু-স্বাস্থ্যে'র অধিকারী হন

✅অনেক চেষ্টা করেও যারা ও'জন কমাতে পারেন নি আমাদের প্রো'ডা'ক্ট টি তাদের জন্য

✅ব্যা'য়াম ও ডা'য়েট এর ভেজাল দূর করে ৫-২৫ কমিয়ে নিন প্রাকৃতিক উপায়ে 👍
বিস্তারিত জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন প্রোডাক্ট স্পেশালিস্টের সাথে- 01884497854

💥প্রো'ডাক্টটি বাংলাদেশ-সা'ইন্স ল্যা'ব দ্বারা অনুমোদিত হওয়ায় নির্দ্ধিধায় আপনি এটি সে'বন করতে- পারবেন!

✓✓বিফলে মূল্য ফেরত ১০০%★★

💥 সীমিত সময়ের জন্য ডিসকাউন্ট অফার চলছে।
বিস্তারিত জানতে এবং করতে অপশন' বা পিকচারে ক্লি'ক করে ম্যাসেজ করুন অথবা যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে 01884497854

18/05/2022

লেবু একটি জনপ্রিয় ফল যা ব্যবহারে খাবারের স্বাদে ভিন্নতা অনুভব হয়। লেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল একটি 58 গ্রামের লেবু 30 মিলিগ্রাম এর বেশি ভিটামিন সি সরবরাহ করতে পারে ।ভিটামিন-সি সুস্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য যার অভাবে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই নিবন্ধটিতে লেবুর পুষ্টিকর বিষয়বস্তু, লেবুর সম্ভাব্য স্বাস্থ্য উপকারিতা, খাবারের লেবুর ব্যবহারের উপায় এবং অতিরিক্ত লেবু ব্যবহারের সম্ভাব্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

লেবুর উপকারিতা
লেবু ভিটামিন সি এবং ফ্লেভোনয়েডর একটি দুর্দান্ত উৎস, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস সমৃদ্ধ।অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুলি রেডিক্যাল সরিয়ে ফেলতে সহায়তা করে যা শরীরের কোষের ক্ষতি করতে পারে। এই পুষ্টি উপাদান গুলি রোগ প্রতিরোধে এবং সুস্বাস্থ্য ও সুস্থ্যতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। নিচে লেবু সেবন করার সম্ভাব্য কয়েকটি সুবিধা নিয়ে আলোচনা করা হলো

স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস করে
২০১২ সালের এক গবেষণা অনুসারে, সাইট্রাস ফলের ফ্ল্যাভোনয়েডগুলি মহিলাদের মধ্যে ইস্কেমিক স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়তা করে।70,000 মহিলাদের উপর 14 বছরের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা সবথেকে বেশি সাইট্রাস ফল খেয়েছেন তাদের মধ্যে ইস্কেমিক স্ট্রোকের ঝুঁকি 19 শতাংশ কম ছিল, ইসকেমিক স্ট্রোক সবচেয়ে সাধারণ ধরণের স্ট্রোক। যখন রক্ত ​​জমাট বাঁধা মস্তিস্কে রক্তের প্রবাহকে বাধা দেয় তখন এটি হতে পারে।2019 সালে আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে দীর্ঘমেয়াদী, ফ্লেভোনয়েডযুক্ত খাবারের নিয়মিত ব্যবহার ক্যান্সার এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে। তবে সমীক্ষায় ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যে ব্যক্তিরা প্রচুর ধূমপান করেন বা মদ পান করেন তাদের উপকারের সম্ভাবনা কম।

রক্তচাপ
2014 সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যে মহিলারা নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করেন এবং প্রতিদিন লেবু পানি পান করেন তাদের রক্তচাপ কম ছিল তাদের তুলনায় যে মহিলারা নিয়মিত হাটেন না এবং লেবুর পানি পান করেন না । তবে রক্তচাপ কমাতে লেবুর ভূমিকা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা উচিত কারন হাঁটাহাঁটির মাধ্যমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

