01/12/2025
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের উপর গণভোট আয়োজনসহ ৫ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে ৮ দলের উদ্যোগে
চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ
🗓️ তারিখ: ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ইং, জুমাবার।
⏰ সময়: দুপুর ২টা
🧿 স্থান: ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দান, চট্টগ্রাম।
উক্ত সমাবেশে ৮ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন।
02/11/2025
আলহামদুলিল্লাহ, আবারও আমীর নির্বাচিত হলেন ডা.শফিকুর রহমান
নব নির্বাচিত আমীরে জামায়াত সর্ম্পকে জানি, আসুন-
🟩 আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান (হাফিযাহুল্লাহ)
সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত
📖 পরিচিতি
ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলনের ইতিহাসে এক অনন্য নাম।
এদেশে ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছেন।
রাজনীতি, সমাজসেবা ও নেতৃত্বের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি সততা, মেধা, যোগ্যতা ও নিষ্ঠার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
দেশের যেকোনো সংকটে মানবতার পাশে দাঁড়ানোই তাঁর পরিচয়।
📅 জন্ম ও পরিবার
জন্ম: ৩১ অক্টোবর ১৯৫৮
জন্মস্থান: ভাটেরা ইউনিয়ন, কুলাউড়া উপজেলা, মৌলভীবাজার জেলা
পিতা: মরহুম মোহাম্মদ আবরু মিয়া
মাতা: মরহুমা খাতিরুন নেছা
বর্তমান ঠিকানা: সবুজবাগ, শাহপরান থানা, সিলেট মহানগর
ভাই-বোন: তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়
🎓 শিক্ষা জীবন ও পেশা
১৯৭৪: বরমচাল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি.
১৯৭৬: সিলেট এম.সি. কলেজ থেকে এইচ.এস.সি.
১৯৮৩: সিলেট মেডিকেল কলেজ (বর্তমান এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ) থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন
👉 এরপর চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।
🕌 রাজনৈতিক জীবন
১৯৭৩: জাসদ ছাত্রলীগের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।
১৯৭৭: দ্বীনি চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরে যোগদান।
সভাপতি, সিলেট মেডিকেল কলেজ শাখা
সভাপতি, সিলেট শহর শাখা
১৯৮৪: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করে বৃহত্তর রাজনীতিতে পদার্পণ।
পরবর্তী সময়ে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন —
🧭 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে দায়িত্বসমূহ
সাল দায়িত্ব
১৯৮৫ কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য
১৯৮৬–৮৮ সিলেট জেলা সেক্রেটারি
১৯৮৯–৯১ সিলেট জেলা নায়েবে আমীর
১৯৯১–৯৮ সিলেট জেলা আমীর
১৯৯৮ কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য
১৯৯৮–২০০৭ সিলেট মহানগর আমীর
২০১০ সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল
২০১১ নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল
২০১৬ সেক্রেটারি জেনারেল
২০২৫–বর্তমান আমীরে জামায়াত
---
🏛️ আমীর হিসেবে দায়িত্বকাল
প্রথম মেয়াদ: নির্বাচিত ১২ নভেম্বর ২০১৯ → শপথ ৫ ডিসেম্বর ২০১৯
(কার্যকাল: ২০২০–২০২২)
দ্বিতীয় মেয়াদ: পুনঃনির্বাচিত ৩১ অক্টোবর ২০২২ → শপথ ১৮ নভেম্বর ২০২২
(কার্যকাল: ২০২৩–২০২৫, বর্তমান)
তৃতীয় মেয়াদ ২০২৬-২০২৮( ইনশাআল্লাহ)
👨👩👧👦 পারিবারিক জীবন
বিবাহ: ১৯৮৫ সালে ডা. আমিনা বেগমের সঙ্গে বিবাহিত
তিনি অষ্টম জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন
সন্তান: দুই কন্যা ও এক পুত্র
বড় মেয়ে: এফসিপিএস (কার্ডিওলজি) অধ্যয়নরত, রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত
ছোট মেয়ে: এমবিবিএস ও এমপিএইচ ডিগ্রিধারী, মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক
পুত্র: এমবিবিএস সম্পন্ন করে চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত
❤️ সামাজিক ও মানবিক কাজ
ডা. শফিকুর রহমান কেবল রাজনীতিবিদই নন, বরং একজন খ্যাতিমান সমাজসেবক, সংগঠক ও উদ্যোক্তা।
তিনি নিম্নলিখিত প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত—
1. একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
2. একাধিক হাইস্কুল ও কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান
3. কামিল মাদরাসার গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান
4. ইয়াতিমখানা ও দাতব্য হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোক্তা
5. মসজিদ ও পাঠাগার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা
6. মেডিকেল ছাত্রজীবনে রক্তদান ক্লাব “PULSE”-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি
7. সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বিএমএ, এবং সিলেট চেম্বার অব কমার্স-এর আজীবন সদস্য
🌍 বিদেশ ভ্রমণ
পবিত্র হজ্জ পালনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সভা-সেমিনারে যোগ দিতে তিনি ভ্রমণ করেছেন:
সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, ইতালি, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, স্পেন, গ্রীস, তুরস্ক, বেলজিয়াম, আয়ারল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফিলিপাইন, ব্রুনাই, মালয়েশিয়াসহ বহু দেশে।
🌿 উপসংহার
ডা. শফিকুর রহমান একাধারে দাঈ, চিকিৎসক, রাজনীতিক ও সমাজসেবক—
একজন সাহসী নেতা যিনি বাংলাদেশে ইসলামী মূল্যবোধ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তাঁর জীবন সংগ্রাম ও নেতৃত্ব নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
29/10/2025
ভারত-আ.লীগের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জুলাই প্রজন্ম দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাঁরা সবসময় ইতিবাচক চিন্তা লালন করে। যার কারণে তাঁরা দিনশেষে "হ্যাঁ" ভোটকেই বেছে নিবে।
23/10/2025
বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম সিপাহ সালার, প্রফেসর গোলাম আজম (রাহি.)-এর ১১ম শাহাদাত বার্ষিকী। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লড়ে গিয়েছেন, বাতিলের রক্তচক্ষুকে কখনো ভয় করেননি। গ্রেপ্তারের আগে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন- 'আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাওয়া তো জায়েজই নাই'।
ইসলামী আন্দোলনের এই মর্দে মুজাহিদকে আল্লাহ শহীদ হিসেবে কবুল করুন। জান্নাতের আ'লা মাকাম দান করুন।