05/06/2026
আসসালামু আলাইকুম,
শিরোনাম: উখিয়া থেকে অপহৃত তরুণকে ১২ ঘন্টার মধ্যে টেকনাফ থেকে উদ্ধার করলো র্যাব-১৫।
কক্সবাজারের উখিয়া থেকে অপহৃত হওয়া ১৮ বছর বয়সী তরুণকে সফল অভিযানের মাধ্যমে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে র্যাব-১৫। গতকাল (০৪ জুন ২০২৬) রাতে টেকনাফের কাঞ্জর পাড়া বাজার এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করার পর অভিভাবক এর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গত ০৪ জুন ২০২৬ সকাল আনুমানিক ০৮:০০ ঘটিকায় ভিকটিম আবছার অপহৃত হওয়ার পর তার পিতা র্যাব-১৫ এর কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ প্রাপ্তির পরপরই র্যাব-১৫, সিপিসি-২ (হোয়াইক্যং ক্যাম্প)-এর একটি চৌকস আভিযানিক দল ভিকটিমকে উদ্ধারে মাঠে নামে।
র্যাবের চৌকস আভিযানিক দলটি সুনির্দিষ্ট তথ্য, গোপন সংবাদ এবং আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ভিকটিমের অবস্থান সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। অবশেষে একই দিন (০৪ জুন) রাত আনুমানিক ১৯:৩০ ঘটিকায় টেকনাফের কাঞ্জর পাড়া বাজার এলাকার রাস্তার পাশ থেকে ভিকটিমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় ঘটনাস্থল থেকে কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার অভিভাবকের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এই অপহরণের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ভুক্ত করা হয়েছে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
র্যাব-১৫ সর্বদা জনগণের নিরাপত্তায় ও অপরাধ দমনে বদ্ধপরিকর।
ধন্যবাদ।
04/06/2026
আসসালামু আলাইকুম,
শিরোনাম: পেকুয়ায় ২টি দেশীয় তৈরী ব্যারেল সংযুক্ত একনালা বন্দুক ও গোলাবারুদসহ অস্ত্রধারীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার লক্ষ্যে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক এবং অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে র্যাবের এই অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া।
এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-১৫, সিপিএসসি ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কক্সবাজার জেলার পেকুয়া থানাধীন শিলখালী গ্রামস্থ কাছেমুল উলুম মাদ্রাসা, হেফজখানা ও এতিমখানা মসজিদের সংলগ্ন পাকা তিন রাস্তার মোড়ে কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অদ্য ০৪ জুন ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ০১:৪৫ ঘটিকায় র্যাব-১৫ এর আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালীন র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে ১ জন পেশাদার অস্ত্রধারীকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত লোকজনের সম্মুখে আটককৃত ব্যক্তির হেফাজত থেকে ০২টি দেশীয় তৈরি ব্যারেল সংযুক্ত একনালা বন্দুক, ০২টি বন্দুকের তাজা কার্তুজ, ০২টি ব্যবহৃত বন্দুকের কার্তুজের খোসা এবং ০৫ রাউন্ড পিস্তলের তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামি আহম্মদ নুর পেকুয়া উপজেলার ০৬ নং ওয়ার্ডের সরকারী ঘোনা এলাকার মৃত আব্দুল হকের ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ রাখার অপরাধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরপূর্বক পেকুয়া থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে র্যাব-১৫ এর এই ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ধন্যবাদ।
03/06/2026
আসসালামু আলাইকুম,
*শিরোনাম : মার্কিন নাগরিক ৪ বছরের শিশু উদ্ধার, অপহরণকারী চক্রের ৩ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫।*
কক্সবাজার জেলার টেকনাফ মডেল থানাধীন সদর ইউনিয়ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে অপহরণের শিকার ৪ বছর বয়সী এক মার্কিন নাগরিক (শিশু) ভিকটিমকে উদ্ধার এবং অপহরণচেষ্টায় জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রের ০৩ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫)।
গ্রেফতারকৃত আসামি শাহাব উদ্দিন (২৮), পিতা- আব্দুস ছালাম, মাতা- আনোয়ারো বেগম, সাং- নতুন পল্লান পাড়া (০৪ নং ওয়ার্ড), কেফায়েত উল্লাহ্ (২৪), পিতা- হাফেজ উল্লাহ্, স্থায়ী সাং- নাইটং পাড়া (০২ নং ওয়ার্ড, টেকনাফ পৌরসভা), বর্তমান সাং- মহেশখালী পাড়া (০৫ নং ওয়ার্ড) এবং আব্দুর রজব মিয়া (৩৫), পিতা- মৃত কামাল হোসেন, সাং- নতুন পল্লান পাড়া (০৪ নং ওয়ার্ড)। সকলেই কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার স্থায়ী বাসিন্দা।
