ওসমান ভাই!
আপনার ভাই-বোনেরা আপনাকে ভীষণ মিস করতেছে...
Ashraful Hasan Akib
দাসত্বই যে জমিনের নিশ্চল নিয়তি,
লড়াই-ই সেখানে সর্বোত্তম ইবাদত।
শহীদ ওসমান হাদী
আমি চির-বিদ্রোহী বীর--
আমি বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির উন্নত-শির!
আমার ভাই শহীদ ওসমান বিন হাদী।
বাংলাদেশের রাজনীতি কোনো কালেই বাইনারির বাইরে ছিল না—এটা যেমন সত্য, তেমনি বিচারহীনতা ও হত্যাকাণ্ডের মতো জঘন্য ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে চালিয়ে দেওয়ার সংস্কৃতিও দীর্ঘদিনের বাস্তবতা।
বলছি জুলাইয়ের অগ্রসৈনিক শহীদ ওসমান হাদীর কথা—যাঁর হত্যার আজ পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান বিচারিক অগ্রগতি নেই। অথচ বাংলাদেশে বিচারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রেও যে রাজনীতি বড় ফ্যাক্টর, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। হয়তো সে কারণেই ওসমান হাদী ভাইয়ের বিচার নিয়ে আজ পিনপতন নীরবতা লক্ষ করছি।
এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে—বৃহত্তর রাজনৈতিক দল বিএনপির অবস্থান কী? এক কথায় বললে, জুলাই নিয়ে বিএনপির যে অবস্থান, হাদীকে নিয়েও সেই একই অবস্থান। এর উৎকৃষ্ট প্রমাণ নিলোফার চৌধুরীর ‘গিনিপিগ’ বলে হেয় করার ধৃষ্টতা। হাদীকে নিয়ে এটিই কি বিএনপি হাইকমান্ডের দৃষ্টিভঙ্গি?
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, ছাত্রদল ওসমান হাদীকে তাদের ১৪৩তম শহীদ হিসেবে স্বীকার করলেও দ্বিচারিতার সুরে আবার তাঁর আগস্ট-পূর্ব কর্মকাণ্ডের ‘এভিডেন্স’ চায়। যখন বিএনপির মতো একটি দল শহীদ ওসমান হাদীর বিচার নিয়ে পরিকল্পিত নীরবতায় থাকে, তখন বিচার পাওয়াটা রীতিমতো দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়।
শেষ করছি ওসমান হাদীরই একটি কথায়—
“দাসত্বই যদি কোনো জমিনের নিশ্চল নিয়তি হয়, তবে লড়াই-ই সেখানে সর্বোত্তম ইবাদত।”
আল্লাহ আমাদের এই লড়াইয়ে অবিচল রাখুন—
আমিন।
#হাদিহত্যারবিচারচাই
মুহাম্মদ আকিব
চট্টগ্রাম কলেজ
"যদি আমাদেরকে কেউ গুলি করে মেরে ফেলে তাকে যেন ধরে বিচার করা হয়।"
—(শহীদ ওসমান বিন হাদী)
আমরা সরকার ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বক্তব্য শুনবো আর অবজার্ভ করবো— কারা শহীদ হাদীর হত্যাকারীদের বিচারের কথা বলে, আর কারা বলে না।
মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা!!
আপনি যদি আমার ভাই শহীদ ওসমান হাদীর খু'নি'দের বিচার করতে না পারেন, আপনার সকল সফলতাই এই প্রজন্ম ব্যর্থ হিসেবে বিবেচনা করতে বাধ্য হবো। মাইন্ড ইট।
জামাতের আমির শফিক রয়টার্সকে জানিয়েছে যে আগস্টে বাইপাস সার্জারির পর এক ভারতীয় কূটনৈতিক তার সাথে দেখা করে কিন্তু দেখা করার বিষয়টা গোপন রাখতে বলে।
শফিক এই গোপনীয়তার সমালোচনা করে বলেন যে সবকিছু উন্মুক্ত হতে হবে। এভাবে গোপন বৈঠক ঠিক না।
পরে রয়টার্স ইন্ডিয়ান সূত্রে জানতে পারে যে ইন্ডিয়া সবার সাথেই এরকম গোপন বৈঠক করছে।
টকশোতে ডাক্তার জাহেদ বললো- যারা দেশে শরীয়াহ চায়, খেলাফত চায়, ইসলামী আইন চায়, তাদের এই দেশে রাজনীতি করার অধিকার আছে কিনা সেটা ভেবে দেখার বিষয়।
জাহেদকে যখন বলা হলো- মির্জা ফখরুল বলেছেন, ক্ষমতায় এলে বিএনপি কুরআন সুন্নাহ ভিত্তিক আইন বাস্তবায়ন করবে।
এটা শুনে ডা. জাহেদ অন্য প্রসঙ্গে চলে গেল।
