Bosuahra-বসুয়ারা

Bosuahra-বসুয়ারা

Share

One of beautiful Village of Bosuahra. And most of Bangladeshi honorable persons born here. Village: (BOSUAHRA), Post Office: Uttar Poduah, Union: 4 No.

Previous Railway minster of Bangladesh, Bangladesh high court member, Bangladesh parliament member,DC, advocate,Doctor,Engineer,Army,Union Chairman, etc Sreepur, Ward no. 3, Upzila: Chauddagram, District: Cumilla-3500

01/05/2025

টেক্সাসে একটি বাংলাদেশি পরিবারের মর্মান্তিক সমাপ্তি😥

তৌহিদুল ইসলাম, এক স্বপ্নবাজ মানুষ। জন্ম বাংলাদেশের পুরনো ঢাকায়, যেখানকার অলিগলি এখনো পুরোনো দিনের গল্প বলে। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় তিনি ২২ বছর আগে ডাইভারসিটি ভিসা নিয়ে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। দুই বছর নিউ ইয়র্কে কাটিয়ে স্ত্রী আইরিন ইসলাম ও সন্তানদের নিয়ে থিতু হন টেক্সাসের ডালাস শহরের অ্যালেন নামক শহরতলিতে। শুরু করেন নতুন জীবন—সাদামাটা, অথচ গর্বের।

তৌহিদুল ছিলেন আইটি পেশাজীবী, পরে কর্মরত হন সিটিব্যাংকে। তার স্ত্রী আইরিন ছিলেন একজন স্নেহশীলা গৃহিণী, যিনি শুধু পরিবার নয়, স্বামীর আত্মীয়স্বজনকেও ভালোবাসতেন নিজের মত করে। তাদের তিন সন্তান—তানভীর, ফারহান এবং ফারবিন। তারা প্রত্যেকেই ছিলেন মেধাবী ও বিনয়ী। এই পরিবারের মুখে ছিল সদা হাসি, চোখে বিশ্বাস আর হৃদয়ে আলো।

তানভীর এবং ফারহান ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসে পড়তেন, কম্পিউটার সায়েন্সে। ফারবিন, যমজ বোন ফারহানের, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে পূর্ণ স্কলারশিপে ভর্তি হয়েছিলেন। পরিবারটির একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল—সেই ছবিতে হাসিমুখ, আনন্দ, জীবনের সুর।

কিন্তু এই চমৎকার বাহ্যিক সৌন্দর্যের আড়ালে ছিল এক বেদনাঘন অন্ধকার। এক অপ্রকাশ্য যন্ত্রণা, এক অব্যক্ত সংকট—যা ফুঁসে উঠেছিল নীরব আগ্নেয়গিরির মতো।

ফারহান তৌহিদ, যিনি তার সুইসাইড নোটে লিখেছিলেন, "আমি নবম শ্রেণি থেকে অবসাদে ভুগছি। দিনে দু'বার নিজেকে কাটা আমার জন্য সাধারণ ব্যাপার হয়ে গিয়েছিল।"

এই সন্তানদের মুখে কেউ কখনও কোনো অভিযোগ শুনেননি। অথচ ফারহান তার দীর্ঘ নোটে লিখেছেন, “আমি কাউন্সেলিং করেছি, ওষুধ খেয়েছি, কিন্তু কিছুতেই আর কাজ হচ্ছিল না। আমার ভাই তানভীরের অবস্থা ছিল আরও খারাপ। সে ছিল নিঃসঙ্গ, সামাজিকভাবে দূরে সরে যাওয়া এক আত্মা।”

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দুই ভাই একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হন: যদি এক বছরের মধ্যে জীবনের কোনো উন্নতি না হয়, তারা নিজেরা আত্মহত্যা করবেন এবং তার আগে পুরো পরিবারকে হত্যা করবেন যেন কেউ আর দুঃখে না ভোগে।

পরে তারা সিদ্ধান্ত নেন, আর এক বছর নয়—এই যন্ত্রণা তারা আর টানতে চান না। তাই এক মাসের মধ্যেই তারা বন্দুক কিনেন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নামে। ফারহানের কথায়, "যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক নিয়ন্ত্রণ একটি কৌতুক। কোনো প্রমাণ চাইলো না, শুধু ফর্ম পূরণ করলেই অস্ত্র কিনে ফেলা যায়।"

৩ এপ্রিল ২০২১, শনিবার রাতে তারা হত্যা করেন মা, বাবা, বোন এবং দাদি আলতাফুন নেসাকে—যিনি বাংলাদেশ থেকে বেড়াতে এসেছিলেন এবং ঠিক সেই সপ্তাহেই দেশে ফেরার কথা ছিল। তারপর নিজেরা গুলি করে আত্মহত্যা করেন।

পরদিন রাত ১টার দিকে ফারহানের এক বন্ধুর কল পেয়ে পুলিশ বাড়িতে যায়। বন্ধুটি ফারহানের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা দীর্ঘ সুইসাইড নোট পড়ে হতবাক হয়ে পড়েছিলেন। পুলিশ দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখতে পায় ছয়টি রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে আছে ঘরের বিভিন্ন জায়গায়। গোটা এলাকা স্তব্ধ। কেউ বুঝতে পারছে না, এত সুন্দর একটি পরিবারে এমন মৃত্যুর ছায়া কীভাবে নামলো!