সুস্বাস্থ্য এবং সুন্দর ত্বকের জন্য লেবু
ভিটামিন সি ত্বকের কোলাজেন সিস্টেম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।সূর্যের এক্সপোজার, দূষণ, বয়স এবং অন্যান্য কারণে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। বেশ কিছু গবেষণায়

18/05/2022

ডালিম একটি প্রায় চর্বিমুক্ত ফল। ডালিম কার্যকরীভাবে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও জিংক দ্বারা সমৃদ্ধ। এছাড়াও ডালিম ভিটামিন বি কমপ্লেক্স যেমন-থায়ামিন, রাইবোফ্লাবিন, নিয়াসিন এবং আয়রনের অন্যান্য উপাদানের ভাল উৎস। ডালিম দানা হিসেবে খাওয়ার পাশাপাশি এর জুস করেও খেতে পারেন। ডালিম খাওয়ার রয়েছে বহু উপকারিতা। আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিতে পারেন ডালিমের উপকারিতা সম্পর্কে- .

রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে .
প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকার কারণে ডালিম রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। ফলে স্ট্রেস এবং টেনশন কমে, হার্টের অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। যদি উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন তাহলে নিয়মিত ডালিম খাওয়ার অভ্যাস করুন উপকার পাবেন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
ডালিমের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী গুণ আছে। শরীরের ক্ষতিকর ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়ার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ডালিমের রস।

হজমশক্তি বাড়ায়
ডালিমে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় দুই ধরনের ডায়াটারি ফাইবার বা আঁশ থাকায় এটি হজমশক্তি বাড়ায় এবং অন্ত্রের নড়াচড়া নিয়মিত করে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
ডালিম দেহের কোলস্টেরলের ঝুঁকি কমায়। এতে রক্তচলাচল বৃদ্ধি পায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

স্মৃতিশক্তি বাড়ায়
ডালিম স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। আর এ কারণে এটি অ্যালঝেইমার্সের মতো রোগীদের জন্যও উপকারি।

রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ায়
আয়রন, ক্যালসিয়াম, শর্করা ও আঁশ (ফাইবার) সমৃদ্ধ ডালিম রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে দেহে রক্ত চলাচল সচল রাখে। এতে অ্যানেমিয়া ও রক্তের নানা সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে।

ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী
ডালিম ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী। এটি মিষ্টি হলেও সাধারণত ডায়াবেটিস রোগীদের কোনো সমস্যা হয় না। ডালিম রসে ফ্রুক্টোজ থাকলেও এটি অন্য ফলের রসের মতো রক্তে চিনির মাত্রা বাড়ায় না।

ক্যান্সার প্রতিরোধী
ডালিম ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে এর ভূমিকা প্রমাণিত হয়েছে গবেষণায়।

ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে
ডালিম ত্বক সুস্থ রাখতে অনেক ভূমিকা পালন করে। ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি, সাইট্রিক আসিড ও ট্যানিন সমৃদ্ধ বেদানা ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে বিশেষ উপকারী। এটি ত্বকের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ রোধ করে।

ব্যথা দূর করতে ডালিম
বাত, অস্টিওআর্থারাইটিস, পেশির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে বেদানা। তরুণাস্থির ক্ষয় র

18/05/2022

আসুন দেখে নেয়া যাক কিশমিশ খাওয়ার উপকারিতা।

কিসমিস শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি রক্তে লাল কণিকার পরিমাণ বাড়ায়।

শুকনো কিসমিস খাওয়ার পরিবর্তে ভিজিয়ে খেলে উপকার বেশি। কিসমিস ভেজানো পানি রক্ত ​​পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

প্রতিদিন কিশমিশের পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পাবেন ওষুধ ছাড়াই।

এছাড়া কিসমিস হৃদয়/ হার্ট ভালো রাখে।

নিয়ন্ত্রণে রাখে কোলেস্টেরল।

কিসমিসে প্রচুর ভিটামিন এবং খনিজ আছে।

আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা সহজে রোগমুক্তির কারণ।

আর আছে প্রচুর আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার।

অনেকেই হয়তো জানেন না যে, কিসমিস ভেজানো জলও শরীরের পক্ষে খুবই উপকারি। কিসমিসের জল লিভার

পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, কিস ভেজানো জল খেলে শরীরে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়।

কিসমিশের উপকারিতার মধ্যে আরো রয়েছে-
যার ফলে রক্ত পরিশোধিত হতে শুরু করে। সপ্তাহে কমপক্ষে চারদিন এই কিসমিস ভেজানো জল খেলে তা পেট পরিষ্কার রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

যাঁরা প্রায়শই পেটের গণ্ডগোলে ভোগেন তাঁদের জন্য এই টনিক বিশেষ উপকারি। উপরন্তু এর থেকে পাওয়া যায় ভরপুর এনার্জি, যা সারাদিন আপনাকে রাখবে প্রাণবন্ত।

শুধু তাই নয়, কিশমিশ ভেজানো জল খেলে লিভারের পাশাপাশি কিডনিও খুব ভাল থাকে। আর কিডনি ও লিভার যদি ভাল থাকে তাহলে তা পরোক্ষভাবে হজমে সাহায্য করে।

18/05/2022

বাঁধাকপি আমাদের অতি পরিচিত শীতকালীন সবজি।এটি ফুলকপি নিকট প্রজাতি।এখানে

বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছেঃ বাঁধাকপিকে মাংসের সাথে তুলনা করা হয় কারন মাংসে যে পরিমাণে আয়রন আছে বাঁধাকপিতে তার চেয়ে বেশি আয়রন আছে।আপনার ডায়েটের তালিকায় পরিমাণগত আয়রন না থাকলে আপনার শরীরে রক্তস্বল্পতা, ক্লান্তি, ও মস্তিষ্কের সমস্যা হবে।আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় আয়রন এই বাঁধাকপি থেকে পাবেন,। আলাদা করে মাংস খাওয়ার প্রয়োজন নেই।

বাঁধাকপি কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করেঃ বিজ্ঞানীরা বাঁধাকপি নিয়ে অনেক গবেষণা শুরু করেছেন। এতে যে বাইল অ্যাসিড রয়েছে তা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

যখন এই বাইল অ্যাসিড পেটে ছড়ায় তখন কোলেস্টেরল এর পরিমান কমতে থাকে।

প্রতিদিনের ১০% অমেগা-৩ এর চাহিদা মেতায়ঃ আমরা সকলেই জানি, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এ প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে। ওমেগা-৩ তে দুই ধরনের উপাদান রয়েছে।যথা-ডিএইচএ ও ইপিএ এগুলো হার্টের সমস্যা ও ক্যান্সার দূর করে।ডিএইচএ উপাদান বিষণ্ণতা ও স্মৃতিভ্রংশ দূর করতে সাহায্য করে।আপনি ইচ্ছা করলে অনেক বেশি মাছ খেতে পারেন, কিন্তু এতে টক্সিন এর পরিমান বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই আপনি চিন্তামুক্ত হয়ে বাঁধাকপি খেতে পারেন।

চোখের ছানি পরা রোগ দূর করেঃ বর্তমানে বিশ্বে ছোট-বড় অনেকের চোখের সমস্যা দেখা দেয়।বাঁধাকপিতে রয়েছে লুটেন ও জিক্সান্থিন।এই পুষ্টিকর উপাদানগুলো চোখের ছানি পরা রোগ দূর করে।

ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ ওজন কমানোর জন্য খাদ্য তালিকায় কম ক্যালোরির খাবার এবং অনেক বেশি পুষ্টির প্রয়োজন হ্য়। যা বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যামান।এক কাপ বাঁধাকপিতে মাত্র ৩৩ ক্যালোরি থাকে।এতে ভিতামিন, ফাইবার, ভিটামিন সি প্রচুর পরিমাণে রয়েছে।

