» ωє ∂α вlacĸ oғ 15тн collegιaтe «

» ωє ∂α вlacĸ oғ 15тн collegιaтe «

Share

▌│█║▌║▌║ ¢σℓℓєgιαтє вαт¢н15 ║▌║▌║█│▌ Before aDding in this community you have to like our group page.. [ » we da вlacĸ oғ 15тн collegιaтe « ] ♥

[ » we da вlacĸ oғ 15тн collegιaтe « ]


▀▄▀▄▀▄ ď€$ȼяɨρţɨ๏ɲ ▄▀▄▀▄▀


We thankfully welcome you to our community..♥ People those who can co-operate with us can be the most respected members ♥ of this community.. Its a new Era of Primary rules..so as well as t0 be a member of this community you guys have to maintain some Primary rules before adding for the betterment of our community.[♥]...wish u wi

Photos 11/02/2014

Sharif shows the power of spirit: Snap from Chittagong Collegiate School’s Field :

Every once in a while we come across certain incidents that reinstates our belief in our own capabilities; that the resolute force present in us can lead on to miracles.
The story of 15-year-old Mohammad Sharif from Chittagong is one such spectacle.Four years ago, a dreadful accident led to Sharif losing both his legs and his right hand. He was chasing a kite on the roof of their house and in the process was electrocuted with surges reaching up to 33,000 volts. For him to survive, the doctors did the only thing they could — cut off his limbs.
A cricket-maniac from an early age, Sharif had always wanted to follow the footsteps of Tamim Iqbal and Shakib Al Hasan and don the national cricket jersey one day. But while the accident may have spoilt his dream of becoming a professional cricketer, it has not hindered his love for the game.
Today, Sharif, who is an all-rounder, is the captain of a local team which includes children from his neighbourhood at Mazharbari, Kamalgate. They play every Friday.
“I can bat like Tamim and smack sixes outside the boundary-line, I can turn the ball like Shakib and get wickets and I can field like Nasir and restrict the opposition from scoring,” Sharif says with a hint of pride.
“I have to perform in all the departments. After all I am the captain of the side and I have to lead them like Mushfiqur [Rahim],” he adds.
If you happen to spend five minutes in the region on a Friday, you would easily be able to see just how important Sharif is to the team. The two overs that he bowled in last Friday’s game saw him pick up a crucial wicket. And with the bat, which is almost as tall as him, he dispatched many a deliveries to the boundary like an accomplished T20 cricketer.
If you feel sorry for him or think that life is a bit too challenging for him, all you need to do is have a chat with him. His high spirits and positive outlook towards life will convince you that there is nothing holding him back. But you can’t keep him long, for in his eyes he has better things to do, like for example, setting his field right.
The second among two brothers and two sisters Sharif, dropped out of school when he was in class three. He now helps his father out in his business. He also sells fruits in his region to help out his family. But of all the activities that he engages in, it is the game of cricket played every Friday for which Sharif truly lives.

Article Link: The Daily Star

Photos 26/12/2013

ইমরুল জুবায়ের

ব্যাচ’০৫


স্যার,
সালাম নেবেন। বলব না আমার নাম কি, জানাবোনা আমি কোন সেকশানে ছিলাম, কিংবা রোল নাম্বার কত। বললে যদিও কোনো ক্ষতি নাই, কিন্তু বলে কি লাভ তাতে? আপনি কি আমায় মনে রেখেছেন স্যার?
আমি, মানে- আমরা কেউই, আপনাকে ভুলি নাই স্যার। কি করে ভুলবো বলুন? আপনি যতটা না শিক্ষক ছিলেন, তার চেয়েও বেশি ছিলেন বন্ধু। বন্ধুকে কি ভুলা যায়?
আর ভুলি নাই বলেই এই চিঠি। জানেন? এখন আমরা অনেক বড় হয়ে গিয়েছি স্যার। আমরা এখন আর সেই ছোটটি নেই। এখন আর সেই সাদা ইউনিফর্মটা পরি না, প্রায়ই খেলতে গিতে যেটা আর সাদা থাকতোনা। আমরা এখন আর ক্লাস পালাই না স্যার। এখন আর পালানোও লাগে না, কোথা থেকে পালাবো বলুন? সেই যে এস.এস.সি দিয়ে একেবারের জন্য পালিয়েছি, আর ফিরে আসিনি। কিন্তু খুব ইচ্ছা হয়, আবার পালাই, আবার আপনি হুংকার দিয়ে কানটা চেপে ধরেন।
এখন আমরা আর ছোটটি নেই। আপনার কি মনে পড়ে স্যার আমাদের? সেই আমরা ক’জন- যারা পিছনের বেঞ্চের দলিল বিহীন মালিক ছিলাম- যাদের আপনি ‘দুষ্ট ছেলে’ বলে বকাঝকা দিতেন ঠিকই, কিন্তু আড়ালে যতোটা আদর করতেন সেটা যে আর কাউকে করতেননা – লিখে দিতে পারি। সেই আমরা ক’জন- এখন আর আগের মত নাই স্যার। আপনি প্রাণ ভরে আমাদের জন্য হয়তো দোয়া করতেন, আর সেকারণেই আমরা আজ অন্যরকম হয়ে গিয়েছি। আপনার সেই ‘অতি পাজি’ ছাত্রগুলোর অনেকে আজ অনেক উপরে উঠে গিয়েছে, পিছন ফিরে তাকানোর ফুরসত নাই তাদের ; অনেকে আবার কিনা রয়েছে দেশেরও বাহিরে।
আপনি কি সেই আগের মতনই আছেন স্যার ? সেই ব্যক্তিত্ব, সেই কণ্ঠ, সেই কাঁচা পাকা চুল – আগেরই মত? আগের মত করেই এখন সুর করে পড়ান? পড়াতে গিয়ে এখনো নিশ্চয়ই চকের গুড়োতে মাখামাখি হয়ে যান এখনো। বেতন দেবার দিনগুলো স্যার এখনো মনে পড়ে- কত ছেলে বেতন আনতে পারেনি বলে নিজের পকেট থেকে দিয়ে ঝামেলা চুকে দিলেন –সেটার সাক্ষী তো আমরাই।
স্কুল জীবনে কত অনুরোধ রেখেছেন আমাদের- তার ইয়ত্তা নেই। আমার কত যাচ্ছেতাই অজুহাত আপনি মেনে নিয়েছেন মনে নাই। আজ তাই আবারো একটি অনুরোধ- আমি আরো একবার ক্লাস করতে চাই স্যার, আবার হতে চাই পেছনের বেঞ্চের দলিল বিহীন মালিক। বাড়ির কাজকে সিঁকোয় তুলে আবারো ধূলো ওড়াতে চাই মাঠে। আবারো একবার, কিংবা সহস্রবার- আমি ‘পাজি’ হয়ে থাকতে চাই। আবারো সেই মুখগুলো দেখতে চাই- সেই “আমরা ক’জন”কে ফিরে পেতে চাই পাশের সীটে। সত্যি বলছি স্যার- আমি আর ক্লাস ফাঁকি দেবোনা।
তাই আবারো একবার আমি সুর করে সেই “appropriate preposition” পড়তে চাই, কিংবা “narration”। পড়াবেন তো স্যার? আমি কিন্তু গ্রামারে এখনো মোটামুটি কাঁচা ।
ভাল থাকবেন।
-ইতি
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রের পক্ষ থেকে-

Photos 14/12/2013

কৃতী শিক্ষার্থী ।।
অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলে পড়ালেখা করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন,

নোবেল বিজয়ী ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস
প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ডা. আফছারুল আমীন
সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী জামাল উ্দ্দীন আহমেদ এমসিএ
সাবেক বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন
সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান
সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
জনপ্রিয় লেখক ও সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ
প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. জামাল নজরুল ইসলাম
লেখক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
ভারত কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি জেএম সেনগুপ্ত
পূর্ব পাকিস্তানের সাবেক গভর্নর জাকির হোসেন
চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক প্রেসিডেন্ট আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী
দৈনিক আজাদী সম্পাদক এমএ মালেক
ড. মনোয়ার হোসেন
ড. মুস্তাফা নূরউল ইসলাম
লেখক ও বিজ্ঞানী আবদুল্লাহ আল মূতি শরফুদ্দীন
নাট্যকার আবুল হায়াত
আতাউর রহমান
কবি নবীন চন্দ্র সেন
আবৃত্তিকার-স্থপতি কাজী আরিফ
আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আশীষ ভদ্র
জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু
কবি ময়ূখ চৌধুরী
সংসদ সদস্য মাঈনুদ্দিন খান বাদল
সাংবাদিক ওসমান গণি মনসুর
তত্ত্ববধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও চিটাগাং রিসার্চ ইনশিয়েটিভের চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান ।

13/11/2013

sedin nil niyoner aloi vije chilo jara
shranto bataser ga beye tule chilo jhor
aaj brishtir sehse sekhane ekrash andhokar

sedin shopother vire hete chilo jara
bichanar gondho mekhe hoyechilo sukhi
tader ek jon aj ghor chara

alo-adharir alpoth diye jara kujechilo sapno
consession cup e bimoler chayematal hoto jara
sorbohara tader hate somoier pakhi khachca chara

sei sediner sobi ache je chilo jekhane
sudhu kichu anuvuti chorie gache mone
eki thakuk sei hat-pa-r-nak
shotru-mitro-pisach rupira bondhu khuje pak....

Photos 02/11/2013

বন্ধু তোকে মনে পড়ে
এই শহরে এই বিকেলে
একলা কোনপথে
বন্ধু তোকে মনে পড়ে
ব্যস্ত শহরের ব্যস্ত রেস্তরা
ব্যস্ত চায়ের কাপে

তোকে কি কখনো ভোলা যায়?

তবুও দিন কেটে যায় ।।

বন্ধু তোকে মনে পড়ে
খেলার মাঠে
ক্রিকেট ব্যাটে
আর প্রানহীন আড্ডায়
বন্ধু তোকে মনে পড়ে
কলেজ ক্যাম্পাসের ধূসর প্রাঙ্গন
আর অসীম শূন্যতায়

তোকে কি কখনো ভোলা যায়?

তবুও দিন কেটে যায় ।।

বন্ধু তোকে মনে পড়ে
সবুজ ঘাসের ঠোটের কোনে
তপ্তরোদের আভায়
বন্ধু তোকে মনে পড়ে
রাতের রাজপথে সোডিয়াম আলো
আর এক পশলা বর্ষায়

তোকে কি কখনো ভোলা যায়?

তবুও দিন কেটে যায় ।।

Photos 28/10/2013

মুক্তিযুদ্ধ ও আমাদের কলেজিয়েট ।।

১৯৭১ সালে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল হতে মেট্রিকুলেশান পরীক্ষার কেন্ডিডেট ছিলেন ফয়জুর রহমান ও গরীবুল্লাহ আলম। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এই দুই বীর কিশোর মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন।

মুক্তিযু্দ্ধ চলাকালীন সময়ে বিশ্বের সামনে পূর্ব-পাকিস্তানের পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখানোর জন্য পাকিস্তান-রেডিওতে ঘোষণা দেয়া হয়, পূর্ব-পাকিস্তানে মেট্রিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
অপরদিকে, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র হতে আহবান জানানো হয় পরীক্ষা বর্জন করে সারা পৃথিবীকে পূর্ব-পাকিস্তানের প্রকৃত অবস্থা দেখিয়ে দেয়ার জন্য।

চট্টগ্রামের মুক্তিযোদ্ধাদের দল পরিকল্পনা করে চট্টগ্রামে মেট্রিকুলেশান পরীক্ষা বন্ধ করার জন্য চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলে পাহারারত পাকিস্তানী সৈন্যদের উপর হামলা করা হবে। হামলার দায়িত্ব দেয়া হয় চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলেরই দুই ছাত্রকে; তাঁরা হলেন- ফয়জুর রহমান ও গরীবুল্লাহ আলম।

