12/11/2013
Heart touching video about a perfect father Heart touching video about a perfect father
This page has been created to make interaction with everyone and to help everyone know our activities regarding our beloved library.
And we(Admins) will try to help you all know something educational and informative.Hope you all will be with us.
12/11/2013
Heart touching video about a perfect father Heart touching video about a perfect father
10/11/2013
হযরত মাওলানা মুফতী মাহমুদ হাসান গঙ্গোহী রহ. বলেন, প্রায় পঁচিশ ত্রিশ বছর আগে পাকিস্তানে এক মহিলার মৃত্যু হয়। জানাযার পর তার লাশ যখন কবরে রাখার জন্য খাটিয়া থেকে নীচে নামানো হয় তখন দেখা যায় কবরের মধ্যে একটি ভয়ঙ্কর সাপ! বিষাক্ত এই সাপ দেখে উপস্থিত লোকজন ভয় পেয়ে যায়। তারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। অতঃপর ঐ মহিলার জন্য দ্বিতীয় আরেকটি কবর খুঁদা হয়। লাশ কবরে দেওয়ার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত দ্বিতীয় এই কবরটি খালিই ছিল। সাপ কিংবা অন্য কোনো প্রাণী সেখানে ছিল না। কিন্তু যখনই তারা লাশ কবরে রাখতে গেল তখনই দেখা গেল উহার মধ্যেও সেই সাপ যা প্রথম কবরে ছিল।
এরপর তৃতীয় কবর খুঁদা হলো। তাতেও লাশ রাখার সময় প্রথম কবরের সেই সাপটি দৃশ্যমান হলো। অবস্থাদৃষ্টে সবাই বলাবলি করতে লাগল, এই লাশের জন্য যত কবরই খুঁদা হউক না কেন, সব কবরেই এই সাপ চলে আসবে। সুতরাং এই কবরেই লাশ দাফন করা হউক।
কবরে রাখার জন্য আবার যখন খাটিয়া থেকে লাশ নীচে নামিয়ে আনা হলো, তখন সাপটি কবরের এক পাশে গিয়ে লাশ রাখার জায়গা করে দিল। কিন্তু যখন লাশ রাখা হলো তখন সঙ্গে সঙ্গে সাপটি লাশের মুখ থেকে কাফন সরিয়ে তার জিহ্বা পেঁচিয়ে ধরল। এই দৃশ্য দেখে উপস্থিত সকলেই আবারো পেরেশান হলো। আশ্চর্য হয়ে সবাই বলাবলি করতে লাগল, ঘটনা কি? কেন এমন হচ্ছে?
লাশ দাফন করতে আসা লোকদের মধ্যে মহিলার স্বামীও ছিলেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার স্ত্রীর উপর এই আযাব আসার কোনো কারণ কি আপনি বলতে পারবেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, বলতে পারব। আমার স্ত্রী আমার সাথে অসদাচরণ করত। আমাকে নানারকম মন্দচারী করত। বিভিন্ন উপায়ে কষ্ট দিত। কিন্তু আমি ধৈর্যধারণ করতাম। কখনও এর বদলা কিংবা প্রতিশোধ নিতাম না। তার কটুকথা ও দুঃখজনক আচরণের পরিবর্তে আমি তাকে কিছুই বলতাম না।
স্বামীর কথা শুনে লোকজন বলতে লাগল, হ্যাঁ ভাই! আমরা বুঝতে পেরেছি, আপনাকে কষ্ট দেওয়ার জন্যেই আপনার স্ত্রীর এই দুরবস্থা। আপনি এখন দয়া করে তাকে মাফ করে দিন। তার জন্য মা প্রার্থনা করুন। নচেৎ তার রা নেই!