18/05/2022

শীতের সবজির মধ্যে গাজর অন্যতম। গাজর অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও আঁশসমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি। এ সবজিতে আছে বিটা ক্যারোটিন, যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। কাঁচা গাজর, সালাদ, জুস বা তরকারিতেও খাওয়া যায়। চোখ, ত্বক, চুল ও শরীরের নানা অঙ্গের জন্য গাজরের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না।
১. গাজরে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরে কোলাজেন তৈরি হওয়া বৃদ্ধি করে। ফলে শরীরে কোথাও ক্ষত হলে তা দ্রুত ভালো হয়। এ ছাড়া গাজর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

২. গাজর আঁশে পরিপূর্ণ। গবেষণা অনুযায়ী, ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা বেশি পরিমাণে ফাইবার খেলে গ্লুকজ মেটাবলিজম উন্নতি লাভ করে। তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের গাজর খাওয়া আবশ্যক।

৩. গর্ভাবস্থায়ও খেতে পারেন গাজর। গর্ভাবস্থায় গাজরের রস পান খুবই উপকারী। এতে শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হয় না। যেসব মা শিশুকে দুধপান করান, তাদের নিয়মিত গাজরের রস পান করা উচিত।

৪. গাজর হজম ক্ষমতা বাড়ায়। গাজর খেলে দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, বদহজম ইত্যাদি নিরাময় হয়। লিভারের রোগে আক্রান্ত রোগীর গাজরের রস, গাজরের স্যুপ পান করলে উপকার হয়।

৫. গাজরের উপকারী উপাদানগুলো ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধে অংশ নেয়। এ ছাড়া শ্বাসনালির প্রদাহ ভালো করে।

৬. গাজর দাঁতের সুরক্ষা দেয়। দাঁত পরিষ্কারক হিসেবে যেমন কাজ করে, তেমনি দাঁতের গোড়ায় ক্যালকুলাস বা পাথর জমতেও বাধা দেয়।

৭. গাজরে ক্যারোটিনয়েড রঞ্জক পদার্থ রয়েছে। এ উপাদানটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

18/05/2022

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন খান কলা, জেনে নিন কলার অজানা উপকারিতা
আপনি কি কলা খেতে ভালবাসেন? যদি বাসেন তবে এই লেখা পড়ার পর আপনার ভালবাসা বাড়বে বই কমবে না। আর যদি না বাসেন, তবে ভালবাসতে শুরু করবেন কিনা জানি না, তবে হ্যাঁ, কলার প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে বাধ্য। মুহূর্তের মধ্যে এনার্জি পেতে কলার জুরি মেলা ভার। কিন্তি তা ছাড়াও যে প্রচুর কাজ করে কলা। জেনে নিন কলার বহুগুণ-

অবসাদে ভোগা কিছু মানুষের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে কলা খেলে ভাল বোধ করেন তারা। কলার মধ্যে থাকা ট্রিপটোফ্যান প্রোটিন মানুষের শরীরে পরিণত করে সিরোটোনিন হরমোনে। সিরোটোনিন হরমোন অফ হ্যাপিনেস নামে পরিচিত। শরীরে এই হরমোনের মাত্রা বাড়লে মুড ভাল হয়ে রিল্যাক্স বোধ করে মানুষ। মুড অফ একটি অতি পরিচিত প্রি-মেন্সট্রয়াল সিনড্রোম। কলার মধ্যে থাকা ভিটামিন বি৬ শরীরে গ্লুকোজের সামঞ্জস্য বজায় রেখে মুড ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

কলার মধ্যে থাকা প্রচুর পরিমান আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিন উত্‍পাদনে সাহায্য করে। ফলে অ্যামিনিয়ার সম্ভবনা কমে। এমনকী, অ্যামিনিয়া সারাতেও সাহায্য করে কলা।

রক্তচাপ

কলার মধ্যে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি অথচ নুনের মাত্রা কম থাকায় উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যা রুখতে পারে কলা। ইউ ফুড ও ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কলার এই গুণের কথা মাথায় রেখে স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধে কলার ব্যবহার সুপারিশ করেছে।

