৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগ, চট্টগ্রাম মহানগর।

৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগ, চট্টগ্রাম মহানগর।

Share

We struggle to liberate humanity from political operation, Economical exploitation and cultural domination. We try to stopping something from happening...

28/08/2022
Photos from ৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগ, চট্টগ্রাম মহানগর।'s post 24/07/2020

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, চট্টলশার্দুল এম.এ. আজিজ ও জহুর আহমদ চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সহচর, সাবেক গণ-পরিষদ ও সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সাবেক সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি, সর্বজন শ্রদ্ধেয় জননেতা আলহাজ্ব ইসহাক মিয়ার ৩য় মৃত্যুবার্ষিকীতে ৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের পক্ষ থেকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলিঃ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা, সাবেক গণ পরিষদ ও সংসদ সদস্য আলহাজ মোহাম্মদ ইসহাক মিয়ার ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৭ সালের ২৪ জুলাই ৮৬ বছর বয়সে গণআন্দোলনের এই নির্ভীক সৈনিক ও জনদরদী রাজনৈতিক নেতার জীবনাবসান ঘটে। মোহাম্মদ ইসহাক মিয়ার জন্ম ১ মে ১৯৩২। তাদের আদি নিবাস হাজি পাড়া, উত্তর আগ্রাবাদ চট্টগ্রাম। মোহাম্মদ ইসহাক মিয়ার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয় মহান ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে। তাঁর রাজনৈতিক জীবনে তিনি কখনো জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হননি। ১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। ঐ সময় যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোলেন এবং ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে ভূমিকা রাখেন। সেই সাথে স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচনে তাঁর সাফল্য তাঁকে এলাকায় জনগণের প্রিয়ভাজন করে তোলে। ১৯৬২ সালে আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার নির্বাচিত হন, ১৯৬৪ সালে চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের অধীনে দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত, ১৯৬৬ সালে জননেতা এম.এ আজিজ ও জহুর আহমদ চৌধুরীর সাথে ৬ দফা আন্দোলনে অংশগ্রহণ, ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে চট্টগ্রাম-৮ নির্বাচনী এলাকায় প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য এমপি নির্বাচিত হন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন, ১৯৭২ সালে মহান জাতীয় সংসদে এমপি হিসেবে যোগদান করেন গণ পরিষদের সদস্য হিসেবে। স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সরকার কর্তৃক চট্টগ্রাম বন্দরের প্রশাসক নিযুক্ত হন। এ সময় চট্টগ্রাম বন্দরের মাইন সুইপিং ও নিমজ্জিত জাহাজ উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করেন এবং বন্দর চালু করার যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি চট্টগ্রাম সমাজকল্যাণ ও শিশুকল্যাণ পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন, চট্টগ্রাম শহর রেশনশপ বরাদ্দ কমিটিরও চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়াও তিনি আমদানি ও রপ্তানি সংক্রান্ত লাইসেন্স প্রদান মনিটরিং কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর হত্যার প্রতিবাদে জনমত সৃষ্টির কাজে নিয়োজিত ছিলেন, ১৯৭৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ নির্বাচনী এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন, ১৯৮৬ সনে চট্টগ্রাম-৮ নির্বাচনী এলাকা থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীনত প্রার্থী হিসেবে তৎকালিন ডেপুটি স্পিকার ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ব্যারিস্টার সুলতান আহমদকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ নির্বাচনী এলাকায় বাংলদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।

মোহম্মদ ইসহাক মিয়া রাজনৈতিক কারণে ১৯৬৫ সালে গ্রেফতার, মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত সহ বিভিন্নভাবে নিগৃহিত হন এবং ১৯৮৬ সালে ৬ মাস কারাভোগে করেন। তিনি চট্টগ্রাম শহর আওয়ামী লীগকে জেলার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে প্রভাবিত করেন। সুচনালগ্ন থেকে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটিতে সাংগঠনিকভাবে বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। মৃত্যুর পূর্বদিন পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পদে ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়া ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী তার পৈত্রিক ভিটায় ধ্বংসযজ্ঞ চালায় এবং নিকট আত্মীয়স্বজনের ওপর নির্যাতন করে।

