18/09/2025
সচেতনতামূলক.....
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়।
18/09/2025
সচেতনতামূলক.....
16/09/2025
অদ্য ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রি. তারিখে বাংলাদেশ নিরাপদ কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয় কুমিল্লা ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে লাকসাম উপজেলার কাদ্রা এলাকার মদিনা ফুড প্রোডাক্টস এ একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত যৌথ অভিযানটি জনাব জুয়েল মিয়া, জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার, কুমিল্লা ও জনাব মো: কাউছার মিয়া, সহকারী পরিচালক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা এর নেতৃত্ব ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় এবং কুমিল্লা পুলিশ লাইনস এর একটি চৌকস টিম উক্ত অভিযানে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন।
অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়,
১. চানাচুর ভাজায় পোড়া তেল ব্যবহৃত হচ্ছে।
২. কয়েকটি উৎপাদিত পণ্যের BSTI লাইসেন্স ছিলো না।
৩. চানাচুর নিম্নমানের পলিব্যাগে প্যাকেট করে বাজারজাত করা হচ্ছে।
৪. বিস্কিট প্যাকেট এর গায়ে উৎপাদনএর অগ্রিম তারিখ দেওয়া।
৫. চানাচুর ও বিস্কুট অনুমোদনহীন মোড়কে বাজারজাত করা হচ্ছে।
৬. পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে কোন ব্যবস্থা নেই ও ডাস্টবিন ছিলো না।
৭. পণ্য সকল তৈরির কাচামাল (ময়দা, ডালডা, চিনি) ও উৎপাদিত সকল পণ্য অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে স্যাতস্যাতে মেঝেতে রাখা।
৮. উৎপাদিত পণ্যে নিষিদ্ধ রাসায়নিক রঙ ও হাইড্রোজ ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।
৯. কর্মীরা অস্বাস্থ্যকরভাবে ও অনিরাপদ পানি ব্যবহার করে পাউরুটি ও বিস্কুট এর খামির তৈরি করছিলো।
অনিরাপদভাবে খাদ্য উৎপাদন ও ভোক্তার স্বাস্থ্যহানী ঘটানোয় প্রতিষ্ঠানটিকে এক লক্ষ হাজার (১,০০,০০০) টাকা জরিমানা করা হয়, যা তৎক্ষণাৎ আদায় করা হয় এবং সকল রঙ ধ্বংস করা হয়।
সকল অব্যবস্থাপনা ঠিক করতে প্রতিষ্ঠানটিকে ১ মাসের সময় দেওয়া হয়, অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ অনুসারে নিয়মিত মামলা করা হবে বলে সতর্ক করা হয়।
08/09/2025
অদ্য ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রি. তারিখে বাংলাদেশ নিরাপদ কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয় কুমিল্লা ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগ বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন এর গোবিন্দপুর গ্রামের মেসার্স কে. আর. ফুড প্রোডাক্টস (জিহাদ ফুড) এ একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত যৌথ অভিযানটি জনাব জুয়েল মিয়া, জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার, কুমিল্লা ও জনাব মো: কাউছার মিয়া, সহকারী পরিচালক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা এর নেতৃত্ব ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় এবং কুমিল্লা পুলিশ লাইনস এর একটি চৌকস টিম উক্ত অভিযানে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন।
অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়,
১. চিপস ও চানাচুর ভাজায় পোড়া তেল ব্যবহৃত হচ্ছে।
২. কয়েকটি উৎপাদিত পণ্যের BSTI লাইসেন্স ছিলো না।
৩. কিছু চিপস নিম্নমানের পলিব্যাগে প্যাকেট করে বাজারজাত করা হচ্ছে।
৪. চানাচুর এর প্যাকেট এর গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ দেওয়া নেই।
৫. কয়েকটি পণ্য অনুমোদনহীন মোড়কে বাজারজাত করা হচ্ছে।
৬. কীটপতঙ্গ ও পোকামাকড় প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে কোন ব্যবস্থা নেই ও ঢাকনাযুক্ত ডাস্টবিন ছিলো না।
৭. চানাচুর তৈরির ডাল ও বাদাম এবং উৎপাদিত পণ্য অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে স্যাতস্যাতে মেঝেতে রাখা।
৮. খাদ্যকর্মীদের স্বাস্থ্যসম্মত ইউনিফর্ম (মাস্ক, ক্যাপ, গ্লাভস) ছিল না।
অনিরাপদভাবে খাদ্য উৎপাদন ও ভোক্তার স্বাস্থ্যহানী ঘটানোয় প্রতিষ্ঠানটিকে পঞ্চাশ হাজার (৫০,০০০) টাকা জরিমানা করা হয়, যা তৎক্ষণাৎ আদায় করা হয়।
সকল অব্যবস্থাপনা ঠিক করতে প্রতিষ্ঠানটিকে ১ মাসের সময় দেওয়া হয়, অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ অনুসারে নিয়মিত মামলা করা হবে বলে সতর্ক করা হয়।
27/08/2025
# # বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয়, কুমিল্লা ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা এর যৌথ অভিযান # #
অদ্য ২৭ আগস্ট ২০২৫ খ্রি. তারিখে বাংলাদেশ নিরাপদ কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয়, কুমিল্লা ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগ মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ এর নগরপাড় এলাকার আবুল হাশেম ফুড প্রোডাক্টস (মৌসুমী চিপস) এ একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানটি জনাব জুয়েল মিয়া, জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার, কুমিল্লা ও জনাব মো: কাউছার মিয়া, সহকারী পরিচালক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা এর নেতৃত্ব ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় এবং কুমিল্লা পুলিশ লাইনস এর একটি চৌকস টিম উক্ত অভিযানে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন।
অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়,
১. প্রতিষ্ঠানটি চিপস ও মশলাযুক্ত মুড়ি উৎপাদনে অনুমোদনহীন রং ব্যবহার করে,
২. মশলা ও বিট লবণ রাখার পাত্র অত্যন্ত পুরনো,জং ধরা ও মরিচাযুক্ত, যা চিপস এর সাথে মেশানো হচ্ছে, যা ভোক্তার স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ।
৩. চিপস ভাজায় পোড়া তেল ব্যবহৃত হচ্ছে।
৪. অধিকাংশ উৎপাদিত পণ্যের BSTI লাইসেন্স ছিলো না।
৫. চিপস নিম্নমানের পলিব্যাগে প্যাকেট করে বাজারজাত করা হচ্ছে।
৬. চিপস এর প্যাকেট এর গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ দেওয়া নেই।
৭. কাচা চিপস খোলা আকাশের নিচে ময়লা যুক্ত মেঝেতে শুকানো হচ্ছে, মেঝের চারপাশে কর্মীদের হাটাচলা রয়েছে।
৮. প্রতিষ্ঠানের প্রিমিসেন্স লাইসেন্স ও কর্মীদের স্বাস্থ্যসনদ ছিলো না।
৯. পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে কোন ব্যবস্থা নেই ও ডাস্টবিন ছিলো না।
১০. প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক পরিবেশ অত্যন্ত নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন।
অনিরাপদভাবে খাদ্য উৎপাদন ও ভোক্তার স্বাস্থ্যহানী ঘটানোয় প্রতিষ্ঠানটিকে এক লক্ষ (১,০০,০০০) টাকা জরিমানা করা হয়, যা তৎক্ষণাৎ আদায় করা হয়।
সকল অব্যবস্থাপনা ঠিক করতে প্রতিষ্ঠানটিকে ১ মাসের সময় দেওয়া হয়, অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুসারে নিয়মিত মামলা করা হবে বলে সতর্ক করা হয়।
04/08/2025
জেলা প্রশাসন, কুমিল্লা ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয়, কুমিল্লার যৌথ উদ্যোগে অদ্য ০৪/০৮/২০২৫ খ্রিস্টাব্দ তারিখে বুড়িচং উপজেলায় অন্তর্গত মিয়ামি লেইজার স্পটে একটি অভিযান পরিচালিত হয়।
উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেন জনাব মো: সারোয়ার জাহান, সহকারী কমিশনার, কুমিল্লা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন জনাব জুয়েল মিয়া, জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার, কুমিল্লা।
সহযোগিতায় ছিলেন জনাব আবুল কালাম আজাদ, জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক, জনাব মেজবাউল হক, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও জনাব নাজমুস সাকিব, নমুনা সংগ্রহকারী, কুমিল্লা।
অভিযানে পরিলক্ষিত হয় প্রতিষ্ঠানটি খাদ্যপণ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ করমচা (যা চেরিফল দাবী করা হয়) ব্যবহার করছে, উৎপাদিত রসমালাই ও মিস্টিতে উৎপাদন তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ও দাম কিছুই লিপিবদ্ধ করা হয়নি, খাবার ঢাকতে পত্রিকা পাওয়া যায়, ফ্রিজে কাচা ও রান্না করা খাবার একই সাথে রাখা, কাচামাল সব মেঝেতে রাখা ও মিস্টির পচা গাদ পাওয়া যায়।খাদ্যকর্মীদের কারও স্বাস্থ্যসম্মত ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় পাওয়া যায় নি। পাশাপাশি পরিবেশ সনদ ও ফায়ার সনদ পাওয়া যায় নি।
সর্বোপরি বর্জ্যব্যবস্থাপনা অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় পাওয়া যায়।
এ সকল অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ৩৯ ধারায় এক লক্ষ (১,০০,০০০) টাকা ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুসারে আরও ২০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয় এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সকল খাদ্যপণ্য তৎক্ষনাৎ ধ্বংস করা হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ করা হতে বিরত থাকতে বলা হয়, অন্যথায় নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ অনুসারে মামলা করা হবে বলে সতর্ক করা হয়।