11/07/2022
বিকাশের সার্ভারজনিত কারনে বিউবো'র প্রি-পেইড গ্রাহকগন বিকাশের মাধ্যমে প্রি-পেইড মিটারের ভেন্ডিং করতে পারছেন না। বিবিবি হালিশহরের সম্মানিত গ্রাহকগন কে জিপি, রবি হতে ভেন্ডিং করার অনুরোধ করা হলো। গ্রামীন ফোন অথবা রবির মাধ্যমে ভেন্ডিং করার প্রক্রিয়া ছবিতে দেয়া হলো।
25/04/2022
ঝড়ের সময় বিদ্যুৎ কেন চলে যায়? 🤔
আসুন সঠিক তথ্য জেনে নিই।
আর সবার মতো একসময় আমারও ধারণা ছিলো, ঝড়ে বিদ্যুৎ এর তার ছিড়ে গেলে যদি বিদ্যুৎ বন্ধ না করা হয় তাহলে ভয়ানক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, এই জন্য সতর্কতা অবলম্বন করে বিদ্যুৎ এর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
ভুল, ভুল ধারণা।
আবার অনেক সময় দেখা যায়, এই বিদ্যুৎ যাচ্ছে, এই আসছে। মিনিটে কয়েকবার আসে যায়। আমরা গালি দেই, দূর!! একটা তামাশা শুরু করছে!
আপনি ভাবতেছেন এটা ইচ্ছা করে কেউ করছে? শতভাগ ভুল কিছু ভাবছেন তাহলে।
তাহলে ব্যাপার টা কি??
আসুন একটু মেকানিজম খুব সহজ করে বুঝে নিই।
বিদ্যুৎ যে জায়গা থেকে বিতরন করা হয়, এটাকে উপকেন্দ্র (সাব স্টেশন) বলে। এই উপকেন্দ্রের ভিতর একটা খুব বড়সড় রুমে আলমারির মতো বড়সড় ম্যাশিন টাইপের কিছু থাকে (ছবির মতো)। এগুলো কে ফিডার বলে। এক একটা ফিডার এক একটা এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণের কাজ করে। এই ফিডার অফ, মানে ঐ এলাকায় বিদ্যুৎ অফ।
এখন আসুন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণ খুজি।
আপনার বাসায় বিদ্যুৎ যে কারণে চলে যায়, আমরা সে কারণগুলো কে ফল্ট বলি।
আমাদের এখানে বা বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে কি কি ফল্ট হলে আপনার বাসায় বিদ্যুৎ চলে যায়??
অনেক কারণ হতে পারে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
১) বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে দেখবেন ৩ টা তার থাকে, এগুলো কে আমরা ফেইজ বলি। A, B, C ফেইজ। বাতাসের কারণে যদি এই ৩ টা ফেইজ কোন কারণে এক সাথে লেগে যায় (হোক সেটা একমুহূর্তের জন্য), তাহলে আমাদের উপকেন্দ্রের ফিডার (মানে আপনার এলাকায় বিদ্যুৎ যাওয়ার সুইচ) ফল্ট করে।
২) ঝড়ে বা বাতাসে গাছ ভেঙে ফেইজের উপর পড়লে বা একবার বাড়ি খেলেও আমাদের এখানে ফিডার ফল্ট করে।
৩) ট্রান্সফরমার এ সমস্যা হলেও ফল্ট করে।
৪) কোন মানুষের হাতের স্পর্শ পেলে বা দূর থেকে লাইনের উপর কিছু এসে পরলেও ফল্ট করে।
এখন আসুন জেনে নিই ফল্ট করলে কি হয়। ফল্ট করার মানেই অটোম্যাটিক বিদ্যুৎ অফ হয়ে যাবে। আমাদের হাতে কোন শক্তি ই নেই অফ রোধ করার। মনে করেন ২০ কিমি দূরে গাছের ডাল বাতাসে বাড়ি মারছে, সাথে সাথে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যাবে।
ঝড়ে গাছ ভেঙে পড়ে তার ছিড়ে গেছে? মিলি সেকেন্ড এ বিদ্যুৎ লাইন অফ হয়ে যাবে। তার না লাগানো পর্যন্ত আমরা ইচ্ছা করলেও লাইন চালু হবে না। কোনভাবেই না।
তাহলে মিনিটে কয়েকবার বিদ্যুৎ আসে যায় কেন?