অতঃপর মহিলার স্বামী মহান আল্লাহর দরবারে হাত তুললেন। তার সাথে হাত তুলল উপস্থিত সবাই। স্বামী বললেন, হে আল্লাহ! আমি আমার স্ত্রীকে মাফ করে দিলাম। সুতরাং অনুগ্রহ করে আপনিও তাকে মাফ করে দিন। সেই সাথে কবরের যাবতীয় আযাব থেকে তাকে হেফাযত করুন।
দোয়া শেষ হওয়ার সাথে সাথে দেখা গেল, ভয়ঙ্কর সাপটি মুহূর্তের মধ্যে কোথায় যেন উধাও হয়ে গেল! ফলে সকলের পেরেশানী দূর হলো এবং তারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল।
প্রিয় মা ও বোনেরা! আপনারা যারা স্বামীকে কষ্ট দেন, কটুবাক্য বর্ষণে জর্জরিত করেন, মুখে যা আসে তাই বলেন; স্বামীকে মানেন না, তার কথামত চলেন না, তার আনুগত্য করেন না, তাকে শ্রদ্ধা করেন না, সম্মান করেন না, আলোচ্য এই সত্য ঘটনাটি পাঠ করে এ ব্যাপারে একটু ভাববেন কি? নিজের ভবিষ্যৎ পরিণতি সম্পর্কে একটু চিন্তা করবেন কি? হ্যাঁ, যদি ভাবেন, যদি চিন্তা করেন, যদি স্বামীর সাথে সকল প্রকার অসদাচরণ পরিত্যাগ করতে পারেন, যদি অতীতের সকল ভুলের জন্য আজই স্বামীর পায়ে ধরে মা চেয়ে মা মঞ্জুর করাতে পারেন তাহলে আমি মনে করি, আপনি নিজের উপর বড় রহম করলেন, বড় এহসান করলেন এবং আমার বিশ্বাস, এই পথ ধরেই আপনি সফলতার দ্বারপ্রান্তে উপনীত হতে পারবেন। কায়মনোবাক্যে দোয়া করি, আল্লাহ পাক যেন আপনাকে সকল প্রকার অহমিকা পরিত্যাগ করে স্বামীর কাছে মা চেয়ে তাকে সন্তুষ্ট করার তাওফীক দান করেন। আমীন। আর হ্যাঁ, আরেকটি জরুরি কথা মনে রাখবেন, স্বামীর কাছে মা চাইলে স্ত্রীর সম্মান হ্রাস পায় না, বরং বাড়ে। আজ পর্যন্ত কোনো নারী একথা বলতে পারিনি যে, স্বামীর কাছে মাফ চেয়ে তার সম্মান ও মর্যাদা কমেছে কিংবা সে ঠকেছে। তাই আবারও দোয়া করি, আল্লাহ পাক আপনাকে সঠিক বুঝ নসীব করুন। আমীন। [সূত্র : মালফুযাতে ফকীহুল উম্মত, খণ্ড : ১, পৃষ্ঠা : ৭০]
পরা শেষ হলে শেয়ার করে সকল কে পড়ার সুযোগ করে দিতে ভুলে যাবেন না ।
03/09/2013
some books in our library ......
01/08/2013
01/08/2013
fnds ma k khokhno kosto dio na.....
{{শাস্তি}}
হাওড়া জিলা স্কুলের
একটি ক্লাসরুম ,একটু
বেটেখেটো স্বাস্থ্য ভালো এক
ছেলে এসে ক্লাসে ঢুকল , এত
গরমেও ছেলেটির গায়ে কোট,
এমনিতেই একটু মোটাসোটা আজকে দেখতে হয়েছে আ
তাকে দেখে হাসাহাসি শুরু
করেছে ছেলেরা ,
তবে ছেলটি চিন্তামগ্ন , আজ তার
বুকটা ভয়ে ঢিব ঢিব করছে , কখন
ডাক আসবে স্যারের , তারপর পিটুনি , কারণ গতকাল যাদের
সে মেরেছিল , তারা নিশ্চয়
নালিশ জানিয়েছে শিক্ষকের
কাছে , অবশেষে ডাক এল , শিক্ষক
তাকে যতই প্রশ্ন করেন , ততই
ছেলেটা নিজেকে গুটিয়ে ফেলে , কোন জবাব দেই না , শিক্ষক
গেলেন রেগে ,রেগে গায়ের কোট
ধরে টান মারলেন, অবাক কান্ড ,
কোটের ভিতর থেকে বেরিয়ে এল
শাড়ি , সারা গায়ে জড়ানো , তার
উপর শার্ট , শার্টের উপর কোট ,স্যারের মারের হাত
থেকে বাচঁতে এই গরমেও এত কাপড়
পরে এসেছে সে ,
পুরো ক্লাসে হাসির রোল
বয়ে গেল , স্যার আর কী বিচার
করবেন ! তিনিও হেসে ফেললেন তার দুষ্ট ছাত্রের কান্ড দেখে ,
ছেড়ে দিলেন তাকে , এই ছোট্ট
ছেলেটি ই হলেন
বাংলা ব্যাকরনের অন্যতম জনক
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
পড়ার জন্য অনুরোধ রইল !!
