03/10/2026
লাল চিহ্নিত ছেলেটা সালমান মুক্তাদির। ছবিতে ৬টা মানুষ আছে, ৬টারই বিশেষ প্যাটার্নের দাড়ি। এই দাড়ি নবীর দাড়ি নয়, সুন্নতের দাড়ি নয়। এ অন্য জিনিস। বাঙালি ছেলেদের ফ্যাশন বিন্যাসের যে ননহোমোজিনিটি, তা এখানে আছে? নেই। আওয়ামী লীগ আমলে পুলিশ-গোয়েন্দা কারও পিছে লাগলেই মানবাধিকার মানবাধিকার বলে চিৎকার দিতাম। শহিদুল আলমের মতো অসংখ্য প্রতারককে আমরা 'মানবাধিকার'-এর নামে বাঁচিয়েছি। ৫ আগস্টের পর যেটা সবচেয়ে বেশি সত্যরূপে আবির্ভূত হয়েছে, সেটা হলো— কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি বাদে, জঙ্গীবাদ ও গুপ্তসন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের র্যাব-পুলিশ পৃথিবীর অন্যতম সফল বাহিনী ছিলো।
পুলিশের ভেতরের খবর যারা রাখেন, তারা জানবেন যে, সালমান মুক্তাদিরের সাথে নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন হিজবুত তাহরিরের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তারা তথ্য প্রমাণ বাছাই করছেন। পুরো একটি চক্র, যারা ফেসবুকে বুদ্ধিজীবী ও ইনফ্লুয়েন্সার সেজে আছে, তাদের বড় অংশ এ ঘটনায় উন্মোচিত হতে পারে। এ কারণেই ওরা দলবেঁধে হাফ-প্যান্টওয়ালা মদকারবারী শরিয়াশাবকের পাশে দাঁড়িয়েছে। একটা বলাৎকারের আসামীকে ডিএনএ টেস্টের গুজব ছড়িয়ে যে-লোক ডিফেন্ড করতে পারে, ১৫০টি মেয়ের সাথে জিনার কথা গর্বভরে প্রচারের পর শরিয়া আইন চাইতে পারে, সে গভীর জলের না হোক, অন্তত ঘাঘু জলের মাছ। এই বকরিমাছকে সরল-সোজা ইউটিউবার ভাবার সুযোগ নেই।
যাদের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে পড়াশোনা আছে, তারা বুঝবেন যে, সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র এ ধরণের বকরি। একটি আণবিক বোমা যা করতে পারে না, তা খুব সহজে এ ধরণের বকরি দিয়ে করানো যায়।
শহিদুল আলম, সালমান মুক্তাদির, আয়মান সাদিক, এ ধরণের বকরি থেকে সাবধান।