বাতাসে বাড়ি মারে, অফ হয়ে যায়, আমরা চালু করি, আবার বাড়ি মারে, অফ হয়। এই জন্য ই তারের আশেপাশে থাকা গাছের ডাল নির্দয় ভাবে কেটে ফেলা হয়।
কারণ ডালের সংস্পর্শে আসলে কোনভাবেই বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখা যাবে না।
আর একটা কথা, এটা আমাদের বাসার সুইচ না যে আমাদের ইচ্ছায় বন্ধ করবো বা চালু করবো
উপকেন্দ্রে যিনি থাকেন, তিনি কখনোই নিজের ইচ্ছায় বন্ধ করতে পারেন না, চালু করতেও পারেন না। যে সকল ফল্ট বললাম, এইগুলো হলে অটু বন্ধ হয়ে যায়, আর যদি ফল্ট না হয়, তাহলে মেরামতের কাজ বা নতুন লাইনের সংযোগ এর জন্য কমপক্ষে ২য় শ্রেণীর অফিসার এর নির্দেশে বন্ধ হয়। কোথাও আগুন লাগলে বন্ধ হয়।আর একবার বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে গেলে এর পেছনের লোকজন যে কি পরিমান অমানবিক পরিশ্রম দিন রাত করে তা নিজ চোখে না দেখলে কখনোই বিশ্বাস হবে না।
তাহলে লোড শেডিং কেন হয়?
হা, একমাত্র লোড শেডিং এর জন্য ইচ্ছা করে লাইন বন্ধ করা হয়। এটাও হয় একমাত্র প্রথম শ্রেণীর বা তার উপরের অফিসার এর নির্দেশে। এটাও ইচ্ছা করে করা হয় না। যখন লোড অনেক বেশী হয়ে যায়, Power Transformer লোড নিতে পারে না অথবা চাহিদার থেকে জেনারেশন কম হয় তখনই কেবল কোন একটা ফিডার বন্ধ করে দেওয়া হয়।
যদিও এটা বর্তমানে নেই বললেই চলে।
#রি_পোস্ট
23/04/2021
এত দ্বারা অত্র ডিভিশনের সম্মানিত গ্রাহককে জানানো যাচ্ছে যে গত পরশুদিন বিবিবি হালিশহরের পতেঙ্গা ৩৩/১১ সাবস্টেশনের, ড্রাইডক সংলগ্ন এলাকায় মাটির নিচের লাইনে ফল্ট হয়।এতে করে হিন্দুপাড়া ১ও ২ নং গলি, সুতা ফ্যাক্টরী সহ দক্ষিণ পতেঙ্গার বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে।সমস্যাটি জটিল হওয়ায় এখন বিকল্প পদ্ধতিতে এলাকা গুলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।পিডিবের কর্মীরা গত দুই দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে ফল্ট হওয়া ক্যাবল মেরামতের কাজ করছে।আশা করা যাচ্ছে আজকের ভেতর সমস্যা সমাধান করা যাবে।তীব্র গরম এবং রোজার ভেতর বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য অত্র দপ্তর আন্তরিকভাবে দুঃখিত।সম্মানিত গ্রাহকদের ধৈয্য সহকারে আমাদের পাশে থাকার অনুরোধ করছি,ধন্যবাদ।
26/11/2020
বিদ্যুৎ আইন, ১৯১০ (সংশোধীত) অনুযায়ী বিদ্যুৎ চুরির দন্ড।
কোনো ব্যক্তি বাসগৃহ বা কোনো স্থানে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে বিদ্যুৎ চুরি করিলে অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা চুরিকৃত বিদ্যুতের মূল্যের দ্বিগুণ অথবা ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন।
ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য বিদ্যুৎ চুরি আর নয়।
মনে রাখবেন একটা ভুল আপনার ছেলের জীবন নষ্ট করে দিতে পারে।
যেমন :
১. মৃত্যু হতে পারে
২. জীবিত হয়েও মৃত
১. মৃত্যু হতে পারে: অবৈধভাবে হুকিং করার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যেতে পারে। কারণ তারা যথাযথ সেফটি সহকারে বিদ্যুৎ চুরি করে না। যাহার কারণে যে কোন সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি।
২. জীবিত হয়েও মৃত:
প্রতিটা বিদ্যুতের অফিস থেকে নৈশ অভিযান চালানো হয়। ধরুন আপনার ছেলে তাদের কাছে হাতে নাতে ধরা পড়ে গেছে। তখন যদি বিদ্যুৎ অফিসের কর্তৃপক্ষ আপনার ছেলের নামে কেস করে দেয়, তাহলে আপনার ছেলের জীবন আজীবনের জন্য শেষ। কেন শেষ শুনবেন? থানায় যদি আপনার ছেলের নামে লাল কালি পড়ে যায় (রাষ্ট্রীয় পক্ষের কেস হয়)তা কখনোই সরকারি চাকরি হবে না। এজন্যই বলেছি জীবিত হয়েও মৃত! তাই আপনার ছেলেকে বিদ্যুৎ অবৈধভাবে চুরি থেকে বিরত থাকতে বলুন
