Door Of Prospects-DOP- সম্ভাবনার দুয়ার
সফল হওয়ার অদম্য একাগ্রতা ও উদ্যমতা নি? DOP- Door of Prospects (সম্ভাবনার দুয়ার)
Know Thyself
Change yourself
Change around you.
আসসালামু আলাইকুম।
আশা করি সবাই ভাল আছেন।
"DOP" এর নিয়মিত কার্যক্রম (২৫/১২/২০২০) আগামী দিন সকাল ৯:৩০ মিনিটে "ধর্ম সাগর পাড়ে" অনুষ্ঠিত হবে। রিপোর্টিং সময় সকাল ৯:১৫ মিনিট থেকে ৯:৩০ মিনিট পর্যন্ত। আমি নিজে ৯:১৫ মিনিটে উপস্থিত থেকে রিপোর্টিং শুরু করব। আশা করি সবাই ৯:৩০ এর মধ্যে উপস্থিত থাকবেন। যারা দূরের আছেন তারা অবশ্যই একটু সকাল সকাল বের হয়ে যাবেন। সময়ের প্রতি সবাই একটু সচেতন হবেন। আপনার উপস্থিতি কামনা করছি।
কোন সদস্যের সমস্যা থাকলে অবশ্যই স্যারের সাথে কথা বলে ছুটি নিয়ে নিবেন।
আদেশক্রমে
আশফাক সুমন স্যার
সভাপতি DOP
যোগাযোগ: 01580336077 (তোফায়েল)
20/12/2020
#শীতার্ত_ব্যক্তিদের_জন্য_শীতবস্ত্র_বিতরণ।
আয়োজনে ঃ ( ) #সম্ভাবনার_দুয়ার
আল্লাহর ইচ্ছায় প্রকৃতির নিয়মে ঋতুর পালাবদল ঘটে। কনকনে হিমেল হাওয়া ও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ দরিদ্র জনগোষ্ঠী-অধ্যুষিত অঞ্চলে বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং মানুষের অসহায়ত্বকে প্রকট করে তোলে। তাই শীতার্ত হতদরিদ্র মানুষের প্রতি সমাজের সামর্থ্যবান ও বিত্তশালী ব্যক্তিদের সাহায্য ও সহানুভূতির হাত সম্প্রসারিত করে তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে শীতবস্ত্র বিতরণ করে তাদের পাশে এসে দাঁড়ানো দরকার। নিঃস্বার্থভাবে শীতার্ত মানুষের সাহায্য ও সেবা করাই মানবতার সেবা। এমন মহৎ ও পুণ্যময় কাজই সর্বোত্তম ইবাদত। অসহায় মানুষকে দুর্দিনে সাহায্য, সহানুভূতি ও সহমর্মিতার মানসিকতা যাদের নেই, তাদের ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না।
তাই দেশের সর্বস্তরের ধনাঢ্য, বিত্তবান, শিল্পপতি ব্যবসায়ীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা চলতি শীত মৌসুমে শীতার্ত গরিব, অসহায়, দুঃখী মানুষকে যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী পাড়া-মহল্লায় নতুন বা পুরোনো কিছু শীতবস্ত্র বিতরণে সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করুন।
আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে। যদি কোন ব্যক্তি তার পুরাতন কাপড় বা নতুন কিছু কিনে সাহায্য করতে চাচ্ছেন কিন্তু একা একা পারছেন না তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করে একসাথে দিতে পারেন।
যোগাযোগ ঃ +880 1915 879158
আশফাক সুমন
আহ্বায়ক, ( ) #সম্ভাবনার_দুয়ার
Quite sad but true in many cases....😭😭
সব সময় মিষ্টি কথা বলি, কিন্তু..........
কিছু তিতা কথা বলি আজকে। চাইলে সামনে চিনির পট রেখে দিতে পারেন। একটু পর পর চিমটি দিয়া মুখে দিবেন।
ইন্টারনেটের কল্যাণে আমাদের বাসা-বাড়িগুলোতে এক জাতীয় পঙ্গু প্রজন্ম গড়ে উঠছে। এরা সারারাত ইউটিউব, ফেইসবুক ইত্যাদিতে পড়ে থাকে৷ ফজরের খানিক আগে ঘুমোতে যায়৷ সূর্য যখন মাথার উপর থেকে পশ্চিমে হেলতে থাকে, সেই সময় তাদের চোখের পাঁপড়ি নড়ে ওঠে।
এক সময় তারা নাস্তা খাবে। এই নাস্তাটা কোত্থেকে এলো সেই খবর কিন্তু তাদের নেই। সাত সকাল থেকে যে মা,আর বুয়া রান্নাঘরে পড়ে আছেন, তাদের একবার জিজ্ঞেসও করবে না -বা-- মা,বাবা তোমরা খেয়েছো?, বরং তাদের ভাবটা এমন, নাস্তা খেয়ে উদ্ধার করে দিলাম!
দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলে চেঁচিয়ে উঠে, মা! দুপুরে কী রান্না করেছো?, কখনো নিজেই উঠে একটু পাতিল নেড়েচেড়ে দেখবে, এরপর পছন্দ না হলে 'এই জিনিস মানুষে খায়' টাইপের মুখ বাঁকিয়ে আবার বিছানায়।
প্রাকৃতিক ডাক ছাড়া অথবা অত্যাবশ্যকীয় কোন জরুরত ছাড়া এদের দিন,রাত সব বিছানাতেই কাটে। বাসায় কোন মেহমান এলো, কে বাইরে গেলো, মা,বাবার উপর দিয়ে কী ঝামেলা যাচ্ছে - এইসবের কোন খোঁজ খবর তাদের থাকে না।
সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশিরভাগ সময় পড়ে থাকা এই 'সন্তানগুলো' যখন আবার পোস্ট দেয়, 'আমি ঘুমিয়ে থাকি, আমার খবর থাকে না', তখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এই প্রজাতির অন্যান্য প্রাণীরা 'হা হা' 'হু হু' করে তাকে উৎসাহ দেয়।
তারা আবার বাবা-মা'দের নিয়েও ট্রল করে। মা-বাবা বকা দিলে তা নিয়েও ফেইসবুকে মজা লুটে। মা-বাবা হলো তাদের কাছে কাজের লোক আর বাবা টাকার মেশিন। চাহিদামত কিছু একটা না পেলে খানা বন্ধ করে গুম হয়ে পড়ে থাকবে। এর নাম তারা দেয়, অভিমান!
তাদের মন-পসন্দ খাবার তৈরি করতে গিয়ে বয়স্কা মা অথবা মেহমানের আয়োজন করতে গিয়ে ঘর্মাক্ত বৃদ্ধা - তাদের অন্তরে কোন অনুভূতি তৈরি করে না। পঙ্গুর মত তারা চেয়ে চেয়ে দেখে।
বাহির থেকে আসা শ্রান্ত বাবার পানে তাদের একটাই প্রশ্ন, 'এনেছো?', অথচ এক গ্লাস পানি তাদের হাতে উঠে না।
অসুস্থ এক প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে। এই প্রজন্মই আবার ভুল-ঠিকের বিচার করে! সভ্যতা আর ভদ্রতা শেখায়! বাবা-মাকে ন্যূনতম হিসেব না করা এই প্রজন্মের ফলাফলটা কী? একটু ভালোভাবে তাকিয়ে দেখুন, আপনার হাসিখুশি ফ্রেন্ডে ভরা লিস্টেও এই পঙ্গু প্রজন্মের দৃষ্টান্ত পাবেন অঢেল!
#আল্লাহ_রহম_করো_ওদের। 😞😞😞
@ collected
08/12/2020
িহাসিক_৮_ডিসেম্বর_কুমিল্লা_মুক্ত_দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয় কুমিল্লা। এদিন বিকাল ৪টায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠে তৎকালীন পূর্বাঞ্চলের প্রশাসনিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মরহুম জহুর আহমেদ চৌধুরী দলীয় পতাকা ও কুমিল্লার প্রথম প্রশাসক অ্যাডভোকেট আহমদ আলী স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনী কুমিল্লা বিমানবন্দরে পাক বাহিনীর ২২ বেলুচ রেজিমেন্টের প্রধান ঘাঁটিতে আক্রমণ শুরু করে। মিত্রবাহিনীর ১১ গুর্খা রেজিমেন্টের আর কে মজুমদারের নেতৃত্বে কুমিল্লা বিমানবন্দরের তিনদিক থেকে আক্রমণ চালানো হয়। সীমান্তবর্তী বিবির বাজার দিয়ে লে. দিদারুল আলমের নেতৃত্বে একটি দল এবং অপর দুটি দল গোমতী নদী অতিক্রম করে কুমিল্লা শহরের ভাটপাড়া দিয়ে এবং চৌদ্দগ্রামের বাঘেরচর দিয়ে এসে বিমানবন্দরের পাকসেনাদের ঘাঁটিতে আক্রমণ করে। রাতভর পাকবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে ২৬ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। কতিপয় পাকিস্তানি সেনা বিমানবন্দরের ঘাঁটি ত্যাগ করে শেষ রাতে কুমিল্লার বরুড়ার দিকে ও ময়নামতি সেনা ছাউনিতে ফিরে যায় এবং কয়েকজন আত্মসমর্পণ করে। একপর্যায়ে পাকসেনাদের বিমানবন্দরের প্রধান ঘাঁটি দখল করে মুক্তিসেনারা।
