Chibbari চিব্বাড়ী । সাতকানিয়া । চট্টগ্রাম । বাংলাদেশ ।

Chibbari চিব্বাড়ী । সাতকানিয়া । চট্টগ্রাম । বাংলাদেশ ।

Share

Chibbari (চিব্বাড়ী) is a place in the region of Chittagong in Bangladesh at 22°3'0" north of the equator and 92°5'24" east of the Greenwich Prime Meridian.

05/11/2021

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
আসসালামু আলাইকুম।

আপনি জেনে আনন্দিত হবেন যে, আগামী ১২ই নভেম্বর ২০২১ ইংরেজি, রোজ জুমাবার, বিকাল ৩ ঘটিকায়, চিব্বাড়ী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে বৃহত্তর চিব্বাড়ির "২০২১ সালের এসএসসি, দাখিল, এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও পরীক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান'' আয়োজন করতে যাচ্ছে সামাজিক সংগঠন "সম্প্রীতির চিব্বাড়ী"।

উক্ত অনুষ্ঠানে আপনার উপস্থিতি কোমলমতি পরীক্ষার্থী ভাই-বোনদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।

আয়োজনে-
" সম্প্রীতির চিব্বাড়ী"
(সম্প্রীতির বিকাশে সমাজের কল্যান)
চিব্বাড়ী, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।

11/09/2019

জনাব এম এ মোতালেব সিআইপি।
একাধারে শিক্ষক, সফল ব্যবসায়ী, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ, সমাজসংস্কার, নম্র ও বিনয়ী মানুষ, সবমিলিয়ে বহুগুণে গুণান্বিত অসাধারণ এক ব্যক্তিত্ব। সর্বদলীয় মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ও সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত পছন্দের একজন। সততার সাথে ব্যবসার মাধ্যমে দীর্ঘ পথযাত্রায় তিনি লাল-সবুজের সম্মানকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্ব দরবারে। তিনি নিজেকে শুধু আত্মকেন্দ্রিক করেননি বরং মানবসেবাকে বেঁচে নিয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি উজ্জ্বল নক্ষত্র।

আগামী ১৪ অক্টোবর সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাচন। উনি মনোনয়ন পাওয়ায় মনে হচ্ছে সাতকানিয়ার ভাগ্য আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ উঠেছে। আশা করি আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে সাতকানিয়াবাসী যোগ্য মানুষটিকে বেঁচে নিবে। ইন শা আল্লাহ উনার নেতৃত্বে সাতকানিয়া হবে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ মডেল উপজেলা। শুভকামনা❤❤

Photos from Chibbari চিব্বাড়ী । সাতকানিয়া । চট্টগ্রাম । বাংলাদেশ ।'s post 22/07/2019

মানসম্মত শিক্ষা, সুন্দর আগামীর বাংলাদেশ।
চিব্বাড়ী এম. এ. মোতালেব কলেজ।
অন্য সকল কলেজের মতোই একাডেমিক বিল্ডিং সিমেন্ট, কংক্রীট আর লোহা দিয়ে প্রস্তুত। আছে শিক্ষকমন্ডলী, আছে শিক্ষার্থীরা। সবই একই বলতে গেলে। তবে ভিন্নতা আছে একটি মাত্র জায়গায়। সেটি হলো মানসম্মত শিক্ষা, যা কি নাহ প্রতিষ্ঠাতা জনাব এম এ মোতালেব সিআইপি নিজেই তত্ত্বাবধান করেন। মফস্বলের এমন একটি জায়গায় এই কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে,যেখানে ছেলেমেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা বলতে চিব্বাড়ী প্রাথমিক থেকে শুরু করে চিব্বাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় দিয়ে শেষ ছিলো। তাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় এখন ভিন্নতা এসেছে। এখন তারা ঘরের পাশে পেয়েছে উচ্চতর শিক্ষার ব্যবস্থা। শিক্ষার এই আলোকে ছড়িয়ে দিতে সাতকানিয়া লোহাগাড়ার গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি স্থানে করে দেওয়া হয়েছে বিনামূল্যে পরিবহন ব্যবস্থা। বরাবরের মতোই এবারেও উচ্চ মাধ্যমিকে প্রতিষ্ঠানটি ভালো ফলাফল করেছে, সাতকানিয়া-লোহাগাড়া তথা দক্ষিন চট্টগ্রাম এ প্রথম স্থানে রয়েছে কলেজটি। তাই সামনের দিনগুলো আরো সফলতা অর্জন করবে এই কামনা করি.....