Copy 26:11:2020
16/10/2020
এত দ্বারা অত্র ডিভিশনের সম্মানিত গ্রাহকদের জ্ঞাতার্থে জানানো যাচ্ছে যে,বর্তমান নির্মানাধীন ফ্লাইওভার কাজের কারণে আমাদের অভিযোগ কেন্দ্রের ল্যান্ড লাইন নাম্বারটির লাইন কাটা পড়েছে।এই কারণে গ্রাহকগণ ফোন করে আমাদের অভিযোগ কেন্দ্রের নাম্বার বন্ধ পাচ্ছেন,এতে করে অভিযোগ দেওয়া ও নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে এবং গ্রাহকসেবা বিঘ্নিত হচ্ছে।এ ব্যাপারে সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা হয়েছে এবং তারা দ্রুত লাইনটি মেরামত করে দিবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।সাময়িক এ অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।
আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,ল্যান্ড লাইনের পাশাপাশি ২৪ ঘন্টা চালু আমাদের একটি মোবাইল নাম্বার রয়েছে ।নাম্বারটি হল 01787170460...পেইজ ইনফোতেও নাম্বারটি দেওয়া আছে।নাম্বারটি তাই নিজে রাখুন এবং নিজ এলাকাবাসীকেও দিন।যেকোন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অন্য কোন নাম্বারে ফোন না করে দ্রুততার সহিত উক্ত নাম্বারে ফোন করুন,অভিযোগ দিন।আপনার সমস্যা সমাধান করে দেওয়া হবে।
গুনগত মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ ও গ্রাহকসেবা প্রদানে বিবিবি হালিশহর সদা সচেস্ট।আপনাদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রদানে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।
পোস্টটি নিজ আইডি থেকে শেয়ার করুন এবং অন্যকেও জানার সুযোগ করে দিন,ধন্যবাদ।
17/09/2020
অত্র ডিভিশন দ্রুতই প্রিপেইড মিটারের আওতায় যাচ্ছে।তাই প্রিপেইড মিটার সংক্রান্ত কিছু বেসিক ব্যপার শেয়ার করা হল।পোস্টটি সংগৃহীত ও পরিমার্জিত।বিদ্যুৎ এর প্রিপেইড মিটার নিয়ে কিছু ভুল বুঝাবুঝির ব্যাখ্যা এখানে দেওয়া হল।
অনেকে বলছে প্রিপেইড মিটারে বিল বেশি আসে, টাকা ভরলে হাজারে ২০০ টাকাই থাকে না।
আসুন এবার ব্যাপার গুলো জেনে নেয়া যাক।
ডিমান্ড চার্জ কি, কারা নির্ধারণ করেঃ
যখন কোন একজন গ্রাহক বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে মিটারের জন্য আবেদন করে, তখন উক্ত গ্রাহকের ব্যবহার সীমা কতটুকু হবে, তা উল্লেখ করে তাকে ফর্মে অঙ্গীকার/স্বাক্ষর দিতে হয়। যেমন, কোন গ্রাহক যদি বলে তার ২ কিঃওঃ (কিলোওয়াট) লাগবে। তার মানে উক্ত গ্রাহকের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ব্যবহার সীমা ২কিঃওঃ। এই ২ কিঃ ওঃ হলো তার চুক্তিবদ্ধ লোড। এই সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ব্যবহারের সীমা বা চুক্তিবদ্ধ লোডের উপর যে চার্জ ধার্য করা হয় তাকেই ডিমান্ড চার্জ বলা হয়।
গ্রাহকের সেই চুক্তিবদ্ধ লোড সরবরাহ করার জন্য বিদ্যুৎ বিতরণকারী সকল প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, মালামাল সহ যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে উক্ত গ্রাহকের সরবরাহ নিশ্চিত করে থাকে। যেমন, ট্রান্সফরমার, খুঁটি, তার ইত্যাদি। এসব যন্ত্রপাতি ও মালামালের টাকা যেমন সরকার বহন করে, তেমনি ডিমান্ড চার্জের মাধ্যমে এই টাকা সরকার আবার ফেরতও নেয়।
