CHT-Eye

CHT-Eye

Share

Habi Jabi

Photos from CHT-Eye's post 23/09/2022

ঋতুপর্না চাকমা

01/08/2022
Photos from CHT-Eye's post 25/07/2022
Photos from CHT-Eye's post 28/09/2021

British time old coin east India company of 1899 & 1907
🧐

North and South Korea to announce a permanent end to their war 18/04/2018

North and South Korea are preparing to announce a permanent end to their war - which has run since 1950

Read more: http://www.dailymail.co.uk/news/article-5623831/No-missiles-ballet-North-Koreas-Kim-puts-show.html
Follow us: on Twitter | DailyMail on Facebook

North and South Korea to announce a permanent end to their war North and South Korea are technically still at war as the 1950-53 Korean conflict ended with a truce, not a peace treaty, but this may finally come to a halt when Kim Jong-Un meets Moon Jae-in next week.

Chakma people - Wikipedia 03/03/2018

*১৭৭৭-১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দের চাকমা বিদ্রোহ*
লিখেছেন - হিমেল রহমান

১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়। পরবর্তী প্রায় ২০০ বছরব্যাপী ইংরেজরা বাংলা তথা সমগ্র ভারতবর্ষ শাসন করে। কিন্তু তাদের শাসনের পথ কুসুমাস্তীর্ণ হয় নি। তাদের অত্যাচার-নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে বাংলার অধিবাসীরা বারবার প্রতিবাদ জানিয়েছে, বিদ্রোহ করেছে, যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। তিতুমীরের বিদ্রোহ, সিপাহি বিপ্লব, মাস্টারদা সূর্যসেনের চট্টগ্রামের বিদ্রোহ, নেতাজী সুভাস বসুর 'আজাদ হিন্দ ফৌজ'-এর বিদ্রোহের কথা বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ রয়েছে। কিন্তু আলোড়ন সৃষ্টিকারী এসব বিদ্রোহ ছাড়াও ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে আমাদের দেশে আরো অসংখ্য বিদ্রোহ-বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে, যেসবের ইতিহাস সম্পর্কে এদেশের অধিকাংশ মানুষই অবগত নন। এরকমই একটি ইংরেজ বিরোধী সংগ্রাম ছিল ১৭৭৭ থেকে ১৭৮৭ সালে সংঘটিত চাকমা বিদ্রোহ।

চাকমা বিদ্রোহ সম্পর্কে আলোচনার আগে চাকমাদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস জেনে নেয়া জরুরি। চাকমারা বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাসকারী একটি জাতি*, যাদের নিজস্ব শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান। চাকমাদের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন তাদের রাজাগণ। বাংলাদেশে স্বাধীন সুলতানি শাসনামলে, মুঘল শাসনামলে এবং পরবর্তী স্বাধীন নবাবি শাসনামলে চাকমা রাজার সঙ্গে বাংলাদেশের সুলতান, সুবেদার এবং নবাবদের সম্পর্ক ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ। চাকমা রাজা বাংলাদেশের শাসকদের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছিলেন এবং বশ্যতার নিদর্শনস্বরূপ তাঁদেরকে সীমিত হারে রাজস্ব দিতে হতো। চাকমাদের সমাজব্যবস্থায় তখন মুদ্রার প্রচলন ছিল না। দ্রব্য-বিনিময়ের মাধ্যমে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য চলত। এজন্য চাকমা রাজা মুদ্রার পরিবর্তে দ্রব্যসামগ্রীর মাধ্যমে রাজস্ব পরিশোধ করতেন। বিনিময়ে বাংলাদেশের শাসকরা চাকমা রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়াদিতে হস্তক্ষেপ করা থেকে সম্পূর্ণভাবে বিরত থাকতেন। তাঁদের অধীনে চাকমারা পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করছিল। কিন্তু পলাশীর যুদ্ধের পর পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন ঘটে।

ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ক্রমেই বাংলাদেশের রাজনীতির সর্বেসর্বা হয়ে ওঠে। ১৭৬০ সালে ইংরেজদের অনুগত নবাব মীর জাফর তাদের বিরাগভাজন হন এবং ইংরেজরা তাঁর জামাতা মীর কাসিমকে বাংলাদেশের নতুন নবাব পদে অধিষ্ঠিত করে। বিনিময়ে মীর কাসিম ইংরেজদেরকে বর্ধমান, মেদিনীপুর ও চট্টগ্রাম অঞ্চল প্রদান করেন। এর ফলে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ইংরেজ কর্তৃত্বাধীনে চলে আসে।

ইংরেজরা যথারীতি গণ্ডগোল শুরু করে দেয়। আগেই বলা হয়েছে, সুলতানি, মুঘল ও নবাবি শাসনামলে চাকমাদের ওপর আরোপিত রাজস্বের হার ছিল অত্যন্ত সীমিত। ১৭৬১ সাল থেকে ইংরেজরা বারবার রাজস্বের হার বৃদ্ধি করতে থাকে। শুধু তাই নয়, ইংরেজরা তাদের স্বভাব অনুযায়ী চাকমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়াবলীতে হস্তক্ষেপ করতে আরম্ভ করে দেয়। ১৭৭২-১৭৭৩ সালে ইংরেজরা চাকমাদেরকে মুদ্রার মাধ্যমে রাজস্ব প্রদান করতে বাধ্য করে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মুদ্রা ভিত্তিক অর্থনীতি প্রচলনের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এর ফলে চাকমাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জীবনে নানারকম সমস্যা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ক্রমে ইংরেজ শাসনের প্রতি চাকমারা বীতশ্রদ্ধ হয়ে ওঠে এবং তাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। ১৭৭৭ সালে ইংরেজরা পার্বত্য চট্টগ্রামের ওপর রাজস্বের হার আরো বৃদ্ধি করে এবং রাজস্ব সংগ্রহ করার জন্য 'উদাদার' (চুক্তিবদ্ধ ইজারাদার) নিযুক্ত করে।

এসময় চাকমাদের রাজা ছিলেন ‘জোয়ান বখশ’ (তাঁর নাম কোথাও কোথাও 'জান বখশ' লেখা হয়েছে)। তাঁর প্রধান নায়েব ছিলেন ‘রুনু খান’। রুনু খানের ওপরই রাজস্ব সংগ্রহ করার দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছিল। কিন্তু ১৭৭৭ সালে ইংরেজরা রাজস্বের হার আরো বাড়িয়ে দিলে তা আদায় করা রুনু খানের পক্ষে সম্ভব হয়নি। নির্ধারিত হারে রাজস্ব আদায়ের জন্য ইংরেজরা রুনু খানের ওপর চাপপ্রয়োগ করে। ক্ষিপ্ত রুনু খান বেশি রাজস্ব আদায়ের জন্য প্রজাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করার পরিবর্তে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করাটাই সমীচীন বলে মনে করেন।

১৭৭৭ সালের এপ্রিল মাসে রাজা জোয়ান বখশের অনুমতিক্রমে তিনি বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। রুনু খান স্বাধীনতার ঝাণ্ডা উত্তোলন করেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ঐ অঞ্চল ঘেঁষা নিম্নাঞ্চল থেকে ইংরেজ ও ইংরেজদের অনুগত কর্মচারীদের বিতাড়িত করেন। রুনু খানের বিদ্রোহ দমনের জন্য ইংরেজ কর্তৃপক্ষ বারবার পার্বত্য চট্টগ্রামে সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করে, কিন্তু প্রতিবারই তাদের অভিযান শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়। ইংরেজদের বিপুল সংখ্যক সৈন্য ও আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের মোকাবেলা করার জন্য রুনু খান গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। প্রতিটি যুদ্ধে ইংরেজ সৈন্যরা চাকমা বাহিনীর কাছে পরাজিত হয়। বিশেষত ১৭৮০ সালে পরিচালিত একটি বড় মাত্রার ইংরেজ অভিযান সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিকূল ভৌগোলিক পরিবেশ, চাকমাদের অসীম সাহসিকতা এবং রুনু খানের রণকৌশল - এই তিনের কাছে ইংরেজ শক্তি পর্যুদস্ত হয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম কার্যকর ভাবেই ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির 'ভিয়েতনামে'** পরিণত হয়।

ছল আর বল উভয়ই ব্যর্থ প্রমাণিত হওয়ায় ইংরেজরা শেষ পর্যন্ত কৌশলের আশ্রয় নেয়। যুদ্ধক্ষেত্রে চাকমাদের পরাজিত করতে ব্যর্থ হয়ে তারা চাকমাদের অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা ১৭৮১ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীরা লবণ, মাছ, শুঁটকি, লৌহজাত দ্রব্যাদি, মৃৎপাত্র প্রভৃতি আমদানি করতো চট্টগ্রাম থেকে। ইংরেজরা এসব দ্রব্য সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের ওপর অবরোধ কঠোরভাবে আরোপ করে। বোধহয় তারা মনে মনে ভাবছিল, 'হু হু! এইবার তোমাদের বাগে পেয়েছি, বাছাধন!'

কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস এই যে, যে ইংরেজ অবরোধ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় মহা-পরাক্রমশালী জার্মান সাম্রাজ্যকে কাবু করে ফেলেছিল, সেই ইংরেজ অবরোধ চাকমাদের গায়ে 'ফুলের টোকা'ও দিতে পারে নি। উল্টো রুনু খান ক্ষিপ্ত হয়ে ইংরেজদের ওপর পাল্টা অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করেন। সেসময় লবণ ব্যবসা ছিল ইংরেজদের প্রধান ব্যবসা। ভূমি রাজস্বের পর লবণ ব্যবসাই ছিল তাদের আয়ের দ্বিতীয় প্রধান উৎস। ইংরেজদের লবণ উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র ছিল চট্টগ্রামে এবং এই লবণ উৎপাদনের জন্য অতি প্রয়োজনীয় জ্বালানি কাঠের প্রায় ষোল আনাই আসত পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে। রুনু খান সেই জ্বালানি কাঠ সরবরাহ বন্ধ করে দিলেন!

ঠিক যেন ভীমরুলের চাকে ঢিল পড়ল! ইংরেজরা দেখল এ তো ভয়াবহ সর্বনাশ! চাকমাদের উচিত শিক্ষা দিতে গিয়ে তাদের নিজেদের অর্থনীতিরই বারোটা বেজে গেল। লবণ ব্যবসা থেকে তাদের প্রচুর আয় হত। তার প্রায় পুরোটাই বন্ধ হয়ে গেল। অর্থাৎ, ইংরেজদের 'অবরোধ' নামক অস্ত্র বুমেরাং*** হয়ে তাদের কপালেই আঘাত করলো!

মরিয়া হয়ে ইংরেজরা আবার পার্বত্য চট্টগ্রাম দখল করার জন্য সৈন্যবাহিনী প্রেরণের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু আবারো তারা বিপর্যয়ের মুখোমুখি হলো। ১৭৮২ ও ১৭৮৫ সালে প্রেরিত তাদের বৃহৎ দুইটি সৈন্যবাহিনী চাকমাদের হাতে বিধ্বস্ত হয়। ফলশ্রুতিতে ইংরেজদের মান-সম্মান নিয়ে নতুন করে টানাটানি পড়ে যায়। ছল-বল-কৌশল কোনোটাই তাদের কাজে এলো না।

পার্বত্য চট্টগ্রামে ইংরেজদের ব্যর্থ অভিযানসমূহ এবং চাকমাদের আরোপিত অর্থনৈতিক অবরোধের কারণে ইংরেজরা মারাত্মক সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। ইংরেজ কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে যে, পরাজয় স্বীকার ব্যতীত এ যুদ্ধ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার উপায় নেই। বাধ্য হয়ে ১৭৮৭ সালে তারা চাকমা রাজার সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে।

চুক্তির শর্তানুযায়ী,
(১) ইংরেজরা নির্দিষ্ট হারে রাজস্ব প্রদানের বিনিময়ে চাকমাদের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতা স্বীকার করে নেয়।
(২) মুদ্রার পরিবর্তে দ্রব্যের মাধ্যমে রাজস্ব প্রদানের পদ্ধতি পুন:প্রচলিত হয় এবং চাকমা রাজা ইংরেজদের বার্ষিক ৩০০ মণ তুলা রাজস্ব হিসেবে দিতে স্বীকৃত হন।
(৩) সমতলভূমি থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অভিবাসন বন্ধ করার জন্য ইংরেজরা রাজি হয়।
(৪) আরাকানের যুদ্ধবাজ জাতিগুলোর আক্রমণ থেকে চাকমা রাজ্যকে রক্ষা করার জন্য ইংরেজরা চাকমা রাজাকে সহায়তা করবে বলে অঙ্গীকারবদ্ধ হয় এবং এ উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে কিছুসংখ্যক ইংরেজ সৈন্য মোতায়েন রাখা হয়।
এই চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১০ বছরব্যাপী চাকমা বিদ্রোহের অবসান ঘটে। বিদ্রোহের অবসান ঘটায় ইংরেজরা স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলে, অন্যদিকে চাকমারাও তাদের পূর্ণ অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতা তথা স্বায়ত্তশাসন আদায় করে নিতে সক্ষম হয়****।

টীকা:
* চাকমাদেরকে আমাদের দেশে সাধারণত 'উপজাতি' বলা হয়, যা সঠিক নয়। 'উপজাতি' অর্থ কোনো জাতির অন্তর্গত একটি ক্ষুদ্র ভাগ। কিন্তু চাকমারা অন্য কোনো জাতির অংশ নয়। চাকমারা বাঙালিদের মতোই একটি স্বতন্ত্র জাতি। চাকমাদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি আছে, নিজস্ব সমাজব্যবস্থা আছে, স্বতন্ত্র একটি ইতিহাসও রয়েছে। এজন্য চাকমাদেরকে 'জাতি' বলাটাই যুক্তিসঙ্গত।

** ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে সংঘটিত ভিয়েতনাম যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের পর থেকে কোনো ক্ষুদ্র জাতির কাছে কোনো বৃহৎ জাতির পরাজয়কে 'ভিয়েতনাম'-এর সঙ্গে তুলনা করা হয়। যেমন- ১৯৭৯-১৯৮৯ সালের আফগান যুদ্ধকে বলা হয় 'সোভিয়েত ইউনিয়নের ভিয়েতনাম'। সেই অর্থে চাকমা বিদ্রোহের সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম ছিল ইংরেজদের 'ভিয়েতনাম'।

*** 'বুমেরাং' অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের ব্যবহৃত এক ধরনের অস্ত্র, যেটিকে নিক্ষেপ করা হলে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করলে সেখানেই পড়ে থাকে, আর আঘাত না করলে আবার নিক্ষেপকারীর হাতে ফিরে আসে।

**** প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৭৭৬-১৭৮৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইংরেজদের পরাজিত করে স্বাধীনতা লাভ করে। প্রায় একই সময়ে (১৭৭৭-১৭৮৭) চাকমারাও ইংরেজদের পরাজিত করে অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতা অর্জন করতে সক্ষম হয়।

তথ্যসূত্র:
১) বাংলাদেশের ইতিহাস (লেখক- ড. মুহম্মদ আব্দুর রহিম)
২) http://m.wikipedia.org/wiki/Chakma_people

ছবিঃ ১৬১৫ সালে পর্তুগীজদের মানচিত্রে তৎকালীন চাকমা রাজ্য #চাকোমাস।
No automatic alt text available.
Like
Show more reactions
Comment

Chakma people - Wikipedia The Chakmas, also known as the Changma, Daingnet people, are an ethnic group scattered in Arunachal Pradesh, Tripura, Assam, Mizoram, Meghalaya and West Bengal of India and in Chittagong Hill Tracts of Bangladesh. Today, the geographic distribution of Chakmas is spread across Bangladesh and parts of...

বাবার প্রশ্ন বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছ? যা বললেন মেয়ে 01/08/2017

বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি তাঁর ভালোবাসা রয়েছে।

বাবার প্রশ্ন বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছ? যা বললেন মেয়ে বলিউড পরিচালক ও অভিনেতা কমল হাসানের মেয়ে অক্ষরা হাসান। বলিউডে হাতেখড়ি হয়েছিল ‘শামিতাভ’ দিয়ে। সম্প্রতি তামিল ছবিতে অভিনয় শুরু করেছেন। বলিউডে গুঞ্জন উঠেছে অক্ষরা নাকি বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করছেন। সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়া-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অক্ষরা জানিয়েছিলেন, তিনি নাকি বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছেন। যদিও…

ভারত বিভাগ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম - একটি ঐতিহাসিক দলিল - জুমজার্নাল বাংলা ব্লগ 24/07/2017

ভারত বিভাগ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম - একটি ঐতিহাসিক দলিল - জুমজার্নাল বাংলা ব্লগ বাউন্ডারি কমিশনের সিদ্ধান্তগুলোকে বিবেচনার জন্য আহুত এই সভায় উপস্থিত ভারতীয় নেতৃবৃন্দ সিদ্ধান্তগুলোর ব্যাপারে অত্যন্ত সমালোচনারমুখর ছিলেন। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের ব্যাপারে তীব্র বাদানুবাদ চলে।

Want your business to be the top-listed Government Service in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Chittagong
45000

Opening Hours

Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00