এরা প্রচুর গণতন্ত্র করে। কিন্তু গণতন্ত্রে যদি জামায়াত ও জামায়াতের জোট মানুষের ভোটে জিতে যায় তাহলে সেটাও সমস্যা তাদের জন্য! জাফর ইকবাল জানি বলছিল,যে গনতন্ত্রে জামাত জিতে যায় সে গনতন্ত্র আমার দরকার নেই এটা তারই প্রতিধ্বনি
29/12/2025
“আজ সেই ২৯শে ডিসেম্বর বালুর ট্রাক দিবস।”
বিএনপি ভুলে গেলেও আমরা ভুলে যায়নি, চাইলেও ভুলতে পারবো না, আপনাদের মনে থাকার কথা, ২০১৩ সালে ২৯ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া 'মার্চ ফর ডেমোক্রেসি'র ডাক দেন। খালেদা জিয়া যাতে বের না হতে পারেন, তাই তার বাসার গেটে বালুর ট্রাক দিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
কথিত আছে, মির্যা আব্বাস দলের সাথে ও জোটের সাথে গাদ্দারী করে নিজের লোকদেরকে রাস্তায় না নামিয়ে বরং নিজের ব্যাবসা ও ব্যাংক বাঁচাতে লীগের সাথে আঁতাত করে বেগম খালেদা জিয়াকে আটকানোর জন্য পুলিশকে বালুর ট্রাক সাপ্লাই দিয়েছে।
সেই ট্রাক সরানোর জন্য আমাদের লোকজন রেডি ছিলো, কিন্তু বিএনপির কাউকে সেদিন ফোনে পাওয়া যায়নি, আজকে তারা খুব সংগ্রামী নেতা হয়েছে। হেনতেন অনেক কিছুই করছে, অথচ বাড়ি থেকে বের হতে না পেরে বেগম খালেদা জিয়া সেই কর্মসূচি ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করলেন এবং এ দুইদিনও মাঠে নেমেছিল জামায়াত এবং ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। কিন্তু বরই দু : খের বিষয় হলো, জোটের সবাই একসাথে আন্দোলনে থাকার কথা থাকলেও বিএনপির কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মাঠে নামেনি। দলটির এমন নিষ্ক্রিয়তায় অনেকটা ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয়েছিল গোটা জাতি।
খালেদা জিয়া বাসা থেকে বের হতে গিয়ে পুলিশের পিপার স্প্রে খেয়ে বলেছিলো, বাড়ি কই গোপালী? গোপালগঞ্জের নাম পালটিয়ে দেবো। সেদিন বিএনপির কোনো নেতা সেখানে উপস্থিত হয়নি, টিভিতে বেগম জিয়ার আর্তচিৎকার দেখে মজা নিয়েছে। একই কাজ করেছিল যখন ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে তাকে বের করে দিয়েছে সেই দিনও।
মার্চ ফর ডেমোক্রেসি সফল করে, হাসিনার পতনের লক্ষ্যে জামায়াত এবং ছাত্রশিবির সেসময় সারাদেশ থেকে ঢাকা শহরে কয়েক লক্ষ নেতাকর্মীকে নিয়ে এসেছিল। আমাদের নারায়ণগঞ্জ মহানগরী থেকে আসার সময় রাস্তায় গ্রেফতার হয় সাইফুদ্দিন, হাফেজ রাসেল, নাসিম ফেরদৌস শাওন, ফয়সাল সহ সারাদেশ থেকে আসা আমাদের হাজারের অধিক নেতা কর্মীরা।
জোটের অংশ হিসেবে কথা ছিলো ছাত্রশিবির, ছাত্রদল ও যুবদল একসাথে মাঠে নামবে। কিন্তু শিবিরকর্মীরা উপস্থিত হয়ে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করলেও ছাত্রদল যুবদলের একজন ব্যক্তিও সেদিন আসেনি। আমরা বেলা ১১টায় পলটন টাওয়ারের সমনে থেকে মিছিল শুরু করি আমাদের সাথে পুলিশের ব্যাপক ধাওয়া পালটা ধাওয়া হয়। আরেকটি মিছিল শুরু হয় মালিবাগ পদ্মা সিনেমা হলের সামনে থেকে, এসময় মিছিলে নির্বিচারে গুলি চালায় পুলিশ। আহত হয় অন্তত কয়েকশো শিবিরকর্মী। দেশ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য শহিদ হন ছাত্রশিবির আশকোনার ৩ নং ওয়ার্ড সভাপতি মনসুর প্রধানীয়।
আর এই মির্যা আব্বাসের মতো ভারতীয় গুপ্তচরেরা সেদিন লেপ মুরিয়ে ঘুমিয়ে ছিলো, সেদিন থেকেই বিএনপির মাঠ পর্যায়ের ত্যাগী নেতা কর্মীরা এই আব্বাসের মতো দু-মুখো নেতাদের বর্জন শুরু করেছে সাথে জাতির শত্রুতে পরিণত হয়েছে।