২০০৭ এর ১/১১ এর সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকার বিরুদ্ধে জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করে জনমত সৃষ্টি, বন্দী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মুক্ত করার আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন। ২০০৮ ও ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা সহ প্রার্থীকে জয়ী করার যাবতীয় কলাকৌশল অবলম্বন করেন। ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পদে বহাল ছিলেন। মোহাম্মদ ইসহাক মিয়া বঙ্গবন্ধুর খুবই ঘনিষ্টজন ছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শিক্ষাগুরু ছিলেন চট্টগ্রাম শহরের নেতা মরহুম এম.এ আজিজ ও মরহুম জহুর আহমদ চৌধুরী। ১৯৫৩ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাথে এম.এ আজিজ, এন.জি মোহাম্মদ কামাল ও তারেক আহাম্মদ-এর মাধ্যমে প্রথম দেখা করেন। আগ্রাবাদ-পতেঙ্গা-পাহাড়তলী এলাকায় বিগত শতকের ষাটের দশকে ইসহাক মিয়া তাঁর সাংগঠনিক কাজ, সমাজসেবা ও নানাবিধ কর্মকাণ্ডে জনগণের প্রিয় নেতায় পরিণত হন। এটি বঙ্গবন্ধুর অজানা ছিল না। এজন্য ১৯৭০ সালে চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে অনেক প্রার্থী থাকলেও বঙ্গবন্ধু নিজে পার্লামেন্টারি বোর্ডে তার নাম দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার পরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় চারনেতা তাজউদ্দিন আহমদ, এম মনসুর আলী, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ইসহাক মিয়ার বাড়িতে এসেছিলেন।

তাঁর সমগ্র রাজনৈতিক জীবন জনগণের কল্যাণে নিবেদিত ছিল। তিনি কখনো অন্যায়, অসাধুতাকে প্রশ্রয় দেননি। লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে ছিলেন তিনি। পতেঙ্গা বন্দর এলাকায় সকল সভায় তিনি হাজির থাকতেন। জনগণ তার বক্তৃতার ঢং পছন্দ করতেন। তিনিও নানা হাস্যরসের মাধ্যমে সভা জমিয়ে রাখতেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও নীতি দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করেছেন। এলাকায় ছাত্র-তরুণদের রাজনৈতিক, সাংগঠনিক কাজে উৎসাহ দিতেন, নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন। তিনি ছিলেন তাদের রাজনৈতিক- সামাজিক অভিভাবক। তিনি দলের সকলকে নিয়ে দলীয় সাংগঠনিক কাজ কর্ম পরিচালনা করতেন। আওয়ামী লীগের অনেক ত্যাগী, নির্লোভ নেতাকর্মী দেশ ও দলের কাজে সর্বোচ্চ অবদান রেখেছেন। তাঁদের স্মরণ করা ও তাঁদের জীবন থেকে শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা নিয়ে জনগণের আস্থা ও ভালবাসা অর্জনে সচেষ্ট হতে হবে দলীয় নেতাকর্মীদের। ইসহাক মিয়া তাঁর জীবনকে জনগণের সেবায় উৎসর্গ করেছেন। তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে জানাই গভীর শ্রদ্ধা।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন, আমীন।

Photos from ৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগ, চট্টগ্রাম মহানগর।'s post 16/07/2020

সারাদেশে ১ কোটি বৃক্ষের চারা বিতরণ ও রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিববর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে সারাদেশে ১ কোটি চারা বিতরণ, রোপণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন।

এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে গণভবন চত্বরে তিনটি গাছের চারা রোপণ করেন। তিনি তেঁতুল, ছাতিয়ান ও চালতা গাছের তিনটি চারা রোপণ করেন।

একইসঙ্গে তিনি ‘জাতীয় বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ২০২০’এর উদ্বোধন করেন তিনি। এর আগে, গত ১২ জুলাই ভার্চুয়াল বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, ১৬ জুলাই গণভবন প্রাঙ্গণে একটি ফলদ, একটি বনজ এবং একটি ঔষধি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সারাদেশে ১ কোটি চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় তিনটি চারা-একটি ফলদ, একটি বনজ এবং একটি ঔষধি গাছের চারা আনুষ্ঠানিক ভাবে লাগানো হবে।

পরে করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নিয়ম বজায় রেখে ১৬ জুলাই থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর চলতি বৃক্ষরোপণ মৌসুমে দেশের ৪৯২টি উপজেলার প্রতিটিতে ২০ হাজার ৩২৫ টি চারা রোপণ করা হবে বলে জানিয়েছেন শাহাব উদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে প্রথম বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরু করেছিলেন, তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ‘মুজিববর্ষে’ এই কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

14/07/2020

"রাজনীতি করতে হলে মানুষের গালি শুনতে হবে, মানুষের কটুকথা শুনতে হবে, সমালোচনা সহ্য করতে হবে। মনে রাখবা আজ তোমাকে যে হাত দিয়ে ফুলের মালা পরাবে, সেই হাত দিয়ে তোমাকে জুতার মালাও পরাতে পারে। যে মুখ দিয়ে তোমার প্রশংসা করবে, সেই মুখ দিয়ে তোমাকে গালি দিবে। এসব সহ্য করেই তোমাদের রাজনীতি করতে হবে।"

__বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

02/07/2020

শুভ জন্মদিনে নিরন্তর শুভ কামনা—
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহিদ
শেখ ফজলুল হক মনির সুযোগ্য পুত্র, রক্তের যোগ্য উত্তরাধিকার, মেধা-মনন, প্রজ্ঞার অনন্য সমাহার, সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত সৈনিক বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশ ভাইয়ের শুভ জন্মদিনে জানাই মুজিবীয় শুভেচ্ছা ও নিরন্তর শুভ কামনা।

Photos from ৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগ, চট্টগ্রাম মহানগর।'s post 01/07/2020

১লা জুলাই চট্টলার অবিসংবাদিত নেতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সতীর্থ, লালদিঘীর ময়দানে বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফা উত্তাপনের সফল আয়োজক, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রাদেশিক পরিষদের তৎকালীন সদস্য, স্বাধীন বাংলার মন্ত্রী পরিষদের সদস্য ও মুজিবনগর সরকার কর্তৃক গঠিত আঞ্চলিক কাউন্সিল পূর্ব-দক্ষিণ অঞ্চল-২ এর চেয়ারম্যান, চট্টলশার্দুল মরহুম জননেতা জহুর আহমেদ চৌধুরীর ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে শ্রদ্ধা নিবেদন।

জহুর আহমদ ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসন জারীর পর আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৯৬২-এর শিক্ষানীতি বিরোধী আন্দোলনে রাজনৈতিক সহায়তা প্রদান করেন। ছয়দফার আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন। তিনি উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানকালে চট্টগ্রামের রাজনীতিকে সংগঠিত করেন। তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ মার্চ বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। জহুর আহমদ চৌধুরী ১৯৭০ সালের নির্বাচনে চট্টগ্রামের কোতোয়ালী আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৭১ সালের মার্চের অসহযোগ আন্দোলনে জহুর আহমদ চৌধুরী চট্টগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি চট্টগ্রামে সংগ্রাম কমিটির সদস্য ছিলেন। পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে চট্টগ্রাম শহরের পতন ঘটলে তিনি চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ভারতের আগরতলা গমন করেন। সেখানে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী শচীন সিংহের বাসভবনে বাংলাদেশের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন। জহুর আহমদ চৌধুরী মুজিবনগর সরকার কর্তৃক গঠিত আঞ্চলিক কাউন্সিল পূর্ব-দক্ষিণ অঞ্চল-২ এর চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন।
জহুর আহমদ চৌধুরী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিসভায় শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। শ্রমমন্ত্রী হিসেবে তিনি জেনেভায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সম্মেলনে (আই এল ও কনভেনশন) বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। তিনি ১৯৭৩ সালের সংসদ নির্বাচনে কোতোয়ালী-পাঁচলাইশ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিযুক্ত হন। জহুর আহমদ চৌধুরী আমৃত্যু আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭৪ সালের ১ জুলাই ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

29/06/2020

একাত্তরে রেসকোর্সে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠে
গর্জে ওঠে বাংলাদেশ—
এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
বীর বাঙালি শপথ করে, ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে।

Photos from ৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগ, চট্টগ্রাম মহানগর।'s post 26/06/2020

বিনম্র শ্রদ্ধা...
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর শহীদ আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান এর ৯৪ তম জন্মবার্ষিকী।

১৯২৬ সালের ২৬ জুন রাজশাহীর নাটোর জেলার অন্তর্গত বাগাতিপাড়ার মালঞ্চী রেলস্টেশন সংলগ্ন নূরপুর গ্রামে মামার বাড়িতে আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক বাড়ি ছিল রাজশাহী জেলার কাদিরগঞ্জ মহল্লায়। তিনি বনেদি জমিদার পরিবারের সন্তান ছিলেন।

07/06/2020

বাঙালির মুক্তির সনদ ৬-দফা - শেখ হাসিনা

ঐতিহাসিক ৭ই জুন ৬-দফা দিবস হিসেবে আমরা পালন করি। ২০২০ সাল বাঙালির জীবনে এক অনন্য বছর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আমাদের অর্থাৎ বাংলাদেশের জনগণের জন্য এ বছরটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ব্যাপক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বব্যাপী প্রবাসী বাঙালিরাও প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। ইউনেস্কো এ দিবসটি উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেয় এবং জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোও প্রস্তুতি নিয়েছিল। জাতিসংঘ ইতোমধ্যে একটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে।