স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটি ছুটে আসে। কেউ কেউ কান্না চেপে রাখতে পারেননি। পারিবারিক বন্ধু দিলারা হাসান বলেন, "তারা খুবই হাসিখুশি পরিবার ছিল। সবকিছুর মধ্যে আনন্দ খুঁজে নিত। এমন কিছু কল্পনাও করতে পারি না।"

তৌহিদুলের বন্ধু শন আহসান, বলেন, "আমি রবিবার তাকে ফোন করেছিলাম, কোনো সাড়া পাইনি। সোমবার সকালে যখন খবর পেলাম, আমি আমার অফিসে বসে ২০ মিনিট নিশ্বাস নিতে পারিনি। শুধু কেঁদে গেছি।"

এতসবের মধ্যেও সবচেয়ে হৃদয়বিদারক অংশ ছিল ফারহানের সুইসাইড নোটের শেষাংশ:

"আমি আমার পরিবারকে ভালোবাসি। সত্যিই ভালোবাসি। আর এ কারণেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি তাদের হত্যা করব। তারা যদি বেঁচে থাকত, আমার মৃত্যু তাদের সারাজীবন কষ্ট দিত। আমি শুধু সেই কষ্টটা থেকে তাদের মুক্তি দিয়েছি। আমি জানি, আমি যা করেছি তা ভয়ঙ্কর, কিন্তু আমার কাছে এটিই ছিল সঠিক।"

সেই নোটে তিনি আরও লিখেছেন, "জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে সুখ। আমি যদি সুখী না হই, তাহলে আমার বেঁচে থাকার কোনো কারণ নেই।"

এই পংক্তিগুলো যেন সময়ের দেয়ালে কাঁপা কাঁপা অক্ষরে লেখা এক আত্মার আর্তনাদ। যেন এক নীরব চিৎকার, যে চিৎকার কোনোদিন কানে আসে না, শুধু মনের গভীরে প্রতিধ্বনি তোলে।

এই ছায়াঘন ঘটনার অন্তরালে ছিল এমন এক মানসিক অন্ধকার, যার অস্তিত্ব হয়তো কেউ কখনো বুঝেই উঠতে পারেনি। অথচ একটিবার, যদি কেউ খেয়াল করত, বুঝত, ভালোবেসে জড়িয়ে ধরত—তবে হয়তো ছয়টি জীবন রক্ষা পেতে পারতো।

এই গল্প নয় কোনো কল্পকাহিনি—এ এক জীবন্ত দুঃস্বপ্ন, যেখানে হাসির আড়ালে চাপা থাকে অশ্রুজল, এবং নিঃসঙ্গতার অন্ধকারে ডুবে যায় একটি গোটা পরিবার।

এই পরিবারটি হয়তো আর কখনো ফিরে আসবে না। কিন্তু তাদের গল্প আমাদের মনে পড়ে যাবে প্রতিটি শীতের সকালে, নিঃসঙ্গ সন্ধ্যায়, কিংবা যখনই আমরা ভাবব, জীবনের সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। ঠিক তখনই আমরা যেন বলি—“না, আরেকটা দরজা আছে, যেটা খোলার জন্য দরকার শুধু একটু ভালোবাসা।”টেক্সাসে একটি বাংলাদেশি পরিবারের মর্মান্তিক সমাপ্তি



সংগৃহীত

08/04/2025

শোক সংবাদ
বসুয়ারা উত্তর পাড়া নিবাসী, মোঃ রফিকুল ইসলাম সাহেবের সহ ধর্মিনী, ওরফে ফারুক, কামরুল এর আম্মাজান আজ সকাল ৭ টার সময় নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন মরহুমার জানাযার নামাজ আজ দুপুর ২ ঘটিকায় নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হবে।