গত ০২/০৬/২০২৬ইং তারিখ হতে র্যাব-১৫, সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি নিয়মিত টহল দল টেকনাফ থানার শাপলা চত্বর মোড় এলাকায় ডিউটি করাকালীন সময়ে সংবাদ প্রাপ্ত হয় যে, নতুন পল্লান পাড়া এলাকায় একটি শিশুকে অপহরণের চেষ্টা করা হচ্ছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের চৌকস আভিযানিক দল তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
ঘটনাস্থলে স্থানীয় জনতা কর্তৃক অপহরণচেষ্টাকারী ৩ আসামীকে আটক করে মারধর করা অবস্থায় পাওয়া যায়। র্যাব সদস্যরা উত্তেজিত জনতার হাত থেকে আসামীদের উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেন। পরবর্তীতে উত্তেজিত জনতার মারধরে আহত আসামীদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
উপস্থিত স্থানীয় জনগণকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গত ০২/০৬/২০২৬ইং তারিখ আনুমানিক ১২:১০ ঘটিকায় টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ০৬ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম গোদারবিল সাকিনের বাসিন্দা মোঃ জুবায়ের (৪০) এর বসত বাড়ির সামনের পাকা রাস্তার উপর থেকে তার ভাগিনা, মার্কিন নাগরিক ৪ বছর বয়সী শিশু ভিকটিমকে একা পেয়ে ধৃত আসামীরা জোরপূর্বক অপহরণের চেষ্টা চালায়।
উদ্ধারকৃত শিশু ভিকটিমকে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে র্যাবের এই কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ধন্যবাদ।
03/06/2026
আসসালামু আলাইকুম,
শিরোনামঃ টেকনাফে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক শীর্ষ আসামি ‘লেডু’ গ্রেফতার।
গুরুতর অপরাধের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সর্বদা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এরই ধারাবাহিকতায়, ০৩ জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ গভীর রাতে র্যাব-১৫, সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার টেকনাফ পৌরসভা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মাদক মামলার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সাজা পরোয়ানাভুক্ত দীর্ঘদিন যাবৎ আত্মগোপনে থাকা ০১ (এক) জন শীর্ষ পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত সাজাপ্রাপ্ত আসামির জামাল উদ্দিন প্রকাশ জামাল হোসেন প্রকাশ লেডু (৪০), পিতা- মৃত আমির মোহাম্মদ সওদাগর, মাতা- আছমা খাতুন, সাং- কে কে পাড়া (০৩ নং ওয়ার্ড, টেকনাফ পৌরসভা), থানা- টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার।
ধৃত আসামি জামাল উদ্দিন প্রকাশ লেডুর বিরুদ্ধে টেকনাফ থানার ২০২২ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মাদক মামলা বিচারাধীন ছিল। বিজ্ঞ আদালত উক্ত মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ০১ (এক) বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ প্রদানপূর্বক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। সাজা ঘোষণার পর থেকেই আসামি জামাল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপন করে আসছিল। র্যাব-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) আসামির অবস্থান নিশ্চিত করতে নিবিড় গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৫ জানতে পারে যে, উক্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি টেকনাফ পৌরসভার কে কে পাড়া এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আজ ০৩ জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাত ০৩:৪৫ ঘটিকায় সিপিসি-১ এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত এলাকায় আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করে কুখ্যাত মাদক কারবারি ও সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জামাল উদ্দিন প্রকাশ লেডু-কে অবরুদ্ধ করে হাতেনাতে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে তাকে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদকের করাল গ্রাস থেকে সমাজকে মুক্ত রাখতে এবং ওয়ারেন্টভুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব-১৫ এর এই ধরনের কঠোর অভিযান চলমান থাকবে।
ধন্যবাদ।
03/06/2026
রাজশাহী জেলার চারঘাট থানা এলাকা থেকে ৩১৫ বোতল ফেন্সিডিল সহ ০১ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৫
03/06/2026
টেকনাফ থেকে সিএনজিতে ইয়াবা পাচার করার সময় ২৩,০০০ (তেইশ হাজার) পিস ইয়াবাসহ ০১ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫
03/06/2026
আসসালামু আলাইকুম,
শিরোনামঃ সিএনজিতে বিশেষ কায়দায় ইয়াবা পাচার, টেকনাফে র্যাব-১৫ এর জালে মাদক কারবারি।
কক্সবাজার জেলার টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষিত ‘শূন্য সহনশীলতা’ (Zero Tolerance) নীতি বাস্তবায়নে এবং দেশের যুবসমাজকে মাদকের নীল দংশন থেকে রক্ষা করতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৫, সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন সদর ইউনিয়ন এলাকায় একটি সফল অভিযান পরিচালনা করে ২৩,০০০ (তেইশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০১ (এক) জন মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। অভিযানে মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি এবং একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি সৈয়দ আলম (৪৮), পিতা-মৃত আলী আহম্মদ, মাতা-নাছিমা বেগম, গ্রাম-জাদিমুরা, কোনাপাড়া স্টেশন গলি (জামাল মসজিদের পার্শ্বে), ০৯নং ওয়ার্ড, হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ, টেকনাফ থানার কক্সবাজার জেলার স্থায়ী বাসিন্দা।
র্যাব-১৫ এর সূত্রে জানা যায়, গত ০২ জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ বিকেল ১৫:০৫ ঘটিকায় সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের আভিযানিক দল টেকনাফ থানাধীন শাপলা চত্বর বাজার এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সূত্রে সংবাদ প্রাপ্ত হয় যে, একজন মাদক কারবারি ইয়াবা ট্যাবলেটের একটি বড় চালান নিয়ে সিএনজি অটোরিকশা যোগে বরইতলী এলাকা হয়ে টেকনাফ সদরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বিষয়টি অবগত হওয়ার সাথে সাথে বিকাল আনুমানিক ১৫:৪৫ ঘটিকায় টেকনাফ সদর ইউপির ০৯নং ওয়ার্ডের বড়ইতলী সাকিনে টেকনাফ র্যাব ক্যাম্পের সম্মুখস্থ পাকা রাস্তার উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়।
বিকাল আনুমানিক ১৬:১০ ঘটিকায় জাদিমুরা বাজারের দিক থেকে আসা একটি সন্দেহভাজন সিএনজি অটোরিকশাকে সংকেত দিয়ে থামানো হয়। এরপর অটোরিকশা চালক সৈয়দ আলম (৪৮)-কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে, সে তার হেফাজতে অবৈধ মাদকদ্রব্য থাকার কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে উপস্থিত স্থানীয় জনগণের সম্মুখে ধৃত আসামির দেখানো ও নিজ হাতে বের করে দেওয়া মতে - অটোরিকশার পিছনের ইঞ্জিন বক্সের ভেতরে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় মোট ২৩,০০০ (তেইশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ০১টি সিএনজি অটোরিকশা এবং আসামির ব্যবহৃত ০১টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকের সিন্ডিকেট নির্মূল এবং চোরাচালান রোধে র্যাব-১৫ এর এই ধরনের গোয়েন্দা নজরদারি ও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ধন্যবাদ।
02/06/2026
আসসালামু আলাইকুম,
টেকনাফে চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষণ চেষ্টার আসামী হাবিবুর রহমান র্যাব-১৫ কর্তৃক গ্রেফতার; ভিকটিম উদ্ধার।
কক্সবাজার জেলার টেকনাফ মডেল থানাধীন হ্নীলা ইউনিয়নে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে চাঞ্চল্যকর মামলার একমাত্র আসামী হাবিবুর রহমান(৫৩)’কে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫)। একই অভিযানে ভিকটিমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গত ০১ জুন ২০২৬ ইং তারিখ দুপুর ১৪:৩০ ঘটিকায় হ্নীলা ইউনিয়নের ০৭ নং ওয়ার্ডের রঙ্গীখালী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামীকে গ্রেফতার ও ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
গত ০১ জুন ২০২৬ ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২:০০ ঘটিকায় টেকনাফ থানাধীন হ্নীলা ইউনিয়নের আলীখালী সাকিনের মাহমুদ আলী ফকিরের বাড়ির সামনের রাস্তায় রঙ্গীখালী এলাকায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায় আসামী হাবিবুর রহমান।
উক্ত সময়ে র্যাব-১৫, সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি নিয়মিত টহল দল হ্নীলা বাজার এলাকায় ডিউটি করাকালীন সংবাদ পায় যে, রঙ্গীখালী এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনায় স্থানীয় জনগণ এক ব্যক্তিকে আটক করে গণপিটুনি দিচ্ছে। সংবাদ প্রাপ্তির সাথে সাথেই র্যাবের আভিযানিক দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করে আসামী হাবিবুর রহমানকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং ভিকটিম শিশুকে উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর হাবিবুর রহমান (৫৩) কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন হ্নীলা ইউপির দরগাপাড়া (০৫ নং ওয়ার্ড) গ্রামের শফিকুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে একই ইউনিয়নের উলুচামারী আশ্রয়কেন্দ্রের (০৬ নং ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
ধৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। উক্ত ন্যাক্কারজনক ও আমলযোগ্য অপরাধের প্রেক্ষিতে আসামীর বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। অপরাধ দমনে এবং নারী ও শিশুদের নিরাপত্তায় র্যাবের এই ধরণের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ধন্যবাদ।
02/06/2026
আসসালামু আলাইকুম,
র্যাবের অভিযানে ইয়াবা, হেরোইন ও ক্রিস্টাল আইসসহ একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত শীর্ষ মাদক কারবারি আজিজ গ্রেফতার।
মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে এবং দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলসমূহকে মাদক ও অপরাধমুক্ত রাখার দৃঢ় প্রত্যয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫)। এরই ধারাবাহিকতায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৫, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল কক্সবাজার সদর থানা এলাকায় একটি অত্যন্ত সফল ও পেশাদার মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে।
অদ্য ০২ জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখ রাত আনুমানিক ০৪:৩০ ঘটিকায় র্যাব-১৫, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানির একটি বিশেষ আভিযানিক দল বিশ্বস্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয় যে, কক্সবাজার সদর থানাধীন উত্তর ডিককুল এলাকায় কতিপয় মাদক কারবারি সিন্ডিকেট অবৈধ মাদকদ্রব্যের একটি বড় চালান বেচাকেনা ও হাতবদলের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। প্রাপ্ত সংবাদের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে আভিযানিক দলটি উত্তর ডিককুল এলাকার আলী আহম্মদের টিনশেড বাড়িতে একটি আকস্মিক ও কৌশলগত অভিযান পরিচালনা করে। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে আভিযানিক দল অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ঘেরাও করে মাদক সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা মোহাম্মদ আজিজ (২৬), পিতা- মৃত আলী আহাম্মদ, মাতা- মোছাঃ শামশুন নাহার, গ্রাম- উত্তর ডিককুল, থানা- কক্সবাজার সদর, জেলা- কক্সবাজারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তীতে উপস্থিত স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সম্মুখে গ্রেফতারকৃত আসামির ঘর ও তার হেফাজত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ উচ্চমূল্যের অবৈধ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। জব্দকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে সর্বমোট ৯,৮০০ (নয় হাজার আটশত) পিস মরণঘাতী ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৮০ (একশত আশি) গ্রাম উচ্চমাত্রার হেরোইন, ৪৮ (আটচল্লিশ) গ্রাম ক্রিস্টাল আইস (আইস) এবং মাদক চোরাচালান ও পারস্পরিক যোগাযোগের কাজে ব্যবহৃত ০১ (এক)টি স্মার্ট মোবাইল ফোন।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ জানা যায় যে, ধৃত মোহাম্মদ আজিজ একজন চিহ্নিত, পেশাদার এবং দেশের বিভিন্ন জেলা জুড়ে বিস্তৃত আন্তঃজেলা মাদক চোরাচালান চক্রের সক্রিয় সদস্য। ইতিপূর্বেও সে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটনের যাত্রাবাড়ী থানা, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় এবং ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানায় মোট ৩টি মামলা রুজু করা রয়েছে।
উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও আলামতসহ গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মাদকের অর্থায়ন, রুট এবং এর পেছনের মূল হোতাদের চিহ্নিত করে সমাজ থেকে মাদকের করাল গ্রাস নির্মূল করতে র্যাব-১৫ এর এই ধরনের আপসহীন ও কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ধন্যবাদ।
01/06/2026
র্যাব-১১ এর অভিযানে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে ৫০ কেজি গাঁজাসহ ০১ জন আটক