জাউরা টিভি-Jawra TV

জাউরা টিভি-Jawra TV

Share

"আলোয় ফিরাবো হাত বাড়িয়ে " আমরা যদি জিহাদের পথ থেকে সরে যাই,তবে নিজেকে অসম্মান করা হবে।

19/04/2026

সমুদ্রের সুস্বাদু মাছ আরোহনে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা।

কুতুবদিয়া-পেকুয়া উপকূলের মগনামার চিত্র এটি।

04/04/2026

বিএনপি বড় বড় সংস্কারগুলো করবে না, এটা জানাই ছিল।

কিন্তু গুম অধ্যাদেশটাও বাতিল কইরা দেবে, এইটা আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি।

জুলাই এর পর, একটা মহাপরাক্রমশালী পার্টির এমন পতনের পর আমাদের আবার গুম নিয়ে কথা বলতে হবে, "গুম করা খারাপ" বোঝাতে হবে, ভাবিনি।

মনে পড়ে, ৫ আগস্টের পর একের পর এক আয়নাঘরের বন্দিরা বের হয়ে আসতেসিল।

লজ্জা, ঘৃণা, ক্ষোভ আর দু:খ নিয়ে লোকগুলোর দিকে তাকাইয়া থাকতাম আর ভাবতাম, এই মানুষগুলো তাদের জীবন দিয়ে আয়নাঘর বন্ধ করে গেল।

এখন দেখা যাচ্ছে, আমার ভাবনা ভুল ছিল।

দেখেন, আমাকে বা আপনাকে তুলে নিয়ে যেয়ে কোন কারণ ছাড়াই রাষ্ট্র ৯০ দিন পর্যন্ত আটক রাখতে পারে।

রাষ্ট্রের হাতে এই পরিমাণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

মানে আমার বাপ মাকে জানাতে হবে ,থানা থেকে স্বীকার করতে হবে, জাস্ট এই ফর্মালিটিটুকু করলেই কিন্তু আমাকে ৯০ দিন আটকে রাখা যাবে।

কিন্তু এরা এই ফর্মালিটিও করতে রাজি না।

এরা চায় আমাকে তুইলা নেবে।

কিন্তু আমার মা বাপ কিচ্ছু জানবে না।

থানা, পুলিশ স্বীকার করবে না।

ওদের কথা শুনলে আমি ব্যাক আসব। না শুনলে আমাকে নাই করে দেওয়া হবে।

যেমন নাই করে দেওয়া হয়েছিল ইলিয়াস আলীকে।

ইলিয়াস আলীকে একেবারে প্রথম দিনেই হত্যা করে শীতলক্ষ্যায় ডুবায় দেওয়া হয়।

অথচ হাসিনা এর ৫ বছর পরেও ইলিয়াস আলীর মেয়ের মাথায় হাত রেখে নাটক করেছে।

এই নাটক আবার আমাদের দেখা লাগবে?

ইলিয়াস আলীকে আটকের পর যদি থানা পুলিশকে জাস্ট "স্বীকার" করতে হত যে তারা ইলিয়াস আলীকে আটক করেছে,

তাইলে ইলিয়াস আলীকে আর মরতে হত না।

হয়তো ১৭ বছর জেলে থাকতে হত, রিমান্ডে নিয়ে হাত পা ভেঙে দিতে পারত, জেলে নিয়ে ফাঁসি বা যাবজ্জীবনের রায় দিতে পারত।

জাস্ট উনার মেয়েটাকে কোনদিন বাবার জন্য অপেক্ষা করতে হত না। বাবার লাশ বা কবর মেয়েটা দেখতে পারত।

জুলুম তো রাষ্ট্র আমাদের উপর করতেই পারে।

আমাদের ধরে নিয়ে জেল দিতে পারে, জামিন না দিতে পারে, ফাঁসিও দিতে পারে।

কিন্তু লাশটাও লুকাইয়া ফেলার জুলুমটা কেন করতে হবে?

কেন জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে একজন মানুষকে তুলে আনলেও কেউ কিছু স্বীকার করবে না?

আমাদের উপর জুলুম করলেই কি যথেষ্ট হবে না? কেন আমাদের ফ্যামিলিকেও একবার থানায় আর একবার মর্গে দৌড়াদৌড়ি করতে হবে?