মস্তিষ্ক

টানা ১ বছর ধরে পরীক্ষা চালানো হয়েছিল ইংল্যান্ডের টুইকেনহ্যাম স্কুলের ২০০ জন পড়ুয়ার ওপর। পরীক্ষার আগে টানা ব্রেকফাস্ট, ব্রাঞ্চ ও লাঞ্চে কলা খাওয়ানো হয় তাদের। দেখা গিয়েছিল কলার মধ্যে থাকা পটাশিয়াম তাদের মনসংযোগ বাড়ানোর ফলে অন্যদের থেকে পরীক্ষায় ভাল করেছিলেন ওই ২০০ জন পড়ুয়া।

কনসটিপেশন

কলার মধ্যে প্রচুর পরিমান ফাইবার থাকায় পেট পরিষ্কার রাখতে কলা অপরিহার্য্য।

হ্যাংওভার

আগের রাতের অতিরিক্ত মদ্যপানের হ্যাংওভার কাটাতে বানান মিল্কশেকের কোনও তুলনা নেই। সঙ্গে যদি থাকে ১ চামচ মধু। কলা শরীরের অস্বস্তি কমায়, দুধ পেট ঠান্ডা করে ও মধু বজায় রাখে রক্তে শর্করার মাত্রা।
ফলে অম্বলের হাত থেকেও রেহাই পায় শরীর।

মর্নিং সিকনেস

কাজের চাপ, মানসিক চাপে অনেক সময়ই সকালে ঘুম থেকে উঠে অসুস্থ বোধ করি আমরা। রক্তে শর্করার মাত্রা কম থাকায় কম থাকে এনার্জির মাত্রাও। এই সময় কলা বজায় রাখতে রক্তে শর্করার সঠিক মাত্রা।

মশার কামড়

মশার কামড়ে ফুল

18/05/2022

সুঘ্রাণযুক্ত সুন্দর এই ফলটি রয়েছে অনেকেরই প্রিয় ফলের তালিকায়। বলছিলাম কমলার কথা। কমলা আমাদের প্রতিদিনের ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ করে। একই সঙ্গে এ ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান। এ পুষ্টি উপাদানসমূহ রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ছোটবড় নানা ব্যাধি ও সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। কমলার রয়েছে আরো অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। চলুন জেনে নেয়া যাক-

কমলায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিনের পাশাপাশি রয়েছে আলফা ও বেটা ক্যারোটিনের মতো ফ্ল্যাভনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কমলায় উচ্চমাত্রার পুষ্টিগুণ হচ্ছে ফ্ল্যাভনয়েড যা ফুসফুস এবং ক্যাভিটি ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর। তাই ক্যান্সার থেকে রক্ষা পেতে প্রতিদিন ১টি কমলা খাওয়া উচিত।

কমলায় আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান যা হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি নিয়মিত রাখতে সাহায্য করে।পটাশিয়াম এবং ক্যালশিয়ামের মতো খনিজ উপাদানগুলো শরীরে সোডিয়ামের প্রভাব নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

আমাদের মুখে ভিটামিন সি এর অভাবে যে ঘাঁ হয় তার ঔষুধ হিসেবে কমলা অনেক ভালো কাজ করে। এটি ব্লড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে।

কমলাতে উপস্থিত বিটা ক্যারোটিন সেল ড্যামেজ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম যা দাঁত ও হাঁড়ের গঠনে সাহায্য করে।

18/05/2022

বিটরুট


বিটরুট যদিও বাংলাদেশি সবজি নয় তবু বাংলাদেশের বাজারে সবজির দোকানে সারা বছরই বিটরুট পাওয়া যায়। প্রাচীন সময় থেকেই বিটের বিশেষ কদর রয়েছে। প্রাচীন গ্রিক ও রোমানরা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে নিস্তার পেতে নিয়ম করে বিট খেতেন।