যখন এমন ব্যাপক আয়োজন চলছে, তখনই বিশ্বব্যাপী এক মহামারি দেখা দিল। করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ নামক এক সংক্রামক ব্যাধি বিশ্ববাসীকে এমনভাবে সংক্রমিত করছে যে, বিশ্বের প্রায় সকল দেশই এর দ্বারা আক্রান্ত এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক- সকল কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশও এ ভাইরাস থেকে মুক্ত নয়। এমতাবস্থায়, আমরা জনস্বার্থে সকল কার্যক্রম বিশেষ করে যেখানে জনসমাগম হতে পারে, সে ধরনের কর্মসূচি বাতিল করে দিয়ে কেবল রেডিও, টেলিভিশন বা ডিজিটাল মাধ্যমে কর্মসূচি পালন করছি।

১৯৬৬ সালে বাঙালির মুক্তি সনদ ৬-দফা ঘোষণা দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আমি পরম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, শ্রদ্ধা জানাই আমার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেসাকে। ৭ জুনের কর্মসূচি সফল করতে তিনি অনন্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। স্মরণ করি, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে শাহাদাৎবরণকারী আমার পরিবারের সদস্যদের। শ্রদ্ধা জানাই জাতীয় ৪-নেতাকে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ ও নির্যাতিত মা-বোনকে।

৬-দফা দাবির আত্মপ্রকাশ

১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে চৌধুরী মোহাম্মদ আলীর বাসভবনে কাউন্সিল মুসলিম লীগের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ আফজালের সভাপতিত্বে বিরোধীদলের সম্মেলন শুরু হয়। সাবজেক্ট কমিটির এই সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয়-দফা দাবি পেশ করেন। প্রস্তাব গৃহীত হয় না। পূর্ববাংলার ফরিদ আহমদও প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন।

৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের কয়েকটি পত্রিকা এ দাবি সম্পর্কে উল্লেখ করে বলে যে, পাকিস্তানের দুটি অংশ বিচ্ছিন্ন করার জন্যই ৬-দফা দাবি আনা হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সংবাদ সম্মেলন করে এর জবাব দেন। ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন। বিমানবন্দরেই তিনি সাংবাদিকদের সামনে ৬-দফা সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরেন।

৬-দফা দাবিতে পাকিস্তানের প্রত্যেক প্রদেশকে স্বায়ত্বশাসন দেওয়ার প্রস্তাব ছিল। কিন্তু পাকিস্তানের অন্যান্য রাজনৈতিক দল এ দাবি গ্রহণ বা আলোচনা করতেও রাজি হয়নি। বঙ্গবন্ধু ফিরে আসেন ঢাকায়। আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটিতে ৬-দফা দাবি পাশ করা হয়। আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে এ দাবি গ্রহণ করা হয়। ব্যাপকভাবে এ দাবি প্রচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত হয় দলের নেতৃবৃন্দ সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান সফর করে জনগণের কাছে এ দাবি তুলে ধরবেন। ৬-দফা দাবির ওপর বঙ্গবন্ধুর লেখা একটি পুস্তিকা দলের সাধারণ সম্পাদকের নামে প্রকাশ করা হয়। লিফলেট, প্যাম্ফলেট, পোস্টার ইত্যাদির মাধ্যমেও এ দাবিনামা জনগণের কাছে তুলে ধরা হয়।

কেন ৬-দফা দাবি

১৯৬৫ সালে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে যে যুদ্ধ হয়েছিল সে যুদ্ধের সময় পূর্ববঙ্গ বা তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ ছিল সম্পূর্ণ অরক্ষিত। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এ অঞ্চলের সুরক্ষার কোনো গুরুত্বই ছিল না। ভারতের দয়ার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল পূর্ববাংলাকে। ভারত সেসময় যদি পূর্ববঙ্গে ব্যাপক আক্রমণ চালাত, তাহলে ১২শ মাইল দূর থেকে পাকিস্তান কোনোভাবেই এ অঞ্চলকে রক্ষা করতে পারত না। অপরদিকে তখনকার যুদ্ধের চিত্র যদি পর্যালোচনা করি, তাহলে আমরা দেখি পাকিস্তানের লাহোর পর্যন্ত ভারত দখল করে নিত যদি না বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈনিকেরা সাহসের সঙ্গে ভারতের সামরিক আক্রমণ মোকাবিলা করত।

পূর্বপাকিস্তানে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর কোন শক্তিশালী ঘাঁটি কখনও গড়ে তোলা হয়নি। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ১৪ ডিভিশনের একটা হেড কোয়ার্টার ছিল খুবই দুর্বল অবস্থায়। আর সামরিক বাহিনীতে বাঙালির অস্তিত্ব ছিল খুবই সীমিত। ১৯৫৬ সালে দৈনিক ডন পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বাঙালিদের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছিল।