ফয়জুর রহমান ও গরীবুল্লাহ আলম প্রবেশপত্র আনার জন্য মেট্রিকুলেশান পরীক্ষার আগের দিন চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলে যান। স্কুলে পৌঁছে দেখেন চারপাশে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তৈরী করা কড়া নিরাপত্তার বলয়।

চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল পাহারারত পাকিস্তানী সৈনীদের দুটো ট্রাক স্কুলের মেইনগেটের সামনে স্টেশন কলোনীর কোয়ার্টারগুলোর দেয়াল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে। বীর কিশোর মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুর রহমান ও গরীবুল্লাহ আলম এই দুটো ট্রাকে গ্রেণেড চার্জ করার পরিকল্পনা করেন।

প্রবেশপত্র নিয়ে দুই বীর কিশোর স্কুল থেকে বেরিয়ে রেলওয়ে মসজিদের সামনে দিয়ে স্টেশন কলোনীর দিকে চলে যান।
পাকিস্তানী সৈন্যবাহিনীর ট্রাক দুটোতে গ্রেনেড চার্জ করা যাবে এমন দূরত্বে গিয়ে স্টেশন কলোনীর দেয়ালের সাথে থাকা ড্রেনে প্রশ্রাব করার ভান করে দুটো গ্রেনেড দেয়ালের অপর পাশে থাকা পাকিস্তানীদের ট্রাকগুলোর উপর ছুঁড়ে দেন সাহসী এই দুই মুক্তিযোদ্ধা।

প্রচন্ড শব্দে বিস্ফোরন হল। মানুষজন দ্বিগ-বিদিক ছুটছে। ধোঁয়ায় চারপাশ অন্ধকার হয়ে গেল। এদিক-সেদিক পড়ে আছে সারমেয় পাকি সৈন্যদের মৃতদেহ।

অন্যদিকে, সূর্যসেনের উত্তরসূরী বাংলার দামাল দুই সূর্যসন্তান গ্রেনেড চার্জ করে দ্রুত কলেজিয়েট স্কুল এলাকা থেকে সরে গেলে।

সেদিন সন্ধ্যায় স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র হতে জানান হল, দু:সাহসী দুই কিশোর মুক্তিযোদ্ধার চার্জ করা গ্রেনেডে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের সামনে ১৭ জন পাকি সৈন্য মারা যায় এবং আহত হয় ২২ জন পাকি সৈন্য । চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের সামনে গ্রেনেড চার্জের এই ঘটনার ফলাফল হয় সদূরপ্রসারী। পরদিন থেকে শুরু হওয়া মেট্রিকুলেশান পরীক্ষায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন কেন্দ্রে ছাত্র-শিক্ষকের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। কোন কোন কেন্দ্রে উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে।

জয় বাংলা…
চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের সেই দুজন কিশোর মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুর রহমান ও গরীবুল্লাহ আলমের প্রতি রইল অনেক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
জয় বাংলা…..

HriDon

Photos 28/07/2013

•]••´º´•» вℓα¢к σf ¢σℓℓєgιαтє «•´º´••[•







▌│█║▌║▌║║▌║▌║█│▌
´º´•» няι∂σи «•´º´

Photos 28/07/2013

▁ ▂ ▄ ▅ ▆ ▇ █ нιѕтσяу █ ▇ ▆ ▅ ▄ ▂ ▁


Chittagong Collegiate School and College was established as Chittagong Government School in 1836. The school was the first English medium high school in Chittagong. Its classes were held in a brick building constructed during the early years of British rule . The school was then shifted to a new location at the southern section of the Markot Sahib Hills. In 1886, the school was relocated to its present location at Ice Factory Road, North Nalapara, near the Chittagong Railway Station, and was named as Chittagong Collegiate School. Until the first decade of the twentieth century, the school was popularly known as the Entrance School.
In 2008 the Government renamed the school "Chittagong Collegiate School & College"

▌│█║▌║▌║ ║▌║▌║█│▌
´º´•» няι∂σи «•´º´

Want your business to be the top-listed Government Service in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Chittagong
4000, 4100, 42XX