এভাবেই একাত্তরের ৮ ডিসেম্বর ভোরে কুমিল্লা হানাদার মুক্ত হয়।
05/12/2020
#চড়ুইভাতি
know Thyself
Change Yourself
Change Arund You
আজ ৫ই ডিসেম্বর ২০২০ইং , ( - #সম্ভাবনার_দুয়ার) এর পক্ষ থেকে চড়ুইভাতির আয়ােজন করা হয়। সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সফলভাবে সম্পন্ন হয়। খেলাধুলা, রান্নাবান্নায় আর সকলের হাসি আনন্দের মধ্যেই মুখরিত ছিল আজকের সারাদিন। পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে আমাদের অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
02/12/2020
দিন তো যাচ্ছেই।।
কিছু মানুষের সকাল শুরু হয় ভোর থেকে আবার অনেকের সকাল শুরু হয় নয়টা থেকে,
দিন তো যাচ্ছেই।।
কেউ অফিসে বসে কাজ করে আবার কেউ রোদে পুড়ে মাঠে কাজ করে,
দিন তো যাচ্ছেই।।
কেউ দুপুরে পোলাও কুমড়া খায় আবার কেউ ডাল ভাত খায়,
আরে ভাই দিন তো যাচ্ছেই।।
কেউ বাসায় ফিরে বিকাল চারটায় আবার কেউ ফিরে রাত দশটায়,
আরে ভাই দিন তো যাচ্ছেই।।
কেউ রাতে খেয়েও সুখি হতে পারছে না আবার কেউ না খেয়েও সুখী,
আরে ভাই দিন তো যাচ্ছেই।।
অনেকের খাবার আছে কিন্তু খেতে পারছে না আবার অনেকেই খেতে চাচ্ছে কিন্তু খাবার পাচ্ছে না,
আরে ভাই দিন তো যাচ্ছেই।।
কেউ ঘুমায় অট্টালিকায়, কেউ ঘুমায় টিনের চালায় আবার কেউ ঘুমায় ফুটপাতের রাস্তার পাশে,
আরে ভাই দিন তো যাচ্ছেই।।
(মোঃ তোফায়েল হোসেন)
"এক ক্লিকে সকল ফ্রেন্ডকে ইনভাইট"।
এই সপ্তাহে যারা বেশি বেশি ইনভাইট দিয়েছেন তাদের মধ্যে সবছেয়ে বেশি ইনভাইট দেওয়া একজনকে পুরস্কৃত করব আমরা, আমরা আমাদের বিজয়ী কে পেয়ে গেছি, খুব শীগ্রই বিজয়ীর হাতে আমাদের পুরস্কার চলে যাবে,,,,,।
আমাদের পুরস্কার থাকবে শিক্ষাসামগ্রী,,,।
ইনভাইট পাঠানোর পরে স্ক্রিনশট নিয়ে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন।
"ইনভাইট কিভাবে দিতে হয় এ ভিডিওটি দেখলেই বুঝতে পারবেন"।
ফুটবল কিংবদন্তি #ডিয়েগো_ম্যারাডোনা আর নেই।
( )
“আশা কখনো হারিয়ে যায় না। যদি আজকের দিন শেষে তোমার সব আশা শেষ হয়ে যায়, কাল সকালে আবার তা নতুন করে জন্মাবে”
– বারবারা কিনসলভার, মার্কিন ঔপন্যাসিক
আপনি যদি আশা করতে পারেন, তবে পৃথিবীর সবচেয়ে গরিব মানুষ থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মানুষ হতে পারবেন। আপনার আশা করার ক্ষমতা আপনাকে পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্বল মানুষ থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষে পরিনত করতে পারে। আশা মানুষকে বিশ্বাস করায় আর চেষ্টা করার অনুপ্রেরণা দেয়। কথায় বলে, “যে বিশ্বাস করতে পারে, সে-ই অর্জন করতে পারে” – এই বিশ্বাসের উৎসই হলো আশা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Cumilla