অর্থাৎ পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে সর্বোচ্চ পদে তা-ও লে. কর্নেল পদে মাত্র দুজন বাঙালি অফিসার ছিলেন। অথচ যুদ্ধের সময় বাঙালি সৈনিকেরাই সব থেকে সাহসের পরিচয় দিয়েছিলেন। ওই যুদ্ধের পর তাসখন্দে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা তাসখন্দ চুক্তি নামে পরিচিত। সেখানেও পূর্ববঙ্গের স্বার্থের বা নিরাপত্তার বিষয়টি উপেক্ষিত হয়।

একটু পিছন ফিরে তাকালে আমরা দেখি যে, বাঙালির বিরুদ্ধে সবসময় পাকিস্তানের শাসক চক্র বৈমাত্রীয়সুলভ আচরণ করেছে।

প্রথম আঘাত হানে বাংলা ভাষা ওপর, যা আমাদের মাতৃভাষা। মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত শুরু করে। রক্ত দিয়ে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করে বাঙালিরা। সে ভাষা আন্দোলন শুরু করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ছাত্র শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৮ সালে। মূলত তখন থেকেই তিনি উপলব্ধি করেছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানিদের শাসন-শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তি পেতে হবে।

বাঙালিরা সব সময়ই পশ্চিমাদের থেকে শিক্ষা-দীক্ষা ও সাংস্কৃতিক চর্চায় সমৃদ্ধ ছিল। পাকিস্তান সৃষ্টির আন্দোলনেও অগ্রণী ভূমিকা ছিল এ অঞ্চলের মানুষের। জনসংখ্যার দিক থেকেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি। ৫৬ ভাগ মানুষের বসবাস ছিল পূর্ববঙ্গে। অথচ পূর্ববঙ্গের উপার্জিত অর্থ কেড়ে নিয়ে গড়ে তোলে পশ্চিম পাকিস্তান।

বাঙালিদের ওপর অত্যাচার করাই ছিল শাসকদের একমাত্র কাজ। ১৯৫৪ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে অন্যান্য দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে নির্বাচনে জয়লাভ করে। মুসলীম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। কিন্তু ৯২-ক ধারা অর্থাৎ ইমার্জেন্সি জারি করে নির্বাচিত সরকার বাতিল করে দেয়। পূর্ববঙ্গে চালু করে কেন্দ্রীয় শাসন। অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে যখন ১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে তখনও ষড়যন্ত্র থেমে থাকে না। ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান মার্শাল ল’ জারি করে। এভাবেই বার বার আঘাত আসে বাঙালিদের ওপর।

৬-দফার প্রতি জনসমর্থন

আইয়ুব খানের নির্যাতন-নিপীড়নের পটভূমিতে যখন ৬-দফা পেশ করা হয়, অতি দ্রুত এর প্রতি জনসমর্থন বৃদ্ধি পেতে থাকে। আমার মনে হয়, পৃথিবীতে এ এক বিরল ঘটনা। কোনো দাবির প্রতি এত দ্রুত জনসমর্থন পাওয়ার ইতিহাস আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সমগ্র পূর্ববাংলা সফর শুরু করেন। তিনি যে জেলায় জনসভা করতেন সেখানেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হতো, গ্রেফতার করা হতো। জামিন পেয়ে আবার অন্য জেলায় সভা করতেন। এভাবে পরপর ৮ বার গ্রেফতার হন মাত্র দুমাসের মধ্যে। এরপর ১৯৬৬ সালের ৮ মে নারায়ণগঞ্জে জনসভা শেষে ঢাকায় ফিরে আসার পর ধানমন্ডির বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। ৯ মে তাঁকে কারাগারে প্রেরণ করে। একের পর এক মামলা দিতে থাকে। একইসঙ্গে দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা শুরু হয়। সমগ্র বাংলাদেশ থেকে ছাত্রনেতা, শ্রমিক নেতাসহ অগণিত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে মামলা দায়ের করে।

১৯৬৬ সালের ১৩ মে আওয়ামী লীগ প্রতিবাদ দিবস পালন উপলক্ষে জনসভা করে। জনসভায় জনতা ৬-দফার প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন। ৩০ মে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির (ওয়ার্কিং কমিটি) সভা হয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী। ৭ই জুন প্রদেশব্যাপী হরতাল ডাকা হয় এবং হরতাল সফল করার সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের অনেক সভা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডির বাড়িতে অনুষ্ঠিত হতো।