12/05/2024

৫০ বছর আগে জন্মাইলে বড় বাচাঁ বেচেঁ যাইতাম। গ্রামে থাকতাম, পুকুরে নেমে ডুব দিয়ে গোফের উপর কাদার লেয়ার ফেলতাম। স্কুলে যাওয়ার বদলে নারকেল চুরি করতাম, কলাগাছের কলা চুরি করতাম। কাদার ভেতর লুটোপুটি করতাম। পরের দিন স্কুলে গিয়ে স্কুলে না আসার কারনে স্যারের ঠেংগানী খাইতাম। এরপর স্কুলে যাওয়াই বন্ধ করে দিতাম। বাপের সাথে মাঠে যাইতাম, ধান লাগাইতাম। পাট লাগাইতাম, মাছ ধরতাম জাল দিয়ে। নদীতে নেমে আচ্ছা মত ডুবাইতাম। ২০-২২ বছর বয়সে বিয়ে করতাম। ঘর হইত মাটির। বৃস্টি হইলে চুয়ে চুয়ে পানি পড়তো খড়ের চাল দিয়ে, চালে উঠে সেটা ঠিক করতাম। সকাল হইলে পান্তা ভাত দেখে বউ রে খানিক্ষন ঝাড়তাম। এরপর না খেয়েই মাঠে জাইতাম, কাদায় নেমে কাজ করতাম।
পাশের বাড়ির ভাবি এসে বউ কে বুদ্ধি দিত, তোমার জামাই ডা ভালো না, খালি চিল্লায়। বউ উত্তর দিতো, ব্যাটা মানুষ এক্টু এমুন হয় ই। এমনে মানুষটা বালা আছে।
নারকেলের মত, বাইরে শক্ত, ভেতরে টলটলা পানি। এরপর দুপুরে বাসায় এসে ঠিক ই দেখতাম খাওন রেডি। প্লেট ভর্তি ভাত আর খেতের সব্জি সাথে নিজের ধরে আনা মাছ। আর মুর্গির ডিম। সপ্তাহে এক দিন মুর্গির মাংস। সাপ্তাহিক হাটে গিয়ে হাট করতাম। দুই আনা দাম কমানোর জন্য হেব্বি মুলামুলি করতাম। বউ এর জন্য লাল ফিতা আর প্লাস্তিকের লাল চুরি আইনা দিতাম। সেই রাতে বউ খুশিতে বাক বাকুম করতো।
টেনশান নাই,রোগ বালাই হইলে কবিরাজের অসুধ খাইতাম। মাঠে কাজ করে পায়ে ইনফেকশান হয়ে গেলে তুতে লাগাইতাম শিশি থেকে। লাইফ ক্যারিয়ার সাক্সেস, পিজ্জা বার্গার, আইফোন, ম্যাকবুক, ফেসবুক, ড্রোন, মাসের বাসা ভাড়া, গাড়ি ,বাইক,
পশ লাইফ , কিসু নিয়ে কোন চিন্তা নাই। গার্ল ফ্রেন্ড এর বাপ স্টাব্লিশড না হইলে বিয়ে দিবেনা সেই চিন্তা নেই। গাড়ি বাড়ির চিন্তা নেই।
কোথাও বুশ গিয়া কই বু*ম ফুডাইসে কে কারে এটাক দিসে , দুনিয়া নিয়া চিন্তা নাই, কে ভাইরাল হইলো নাকি কারেন্ট ইস্যু কি , এসব ভাবার টাইম নাই। সন্ধার পরেই ঘুম। বাসা ভাড়া দেয়ার পেরা নাই। বাবা মা ছেড়ে দুরে একলা থাকা নেই। চিন্তা নেই,কাজ করো খাও ঘুমাও, আর বছর বছর বাচ্চা পয়দা করো, হার্ট এটাক, হার্টে ব্লক, অফিসের প্যারা,বসের ঝাড়ি, এসব নেই। আহা,লাইফ অয়াজ দেয়ার। আন্ড আম এ লিটিল বিট লেট ইন দিজ প্লানেট।

14/04/2024

মেঘের বহু রং, কখনো সে দুধের মত সাদা, কখনো বা ধূসর কালো, আবার কখনো লালচে আভা মিশে থাকে মেঘের গায়ে, তবুও সব রঙেরই যেন ভিন্ন মাধুর্য আছে।

06/04/2024

প্রত্যেক বংশে দুই একটা করে ভূমি দূস্য থাকে,
এদের কাজ হচ্ছে বাকি সবার জমি মেরে খাওয়া বা ভেজাল সৃষ্টি করা।

06/04/2024

Black n White days

02/04/2024

আপনার সামনের মানুষটার মানসিক অবস্থার উপর আপনি কোনো নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন না। আপনি নিজে যতোই ভদ্র, সভ্য আচরণ করেন না কেন, অপর পক্ষ থেকে কি রকম আচরণ আসবে সেটা একান্তই তার নিজের পরিবারের শিক্ষা, তার ব্যক্তিগত অভিরুচি আর মানসিকতার পরিচয় বহন করবে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা অন্যের অশোভন আচরণের জন্য কষ্ট পাই, লজ্জিত হই, অপমানিত বোধ করি বা নিজেদের দোষ খুঁজি। কেন এমন কথা/আচরণ করলো সেটা ভেবে সংকুচিত হয়ে যাই।