26/12/2017

#চট্টগ্রাম_মেডিকেল_কলেজ_হাসপাতাল_রোগী_কল্যাণ_সমিতির
সহ-সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায়
সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক,তৃণমূল নেতাকর্মীর আস্তার প্রিয় ব্যক্তিত্ব,মেহনতি জনতার জননেতা জনাব এম. এ মোতালেব সিআইপি মহোদয় কে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

25/12/2016

বিশ্বজয়ী আলীবাবার জ্যাক মা- এর সফলতার গল্প:

১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বেড়াতে গিয়েছিলেন জ্যাক মা। তিনি তখন চীনের একজন সাধারণ স্কুল শিক্ষক। মান্দারিন ভাষাভাষি চীনা ব্যবসায়ীদের সহায়তা করার জন্য একটি অনুবাদ কেন্দ্র খুলেছিলেন তিনি। ওই অনুবাদ কেন্দ্রের কাজেই যুক্তরাষ্ট্রে যান। যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে পরিচিত হন ইন্টারনেট প্রযুক্তির সাথে। জ্যাক মা জানতে পারেন, সবকিছুই জানা যায় ইন্টারনেট থেকে।

জ্যাক নেটে বিয়ার সম্পর্কে তথ্য জানতে সার্চ করলেন। তিনি দেখলেন, ইন্টারনেটে কোন তথ্যই চাইনিজ ভাষাভাষিদের জন্য নাই। এমনকি চীন নিয়ে কোন তথ্যই নাই!

দেশে ফিরে জ্যাক নতুন একটি কোম্পানি খুলে বসলেন। একটি ওয়েবসাইট নির্মাণ করে রপ্তানিমুখী চীনা কোম্পানিগুলোর তথ্য প্রকাশ করতে শুরু করলেন। জ্যাক মার ওই ওয়েবসাইটটিকে বলা হয় চীনের প্রথম ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ওই ওয়েবসাইটটি ব্যবসায় করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। এর চার বছর পর জ্যাক মা আলিবাবা নামের নতুন একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। এই কোম্পানিটিই বর্তমান বিশ্বে ই-কর্মাসের সফলতার দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আলিবাবার মোট সম্পদের পরিমাণ ১৬০ বিলিয়ন ডলারে দাড়িয়েছে। এই বাণিজ্যের ওপর ভিত্তি করেই জ্যাক চীনের সবচেয়ে বড় ধনী হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

আলিবাব্র ১২ ভাগ শেয়ার বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। এই শেয়ারের মোট মূল্যমান ২০ বিলিয়ন ডলার।

কিভাবে বর্তমান ই-কমার্স বাণিজ্যে সফল হতে হবে তার বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত জ্যাক মা। এত সফলতার পরও জ্যাক মা এখনও কোডিং বা ওয়েব সাইট ডিজাইনের ভাষা জানেন না। তিনি কলেজের ভর্তি-পরীক্ষায় পরপর দুইবার ফেল করেছিলেন। জ্যাক মা জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬৪ সালে চীনের হাংজুতে। তার বাবা-মা গান গেয়ে মানুষকে আনন্দ দিয়ে জীবন ধারণ করতেন। শৈশবে আমি উদ্বিঘ্ন ছিলাম, কিন্তু কখনই ভীত ছিলাম না। আমার প্রতিদ্বন্দ্বিরা সবসময়ই আমার চাইতে শক্তিশালী ছিল। কিন্তু আমি ভেবেছি আর লড়াই করেছি।

শৈশব থেকেই ইংরেজী শেখার জন্য সবসময়ই চীনে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সাথে সাথে থাকার চেষ্টা করতেন। এছাড়া, নিজের একটি রেডিও কেনেন তিনি। উদ্দেশ্য ছিল রেডিওতে নিয়মিত ইংরেজী শোনা।

ইংরেজী ভালো শিখতে পারলেও গণিতে বারবার ফেল করতেন তিনি। গণিতে জ্যাকের বাজে দশার কারণে কলেজ ভর্তি পরীক্ষায়ও দুইবার ফেল করেছেন। তবে তৃতীয়বারের মতো ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে টিকে যান জ্যাক মা। এবার তিনি হাংজু টিচার্স ট্রেনিং কলেজে ভর্তি হন।

পড়াশুনা শেষে চাকরি পাচ্ছিলেন না জ্যাক মা। এমনকি তিনি একটি রেস্টুরেন্টে ম্যানাজারের চাকরির জন্যও আবেদন করেছিলেন। কিন্তু তাও হয়নি। শেষ পর্যন্ত তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজী পড়ানর চাকরী পান। মাসে ১২ ডলার বেতন পেতেন জ্যাক।

জ্যাকের এই পরিস্থিতি বদলে চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাথে। চীন রপ্তানী বাণিজ্যে খুব ভালো করতে শুরু করে। তখন তিনি চীনের রপ্তানীমুখী ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার জন্য একটি অনুবাদ কেন্দ্র চালু করেন। এই অনুবাদ কেন্দ্রের অংশ হিসেবেই জ্যাক জীবনে প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে যান। যুক্তরাষ্ট্র গিয়েই প্রথম জানতে পারেন ইন্টারনেট সম্পর্কে।

তখন তিনি চায়না পেইজ নামের একটি ওয়েবসাইট চালু করেন। কিন্তু ওই উদ্যোগটি ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে তিনি নিজের সতেরজন বন্ধুকে একত্রে করেন আলিবাবা নামের ওয়েবসাইটটি তৈরী করার জন্য। এভাবেই শুরু হয় আলিবাবার পথচলা।

আলিবাবা নামের ওয়েবসাইটটিতে রপ্তানীকারকরা নিজেদের পণ্যগুলো সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করতে পারে। আর আমদানিকারকরা এই তথ্যগুলো সম্পর্কে জেনে ক্রয়ের বিষয়ে আলোচনা করতে পারে। এক বছরের মধ্যেই গোল্ডম্যান সেকস ও সফটব্যাংক মোট ২৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে জ্যাক মা-এর এই উদ্যোগে।

ইন্টারনেট ও তথ্য-প্রযুক্তি সম্পর্কে খুব বেশি কিছু না জানলেও কিভাবে ই-কমার্স বাণিজ্যের গুরু হয়ে উঠলেন জ্যাক মা? এই প্রশ্নটির উত্তর দিয়েছেন তার শুরুর দিকের এক সহকর্মী পোর্টার এরিস ম্যান। এরিস ম্যান বলেন, জ্যাক খুব ভালো বক্তা। ও নিজের স্বপ্নগুলো সকলের মধ্যে খুব সহজেই ছড়িয়ে দিতে পারে। জ্যাক আমাদেরকে সবসময় বলতো, আমরা সবাই তরুণ এবং কখনই নিজেরা লড়াই থেকে সটকে পড়ব না।

জ্যাক মা, নিজের সংগঠনের সহকর্মীদেরকে আনন্দেও রাখতেও পটু। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, সুযোগ পেলেই নিজের সহকর্মীদের মুখে হাসি ফুটাতে তৎপর থাকেন জ্যাক।

আলিবাবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জ্যাক মা প্রতিবছর ট্যালেন্ট শো নামের জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন স্থানীয় একটি স্টেডিয়ামে। ওই অনুষ্ঠানে আলিবাবা-এর কর্মীরা সর্বোচ্চ আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন।

প্রতিষ্ঠানের কাজকে সহজতর করার জন্য ২০০০ সালে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ থেকে পদত্যাগ করেন জ্যাক মা। এরপর তিনি আলিবাবার চেয়ারম্যান হন। এ প্রসঙ্গে জ্যাক বলেন, একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়ার চেয়ে একজন ভালো চেয়ারম্যান হওয়াতে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জ আছে।

তবে জ্যাক মা-এর সফলতার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ অরা হচ্ছে, মানুষের সমস্যা সমাধানের প্রতি তার আগ্রহকে। তিনি চীনের ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধান করতে চেয়েছিলেন। আর এই উদ্দেশ্য সফল করার মাধ্যম হয়েছে তথ্য প্রযুক্তি। এছাড়া, জ্যাক মা-এর মতো সফল উদ্যোক্তা হতে কি যোগ্যতা প্রয়োজন তা অনুধাবন করা যায়, তার লেখা একটি চিঠি থেকে। চিঠিটি জ্যাম মা লিখেছিলেন তার কর্মীদেরকে উদ্দেশ্য করে। তিনি চিঠিটিতে উল্লেখ করেন-

কঠোর পরিশ্রম কিংবা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হওয়ার কারণে আমরা সফল হইনি। আমরা পেরেছি গ্রাহকদেরকে সবচেয়ে বেশ গুরুত্ব দেওয়ার কারণে। আর আমরা নিজেদের শক্তি-সামর্থ্যকে সম্মান জানাতে পেরেছি। আমরা বিশ্বাস করেছি যে, সাধারণ মানুষই অসাধারণ নানান কাজ করতে পারে।

25/12/2016

প্রত্যেক মানুষই ইউনিক... স্বতন্ত্র... সবার ভেতর স্পেশাল
কিছু না কিছু আছেই। কিন্তু আমরা সেটা আবিষ্কার
করতে পারি না।
এর কারণ হল, বেশিরভাগ মানুষই নিজেকে চিনেনা,
জানেনা, বুঝেনা... আমরা যতটা না নিজেকে জানার
চেষ্টা করি, তার চেয়ে বেশি অন্যদের জানার চেষ্টা
করি...
লোকে কি ভাবছে, তারা কি করছে, উনি এতো বড়লোক
কেন, সে এতো সুন্দর কেন- এসবের পেছনেই আমরা সময়
নষ্ট করি। নিজের ভেতর যে সুপ্ত প্রতিভা, শক্তি,
সৌন্দর্য আছে, সেটা আর চোখে পরে না।
পৃথিবীতে পুরুষ নারী একই সময়ে এসেছে... অথচ এখন
পর্যন্ত নারীরা পুরুষদের চেয়ে পিছিয়ে কেন?
কারণ তারা নিজেদের চেয়ে অন্যের ব্যাপারেই সময় ব্যয়
বেশি করে...
কে কেমন ড্রেস পড়ল, পাশের ফ্ল্যাটের ভাবী বা তার
মেয়েরা কেমন, পার্টিতে কে কি রকম গহনা পড়ল, যাকে
পছন্দ হয় তার সুনাম, যাকে দেখতে পায় না তার বদনাম-
এসব নিয়েই ব্যস্ত থাকে বেশি... প্রয়োজন নেই, এরপরেও
কোন এক লোকের চোদ্দ গুষ্ঠির গল্প তুলে ঘণ্টার পর ঘন্টা
কেটে দিবে...
যেসব নারী এসবের প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে নিজের প্রতি
সময় দেয়, তারাই সফল হয়। আর বাকিরা কন্যা হয়ে জন্মে,
বউ হয়ে যৌবন পার করে, মা হয়ে মারা যায়... এর বাহিরে
নিজের আর কোন পরিচয়ই থাকে না তাদের।
বেশিরভাগ লোকের কাছেই সফলতা মানে হল ধনী হওয়া,
গাড়ি বাড়ির মালিক হওয়া... ছোট বেলা থেকেই
আমাদের মনে এটা এমন গভীরভাবে ঢুকে দেওয়া হয় যে,
জীবনে যদি গাড়ি বাড়ির মালিক না হতে পারি, তাহলে
আমরা নিজেদের ব্যর্থ ভাবা শুরু করি।
আমার কাছে সফলতার সংজ্ঞা একটু ভিন্ন রকম... আমার
মতে, নিজের লক্ষ্যে পৌঁছানো হলই সফলতা... সে লক্ষ্য
যেটাই হোক না কেন...
সফলতা- ব্যর্থতা মিলেই মানুষের জীবন...সমস্যা হল,
সফলতা আমরা খুব কমই দেখার চেষ্টা করি... শুধু
ব্যর্থতাকে আমরা খুঁজে বের করি...
অথচ একজন মানুষ তার ব্যক্তি জীবনে ব্যর্থতার চেয়ে
সফলতাই বেশি থাকে... ক্লাস ওয়ান পড়ুয়া কোন এক
বাচ্চার ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস টু তে উঠাই একটা
সফলতা... অথচ সেটা না দেখে আমরা খুজি তার ব্যর্থতা...
তার রোল কত হল, সে ক্লাসে ফার্স্ট হল কি না- এসবের
আড়ালে তার সেই সফলতাকে হারিয়ে ফেলি।
কত লোক প্রতিদিন মারা যাচ্ছে... আজকেও কয়েক
হাজার লোক সারা পৃথিবীতে মারা গেছে... এর মাঝে
আমি যে এখনো বেঁচে আছি, এটাও আমার জন্য একটা
সফলতা... কত লোক না খেয়ে আছে, আর আমি যে
তিনবেলা খাবার খেতে পারছি, সেটাও আমার সফলতা।
দুজন বন্ধুকে চিনতাম... দুজনই ছাত্র... একজন কোন মতে এ
গ্রেড পেয়ে পাশ করতে পারলেই খুশি... আরেকজন
গোল্ডেন ছাড়া আর কিছু পেতে নারাজ।
রেজাল্টের পর দেখা গেল যে যেরকম চেয়েছিল, তেমনই
পেয়েছে... তারা নিজের কাছে সফল... অথচ সমাজ
একজনকে বানিয়ে দিল সফল, অন্যজনকে বানলো ব্যর্থ...
কারণ সমাজের কাছে সফলতার সংজ্ঞা হল এ প্লাস।
আসলে, যা কিছু হোক না কেন, সব সময় নিজের লক্ষ্যের
উপর স্থির থাকা উচিত... কে কি ভাবল তাতে কিছু যায়
আসে না... আপনার কোন কিছুতে ভুল ধরার সময়
আশেপাশে ঠিকই বহু লোক খুঁজে পাবেন, কিন্তু বিপদে
পড়লে একজনকেও সাহায্যর জন্য পাশে পাবেন না. ..
দুনিয়ার সবাইকে একসাথে কখনো খুশি করতে পারবেন
না... সে চেষ্টাও করা উচিত না... হিটলারকে সারা
দুনিয়ার লোকেরা অপছন্দ করত, কিন্তু তার দেশের
লোকেরা ঠিকই পছন্দ করত...
অন্যকে খুশি করার আগে নিজেকে খুশি করা প্রয়োজন...
কি করলে আপনার ভাল হবে, কিসে আপনার ভাল লাগে,
সেটা আপনি নিজেই সবচেয়ে ভাল জানেন... অন্যরা
হয়তো বড়জোর পরামর্শ দিতে পারে, কিন্তু সিদ্ধান্ত
নিতে হবে নিজেকেই...
নেগেটিভ চিন্তার মানুষকে সবসময় এড়িয়ে চলা উচিত...
আমার মনে হয়, ব্যক্তিজীবনে যারা ব্যর্থ, তারাই
নেগেটিভ মনের হয়... আর ব্যর্থদের কখনো অনুসরন করতে
হয় না, তাদের কখনো আদর্শও মানতে হয় না...
আমরা বেশিরভাগ লোক অন্যকে অনুসরন করতে পছন্দ করি,
কিন্তু নিজে অনুসরিত হতে নয়... যেদিন আপনি অন্যের
অনুসরিত হতে পারবেন, সেদিনই বুঝবেন আপনি সফল...
মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হওয়া উচিত
নিজের জন্য বিনিয়োগ করা... আর, নিজের জন্য সবচেয়ে
বড় বিনিয়োগ হল নিজেকে জানার জন্য সময় ব্যয়
করা...যে যত বেশি নিজেকে জানতে পারে, সে তত
বেশি সফল হয় জীবনে।
Collected

25/12/2016

‘ বাংলাদেশ ? এটা আবার কোথায় ? ’
দেশের বাইরে যারা থাকেন তাদের প্রায় সময় এরকম উদ্ভুট রকমের প্রশ্ন শুনতে হয়। তারা যখন ধৈর্য নিয়ে বুঝিয়ে শুনিয়ে দেশটাকে চেনাতে শুরু করেন তখন ওপাশ থেকে জবাব আসে, ও আচ্ছা বুঝছি, ইন্ডিয়ার পাশে।

তাদের মনটা ছোট হয়ে থাকে। তাদের কাছ থেকে এসব গল্প শোনার পর আমাদের মনটাও ছোট হয়ে আসে। এখন থেকে এরকম প্রশ্নের সন্মুখীন হলে লজ্জা না পেয়ে বরং লজ্জা দেবার চেষ্টা করবেন।

‘ বাংলাদেশ ? এটা আবার কোথায় ? ’

'১৯৭১ সালে পৃথিবীতে একটা যুদ্ধ হয়েছিল যেখানে ৩০ লক্ষ মানুষ শহীদ হয়ে একটা দেশ স্বাধীন করেছিল। পুরো পৃথিবীর ব্রেকিং নিউজ ছিল বাংলাদেশ, আপনি সেই যুদ্ধের কথা কখনো শুনেন নি?
' জী না।'
'আপনি তো তাহলে পৃথিবী থেকে অনেক পিছিয়ে আছেন।'

' আপনি যে ভাষায় কথা বলেন, আপনি যে দেশটাতে থাকেন সেই দেশও প্রতি বছর একুশে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস পালন করে আসছে। দিবসটি যে আমাদের রক্ত থেকে এসেছে আপনি সেটা জানেন না ? আপনি জানেন না পৃথিবীতে শুধু একটাই মাত্র দেশ আছে যারা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে... '

' না জানি না।'

' তাহলে তো আপনি ইতিহাসেও দুর্বল, ইতিহাস পড়ুন।'

' আমাদেরকে শেখানো হয়েছে এডিসন বাম্ব লাইট আবিষ্কার করেছে। বিমান আবিষ্কার করেছেন রাইট ভ্রাতৃদয়। গাছের প্রাণ আছে এটা কে আবিষ্কার করেছেন , আপনাকে শেখানো হয় নি ? '

' জী না'

' তাহলে তো আপনি বিজ্ঞানেও দুর্বল, বিজ্ঞানের বই পড়ুন। জগদীশ চন্দ্র বসু , ড. মুহম্মদ কুদরাত এ-খুদা, অধ্যাপক ওসমান গণি তালুকদার... এই নাম গুলো না চাইলেও দেখবেন বই এর পৃষ্ঠায় ভেসে আসবে।

' আপনি ক্রিকেট খেলার নামটা কখনো শুনেন নি ? '

' জী না।'

' পৃথিবীর সব চেয়ে জনপ্রিয় খেলার তিনটির ভেতরে একটি - ক্রিকেট। প্রায় আড়াইশো কোটি মানুষ এই খেলাটি পছন্দ করেন।