ডিমান্ড চার্জ কেউ চাইলে নিজের ইচ্ছামত ধার্য করতে পারে না। ইহা নির্ধারণ করে দেয় সরকারি সংস্থা Bangladesh Energy Regulatory Commission (BERC). বিদ্যুৎ সংক্রান্ত বেচা, কেনা, উৎপাদন, বিতরণ, জরিমানা, ভর্তুকি, বিলের রেট, ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট সব কিছু নির্ধারণ করে দেয় এই BERC.BERC ওয়েবসাইট www.berc.org.bd তে গেলে সর্ব শেষ ফেব্রুয়ারী ২০২০ এ হালনাগাদ হওয়া রেট শিডিউলটি আপনি দেখতে পারবেন।
উক্ত ডিমান্ড চার্জ ও ব্যবহৃত বিদ্যুৎ খরচের উপরই মোট বিল হিসাব করা হয়। এই টাকা সরকারি রাজস্ব খাতে জমা হয়। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই টাকার মালিক না।
জেনে নিন প্রিপেইড মিটার ব্যবহারের কিছু তথ্যঃ
==============================
প্রথম বার ১০০০ টাকা রিচার্জে আপনি পুরো টাকা পাবেননা।কারণঃ
১। আপনাকে প্রথমেই ১০০ টাকা মিটারের সাথে দেওয়া হয়ে ছিল। তাই ১০০ টাকা কাটবে।
২। ডিমান্ড চার্জ এখন ডিজিটাল মিটারের ক্ষেত্রে আবাসিক ৩০ টাকা এবং বাণিজ্যিক ৬০ টাকা প্রতি কিলো।(প্রতি মাসে এক বার) (যেখানে যার ডিমান্ড চার্জ বেশি আসবে তার বেশি আসবে)
৩। মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। (প্রতি মাসে এক বার) --- যদি পিডিবি আপনাকে মিটার সরবরাহ করে বিনামূল্যে।আর যদি আপনি বাজার থেকে এককালীন টাকা পরিশোধ করে অনুমোদিত মিটার কিনে লাগান তাহলে এই টাকা দেবার দরকার নেই।
৪। সরকারি ভ্যাট আগেও ছিল ৫% এখনো ৫%।
৫। সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা। (প্রতি মাসে একবার)
বিঃ দ্রঃ- এই সব কারণে ডিজিটাল মিটার প্রথম রিচার্জে টাকা ১০০০ টাকার স্থানে কম দেখায়। কিন্তু আপনি ঐ মাসেই যদি আবার ১০০০ টাকা রিচার্জ করেন তাহলে শুধু সরকারি ভ্যাট ৫% টাকা কাটার পর বাকী টাকা মিটারে রিচার্জ হবে। তাই ডিজিটাল মিটার গ্রাহকগণ আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নাই।
প্রিপেইড মিটারের সুবিধাগুলো হল-
1⃣ প্রিপেইড মিটারিং ব্যবস্থায় গ্রাহক ব্যবহারের আগেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেন। যার কারণে কোম্পানির মিটার রিডিং, বিল প্রণয়ন এবং আদায়ের কোন ঝামেলা থাকে না।
2⃣ মিটারে প্রিপেইড সিস্টেম থাকায় গ্রাহক নির্দিষ্ট সীমার উপরে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবেন না।
3⃣ গ্রাহক প্রয়োজনে মোবাইল কার্ডের মত কার্ড কিনে বা প্রয়োজনে ভেন্ডিং স্টেশনে গিয়ে নিজেই রিচার্জ করে নিতে পারবেন।
4⃣ মিটারে টাকা শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই গ্রাহককে মিটার সংক্রিয়ভাবে সংকেত দিবে, ফলে বিদ্যুৎ সঞ্চয়ে গ্রাহক আরও সচেতন হবে।
5⃣ প্রিপেইড মিটারের ক্ষেত্রে বিল দেয়ার জন্য অতিরিক্ত ঝামেলা পোহাতে আর হবে না।
6⃣ যেকোন সময়ে গ্রাহক দেখতে পারবেন তার কত বিদ্যুৎ খরচ হয়েছে আর কত অবশিষ্ট আছে।
7⃣ বিতরণ কোম্পানি বিদ্যুৎ দেওয়ার আগেই সব টাকা পেয়ে যাবে। ফলে বিল তৈরি ও বিতরণের ঝামেলা ও ব্যয় কম হয়।
8⃣ বিদ্যুৎ বিল বকেয়া হবে না, ফলে লাইন কাটার টেনশন থাকবে না।
9⃣ প্রিপেইড মিটার ব্যবহারে, অযথা ভোল্টেজ উঠা-নামার ফলে বাসার বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির উপর প্রভাব পড়বে না।
🔟 প্রিপেইড মিটারের মাধ্যমে সয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ বিলের রেকর্ড থেকে যাবে।
আশা করি ডিজিটাল মিটার আমাদের জন্য সুফল বয়ে আনবে।
মনে রাখবেন ডিমান্ড চার্জ,ভ্যাট,মিটার ভাড়া আগেও ছিলো এখনোও আছে। পার্থক্য আগে ব্যবহার করতে তারপর বিল আসত আর এখন অগ্রিম কেটে নিচ্ছে।