৭ই জুনের হরতালকে সফল করতে আমার মা বেগম ফজিলাতুননেসা বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। ছাত্রনেতাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করে তিনি দিক-নির্দেশনা দেন। শ্রমিক নেতা ও আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সবধরনের সহযোগিতা করেছিলেন। পাকিস্তানি শাসকদের দমন-পীড়ন-গ্রেফতার সমানতালে বাড়তে থাকে। এর প্রতিবাদে সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়। ৬-দফা আন্দোলনের সঙ্গে পূর্ববাংলার সকল স্তরের মানুষ, রিক্সাওয়ালা, স্কুটারওয়ালা, কলকারখানার শ্রমিক, বাস-ট্রাক-বেবিটেক্সি চালক, ভ্যান চালক, দোকানদার, মুটে-মজুর- সকলে এ আন্দোলনে শরিক হয়েছিলেন।

পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ও রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান যেকোনো উপায়ে এই আন্দোলন দমন করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব দেয় পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনায়েম খানকে। কিন্তু তাদের শত নির্যাতন উপেক্ষা করে বাংলাদেশের মানুষ ৭ই জুনের হরতাল পালন করে ৬-দফার প্রতি তাঁদের সমর্থন জানিয়ে দেয়। পাকিস্তান সরকার উপযুক্ত জবাব পায়। দুঃখের বিষয় হলো, বিনা উসকানিতে জনতার ওপর পুলিশ গুলি চালায়। শ্রমিকনেতা মনু মিয়াসহ ১১ জন নিহত হন। আন্দোলন দমন করতে নির্যাতনের মাত্রা যত বাড়তে থাকে, সাধারণ মানুষ ততবেশি আন্দোলনে সামিল হতে থাকেন।

৭ই জুন হরতাল সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ডায়েরিতে লিখেছেন: ‘‘১২ টার পরে খবর পাকাপাকি পাওয়া গেল যে হরতাল হয়েছে। জনগণ স্বতষ্ফূর্তভাবে হরতাল পালন করেছেন। তাঁরা ৬-দফা সমর্থন করে আর মুক্তি চায়। বাঁচতে চায়, খেতে চায়, ব্যক্তি স্বাধীনতা চায়, শ্রমিকের ন্যায্য দাবি, কৃষকদের বাঁচার দাবি তাঁরা চায়, এর প্রমাণ এই হরতালের মধ্যে হয়েই গেল” (কারাগারের রোজনামচা পৃ. ৬৯)।

১৯৬৬ সালের ১০ ও ১১ জুন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সভায় হরতাল পালনের মাধ্যমে ৬-দফার প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করায় ছাত্র-শ্রমিক ও সাধারণ জনগণকে ধন্যবাদ জানানো হয়। পূর্ববঙ্গের মানুষ যে স্বায়ত্বশাসন চায়, তারই প্রমাণ এই হরতালের সফলতা। এজন্য সভায় সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। ১৭, ১৮ ও ১৯-এ জুন নির্যাতন-নিপীড়ন প্রতিরোধ দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীর বাড়ি-বাড়ি কালো পতাকা উত্তোলন এবং তিনদিন সবাই কালো ব্যাচ পড়বে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। হরতালে নিহতদের পরিবারগুলোকে আর্থিক সাহায্য এবং আহতদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য একটা তহবিল গঠন এবং মামলা পরিচালনা ও জামিনের জন্য আওয়ামী লীগের আইনজীবীদের সমন্বয়ে একটি আইনগত সহায়তা কমিটি গঠন করা হয়। দলের তহবিল থেকে সবধরনের খরচ বহনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। আন্দোলনের সব কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালন করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়।

৬-দফা দাবির ভিত্তিতে স্বায়ত্বশাসনের আন্দোলন আরও ব্যাপকভাবে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সভা, সমাবেশ, প্রতিবাদ মিছিল, প্রচারপত্র বিলিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এই দাবির প্রতি ব্যাপক জনমত গড়ে তোলার কার্যক্রম শুরু হয়। এদিকে সরকারি নির্যাতনও বৃদ্ধি পেতে থাকে। তবে যত বেশি নির্যাতন আইয়ুব-মোনায়েম গং-রা চালাতে থাকে, জনগণ তত বেশি তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং সব নিপীড়ন উপেক্ষা করে আরও সংগঠিত হতে থাকেন।

১৯৬৬ সালের ২৩ ও ২৪ জুলাই আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং আন্দোলন দ্বিতীয় ধাপে এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ আন্দোলন কেন্দ্র থেকে জেলা, মহকুমা ও ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে, তীব্রতর হতে থাকে। সরকারও নির্যাতনের মাত্রা বাড়াতে থাকে। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্তদের একের পর এক গ্রেফতার করতে থাকে। অবশেষে একমাত্র মহিলা সম্পাদিকা অবশিষ্ট ছিলেন। আমার মা সিদ্ধান্ত দিলেন তাঁকেই ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হোক। আওয়ামী লীগ সে পদক্ষেপ নেয়।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা

পাকিস্তান সরকার নতুন চক্রান্ত শুরু করে। ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ঢাকা কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করে নিয়ে যায়। অত্যন্ত গোপনে রাতের অন্ধকারে সেনাবাহিনীর দ্বারা এ কাজ করানো হয়। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দেওয়া হয়, যা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হিসেবে অধিক পরিচিতি পায়।

এই মামলায় ১-নম্বর আসামি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর সঙ্গে আরও ৩৪ জন সামরিক ও অসামরিক অফিসার ও ব্যক্তিকে আসামি করে।

অপরদিকে ৬-দফা দাবি নস্যাৎ করতে পশ্চিম পাকিস্তানের কিছু নেতা দিয়ে ৮-দফা নামে আরেকটি দাবি উত্থাপন করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়। তবে এতে তেমন কাজ হয় না। উঁচুস্তরের কিছু নেতা বিভ্রান্ত হলেও ছাত্র-জনতা বঙ্গবন্ধুর ৬-দফার প্রতিই ঐক্যবদ্ধ থাকেন।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা অর্থাৎ রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান মামলার মূল অভিযোগ ছিল যে, আসামিরা সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে পূর্ব-পাকিস্তানকে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দেওয়া হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বক্তব্য ছিল, ‘আমরা পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যার ৫৬ ভাগ, সংখ্যাগুরু। আমরা বিচ্ছিন্ন হব কেন? আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার চাই, স্বাধীনভাবে বাঁচতে চাই। যারা সংখ্যালগিষ্ঠ, তারা বিচ্ছিন্ন হতে পারে, সংখ্যাগরিষ্ঠরা নয়।’

এই মামলা দেওয়ার ফলে আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে। বাংলার মানুষের মনে স্বাধীনতা অর্জনের আকাঙ্ক্ষা ও চেতনা শাণিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বদলীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলা হয়। ছাত্ররা ৬-দফাসহ ১১-দফা দাবি উত্থাপন করে আন্দোলনকে আরও বেগবান করে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জেলা, মহকুমায় আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।

ক্যান্টনমেন্টের ভিতরেই কোর্ট বসিয়ে মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করা শুরু হয়। অপরদিকে জেল, জুলুম, গুলি, ছাত্র হত্যা, শিক্ষক হত্যাসহ নানা নিপীড়ন ও দমন চালাতে থাকে আইয়ুব সরকার। পাকিস্তানি সরকারের পুলিশি নির্যাতন, নিপীড়ন ও দমনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ স্বতষ্ফুর্তভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে শুরু করে। তাঁরা রাস্তায় নেমে আসে। সরকারপন্থি সংবাদপত্র থেকে শুরু করে থানা, ব্যাংক, সরকারের প্রশাসনিক দফতরে পর্যন্ত হামলা চালাতে শুরু করে। সমগ্র বাংলাদেশ তখন অগ্নিগর্ভে পরিণত হয়।

‘আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার কর, জেলের তালা ভাঙব, শেখ মুজিবকে আনব, শেখ মুজিবের মুক্তি চাই’- এ ধরনের স্লোগানে স্লোগানে স্কুলের ছাত্ররাও রাস্তায় নেমে আসে। এরই এক পর্যায়ে ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এই মামলার অন্যতম আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হককে বন্দিখানায় হত্যা করা হয়। মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তাঁদের আশঙ্কা হয় এভাবে শেখ মুজিবকেও হত্যা করবে। সাধারণ মানুষ ক্যান্টনমেন্ট আক্রমণ করতে অগ্রসর হয়। জনতা মামলার বিচারক প্রধান বিচারপতির বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে পালিয়ে যান।

প্রচণ্ড গণআন্দোলনের মুখে ২১ শে ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খান আগড়তলা মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে একটা সামরিক জিপে করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ধানমন্ডির বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে। পাশাপাশি অন্য বন্দিদেরও মুক্তি দেয়।

ভাষা আন্দোলন-স্বায়ত্বশাসন থেকে স্বাধীনতা: ৬ দফার সফলতা

গণআন্দোলনে আইয়ুব সরকারের পতন ঘটে। ক্ষমতা দখল করে সেনাপ্রধান ইয়াহিয়া খান। ৬-দফার ভিত্তিতে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সমগ্র পাকিস্তানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ১৯৭০ সালের ৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঘোষণা দেন পূর্ব পাকিস্তানের নাম হবে ‘বাংলাদেশ’।