আমার তাবৎ জীবনে আমি বারবার মানুষকে আলাদা আলাদা ভাবে ভাবতে চেষ্টা করেছি। একজনের আচরণের জন্য গোটা মানুষজাতিকে এক কাতারে ফেলে দিবো এটা ভাবতে আমার কষ্ট হয়।

এই আলাদা আলাদা সত্ত্বার সমষ্টিগত বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বেশিরভাগ মানুষ তাদের আচরণের যৌক্তিকতা, কারণ আর উপকরণের কোনো সীমারেখা জানে না। এরা যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখো তাই মন্ত্রে বিশ্বাসী তাই ছাই দেখলেই একটু উড়াতে চায়। যদি উড়ে যায়! যদি ক্লিক করে, যদি লাইগা যায় এমন ভেবে নিজেদের অসংযত আচরণের ডানা মেলে দিতে থাকে।

দেখতে ভদ্র, কথায় পরিপাটি হলেই সে ভদ্র এমনটা আদতে নয়। এই অসভ্য প্রানীদের আল্লাহ সহায় হোন। তাদের অন্তরের কালো ময়লাগুলো দূর করে দিন। তাদের এমন পরিস্থিতি উপলব্ধির চেতনা দিন। আর আমাকে দিন অসীম ধৈর্য্য আমি যেনো এদের ক্ষমা করে যেতে থাকতে পারি। এদের অস্বাভাবিক আচরণকে যেনো মনে বা মাথায় না রাখি সে শক্তি দিন।

অনেক কষ্টে গালিকে মন্ত্রে পরিবর্তিত করতে চাইছি, অন্যের আচরণে নিজেকে তাদের কাতারে নামিয়ে নিতে চাই না আর। আমাকে শক্তি দাও ঈশ্বর, ধৈর্য্য দাও এই অমানুষদের মাঝে বেঁচে থাকার সাহস দাও।

আমার মনে হয় না কারো পরিবারই অসভ্যতার শিক্ষা দেয়, তবুও অসভ্য আচরণে তাদের পরিবার নীচু হয়। এই মানসিক বিকারগ্রস্তদের সুদিন আসুক, এরা সুস্থতার স্বাদ নিক জীবনে।

01/04/2024

Ok সাত্তার

31/03/2024

মাছ বাজার ।
পদুয়া বাজার বিশ্বরোড

31/03/2024

শুভ সকাল বসুয়ারা ।

Bosuahra-বসুয়ারা

29/03/2024

ততটুকু দিতে নেই,
যতটুকু দিলে- অচেনা মিছিলে
হারাবে নিজেকেই।
কিছুটা নিজেরও থাক,
নিখোঁজ খবর- ছাপা পত্রিকা,
ঠিকানাটা খুঁজে পাক।

ততটুকু হোক দেনা,
যতটুকু হলে, ফিরে আসবার
পথটুকু থাকে চেনা।

26/03/2024

এটিই এপর্যন্ত ফসিল হিসেবে পাওয়া সবচেয়ে বৃহৎ আকৃতির মানব-পুরীষ। ভদ্র শব্দটি বোঝেননি তো? মল। গু। পুপ। নবম শতকের জনৈক অসুস্থ ভাইকিং-এর পুপ এটা। এবং এটি দুনিয়ার সবচেয়ে দামী গু। মুল্য— ৩৯,০০০ মার্কিন ডলার। আপনি কিনতে চাইলে— ৪২,৯০,০০০ টাকা। এই দুর্লভ দলাটির দৈর্ঘ্য— ৮ ইঞ্চি, ব্যাস— ২ ইঞ্চি।

১২০০ বছর বয়সী এই মলদণ্ডটি মানবেতিহাসের এযাবৎ সবচেয়ে পুরনো মলদণ্ড। এর অফিসিয়াল নাম— লয়েডস ব্যাংক কপ্রোলাইট (Lloyds Bank Coprolite). কপ্রোলাইট, আরেকখানা ভদ্র শব্দ, অর্থ— ফসিল-গু।

১৯৭২ সালে, উত্তরপশ্চিম ইংল্যান্ডের ইয়র্কে, লয়েডস ব্যাংকের টিএসবি শাখা বানানোর সময় মাটি খুঁড়তে গিয়ে এই মহামূল্যবান পটিখণ্ডটির সন্ধান পায় শ্রমিকরা।

কিছুই ফেলনা নয়। বড়ো-সাইজের হাগবেন। বলা যায় না, কবে আবিষ্কৃত হয়ে যান!

Salah Uddin Ahmed Jewel
#একখন্ড_পুরীষ_কাহিনী

Want your business to be the top-listed Government Service in Cumilla?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Mia Bazar Highway Road, Chauddagram
Cumilla
3500