' হম'

' তাহলে তো আপনার খেলাধূলা সম্পর্কেও জ্ঞান একেবারেই কম। গুগলের সাহায্য নিন। সাকিব আল হাসান, মাশরাফি , তামিম এই সব নাম গুলো না চাইলেও দেখবেন মনিটরে ভেসে আসবে'

আপনি বাংলাদেশ চেনেন না, এর মানে হল আপনি লালন চেনেন না, হাসন রাজা চেনেন না। এ কে ফজলুল হক, কাজী নজরুল চিনেন না, শামসুর রহমান চিনেন না। আপনি বঙ্গবন্ধু চিনেন না, জয়নুল আবেদিন, এস এম সুলতান, হুমায়ূন আহমেদ , এই নাম গুলোর সাথে আপনার পরিচয় ঘটে নি !

সাহিত্য, সংগীত , ইতিহাস, বিজ্ঞান... প্রত্যেকটি সেক্টরেই আপনি দুর্বল। ভীষণ দুর্বল। তাছাড়া আপনার উচ্চারণেরও ঠিক নেই। ব্যাংলাডেশ না। এটা বাংলাদেশ হবে।

এত পিছিয়ে থাকলে চলবে ভাই ? দাড়িয়ে না থেকে গুগল সার্চ করুন। বই নিয়ে বসে পড়ুন। কোন গ্রহে আছেন, সেটার নাম জানেন তো ?

Zunayed Evan

Photos 06/07/2016

দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর আজ পশ্চিম আকাশে শাওয়ালের একফালি চাঁদ ঈদের সওগাত নিয়ে আসবে। আগামীকাল ঈদ উদযাপিত হবে । ঈদ মানে আনন্দ। তবে এবার দেশে ঈদ এসেছে এক শোকাবহ পরিবেশে। রাজধানীতে নৃশংস জঙ্গি হামলায় দেশী-বিদেশী বেশ ক’জনের মর্মান্তিক মৃত্যুতে মানুষের মনে শোক ও আতংকের রেশ এখনও বিদ্যমান। তারপরও আমরা চাইব, ঈদে সবার জীবন হয়ে উঠুক আনন্দময় ও নিরাপদ। অন্যান্য উৎসব থেকে ঈদের পার্থক্য হল- সবাই এর অংশীদার। সবার মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার মধ্যে রয়েছে অপার আনন্দ। ঈদের দিন ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই এক কাতারে শামিল হয়ে মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। ঈদের আগের এক মাস সিয়াম সাধনার মাধ্যমে আমরা আত্মাকে পরিশুদ্ধ করি। অপরের দুঃখ-কষ্ট বুঝতে সচেষ্ট হই। রোজার প্রধান লক্ষ্য ত্যাগ ও সংযম। ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ত্যাগের অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারলে তা হবে সবার জন্য কল্যাণকর। দুর্ভাগ্যজনক যে, রমজান সংযমের মাস হওয়া সত্ত্বেও একশ্রেণীর ব্যবসায়ী বাড়তি চাহিদার সুযোগ নিয়ে দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দিয়ে অধিক মুনাফা করেছে। এর পাশাপাশি মানুষ কষ্ট পেয়েছে যানজটে। তবে ঈদে স্বজনদের কাছে ফিরে যেতে এবার মানুষের ভোগান্তি হয়েছে তুলনামূলক কম। এবার রমজান মাসে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক ছিল না। হত্যা, ছিনতাই ও প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।

আমাদের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে অনেক সমস্যা আছে, আছে অনেক সংকট। তা সত্ত্বেও বিভিন্ন জাতীয় উৎসবে শ্রেণী-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষ শরিক হয়। যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী প্রিয়জনকে নতুন পোশাক ও উপহার সামগ্রী কিনে দেয়। যারা সারাবছর জীর্ণ পোশাকে থাকে, তারাও ঈদের দিনে সন্তানদের গায়ে নতুন পোশাক পরাতে চায়। ঈদের আনন্দ কেবল একা ভোগ করলে হবে না, গরিব-দুঃখী মানুষকে তাতে শামিল করতে হবে। এটিও ইসলামের শিক্ষা। এ কারণেই ধনীদের জন্য জাকাত ফরজ করা হয়েছে।