কিন্তু বাঙালিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় পাকিস্তানি সামরিক জান্তা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশের মানুষ তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন।

অসহযোগ আন্দোলন থেকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বিজয় অর্জন করে বাঙালি জাতি। ২৫ শে মার্চ পাকিস্তানি সামরিক জান্তা গণহত্যা শুরু করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চের প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। ৯ মাসের যুদ্ধ শেষে ১৬ই ডিসেম্বর বাঙালি চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। বাঙালিরা একটি জাতি হিসেবে বিশ্বে মর্যাদা পায়, পায় জাতিরাষ্ট্র স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ।

৬ জুন, ২০২০

30/05/2020

বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত ডাকটিকিট অবমুক্ত করল জাতিসংঘঃ

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের স্বীকৃতি স্বরূপ একসেট স্মার্ক ডাকটিকেট অবমুক্ত করল জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের পোস্টাল অ্যডমিনিষ্ট্রেশন ও জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের যৌথ উদ্যোগে ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের আন্তর্জাতিক দিবস ২০২০ (শান্তিরক্ষী দিবস)’ উপলক্ষে আজ শনিবার এই ডাকটিকিট অবমুক্ত করা হয়।

স্মারক ডাকটিকিটের ফলিওতে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, মুজিব বর্ষের লোগো এবং জাতির পিতার প্রতিকৃতিসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের ছবি। আরও রয়েছে জাতিসংঘের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নিয়োজিত বাংলাদেশের দুইজন নারী হেলিকপ্টার পাইলটের আইকনিক প্রতিকৃতি।

Photos from ৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগ, চট্টগ্রাম মহানগর।'s post 18/05/2020

৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস.এম. আব্বাস উদ্দীন এর উদ্যোগে অসহায়, গরীব ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও সেহেরী উপহার সামগ্রী বিতরণে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও চট্টগ্রাম মহানগর অআওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব ফরিদ মাহমুদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি হাজ্বী মোঃ খোরশেদ আলম।

বক্সিরহাট যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস.এম. আব্বাস উদ্দীনের উদ্যোগে কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের প্রাক্কালে সমাজ সেবক আলহাজ্ব ফরিদ মাহমুদ বলেন, সরকার সংক্রমণ ঠেকাতে ব্যবসা-বাণিজ্য, হাট-বাজার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে। দেশি-বিদেশী গবেষণা সংস্থাগুলো মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশে ব্যাপক সংক্রামনের ভবিষৎ ধারণা করলেও এখন পর্যন্ত এদেশে করোনা ভয়াবহ রূপ নেয়নি। সংক্রমন নিয়ন্ত্রণে আমাদেরকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

এতে উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজ্বী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, নগর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ নাছির আহমেদ, সাবের আহমদ, নেছার আহমদ, আশরাফুল গণি, নগর যুবলীগের সাবেক সদস্য বখতেয়ার ফারুক, চাকতাই-খাতুনগঞ্জ অাড়তদার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, আছাদগঞ্জ ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, নগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, এম.কে.আলম বাসেদ, নগর কৃষকলীগের সদস্য হাজ্বী আবু তাহের, ৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড যুবলীগের সহ- সভাপতি রাজিব দাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজিত সেন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য রূপন ভট্টাচার্য, উজ্জ্বল দাশ, জুয়েল আইচ, যুবলীগ নেতা রফিকুল আলম রুবু, তাপস কান্তি, মোঃ সালাউদ্দিন, এস. এম. জয়নাল আবেদীন, দিদারুল ইসলাম বাবুল, এস.এম. নাসির উদ্দিন, বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব পরিষদ কোতোয়ালী থানার বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব পরিষদ কোতোয়ালী থানার সহ-সভাপতি মোঃ ইব্রাহিম, কাজী জি.এম. মানিক, সাধারণ সম্পাদক তাপস দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক অপু দাশ, আবদুর রশিদ, মোঃ জামাল উদ্দিন, কনক লাল মজুমদার, মোঃ ফিরোজ, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের এ.জি.এস. নোমান সাইফ, ছাত্রলীগ নেতা টিটু চৌধুরী, মাঈন উদ্দিন, নিজাম উদ্দিন নিয়াজ প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে গরীব, অসহায় ও দুঃস্থ নারী-পুরুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। পরে নির্ধারিত পরিবারের বাসায় খাদ্য-সামগ্রীগুলো পৌঁছে দেওয়া হয়। মোট ১২০ পরিবারের মাঝে নানাপদের (চাল, ডাল, চনাবুট, তেল, পিয়াজ, ময়দা, আলু, লবণ) খাদ্য-সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

Want your business to be the top-listed Government Service in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Boxirhat
Chittagong
4000