বিটরুট এর উপকারিতাঃ

(১) রক্তাল্পতা ও আয়রনের ঘাটতি মেটায়

(২) বিটে রয়েছে অতিমাত্রায় নাইট্রেটস। মুখে থাকা ব্যক্টেরিয়ার সংস্পর্শে এসে এই নাইট্রেট মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে তোলে

(৩) ঋতুচক্র সংক্রান্ত কোনও সমস্যা হলে বিটের জুস খান। বিটে থাকা আয়রণ নতুন লোহিত রক্তকণিকা গঠনে সাহায্য করে

(৪) বিটে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় ফ্রি রেডিক্যাল এর ক্ষতিকারক দিক থেকে শরীরকে বাঁচায়। ফলে এই সবজি নিয়মিত খেলে বিভিন্ন রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা বেড়ে যায়।

(৫) বিটের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-টিউমার গুণ। গবেষণায় দেখা গিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত কোষের হাত থেকে সুস্থ কোষগুলোকে বাঁচায়

(৬) ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে

(৭)বিট খাওয়ার ফলে ব্রেনে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। যারা নিয়মিত বিট খেয়েছে তাদের চিন্তা ভাবনা করার ক্ষমতা অন্যদের তুলনায় অনেকটাই বেশি।

(৮) যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, উচিত বেশি করে বিটের জুস খাওয়া। বিপাকের সমস্যা দূর করে হজমশক্তি বাড়ায়

(৯) বিটে ট্রিপ্টোফান ও বিটেইন নামে যে উপাদান থাকে, তা ডিপ্রেশন কাটাতে ভালো কাজ দেয়

Photos from Natural Uproot's post 18/05/2022

আপনি কি মাতৃত্বজনিত শরীরের ফাটা দাগ নিয়ে চিন্তিত?

মাতৃত্বকালীন দাগ একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। যে সকল মেয়েরা গর্ভধারণ করে তাদের পেটের চামড়া পেটের চাপের কারণে ফেটে যায় এবং এটা বাচ্চা হবার পরেও থেকে যায়।

গর্ভ অবস্থায় এই ধরনের দাগ হওয়া স্বাভাবিক । ক্রমবর্ধমান পেটের বৃদ্ধির জন্য জায়গা তৈরি করতে জরায়ু বড় হতে থাকে এবং এতে পেটের চারপাশের ত্বক প্রসারিত হয়। ত্বকের এরকম প্রসারণ এর ফলে ত্বকে ফাটল সৃষ্টি হলে সেখানে এক ধরনের সাদা দাগ তৈরি হয়ে যায়। এ ছাড়া কৈশোরে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় শরীর স্ফীত হওয়ার সময়ও এমন দাগ সৃষ্টি হতে পারে।

*মাতৃত্ব জনিত বা ত্বকের বৃদ্ধি জনিত ফাঁটা দাগ দূর করার জন্য ওয়ার্ল্ড ফেমাস এলিট নিয়ে এলো MOM'S special care (body lotion)

✔️এটি গর্ভাবস্থায় তলপেটের ফাটা দাগ দূর করে।
✔️মাতৃজনিত দাগ এবং শরীরের চামড়া রাস করে
✔️কুঁজকে যাওয়া চামড়া কে ঠিক করে।
✔️শরীর মোটা হবার কারণে ফাটা দাগ দূর করে।
✔️ত্বক নরম কোমল ও মসৃন করে।
✔️ত্বকের শুষ্কতা দূর করে এবং প্রয়োজনীয় কোলাজেন উত্তোলন করে।

💥প্রোডাক্টটি বাংলাদেশ-সাইন্স ল্যাব দ্বারা অনুমোদিত হওয়ায়, নির্দ্ধিধায়' আপনি এটি সেবন করতে- পারবেন!

√√√১০০% গ্যারান্টি সহকারে দেওয়া হবে "বিফলে মূ'ল্য ফেরত"

বিস্তারিত জানতে এবং অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ করুন ।

Photos from Natural Uproot's post 18/05/2022
Want your business to be the top-listed Government Service in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Muradpur
Chittagong
4014