10/10/2024
যতোবার পড়ি ততোবারই ভালো লাগে...
একদিন গাধা বাঘকে বলল — "ঘাসের রং নীল। "
বাঘ উত্তর দিল — "না, ঘাসের রং সবুজ। "
কিছুক্ষনের মধ্যেই দু'জনের আলোচনা তুমুল তর্কে পরিণত হলে, তারা জঙ্গলের রাজা সিংহের কাছে বিচারের জন্য উপস্থিত হল।
রাজদরবারে সিংহের কাছে পৌঁছানোর আগেই গাধা ডাক ছাড়তে শুরু করে দিল — " মহারাজ, আপনিই বলুন ঘাসের রং নীল কি না?"
সিংহ উত্তর দিল -- " হ্যাঁ, ঘাসের রং নীল।"
গাধা তাড়াতাড়ি সিংহের কাছে পৌঁছালো এবং বলতে থাকল —" বাঘ আমার কথা মানছে না, তর্ক করছে এবং আমাকে বিরক্ত করছে। ওকে শাস্তি দিন।"
সিংহ তখন ঘোষণা করল --" বাঘকে ৫ বছরের জন্য মৌন থাকার শাস্তি দেওয়া হল।"
গাধা খুশিতে লাফাতে লাগল এবং বলতে বলতে চলে গেল — " ঘাসের রং নীল, ঘাসের রং নীল।"
বাঘ শাস্তি মেনে নিল, কিন্তু সিংহকে জিজ্ঞাসা করল —" মহারাজ, আপনি আমায় শাস্তি দিলেন কেন যখন ঘাসের রং সত্যিই সবুজ।"
সিংহ বলল —" ঠিক, ঘাসের রং সবুজ।"
বাঘ জিজ্ঞাসা করল —" তাহলে আপনি আমায় শাস্তি দিলেন কেন?"
সিংহ উত্তর দিল —" তোমাকে শাস্তি দেওয়ার সাথে ঘাসের রং সবুজ না নীল, সেই প্রশ্নের কোনো সম্পর্ক নেই। তোমাকে শাস্তি দিয়েছি কারণ তোমার মত সাহসী, বুদ্ধিমান প্রাণী একটা গাধার সাথে তর্ক করে সময় নষ্ট করেছ এবং এইরকম একটা বাজে কারণে আমার কাছে এসে আমার সময় নষ্ট করেছ।"
মোড়াল স্টোরি:- মুর্খের সাথে কখনো তর্কে যেওনা।
11/07/2024
কোটায় চাকরী প্রাপ্তদের
নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম দেয়া হোক,
দেখলেই যেন বোঝা যায়
তারা এদেশের ভিআইপি।
10/07/2024
সন্তানদের চাকরির কোটার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করি নাই।
দেশের মানুষ ও মাতৃভূমি রক্ষার জন্য যুদ্ধ করেছি।
বীর-মুক্তিযোদ্ধা ডক্টর কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম।
স্যালুট
04/07/2024
"পঁচিশ থেকে পঁয়ত্রিশ" এই বয়সটা খুব বাজে জানেন তো!
এই বয়সে আমাদের মধ্যে বাবা-মাকে হারিয়ে ফেলার একটা আতঙ্ক কাজ করতে থাকে। চোখের সামনে আমরা আমাদের বাবা-মাকে বৃদ্ধ হতে দেখি। সে এক তীব্র যন্ত্রণা।
একটা সময় বাবা-মা যতটা গর্ব করে বলে, আমার সন্তানটা অনেক বড় হয়ে গেছে, ঠিক ততটাই ভয় নিয়ে সন্তানরাও বলে, বাবা-মার বয়স হয়ে যাচ্ছে। এর চেয়ে কষ্টের বোধহয় আর কিছু হয় না। বাবা-মা ঘুমিয়ে থাকলে অদ্ভুত ভাবে তাদের ঘরে গিয়ে বারবার দেখতে হয় মানুষ গুলো ঠিক আছেন তো??ঘুমের মধ্যে সুন্দর করে নিশ্বাস নিচ্ছে দেখলে তখন যেন বুকের উপর থেকে পাথর নেমে যায়।
ছোট বেলায় যারা শিখিয়েছিল সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে সবুজ প্রকৃতির দিকে চোখ বুলালে আমাদের চোখের জ্যোতি বাড়ে। সেই মানুষ গুলোকেই যখন পাওয়ারওয়ালা চশমা পড়তে দেখতে হয় তখন বুকের মধ্যে অজান্তেই একটা মোচর দিয়ে ওঠে।
"পঁচিশ থেকে পঁয়ত্রিশ" এই বয়সটা সত্যিই খুব অদ্ভুত। বাবা-মায়ের হাই প্রেশার, ডায়বেটিস, থাইরয়েড, একটু একটু করে তাদের ঔষধের কৌটা ভারী হতে দেখা, রোজ খবরের কাগজ কিংবা বই পড়ার জন্য চশমা খুঁজে বের করে দেয়া এইগুলো আমাদের সন্তানদের ভীষণ পোড়ায়।
আমরা বড় হই সাথে সাথে আমাদের বাবা-মায়েরা বৃদ্ধ হতে থাকেন। এই যে চোখের সামনে নিজের বাবা-মাকে একটু একটু করে বৃদ্ধ হতে দেখার যেই যন্ত্রণা এটা বোধহয় এই বয়সের সন্তান গুলো ছাড়া আর কেউ অনুভব করতে পারবে না।
আল্লাহ আপনি পৃথিবীর সকল বাবা মাকে সুস্থতা দান করুন। আমিন 🤲
স্বপ্ন মানুষকে বাঁচতে শেখায়
25/06/2024
ব্রিটিশরা যখন ভারতবর্ষে প্রথম ব্যবসা করতে আসলো তার কিছুদিন পর স্থায়ী জায়গা চাইলো। আওরঙ্গজেব তখন পিটায়-পাটায় ব্রিটিশদের ভারত ছাড়া করলো।
তারও বহু বছর পর তারা আবার আসলো ওয়াইন আর ধাতু নিয়ে। সুবেদারদের ঢেলে ঢেলে ওয়াইন খাওয়ালো। দুটো জাহাজ ভেড়ানোর অনুমতি পেলো।
তার কিছুদিন পর জাহাজ রাখার ঘাট চাইলো, তারপর মালামাল রাখার ওয়্যারহাউজ। তারপর একদিন ওয়্যারহাউজে চুরি হলো, ওয়্যারহাউজে বাউন্ডারি দিলো। ব্যবসা বাড়লো।
তারপর ওয়্যারহাউজ চালাতে ব্রিটিশ অফিসার আসলো, তাদের থাকার বাংলো হলো। বাংলোর নিরাপত্তায় পাহাড়াদার এলো। উঁচু প্রাচীর হলো। সৈন্য এলো। দুর্গ হলো। এরপর মুঘলদের পতন হলো ব্রিটিশদের হাতে।
২০০ বছরের গোলামীর রাস্তা শুরু হয়েছিলো দুটো জাহাজ ভেড়ানোর ঘাট দিয়ে।
ভারত রেল ট্রানজিট নিবে, তারপর রেলে দামি পন্য বহন করবে, কিছু উচ্ছৃঙ্খল বাঙালি (!) রেলে হামলা করবে। নিরাপত্তায় সৈন্য আসবে, ঘাটি হবে। ব্যবসা বাড়বে। দুর্গ হবে।
তারপর আমরা পাসপোর্ট ছাড়া বোম্বে, গুজরাট, কাশ্মীর ঘুরতে পারবো!