ছোটবেলায় স্কুলের পরীহ্মায় ফার্স্ট হলেই আব্বু স্পেশাল
কিছু কিনে দিতো।ক্লাস এইটে যখন ফার্স্ট হলাম তখন
বাসায় এসে আব্বুকে খুঁজলাম ,উদ্দেশ্য একটি গান শোনার
জন্য ওয়াকম্যান আদায়।
আম্মুর কাছে শুনলাম আব্বু বাজারে গেছেন ঔষধ আনতে।
আমিও এক ছুটে আব্বুর কাছে গিয়ে হাজির।
আমাকে দেখেই আব্বু বুঝে ফেল্লো ফার্স্ট হয়েছি :)
আমার কপালে চুমো খেয়ে বলঃ) "ব্যাটা কি চাস ? বলে ফেল "
বললাম আব্বু ওয়াকম্যান কিনে দাও,গান
শুনবো হেটে হেটে কানে তার ঝুলিয়ে :)
দোকানে গিয়ে আমার যেইটা পছন্দ হলো সেটা না নিয়ে আব্বু
একটু কম দামি একটা কিনে দিলো,বলল এটাই ভালো বেশি।
আমি একটু মন খারাপ করে ঐটা নিয়ে বাসায় ফিরলাম।
রাতের বেলায় দেখি আব্বু শুয়ে আছে ,শরীর নাকি খারাপ
করেছে প্রেশার বেড়েছে।
আম্মু বলছে "প্রেশারের ঔষধ না আনতে গেলে ঔষধ কই ? "
আব্বু বলল "নাদিম যে বাজারে যাবে আমি জানতাম না,ওর
ওয়াকম্যান কিনতে গিয়ে টাকা ছিলো না" ।
এমন সময় আমি দাঁড়িয়ে আছি দেখে আব্বু কাছে ডেকে বলল
বাবা একটা গান ছাড় দেখি কেমন চলে তোর ওয়াকম্যান?
আমি বললাম আব্বু আমার ওয়াকম্যান তো কাল ও
কিনতে পারতাম।তুমার ঔষধ কিনলে না কেন? আব্বু
কেদে ফেললো ।
বললাম খারাপ লাগছে আব্বু ?
বাবা যে একটা সংসারে সবার মাথার
উপরে কিভাবে ছায়া হয়ে থাকেন সেটা বলে বুঝানো সম্ভব নয়।
পৃথিবীর সকল বাবাদের জন্য বিনম্র শ্রদ্ধা....
।। একটি মোমবাতির কাহিনী ।।
মোমের আলোয় কাজ করছিলেন
খলিফা উমর (রাঃ) । এমন সময়
সেখানে আসলেন তার দুই আত্মীয় ।
খলিফা তাড়াতাড়ি ফুঁ
দিয়ে মোমবাতিটি নিভিয়ে দিলেন।
অন্য
আরেকটি মোমবাতি ধরিয়ে অতিথিদের
বসতে দিয়ে তাদের খোজখবর নিলেন ।
কৌতুহল চাপতে না পেরে একজন
জানতে চাইলেন ,
আমাদের দেখে কেন আপনি আগের
মোমবাতি নেভালেন আর নতুন
একটি জ্বালালেন ?
খলিফা জবাব দিলেন : আগের
মোমবাতি ছিল রাষ্ট্রের
সম্পত্তি থেকে কেনা ।তোমরা যেহেতু
আমার আত্মীয় , তাই তোমাদের
সাথে আমার ব্যক্তিগত অনেক আলাপ
হবে ।আমার নিজের
কাজে জনগণের আমানত থেকে আমি কিছু
খরচ করতে পারি না । তাহলে আল্লাহর
দরবারে আমাকে জবাবদিহি করতে হবে ।
তাই
নিজের টাকায়
কেনা মোমবাতিটি তোমাদের
দেখে জ্বালালাম ।
এই জবাবে আত্মীয়রা হতভম্ব হলেন ।
তারা এসেছিলেন আত্মীয়তার
খাতিরে বিশেষ কোন
সুবিধা পাওয়া যায় কি না , সেই অনুরোধ
করতে । কিন্তু সামান্য
মোমবাতি নিয়ে খলিফার এত
বিবেচনা ও সতর্কতা দেখে নিজেদের
প্রস্তাব জানাতে তারা আর সাহসই
করলেন না ।
আরেকবার খলিফার কাছে এক লোক অবৈধ
সুবিধা চায় ।
খলিফার সামনে রাখা কিছু কাঠে তখন
আগুন জ্বলছিল।
খলিফা বললেন, ঠিক আছে । তুমি এই
আগুনের ভিতর তোমার হাত কিছু সময়ের
জন্য রাখো;তারপর
তোমার অনুরোধ আমি বিবেচনা করবো ।
লোকটি ভয় পেয়ে বললো,
হে খলিফা ; এই আগুনে হাত ঢুকালে আমার
হাত তো জ্বলে যাবে ।
খলিফা বললেন ,তুমি দুনিয়ার এই
সামান্য আগুনকে ভয় পাচ্ছ অথচ
আমাকে তুমি দোযখের অনন্ত আগুনের
ভিতরে নিয়ে যেতে চাও ?
তদবিরকারী নিজের ভুল
বুঝতে পেরে ফিরে যায়।
আল্লাহ আমাদের হেদায়েত নসিব করুক
(আমিন)
ভাল লাগলে পোস্টটি আপনার
প্রোফাইলে শেয়ার করতে পারেন...