ঈদের নামাজ আদায়ের আগেই ফিতরা দেয়ার নিয়ম। ফিতরার উদ্দেশ্য, দারিদ্র্যের কারণে যাতে কেউ আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়, তার নিশ্চয়তা বিধান করা। সচ্ছলরা সঠিক নিয়মে জাকাত-ফেতরা দান করলে দরিদ্ররাও ঈদের খুশির ভাগ পেতে পারে। রমজান সংযমের মাস হলেও অনেকে খাওয়া-দাওয়া ও কেনাকাটার পেছনে অঢেল অর্থ ব্যয় করেন। দরিদ্র স্বজন বা প্রতিবেশীর প্রতি অনেকে কোনো দায়িত্ব পালন করেন না। ব্যক্তিগত ভোগ-বিলাসে ব্যস্ত থাকেন। এটি ইসলামের বিধানের পরিপন্থী। ঈদ উদযাপনের সময় আমাদের এ কথাটিও মনে রাখতে হবে। এবার ঈদে ৯ দিনের সরকারি ছুটির ফাঁদে পড়েছে দেশ। এতে হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশসহ জরুরি সেবা কার্যক্রম, বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড ইত্যাদি যেন অচল বা স্থবির হয়ে না পড়ে, সরকারকে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। উৎসব-আনন্দে সংশ্লিষ্টরা যেন দায়িত্বের কথা ভুলে না যান।

ঈদ আসে সাম্যের দাওয়াত নিয়ে। অনেকে ধর্মের আনুষ্ঠানিকতাকে বড় করে দেখেন। এর মর্ম অনুধাবন করেন না। ইসলাম শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে আনন্দ ও সম্প্রীতির বড় অভাব। ঈদ উপলক্ষে রাজনৈতিক নেতারা শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। এ দৃষ্টান্ত কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে যদি তারা রাজনীতিতেও শুভেচ্ছা ও সম্প্রীতির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারেন, তা হবে সমগ্র জাতির জন্য আনন্দের সংবাদ। ঈদুল ফিতরের আনন্দ সবাই ভাগাভাগি করে নেবে, এটাই প্রত্যাশা।

-রো. উ

Photos 04/05/2014
Photos 29/04/2014

College for Rural Poor Students Inaugurate in Chittagong .

Chibbari MA Motaleb College started its journey with a commitment for facilitating education for underprivileged students at the remote locality of Chibbari under Satkania upazila in the district on May 24, 2013.

Chittagong Education Board (CEB) Chairman Professor Dr. Mohammad Ali Chowdhury was the chief guest at the inaugural ceremony.

CEB Chairman Professor Mohammad Ali in his speech expected the college to produce worthy citizens alongside giving qualitative education.

Banoful Group Chairman MA Motaleb set up the college on 86,000 square feet area with modern facilities for education and congenial academic atmosphere.

The college began with intermediate first year classes of business studies and humanities groups of 2013-2014 academic year.

Students with A+ or A grade in SSC or equivalent examinations would be exempted from admission fees and given full-free studentship, declared the college authority at the ceremony.

Presiding over the ceremony, MA Motaleb made commitment for continuing his effort to turn the college as an ideal educational institute and sought cooperation from all in this regard.

Acting Principal and Executive Committee Member Secretary Md Shahidul Islam made the address of welcome at the ceremony where ruling Awami League Chittagong south district unit General Secretary Mafizur Rahman and Satkania Upazila Chairman Abdul Monaf, among others, were present.

Want your business to be the top-listed Government Service in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Chittagong
4397