17/09/2020
বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ হালিশহরের সম্মানিত গ্রাহকবৃন্দের জ্ঞাতার্থে।
16/09/2020
গতকাল রাতের বৃষ্টি এবং ঝড়ো হাওয়ায় হালিশহর গ্রিডে বেশ কিছু কারিগরী সমস্যা দেখা দিয়েছে।এর কারণে অত্র ডিভিশনের দুটি পাওয়ার ট্রান্সফর্মার এর একটি বর্তমানে চালু করা সম্ভব হয়নি।এর দরুন আজকে সারাদিন লোড শেডিং করতে হয়েছে এবং আজকে রাতের বেলাতেও অত্র ডিভিশনের অধীন এলাকাসমূহে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হবে।অনাকাঙ্খিত এ ঘটনার জন্য আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।বলা বাহুল্য সমস্যা সমাধানে অত্র ডিভিশনের প্রকৌশলীগণ গতকাল ভোর রাত থেকে অক্লান্ত পরিস্রম করছেন।আমরা আশা করছি দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করে আপনাদের গুনগতমান সম্পন্ন বিদ্যুৎ দিতে পারবো।
পোস্টটি শেয়ার করুন এবং আপনার প্রতিবেশীকেও জানান।বিদ্যুৎ থাকা অবস্থায় অতীব প্রয়োজনীয় কাজগুলো সেরে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে,ধন্যবাদ।
14/09/2020
বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ হালিশহরের গ্রাহকদের জন্য সুখবর।অত্র দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মহোদয়ের ঐকান্তিক প্রচেস্টায় আগামী ১-১০-২০২০ থেকে অত্র দপ্তরে প্রিপেইড মিটারিং কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।এ সংক্রান্ত একটি দপ্তরাদেশ আজ নির্বাহী প্রকৌশলী বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ হালিশহর দপ্তর থেকে জারি করা হয়েছে।প্রাথমিক পর্যায়ে শুধুমাত্র নতুন সংযোগ এবং মিটার পরিবর্তন এই কার্যক্রমের আওতায় থাকলেও পরবর্তীতে অত্র দপ্তরের আওতাধীন ফ্রি পোর্ট এর একপাশ থেকে শুরু করে পতেঙ্গা পর্যন্ত সকল সিঙ্গেল ও থ্রি ফেজ মিটার প্রিপেইড মিটার কার্যক্রমের আওতায় আসবে।এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য যে ১/১০/২০২০ এর পর নতুন সংযোগ এবং মিটার পরিবর্তনের জন্য আবেদনকৃত সকল গ্রাহককে অবশ্যই প্রি পেইড মিটারে সংযোগ নিতে হবে,কোনভাবেই পোস্ট পেইড মিটারে সংযোগ দেওয়া হবে না।এ মর্মে অত্র দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।উক্ত কার্যক্রম সফল করতে আপনাদের সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।প্রি পেইড মিটারিং কার্যক্রমের যে কোন প্রকার তথ্যের জন্য অত্র অফিসে যোগাযোগের অনুরোধ করা হল।
27/08/2020
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অন্তর্গত বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ হালিশহর,চট্টগ্রাম অফিসের জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে পিস রেট মিটার পাঠক ও বিল বিতরণকারী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকদের কাছ থেকে দরখাস্ত আহবান করা হচ্ছে এবং বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগের অনুরোধ করা হচ্ছে।
***বন্দরটিলা থেকে শুরু করে পতেঙ্গা এলাকায় বসবাসকারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
***আবেদন কারী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ নিউমুরিং,নয়ারহাট বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করুন।
***আবেদনের নির্দিষ্ট সময় নেই।পদসংখ্যা পূরন হওয়া পর্যন্ত আবেদন গ্রহন করা হবে।আবেদনকারী যেদিন অফিসে আসবেন সেদিন তার ভাইবা নেওয়া হবে।পরবর্তীতে নির্বাচিত হলে তাকে জানানো হবে।