21/02/2026
মহান শহীদ দিবস ও ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান ও পর্ষদ সদস্যবৃন্দ।
স্থান : চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্চ বিদ্যালয় ।
11/02/2026
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে 'পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো' (CPA SKY) উদ্বোধন
তারিখ: ১০ ফেব্রুয়ারি
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (CPA) আজ দেশের নৌ বাণিজ্য ও বন্দর ব্যবস্থাপনায় এক ঐতিহাসিক মাইল ফলক স্পর্শ করেছে। তারিখ: ১০ ফেব্রুয়ারি সকালে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের বোর্ড রুমে আধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম 'পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো (Port Single Window-CPA SKY) এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
এই কার্যক্রমের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর এখন থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ Smart Port এবং Paperless ব্যবস্থার দিকে যাত্রা শুরু করল।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম.এ. মনিরুজ্জামান অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন,
এই সিস্টেম চালুর ফলে বন্দরের সামগ্রিক কার্যক্রমের গতি ৩ থেকে ৫ গুণ বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।
পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো (CPA SKY) এর মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
আগে বন্দরের বিভিন্ন ডিজিটাল সিস্টেম থাকলেও তাদের মধ্যে কোনো Inter-connectivity আন্তঃসংযোগ ছিল না। নতুন এই Unified Platform-টি নিন্মোক্ত মুবিধাগুলো নিশ্চিত করবে যেমন:
Single Sign-On (AIS 2.0): বারহারকারীরা একটি মাত্র লগইন এর মাধ্যমে সকল সেবা পাবেন।
Real-time Monitoring: ডিজিটাল রাডার (Digital Radar) এবং অটোমেটেও ভেসেল ট্র্যাকার
(Automated Vessel Tracker) মাধ্যমে জাহাজের অবস্থান সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
Faster Customs & Port Clearance: আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের বিভিন্ন দপ্তরে না গিয়ে একটি প্ল্যাটফর্ম থেকেই সব অনুমোদন ও Cargo Clearance সম্পন্ন করার সুবিধা পাবেন।
Data Integration: এনবিআর (NBR), ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরকারি সংস্থার সাথে সরাসরি ডাটা শেয়ারিং সুবিধা।
Transparency & Accountability: প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে, যা ব্যবসা সহজীকরণ বা Ease of Doing Business এ সহায়ক হবে।
বর্তমান অবস্থা ও লক্ষা
উদ্বোধনী দিনে ড্যাশবোর্ড থেকে দেখা যায়, বর্তমানে বন্দরের Berth Utilization ৬৭%, যেখানে ২১টির মধ্যে ১৪টি বার্থ সচল রয়েছে। এছাড়া সিস্টেমে ১২৮-টি আহাজ (Vessels Discovered) ট্র্যাক করা হচ্ছে। এটি মূলত ম্যানুয়াল কাজের চাপ কমিয়ে একটি দক্ষ ও Digital Transformation নিশ্চিত করবে।
11/02/2026
https://www.banglanews24.com/daily-chittagong/news/bd/1636421.details
পৃথিবী জেনে যাবে চট্টগ্রাম পোর্ট ডিজিটাল: চেয়ারম্যান
চট্টগ্রাম: এনবিআর, কাস্টমস ও পোর্ট সংক্রান্ত সব সেবার জন্য পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো (সিপিএ স্কাই) চালু করেছে চট্টগ....
02/02/2026
নৌবাহিনী ও চট্টগ্রাম বন্দরের যৌথ সমীক্ষায় ড্রেজিংয়ে অভাবনীয় সাফল্য
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও দূরদর্শী পরিকল্পনায় ড্রেজিং কার্যক্রমে এক আমূল পরিবর্তন এসেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট সকলের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সরাসরি হাইড্রোগ্রাফী বিভাগের তত্ত্বাবধানে কর্ণফুলী নদীর মোহনা থেকে বন্দরের প্রধান জেটি এবং কালুরঘাট পর্যন্ত নেভিগেশনাল চ্যানেলে ও বন্দর সীমার অন্যান্য চ্যানেলে নাব্যতা রক্ষায় এখন এক সাশ্রয়ী ও কার্যকর মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বন্দর যৌথ হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ পরিচালনায় সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। কর্তৃপক্ষের এই সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ড্রেজিং খাতের ব্যয় অতীতের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে, যা সংস্থার আর্থিক সাশ্রয়ে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের হাইড্রোগ্রাফী বিভাগের মাধ্যমে পরিচালিত এই ড্রেজিং কার্যক্রমে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে দক্ষ ঠিকাদার নিয়োগ নিশ্চিত করে ড্রেজিংয়ের কাজগুলোকে ছোট ছোট পরিকল্পিত অংশে ভাগ করে নির্দিষ্ট সময়সীমা ও কাজের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেওয়ায় ঠিকাদাররা অনেক বেশি দায়বদ্ধতার সাথে কাজ সম্পন্ন করতে পারছে। বাস্তবসম্মত ব্যয় নির্ধারণ এবং আধুনিক মনিটরিং ব্যবস্থার ফলে অতীতে ড্রেজিং খাতে যে অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রবণতা ছিল, তা কমানো সম্ভব হয়েছে।
মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর প্রশাসনিক তদারকি এই সাফল্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। বন্দরের সরাসরি তত্ত্বাবধানে নিয়মিত তদারকির ফলে ড্রেজিংয়ের প্রকৃত পরিমাণ ও মান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এই কৌশলী উদ্যোগের ফলে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ নৌচ্যানেলগুলোতে প্রয়োজনীয় নাব্যতা সার্বক্ষণিক বজায় থাকছে, যার ফলে বড় আকৃতির বাণিজ্যিক জাহাজগুলো এখন অনেক বেশি নিরাপদে এবং নির্বিঘ্নে বন্দরে যাতায়াত করতে পারছে। এর ফলে বন্দরের পণ্য খালাস ও হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌরুটে চট্টগ্রাম বন্দরের বিশ্বস্থতা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
ড্রেজিং খাতে সাশ্রয় হওয়া এই বিপুল অর্থ এখন বন্দরের অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে। যথাযথ তদারকির ফলে ঠিকাদার-নির্ভর ড্রেজিং কার্যক্রমে এই ধরনের আর্থিক শৃঙ্খলা ও ব্যয়-সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শুধুমাত্র বন্দরের অভ্যন্তরীণ ভিত্তিকেই শক্তিশালী করেনি, বরং জাতীয় অর্থনীতিতেও অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নের এই ধারা বজায় রেখে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের এই প্রধান প্রবেশদ্বারকে বিশ্বমানের আধুনিক বন্দরে রূপান্তর করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
01/02/2026
ফরেন ইনভেস্টর চেম্বার অ্যান্ড কমার্স ইন্ডাস্ট্রির মাসিক বুলেটিনে প্রকাশিত চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎকার।