albd Ramu

albd Ramu

Share

শেখ মুজিবের পথ ধরো বাংলাদেশ স্বাধীন করো জয় বাংলা

30/03/2026

আহা বেচারা সোয়াইব সাংঘাতিক খুব কষ্টে ছিলা সোনাগো আমার 😁

07/02/2026
06/02/2026

দায় চাপানোর জন্য আওয়ামী লীগ তো আছে ই চালিয়ে যা

06/02/2026

দোলা দে রে পাগলা

05/02/2026

সারা বাংলা বেঁধেছে জোট,
নৌকা ছাড়া কিসের ভোট?

02/02/2026

দখলদার ইউনুস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই বাংলাদেশ শুধু রাজনৈতিকভাবে না ভৌগোলিকভাবেও অনিরাপদ হয়ে গেছে। দেশের ভেতরে অস্থিতিশীলতা, আর সীমান্তে রক্তপাত দুই দিক থেকেই মানুষ আজ অসহায়।

মিয়ানমার সীমান্তে প্রতিনিয়ত গুলি, মর্টার, বোমা এসে আমাদের ঘরে আঘাত করছে। মানুষ আহত হচ্ছে, নিহত হচ্ছে আর রাষ্ট্র নির্বিকার দর্শক। সমুদ্রে জেলেরা মাছ ধরতে গেলে আরাকান আর্মি তাদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে, মুক্তিপণ দাবি করছে। মাসের পর মাস পেরিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু জিম্মিদের উদ্ধারে রাষ্ট্রের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই। নেই কোনো কূটনৈতিক তৎপরতা, নেই কোনো দৃশ্যমান অভিযান। শুধু নীরবতা, শুধু অবহেলা।

এদিকে বন্দি জেলেরা মৃত্যুর আশঙ্কায় দিন গুনছে। আর তাদের পরিবার, মা-বাবা, স্ত্রী, সন্তান প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে অপেক্ষা করছে একটুখানি আশার খবরের জন্য। চোখে ঘুম নেই, ঘরে হাসি নেই, জীবনে শুধু আতঙ্ক...আজ ফোন এলে কি মুক্তির খবর আসবে, নাকি লাশের?

এই রাষ্ট্রে আজ সাহায্যের আশায় মানুষ তাকিয়ে থাকে, কিন্তু সাহায্য করার কেউ নেই। কারণ দেশটাই এখন অবৈধ ইউনুসের দখলে। যখন পুরো জাতি নিজেই জিম্মি, তখন জিম্মিদের উদ্ধার করার দায়িত্ব নেবে কে? দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে দায়িত্বহীন দর্শক।

রাষ্ট্রের এই নীরবতা কোনো কূটনৈতিক দুর্বলতা না, এটা অপরাধ। এই অবহেলা কোনো প্রশাসনিক ব্যর্থতা না, এটা মানবিকতা হত্যার শামিল।

আজ যারা সমুদ্রে গিয়ে আর ফেরেনি, আজ যারা সীমান্তে গোলার আঘাতে রক্তাক্ত তারা পরিসংখ্যান না, তারা কারও বাবা, কারও ছেলে, কারও স্বামী। আর তাদের পরিবার আজ রাষ্ট্রের দরজায় দাঁড়িয়ে শুধু একটাই প্রশ্ন করছে, আমাদের মানুষগুলো কোথায়? তাদের কি উদ্ধার করা হবেনা?

এই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে দখলদার ইউনুসকে। এই জিম্মিদশার দায় এড়াতে পারবে না এই অবৈধ শাসন।

02/02/2026

দেশদ্রোহী ইউনুসের শেষ সময়ের মহাডাকাতি

'২৪ এর জুলাই মাসে রক্তের বন্যায় ভাসিয়ে যে লোকটা ক্ষমতা দখল করেছিলো, সে এখন দেশটাকে টুকরো টুকরো করে বিক্রি করে দিচ্ছে। মুহাম্মদ ইউনুস আর তার দোসররা জানে তাদের সময় শেষ। ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সামনে। তাই এখন যত পারো লুটে নাও, যা পারো বেঁচে দাও, দেশের ভবিষ্যৎ যেন নতুন সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে সেই ব্যবস্থা করে যাও। এটাই চলছে এখন।

https://www.doelkantho.com/2490/

01/02/2026

পাল্লা হাতে বান্দির পুত
মা'কে ডাকে প্রষ্টিটিউট

01/02/2026

জামিন পাওয়ার পরও যদি জেলগেট থেকেই আবার ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়, তাহলে সেটা আইন না ওটা আইনের নামে রাষ্ট্রীয় প্রতারণা। এক মামলায় মুক্তি মিললেই আরেক ভুয়া মামলায় আবার বন্দী এই কৌশল এখন দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনের নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে বিচার নেই, আছে শুধু প্রতিহিংসা। এতে আইন নেই, আছে শুধু দমন।

বিনা অপরাধে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী সমর্থকরা মাসের পর মাস কারাগারে পচে মরছে। বাবা-মা মারা যাচ্ছে, স্ত্রী-সন্তান হারিয়ে যাচ্ছে আর বন্দী মানুষটি শুধু চার দেয়ালের ভেতর দাঁড়িয়ে খবর শুনছে। ছাত্রলীগের সাদ্দাম যদি সময়মতো জামিন পেত, তাহলে হয়তো আজ তার স্ত্রী-সন্তান বেঁচে থাকত। কিন্তু এক মামলায় জামিন পেলেই আরেক মামলায় আবার গ্রেপ্তার এই নিষ্ঠুর চক্রই তার জীবন ধ্বংস করেছে।

এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, এটা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে চালানো পরিকল্পিত দমন-পীড়ন। এখানে অপরাধ প্রমাণের দরকার নেই, শুধু পরিচয়ই যথেষ্ট। মানবাধিকার বলে কিছু নেই, আইনের শাসন বলে কিছু নেই। সবকিছু ভেঙে পড়েছে অবৈধ দখলদারের দখলে থাকা রাষ্ট্রীয় প্রতিহিংসার নিচে।

আমরা এই অন্যায় মানি না। আমরা এই অবৈধ দখলদারদের রাষ্ট্রীয় জুলুম মানি না। জামিনের পর জেলগেটে গ্রেপ্তার বন্ধ করতে হবে। কারাগারকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো বন্ধ করতে হবে।

01/02/2026

বাঙালি জাতির মুক্তির নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ডাকে জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ। তিনি তার তর্জনী তুলে বলেছিলেন “কেউ আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না।” ইতিহাস প্রমাণ করেছে, তিনি ভুল ছিলেন না। এই জাতিকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারেনি, পারবেও না।

কিন্তু আজ দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে আবারও সেই পুরোনো চেষ্টাই চলছে ভয় দেখিয়ে, দমন-পীড়ন চালিয়ে, জেল-জুলুম দিয়ে বাঙালিকে নতজানু করানোর চেষ্টা। কিন্তু তারা ভুলে গেছে এই জাতি মাথা নোয়ানোর জন্য জন্ম নেয়নি। এই জাতি সংগ্রামের জাতি, ত্যাগের জাতি, রক্ত দিয়ে অধিকার আদায় করার জাতি।

জুলুম যত বাড়ে, প্রতিবাদ তত শক্ত হয়। অন্ধকার যত গভীর হয়, ভোর তত কাছাকাছি আসে।ইতিহাস বলে, যে জাতি স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছে, সে জাতিকে শৃঙ্খল পরিয়ে রাখা যায় না।
বাঙালি জেগে উঠবেই।

অবৈধ দখলদারদের সকল অন্যায়, সকল অত্যাচার রুখে দাঁড়াবেই। কারণ এই জাতির শিরায় শিরায় বঙ্গবন্ধুর সাহস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর স্বাধীনতার আগুন বইছে।

বাঙালিকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না
না আজ, না কখনো।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু

01/02/2026

এই বক্তব্য নারীর মর্যাদা, স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত। নারীকে ঘরে বন্দি রাখার মানসিকতা কোনো ধর্মীয় মূল্যবোধ নয়, এটি মধ্যযুগীয় চিন্তার বহিঃপ্রকাশ। বাংলাদেশের নারীরা শিক্ষা, শ্রম, নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রগঠনে সমান অংশীদার। তাদের চলাচল ও সিদ্ধান্তের অধিকার খর্ব করার অপচেষ্টা আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি। নারীকে অবমাননা নয়, সম্মান ও সমঅধিকারই হোক রাষ্ট্র ও সমাজের অঙ্গীকার।

#নারীরঅধিকার #নারীবিরোধী_বক্তব্য_বন্ধ_করো #সমঅধিকার #প্রতিবাদ #মানবাধিকার

Want your business to be the top-listed Government Service in Cox's Bazar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Cox’s' Bazar
Cox's Bazar