খুব বেশি কিছু আমরা চাইনি।

যখন লিখতাম বিএনপি সংস্কার করবে না, তখন এই আপনারাই আমাদের বলতেন, আমরা নাকি বিএনপির বিরোধিতা করার জন্য বিএনপিকে সংস্কার বিরোধী বলি।

এখন কী বলবেন?

গুম অধ্যাদেশ খুব আহামরি কোন অধ্যাদেশও না।

তুইলা নিয়ে যাইতেই পারে, সবকিছুই করতে পারে, ইউনূস সরকার জাস্ট আইন করছিল যে তুলে নিয়ে গেলেও অন্তত স্বীকার করতে হবে যে অমুক বাহিনী তুলে নিয়ে গেছে।

এতটুকুও করতে দিবেন না?

এত এত প্রাণ, এত এত রক্ত দেওয়ার পরেও একটা দেশের মানুষকে কে তুইলা নিয়া গেল, কেন তুইলা নিয়া গেল, সেটা জানার অধিকারও দিবেন না আপনারা,

আপনারা আর কত রক্ত চান আমাদের কাছে থেকে?

04/04/2026

তারেক রহমান যাদের মন্ত্রী বানালেন এদের মধ্যে দুইজনের ব্যাপারে জনমনে ক্ষোভ ছিল প্রবলভাবে। একজন রেলপথ, সড়ক ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, অন্যজন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

এ প্রায় ২ মাসে ভালো কাজের মধ্যদিয়ে রেপুটেশন ফিরিয়ে আনবার প্রচেষ্টা লক্ষ করা যায়নি রবিউল আলমের ভেতর, উলটো প্রথম অ্যাসাইমেন্টেই এ রোজার ঈদে আগ বাড়িয়ে অনেক অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলে জনমনে আরো বেশি বিতর্কিত হয়েছেন; সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ করেছেন।

অপরদিকে শুরু থেকে কায়সার কামালের মধ্যে এক রকম বাসনা লক্ষ করা গেছে ইতিবাচক কাজকর্মের মাধ্যমে তার রেপুটেশন ফিরিয়ে আনার।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর অল্পদিনেই হুটহাট বিভিন্ন অফিস ভিজিট শুরু করে দিয়েছিলেন। একদিন দেখা গেল অফিস টাইম এক্সাক্টলি ৯টায় নারায়ণগঞ্জ ভূমি অফিসে হাজির।

গিয়ে দেখেন অফিস তালা মারা, কোনো কর্মকর্তা নাই। মানুষজন এই সকালে মন্ত্রীকে দেখে অবাক।

পৌনে ১০ টায় এসেছেন এক কর্মকর্তা, সাড়ে ১০টা পার হলেও আরেক কর্মকর্তা এসে উপস্থিত হতে পারেননি।

মন্ত্রীকে দেরি হওয়ার নানান ভুজুংভাজুং বুঝ দিতে চাইলেন, মন্ত্রী ভেতরে ঢুকে চেক করতে লাগলেন নিয়মিত ক্যাজুয়াল ওয়ার্কের ফাইল।

কাজের কোনো ফাইল দেখাতে পারল না, ধরা পড়ে বেচারা কর্মকর্তা বারবার উপস্থিতি ফাইল দেখাচ্ছেন, মন্ত্রী বললেন আমি দেখতে চাইছি কাজের ফাইল।

এরপর সহজ আত্মসমর্পণ— স্যার, আমি এখানে এসেছি কয়েক মাস হবে।

কায়সার কামালকে ভূমি প্রতিমন্ত্রী থেকে সংসদের ডিপুটি স্পিকার করা হলো। প্রায় ম্যাক্সিমাম মানুষ এ ডিসিশনের তীব্র সমালোচনা করেছে। আমি নিজেও লিখেছি তারেক রহমানের এটা বেড চয়েজ!

গত সপ্তাহে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিনের স্ত্রী মারা যাওয়ায় দুই কার্যদিবস ছুটিতে ছিলেন তিনি। ফলে এ সুযোগে স্পিকারের চেয়ারে বসার সুযোগ পেলেন ডিপুটি স্পিকার।

প্রথমদিনই সার্বভৌম চেয়ারের হিরোইজম দেখালেন।

পয়েন্ট অব অর্ডারে কোনো বিষয়ে রুল হয়ে যাওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ কিছু একটা স্মরণ করে দিতে দাঁড়ালে স্পিকার মাইকের সাউন্ডটা বন্ধ করে দেন।

এটা কোনো সাধারণ বিষয় নয়। ট্রেজারী সদস্য, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমনকি দলের ছায়া মহাসচিব তার মাইক বন্ধ করে দেওয়া দুঃসাহসিকতা। এর আগেই হুটহাট অনেক বিষয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে দাঁড়িয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা, কোনবার তাকে বাঁধা দেননি স্পিকার।

সেদিন বিরোধী দলের ফেভারে থেকে সরকারী দলকে কিছুটা বিব্রত করে বাহবা পেয়েছিলেন তিনি।

গতকাল নেত্রকোনায় গিয়েছিলেন। তো একটা জায়গাতে পরিদর্শনে গেলে দেখেন তাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের দাঁড় করিয়ে রাখছে স্কুল কতৃপক্ষ, ভাবছিল ডিপুটি স্পিকার মহোদয় খুব খুশি হবেন।

বাট উনি গাড়ি থেকে নেমে এ দৃশ্য দেখেই তেলে-বেগুনে জ্বলে ওঠলেন। স্কুলের কতৃপক্ষকে ডেকে শাসালেন, এ কাজ করতে আপনাদের কে নির্দেশ দিছে?

আমি নিজেই স্কুলে যাব, ক্লাসে ক্লাসে গিয়ে ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে কথা বলব; কিন্তু আপনারা এ রোদের মধ্যে তাদেরকে কেন রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখলেন!

অনেকক্ষণ বকাঝকা করে সতর্ক করেছেন, ভবিষ্যতে যেন এরকমটা আর না হয়। এমপি-মন্ত্রী আসবে যাবে, তাই বলে ছেলে-মেয়েদেরকে ক্লাসরুম থেকে নিয়ে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখবেন, তা হতে পারে না। তারা ক্লাসরুমে, পড়ার টেবিলে থাকবে।

ওয়েল ডান, ডিপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

03/04/2026

হাসনাত, নাহিদ, হান্নানরা যখন এক রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান শেষে সংসদে গিয়ে গণভোটের জন্য লড়াই করছে তখন জাইমা রহমান সংসদের ভিআইপি লাউঞ্জে বসে স্টাডি করছেন।

এটা নিয়ে অবশ্য বিএনপি পাড়ায় খুব ভাল প্রশংসিত হচ্ছে। দাদা,দাদি,এবং বাবার যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতেছেন জায়মা রহমান।
মিডিয়া জুড়ে এভাবেই তেলানো হচ্ছে।

অন্য দিকে তিনদিন আগে নয়াপল্টন অফিসে ঢুকতে না পেরে রহিম ভুইঁয়া অঝোরে কান্না করেছেন। তার সেই ভিডিও মিডিয়া জুড়ে ভাইরাল হলেও বিএনপির কাউকে দেখিনি এটা নিয়ে কথা বলতে।

এই রহিম ভুইঁয়া সেই ছাত্রনেতা যাকে না পেয়ে পুলিশ তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী এবং ১১ মাসের সন্তানকে জেল হাজতে নিয়ে যায়। নানান সমালোচনার মুখে পড়ে টাকার বিনিময়ে তাদের ছেড়েছিল।

তিনবার গুম ফেরত এই নেতা পল্টন অফিসে ঢুকতে পারেনি, তাকে ঢুকতে দেয়া হয়নি।

অথচ তাদের এমন অজস্র ত্যাগের মধ্য দিয়ে জাইমারা কোনরূপ ত্যাগ তিতিক্ষা ছাড়াই সংসদের ভিআইপি লাউঞ্জে!

বাস্তবতা তুলে ধরলাম
দয়া করে ট্যাগ লাগাইয়েন না

01/04/2026

আগে দুইটা ছবির পার্থক্য দেখেন জাস্ট!

প্রথম ছবিটায় সদ্য বিয়া করা স্বামীর সাথে সিমরিন লুবাবা। যার বয়স ১৬ প্লাস। সে এই বয়সে বিয়ে করে জামাইয়ের সাথে দেশ বিদেশ ঘুরছে। আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করতে গেছে। নিশ্চয়ই ভালো কাজ। প্রশংসীয়। আই রিয়েলি অ্যাপ্রিশিয়েট দ্যাট!

কিন্তু কিন্তু কিন্তু!

এখন শাহবাগী নামক দেখতে শু য়োরের বাচ্চাদের মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে! “হ্যাঁ, একটা বাচ্চা মেয়ে! এখনো ১৮ বছর হয়নি! সে কেন বিয়ে করবে! সে কেন পর্দা করবে! আমাদের বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে হবে! এদেশে কোনো বাল্য বিবাহ চলবে না! না না, এটা কোনোভাবেই উচিত হয়নি!”

আর দ্বিতীয় ছবিটায় একটা ২০+ অবিবাহিত মেয়ে, তার কর্মস্থলের হিন্দু কলিগের সাথে বাথরুমে অপকর্ম করছে।

কিন্তু কিন্তু কিন্তু!

এখানে সেই একই‌ শু য়োরের বাচ্চারা চুপ! “আরেহ, এসব করতেই পারে! বিয়ে করে নি তো কী হয়েছে? সবার‌ শরীরেই তো সে*ক্স জিনিসটা আছে! কাউকে পছন্দ হতেই পারে। তারা যা করেছে তা তো নিজের সম্মতিতে করেছে। না না, তাদের অবশ্যই ব্যক্তিগত স্বাধীনতা আছে। তা হরণ করা মোটেও উচিত হয়নি।”



দু'টো ঘটনা একই দিনের। তাই শু য়োরের বাচ্চাদের আবার নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিলাম।

31/03/2026

কত সহজে স্ট্রাগল ছাড়া একটা মেয়ের সবচেয়ে দামি দেহ লুটে নিচ্ছে ! অথচ এই মেয়েকে পৃথিবী সাক্ষী রেখে কাগজে কলমে বিয়ে করতে হলে একটা ছেলেকে কত স্ট্রাগল করতে হয়!
২৫/২৬ বছর বয়সে ক্যারিয়ার গড়তে হয়। দেশ বিদেশে কত লক্ষ লক্ষ যুবক সাংসারিক জীবনে একটু সুখ শান্তি পাওয়ার আশায় রোদ বৃষ্টি ঝড় সবকিছু তুচ্ছ করে কত পরিশ্রম করছে!

আর অন্যদিকে কয়েকটি মিষ্টি কথার বিনিময়ে দেহ বিলিয়ে দিচ্ছে নারী ।

এই জন্য অল্প বয়সে বিয়ে করা উত্তম। আবার আমরাই অল্প বয়সে বিয়ে করা মানুষদের নানা ভাবে ট্রল করি ।

Photos from জাউরা টিভি-Jawra TV's post 26/03/2026

লাশ ২টার হাত লক্ষ্য করুন..
একটা মেহেদী রাঙ্গা হাত এখনো টগবগ করছে মেহেদী!
অপর ছোট্ট শিশুর হাতটা দেখে মনে হচ্ছে ,
বেঁচে ফেরার আকুতি নিয়ে হাতটা বের করে দিয়েছিল।
২টা লাশই গতকাল দৌলতদিয়া ফেরীর ঘটনায় বাস পানিতে ডুবে মৃত্যু।

19/03/2026

দূর্ভাগ্যবশত পরিবারের সাথে আর ঈদ করা হলো না,
নতুন কাপড় ঠিকই পড়া হলো কিন্তু সেটা কাফনের😥

18/03/2026

ঈদের দিন টাকা চাহিয়া লজ্জা দিবেন না!

টাকার অভাবে একমাস ধরে
দুপুরের খাবার খাচ্ছি না!

18/03/2026

মীর্জা গালিব মসজিদে বসে মদ্যপান করছিলেন। তখন মুসল্লীরা তাকে বাধা দিল। বলল, মসজিদ আল্লাহর ঘর। মদ্যপানের জায়গা নয়।

গালিব তাকালেন মুসল্লীদের দিকে। তারপর আরেক চুমুক খেয়ে আওড়ালেন উপস্থিত শের,

'শরাব পিনে দে
মসজিদ মে ব্যায়ঠ কার,
ইয়া ও জাগা বাতা
যাঁহা খুদা নেহি।'

আমাকে মদ খেতে দাও
মসজিদে বসেই,
অথবা এমন জায়গা বল
যেথায় খোদা নেই।

মুসল্লীরা লা জবাব। কী জবাব দেবেন। খোদা নাই এমন জায়গার কথা বলা শক্ত বইকি।

তবে জবাব দিলেন আল্লামা ইকবাল। বহু বছর পর। তার শের দিয়ে। তখন মীর্জা আর বেঁচে নেই।

'ইয়া গালিব, মসজিদ খুদা কা ঘর হ্যায়
পিনে কি জাগা নেহি,
কাফির কে দিলমে যা
ওঁয়াহা খুদা নেহি।'

হে গালিব, মসজিদ আল্লাহর ঘর
মদ পান করার জায়গা নয়,
কাফিরের অন্তরে যা
যেথা খোদার জায়গা নয়।

কাফের মানে অবিশ্বাসী। তার অন্তরে খুদার জায়গা নাই। তাই গালিবকে সেখানে গিয়ে মদ্যপান করতে বলা হয়েছে৷

আহমদ ফারাজ নামের আরেকজন কবি এর প্রতিউত্তরে লিখলেন-

'কাফির কে দিল সে
আয়া হু দেখ কার
খুদা মওজুদ হ্যায় ওঁয়াহা
উসসে পাতা নেহি।'

কাফিরের মনে উঁকি দিয়ে এসেছি দেখে
সেখানেও খুদা আছে, কিন্তু সে জানেই না।

তার জবাবে কবি ওয়াসি লিখলেন-

'খুদা তো মওজুদ
দুনিয়া মে হার জাগা
তু জান্নাত মে যা
ওঁয়াহা পিনে সে মানা নেহি।'

খুদা তো দুনিয়ার সবখানেই উপস্থিত আছে
তুমি জান্নাতে যাও, ওখানে মদ খেতে বাধা নেই

কবি ওয়াসি এখানে 'শরাবান তহুরা'র কথা বলেছেন। যেটা জান্নাতবাসীরা যত ইচ্ছা খেতে পারবে। কিন্তু মাতাল হবে না। জান্নাতের মধ্যে হারাম-হালালের মাসয়ালা আসবে না। সব বিধিনিষেধ শুধু দুনিয়ার জন্যই প্রযোজ্য।

এরপরে সাকি লিখলেন-

'পীতা হুঁ সাকি
গাম-এ-দুনিয়া ভুলানে কে লিয়ে
জান্নাত মে কৌন সা গাম হ্যায়,
ইস লিয়ে ওঁয়াহা মাজা নেহি।'

সাকি বলতে চাইছেন, জান্নাতে তো দুনিয়াবি দুঃখ-কষ্ট থাকবে না। ওখানে কষ্ট ভোলার জন্য মদ গেলার সেই মজা পাওয়া যাবে কি?
📌
পৃথিবীতে শিক্ষিত ব্যক্তিরাই সবচেয়ে বেশি কনফিউজড। কমজানা লোকের মনে সন্দেহ থাকে না।
©
─সংগৃহিত

#মির্জাগালিব

15/03/2026

আজকে আমার এক ছাত্রী উত্তর জানার জন্য একটি MCQ পাঠিয়েছে। প্রশ্নটি হলো----

১। বাংলাদেশে কোন পেশার মানুষ সবচেয়ে নির্লজ্জ ও অহংকারী?
(ক) পুলিশ
(খ) আইজীবি
(গ) সাংবাদিক
(ঘ) রাজনীতিবিদ

আমার শিক্ষকতা জীবনে এতো কঠিনপ্রশ্ন পাইনি। তুমি একটু সাহায্য করো ভাই।
একজন শিক্ষকের মন্তব্য

Want your business to be the top-listed Government Service in Cox's Bazar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Cox's Bazar
4770