বেগম জিয়া এক বক্তৃতায় বলেছিলেন- খালেদা জিয়ার ভয় নাই, রাজপথ ছারিনাই, এই স্লোগান শুনে আক্ষেপ করেই বলেছিলো, যখন রাস্তায় নামার কথা ছিলো সেইদিন নেতারা রাস্তায় নামেনি। এই স্লোগান বন্ধ করো, এমন আজে বাজে স্লোগান আর দিবে না, পড়াশুনা করো ভালো স্লোগান শিখো।
ইতিহাস সাক্ষী, খালেদা জিয়াকে যেদিন বালুর ট্রাকে বন্দী রাখা হয়েছিল, সেদিন তার ডাকে বিএনপি-ছাত্রদলের কেউ সাড়া না দিলেও রাস্তায় নেমে এসে শহীদ হয়েছিলেন শিবির নেতা মনসুর।
দেশ বাঁচাতে, মানুষ বাঁচাতে ভোটাধিকার রক্ষায়, গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে 'গণতন্ত্রের অভিযাত্রায়' প্রথম শহীদ হলেন ছাত্রশিবিরের সাথী আমাদের প্রিয় ভাই কোরানের হাফেজ শহীদ মনসুর আহমেদ।
হাদি সাহারার ঊষর বালুতে আবে জমজম পানি
হাদি আজাদির হাসান হোসেন জান্নাতি ফুলদানি
হাদি ইতিহাস পাখি আবাবিল মুসার হাতের লাঠি
হাদি ওমরের অর্ধজাহান মোড়ানো শীতলপাটি।
হাদি গোলাপের মাতাল গন্ধ খোলাফায়ে রাশেদার
হাদি উত্তাল সাগরে জোয়ার আল্লাহু আকবার
আবু বকরের সিদ্দিক থেকে আলোর ঝর্না এনে—
হাদি জেগেছিল তরুণ আলির সাহসের সুধা টেনে।
হাদিই আঁধার-পর্দা সরায়ে নতুন ভোরের রবি
হাদি জুলাইয়ের অগ্রনায়ক বিদ্রোহী বিপ্লবী
নতুন সময়ে নতুন সফরে নতুন সিন্দাবাদ
সাত আসমান ভেদ করে ওঠে হাদির জিন্দাবাদ।
লেখক:- জিয়া হক
গায়ক:- Abu Ubayda
21/12/2025
প্রোথোম আলু , দিল্লিস্টার যার বন্ধু হতে চাই তার শোত্রুর প্রয়োজন নেই।
১.
শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের মিথ ও বিতর্ক প্রচলিত রয়েছে। কেউ কেউ দাবি করেন, নিহত বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশ পাকিস্তানপন্থী লেখক, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী ছিলেন। আবার অন্য একটি মত অনুযায়ী, এই হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা ছিল। তাদের যুক্তি হলো—সে সময় পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল; এমন পরিস্থিতিতে তাদের পক্ষে এত বড় ও পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড সংঘটন করা সম্ভব ছিল না।
২.
স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে বহু গ্রন্থপ্রণেতা ও মুক্তিযোদ্ধা মেজর কামরুল ইসলামের একটি বক্তব্য বিশেষভাবে আলোচনার জন্ম দেয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন—মুক্তিযুদ্ধের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত কী করছিলেন এবং কাদের শিক্ষা দিচ্ছিলেন? স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, তারা যদি প্রকৃত অর্থে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতেন, তবে সে সময় ঢাকায় অবস্থান করে অফিস বা শিক্ষাকর্মে যুক্ত থাকার কোনো যৌক্তিক কারণ ছিল কি না।
৩.
তথাকথিত স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তির অন্যতম নেতা কাদের সিদ্দিকীর মন্তব্যও বিস্ময়কর ও বিতর্কিত। তার মতে, সংশ্লিষ্ট বুদ্ধিজীবীরা পাকিস্তান সরকারের সুযোগ–সুবিধা গ্রহণের উদ্দেশ্যেই ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থান করেছিলেন।
৪.
এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য অপ্রয়োজনীয় বলে মনে করি।
14/08/2025
আজাদী দিবসের শুভেচ্ছা
১৪ আগস্ট ১৯৪৭
আপনি কি জানতেন?
১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট রাতটি ছিল লাইলাতুল কদর। আর, দিনে নয়, ঐ লাইলাতুল কদরের রাতে পাকিস্তান স্বাধীন হয়েছিল।
08/08/2025
শৈল্পিক
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong
