শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক স্মৃতি পাঠাগার।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক স্মৃতি পাঠাগার।

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক স্মৃতি পাঠাগার।, Library, Bishnupur, Cumilla.

16/11/2020

এ গ্রহের অনেক মানুষ আপনাকে মনে রাখবে, যারা আপনাকে জেনেছে,যারা আপনার শৈল্পিক সৃষ্টি দেখেছে,শুনেছে। আমরা আপনাকে বারবার জীবন্ত দেখবো ফেলুদা, অপু, মাষ্টারমশাই আরো কতোনা চরিত্র দিয়ে।

28/06/2020

#সাবির_হাকা। ইরাণের একজন নির্মাণ শ্রমিক ও #কবি। জন্ম ১৯৮৬ সালে। ইরাণের পশ্চিম প্রান্তে #কারমানশা প্রভিন্সে। এখন থাকেন ইরাণের তেহরানে। নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে সেখানে কর্মরত। সাবির একই সাথে নির্মাণ শ্রমিক ও কবি। সাবিরের কবিতা আমাদের বিবেকের দরজায় প্রবল ঝাঁকুনি দেয়। থর থর করে কাঁপিয়ে দেয়। সাবিরের কবিতায় অন্য এক ধূসর পৃথিবীর ছবি – সব দেশের শোষিত নিপীড়িত মজদুর জীবনের প্রায় অনুচ্চারিত কথন, অন্য মাত্রায়, অনন্য গভীরতায়।
সাবির বলেছেন, তেহরানে ঘুমোবার মত তাঁর কোন জায়গা নেই। কখনো সারা রাত হেঁটে হেঁটে ঘুরে বেড়ান। অনেকের মত তাঁরও কোন সামাজিক সুরক্ষা নেই। দারিদ্রকে আলাদা করে তাঁকে চিনতে হয় নি। জীবনের গোড়া থেকেই দারিদ্রের বিরুদ্ধে কঠোর সংগ্রাম ছিল, আজও তা অব্যাহত।
ইতিমধ্যে দুটি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। একটি প্রতিযোগিতায় ২০১৩ সালে ইরানের শ্রমিক-কবি হিসাবে তিনি প্রথম স্থান অধিকার করেন।

একটি সাক্ষাৎকার-এ সাবির বলেছিলেন, “আমি ক্লান্ত। বড়ই ক্লান্ত। আমার এই ক্লান্তি আমার জন্মের আগে থেকেই ছিল। আমার মা আমাকে পেটে ধরার সময়ে লাগাতার মজদুরী করেছিলেন, সেই তখন থেকেই আমি মজদুর ব’নে গেছি। আমি আমার মায়ের ক্লান্তি অনুভব করি। মা’র ক্লান্তি যেন এখনো আমার শরীরে লেগে আছে।”

সাবিরের কিছু কবিতা ‘ #আয়নানগর’ বইমেলা সংখ্যা ২০১৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। ‘আয়নানগর’ পত্রিকাকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সাবিরের কিছু কবিতা এখানে তুলে ধরলাম।

#তুঁতফল
====
“আপনি কি কখনো তুঁতফল দেখেছেন?
যেখানে পড়ে, সেইটুকু মাটির ওপর
ওর লাল রসের দাগ হয়ে যায়
পড়ে যাবার মতো যন্ত্রণাদায়ক আর কিছু নেই
আমি কত মজদুরকে দেখেছি
বড় বড় ইমারত থেকে পড়ে যেতে…
আর পড়ে গিয়ে,
ঠিক তুঁতফল হয়ে যেতে….”

#সরকার
====
পুলিশ আমাকে খুঁজছে …
আমি কাউকে খুন করিনি
এমনকি সরকারবিরোধী কোনো লেখাও লিখিনি!
শুধু তুমি জানো আমার প্রিয়তমা
জনতার পক্ষে কি ভয়ঙ্কর ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে,
যদি সরকার শুধু এই জন্যে ভয় পায় আমাকে
যে আমি একজন মজদুর!
যদি আমি বিপ্লবী বা বিদ্রোহী হতাম, তাহলে?
কি করতো এরা তাহলে?
তবুও বলি, সেই বাচ্চাটার জন্যে
পৃথিবীটা আজও খুব একটা বদলায়নি
যে স্কুলের প্রত্যেকটা বই এর প্রচ্ছদে
নিজের ছবি দেখতে চেয়েছিল…

#ঈশ্বর
===
ঈশ্বরও নিশ্চয় একজন মজদুর!
ঈশ্বর যেন সর্বশ্রেষ্ঠ ঝালাই মিস্ত্রী
গোধূলি-আলোতে ঈশ্বরের চোখ লাল হয়ে ওঠে,
যেন জ্বলন্ত কয়লা
আর রাত্রি পর্যন্ত শতছিদ্র হয়ে যায় তাঁর জোব্বা!

#ঘর
==
তোমরা যদি বলো, সারা দুনিয়াকে আমি ওই নামে ডাকতে পারি!
দুনিয়ার সব দেশ, সব গ্রামকেও ডাকতে পারি ওই নামে।
আর আকাশ? হ্যাঁ তাকেও দিতে পারি ওই নাম!
সারা ব্রহ্মাণ্ডের সমস্ত কিছুকে ওই নাম ধরে ডাকতে,
এক মুহূর্তও দ্বিধা করবো না আমি!
কিন্তু দোহাই তোমাদের!
তেহরান এর ভাড়া করা জানলাবিহীন এই কালকুঠরীকে
তোমরা ওই নামে ডাকতে বোলো না !
আমি একে ঘর বলে কিছুতেই ডাকতে পারবো না!

#বন্দুক
===
ওরা যদি বন্দুক আবিষ্কার না করতো
কত মানুষ বেঁচে থাকতো আজ!
যাদেরকে দূর থেকেই মেরে ফেলতে পারলো ওরা!
শুধু তাই নয়, আমার মনে হয়,
আরও অনেককিছুই অনেক সহজ হতো।
মজদুরের যে আসলে কতটা শক্তি,
তাও ওদেরকে বোঝানো সহজ হতো!
যদি বন্দুকের আবিষ্কার না হতো…….

#কেরিয়ার_নির্বাচন
==========
ব্যাঙ্কের সাধারণ একজন কর্মচারি হওয়া আমার দ্বারা হত না
খাবার দাবার ফেরি করা সেলসম্যানও না
কোন পার্টির নেতা হওয়াও আমার কম্ম নয়
ট্যাক্সি ড্রাইভার তো নয়ই
প্রচারে লেগে থাকা মার্কেটিং এর বান্দাও আমি নই
আমি শুধু চাইতাম
শহরের সবথেকে উঁচু জায়গাটায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখব
নিচের ঝলমলে বাড়িগুলোর মধ্যে কেমন দেখায় ওই মেয়ের ঘর
যাকে আমি ভালবেসেছি
তাই শেষমেশ ঢালাইয়ের মজদুর হয়ে গেলাম…

#আমার_বাবা
======
বাবার ব্যাপারে কিছু বলার সাহস যদি করে উঠতে পারি
তাহলে বিশ্বাস করুন,
বাবার জীবনে আনন্দ বলে কখনোই তেমন কিছু ছিল না
এই লোকের জীবন নিজের পরিবারের জন্য নিবেদিত ছিল
পরিবারের ঘাটতি যাতে লোকচক্ষুর আড়ালে থাকে
সেজন্য নিজের জীবনকে কঠিন, বন্ধুর বানাতে দ্বিধা করেননি তিনি
আর আজ
যখন আমার কবিতা ছাপা হয়ে বেরোয়
শুধু একটা কথা ভাবলেই মাথা হেঁট হয়ে যায় লজ্জায় –
বাবা আমার পড়তে পারেন না।

#আস্থা
==
আমার বাবা শ্রমিক ছিলেন
আস্থাবান, নিষ্ঠাবান শ্রমিক
যখনি উনি নামাজ পড়তে বসতেন
(আল্লাহ) ওঁর হাতদুটো দেখে লজ্জিত হতেন

#মৃত্যু
==
এক রাতে মা বলল
সে নাকি জানে মৃত্যুকে কেমন দেখতে
তার নাকি ইয়াব্বড় ঘন গোঁফ
আর চওড়া সুগঠিত কাঁধ, যেন কোন বডিবিল্ডার
সেই রাত থেকে আমার নিষ্পাপ নিরীহ মা’কে
আমি সন্দেহের চোখে দেখি

#বন্ধুত্ব
===
আমার সাথে (ঈশ্বরের) বন্ধুত্ব হয়ে ওঠেনি
তার কারণ একটাই
বহুদিন আগে ঘটা একটা ঘটনা;
তখন আমাদের ছয় জনের পরিবার
একটা ছোট্ট কামরায় কোনমতে চাপাচাপি করে থাকত
অথচ (ঈশ্বর) থাকত একটা বিশাল বাড়িতে
একেবারে একা।

#বর্ডার
===
কাফন যেমন লাশকে ঢেকে রাখে
বরফও অনেক কিছুকে ঢেকে দেয়।
ইট কাঠের কংকাল বেরিয়ে পড়া বাড়ি,
গাছ, কবর সবকিছুকেই সাদা চাদরে ঢেকে দেয় বরফ
শুধু বরফই পারে
দুনিয়ার সকল বর্ডারকে সাদা রঙে রাঙিয়ে দিতে।

#একমাত্রভয়
=======
যখন আমি মারা যাবো,
সঙ্গে নিজের সব প্রিয় বই নিয়ে যাবো আমি!
আমার কবর-বাড়ি ভরে দেব তাদের ছবি দিয়ে,
যাদের আমি সীমাহীন ভালোবাসি।
ভবিষ্যতের কোনো দুশ্চিন্তাই আমার সেই নতুন বাড়িতে থাকতে পাবে না!
আমি শুয়ে থাকবো বেফিকির,
সিগারেটের পর সিগারেট জ্বালাবো
আর ফুঁপিয়ে উঠবো তাদের কথা ভেবে,
যে সব মেয়েদের আমি কখনো ভালোবেসেছিলাম,
আর যাদের জড়িয়ে ধরে বাঁচতে চেয়েছিলাম!
এই সমস্ত সুন্দর ভাবনার ভেতরেও শুধু একটা মাত্র ভয় থেকে যাবে কোথাও!
যদি কোনো এক দিন, ভোর না হতেই,
কেউ আমার কাঁধে ধাক্কা দিয়ে উঠিয়ে আমায় আবার বলে,
“চল রে সাবির! কাজে বেরোতে হবে!”

পুনশ্চঃ-আমার কবি বন্ধু যারা অনেক কবিতা লেখেন,তাঁদের অনুরোধ করব কবিতা গুলো পড়তে।বিশেষ করে যাঁরা দশদিনে দশটি শ্রেষ্ঠ কবিতার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছেন।

©সংগৃহীত।

07/10/2019

আবরার কোনো কটূক্তি করেনি, কোনো প্রধানমন্ত্রী নিয়ে কথা বলেনি। শুধু যুক্তি তথ্য দিয়ে ভারতের সাথে বাংলাদেশের চুক্তিতে নিজের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এই উদ্বেগ আমাদেরও। কারও ভিন্নমত থাকলে বা তথ্য যুক্তিতে ভুল থাকলে সে এর জবাবে দশটা স্ট্যাটাস দিতে পারতো। না, তাদের হাত নিশপিশ করে। কারণ তাদের কাজই হলো লাঠিয়াল হিসেবে হুমহাম করা, পেশী দেখানো। জোরজবরদস্তি করে ক্ষমতায় থাকতে চাইলে লাঠিয়াল বাহিনী লাগে, সে উর্দিপড়া হোক বা না হোক। তাদের কাজই ভিন্নমতের মানুষদের পিটিয়ে তাকে এবং অন্যদের শিক্ষা দেওয়া, প্রভুকে সন্তুষ্ট করা। মারতে মারতে কিংবা চাপাতি দিয়ে মেরে ফেলা তাই তাদের জন্য একইসঙ্গে খেলা এবং দায়িত্ব। ক্রসফায়ারও তাই। এটাই চলছে রাষ্ট্রের সকল পর্যায়ে।বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও তার অন্যতম চর্চাকেন্দ্র।

বুয়েটের আবরার এই তান্ডবের সর্বশেষ শিকার। তার শেষ কথা আজ আমরা সবাই জানি। দেশের সর্বনাশে ক্ষুব্ধ আবরার অসংখ্য মানুষের উদ্বেগ প্রকাশ করার অপরাধে নিহত হয়েছে। আবরারের জন্য তাই অসংখ্য মানুষকেই দাঁড়াতে হবে।

আনু মুহম্মদ

01/10/2019

#আইডেন্টিটি_কার্ড// মাহমুদ দারবীশ ১৯৬৪
ইংরেজি থেকে অনুবাদ: মাজহার জীবন

লেখো
আমি এক আরব
আমার আইডেন্টিটি কার্ড নম্বর পঞ্চাশ হাজার
আমার এখন আট সন্তান
আর নবমটা কোনো এক গ্রীষ্মের পর ভূমিষ্ঠ হবে
আপনি কি রেগে যাবেন?

লেখো
আমি একজন আরব
পাথরখনিতে শ্রমিকদের সাথে কর্মরত
আমার আট সন্তান
পাথর থেকে
আমি তাদের অন্ন
পোষাক আর বই জোগায়--
তোমার কাছে সাহায্য মিনতি করি না
তোমার দরজায় গিয়ে নিজেকে ছোটও করি না
তুমি কি রেগে যাবে?

লেখো
আমি একজন আরব
আমার নামে কোন পদবী নাই
দেশের মানুষ যেখানে অস্থির
সেখানে আমি শান্ত
পাইন জন্মের আগে
অলিভ গাছ জন্মের আগে
ঘাস গজানোর আগে
যুগের সুচনার আগে
এমনকি সময়েরও জন্মের আগে
আমার শেকড় এখানে প্রোথিত।

আমার পিতা ---
কোনো সুবিধাবাদী শ্রেণির না
বরং কৃষক পরিবারের উত্তরাধিকার
আর আমার পিতামহ--- ছিলেন কিষাণ
ধনী ছিলেন না, ক্ষণজন্মাও না!
লেখাপড়া শেখার আগেই
সূর্যকে নিয়ে গর্ব করা শিখিয়েছেন।
বেত আর গাছের ডালে তৈরি আমার বাড়ি
যেন চৌকিদারের কুঠি।
আমার সামাজিক মর্যাদা নিয়ে খুশী তো?
আমার একটা নাম আছে তবে কোনো পদবী নাই!

লেখো
আমি একজন আরব
তোমরা চুরি করেছ আমার পূর্বপুরুষের ক্ষেত।
এমনকি সন্তানদের নিয়ে
যে জমি আবাদ করতাম তাও নিয়েছো দখলে
এই পাথর ছাড়া
আমাদের জন্য কিছুই অবশেষ রাখোনি---
তাহলে দেশ কি আমায় ফেরত দেবে
যা হারিয়েছি?

আর তাই!
প্রথম পাতার একদম উপরে লেখো:
আমি মানুষকে ঘৃণা করি না
আমি দখলদারও নই
কিন্তু আমি যদি ক্ষুধার্ত হই
দখলদারের মাংস হবে আমার খাদ্য
হুশিয়ার----
হুশিয়ার---
হায়রে আমার ক্ষুধা!
হায়রে আমার ক্রোধ!
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
মাহমুদ দারবীশ ( মার্চ ১৩, ১৯৪১- আগস্ট ৯, ২০০৮) প্যালিস্টাইনের জাতীয় কবি হিসেবে স্বীকৃত। ইজরাইলের অনেকগুলো সাহিত্য ম্যাগাজিন সম্পাদনা করেন। বৈরুতে প্যালেস্টাইন লিবারেশন আর্মি (পিএলও) তে যোগদানের আগের ইজরাইলের কমিউনিস্ট পার্টি রাকাহ এর সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে মস্কো যান। সেখান থেকে ১৯৭১ সালে কায়রো যেখানে তিনি দৈনিক আল-্আহরাম পত্রিকায় কাজ করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি বৈরুতে মাসিক প্যালেস্টাইন অ্যাফেয়ার্স সস্পাদনা করেন এবং পিএলওর প্যালেস্টাইন রিসার্চ সেন্টারের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। লেবানন যুদ্ধের সময় তিনি রাজনৈতিক কবিতা কাসিদাত বৈরুত এবং মাদিহ আল-জিল আল-আলি লেখেন। দারবীশ ১৯৮৭ সালে পিএলও নির্বাহী কমিটিতে নির্বাচিত হন। ১৯৮৮ সালে তিনি প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতা ঘোষণার #ম্যানিফেস্টো লেখেন। ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তি সাক্ষর হওয়ার পর তিনি পিএলও নির্বাহী কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন।
প্রাপ্ত পুরস্কারেরর মধ্যে উল্লেখযোগ্য লোটাস প্রাইজ, লেনিন শান্তি পুরস্কার, ফ্রান্সের দি নাইট অব দি অর্ডার অব আর্টস এন্ড লেটারস।
১৯৬৪ সালে লেখা উপরের অনূদিত কবিতাটি ২০১৬ সালের জুলাই মাসে গ্যালেই গাজালে ব্রডকাস্ট হলে ইজরাইলে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয় এবং ইজরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এভিগডোর লিবারম্যান একে হিটলারের মাইন ক্যাম্পের সাথে তুলনা করেন।

22/09/2019

~ ছেলেকে না-বলা রূপকথা ~

তোর বার্থডে কেকের ’পরে
দাতাসংস্থার শাদা ছাতা
মা দূর অভিবাসী মন
বাবা এক রুগ্ন করদাতা

উহাদের সিভিল বিবেক
ভেদ-বিভেদের মনোগ্যামি
তুই তার মূর্ত মশকরা
তারা তোর হাসির আসামি

বাকি সব টেলি-রিয়েলিটি
প্রেম, দেনমোহরের ডিউ
লোন তুলে মাইক্রো ক্রেডিটে
তোর মাকে বলি, লাভ ইয়্যু!

বলি ভেঙ্গে, ইনস্টলমেন্টে
ডেডলাইনের আগে-আগে
কর্পোরেট প্রতিভাসমেত
সেও শোনে সহজ বিরাগে

ভোরে হাহাকার, দুপুরে বার্গার
রাতে ফিরে দেখি তোর জ্বর
ভাবি, এই চুপসানো গ্রহে
কেন যে জন্ম হল তোর!

থরথর থার্মোমিটারে
তার-ই পাঠ, পারদ-আলাপ
মাপছে মা ফারেনহাইটে
আর সেন্টিগ্রেডে কাঁপে বাপ!

সুমন রহমান ।

24/08/2019

রোজীর লেখা-

অ্যামাজন পুড়ছে, নিরোরা বাঁশি বাজিয়েই চলেছে।

সাতশত কোটি লোকের দুনিয়ায় প্রত্যেকটা দেশের জন্য একজন করে মোট দুইশত নেতা আমরা তৈরী করতে পারি নি যারা নিজেদের দেশকে বদলে দেবে। বিশ্বব্যাপী মুক্তিকামী মানুষ অসংখ্য কিন্তু প্রায় দু'য়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় সবদেশে হিটলারের উত্তরসূরীদের রাজত্ব, যাদের মনে না আছে প্রকৃতির জন্য ভালোবাসা, না আছে মানুষের জন্য প্রেম। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে এঁদের প্রায় সকলের আছে সীমাহীন লোভ, অপার ক্ষমতালিপ্সুতা, আছে গোঁড়া সাম্প্রদায়িকতা, অন্যকে সহ্য করতে না পারার মত হিংস্র জাতিবিদ্বেষ, আছে যতদূর-চোখ-যায় ততদূর দখল করার দুর্নিবার মনোবাসনা। কেউ কেউ আইন করে তাদের সম্মান করতে বাধ্য করে, অথচ এটুকু বুঝতে পারে না মাথার ওপর প্রায় দেড়যুগকাল খাঁচাবন্দি করার ভয় দেখি সম্মান পাওয়ার চেয়ে অন্যের গালমন্দও শ্রেয়। কে বোঝাবে তাদের যে সম্মানের কতটুকু খোয়ালে এরকম আইন করে সম্মান পেতে হয় এবং কতটা মানবিক পতন হলে এমন আইনের কথা কল্পনা করা সম্ভব!

সারাবিশ্বের মানুষকে এইসব লোকের হাতে ছেড়ে দিয়ে নির্ভাবনায় থাকা যায় না। এরা ধর্ম বিক্রি করে, নারীর নিরাপত্তার বিক্রি করে অন্যের অধিকার বিক্রি করে ভয়ের জুজু দেখিয়ে তার ওপর ভিত গড়ে শোষণের হাতিয়ারের।

ওদিকে তুমুলবেগে অ্যামাজন পুড়ছে ভীষণ নিসঙ্গতায়, এদিকে আমাদের মন পুড়ছে অ্যামাজনের সঙ্গে সঙ্গে। দিগ্বিদিকশূণ্য হয়ে ছুটছে-পুড়ছে বনের সন্তান আদিবাসীরা, পুড়ছে বন্য প্রাণী-কীটপতঙ্গ- আদিবাসী মাছ, শামুক, আদিবাসী গাছ। দূরথেকে হাহাকার করছে আমাদের আদিবাসী মন। একদিন এখানকার সুন্দরবন পুড়বে, সেখানকার ধোঁয়ায় উড়বে উন্নয়নের বাণী। অথচ আশ্চর্য এত উত্তাপ যে আগুনের তা বস্তি পোড়ায়, বন পোড়ায় কিন্তু হিটলারদের সিংহাসন পোড়ায় না। শোষক শোষণে এত মরিয়া যে নিজের শরীরের মাংশ ভক্ষণের খবরটাও জানতে পারে না; পুরো শরীর খেয়ে ফেলার পর যখন হুঁশ হবে তখন খাওয়ার কিছুই থাকবে না, থাকবে শুধু জিহ্বাটা।

23/02/2019

I am odd, I am new.
I wonder if you are too.
I hear voices in the air.
I see you don’t, and that’s not fair.
I feel like a boy in outer space.
I touch the stars and feel out of place.
I worry what others might think.
I cry when people laugh, it makes me shrink.
I am odd, I am new.
I understand now that so are you.
I say, “I feel like a castaway.”
I dream of a day that that’s okay.
I try to fit in.
I hope that someday I do.
I am odd, I am new

একটি অটিজম বালকের কবিতা

12/02/2019

" ভোর ছয়টার সময় পেট্রলপা‌ম্পের কা‌ছে ঠেলাগা‌ড়ি‌তে বরফ ফে‌রিওয়ালার পে‌টে ছু‌রি ঢুকি‌য়ে দেয়া হল। সকাল সাতটা পর্যন্ত লাশ রাস্তায় প‌ড়ে রইল। ঠেলা থে‌কে বরফ গ‌লে গ‌লে পা‌নি হ‌য়ে পড়‌তে থাকল। সোয়া সাতটা বাজ‌লে পু‌লিশ লাশ উঠি‌য়ে নি‌য়ে গেল। বরফ অার রক্ত রাস্তায়ই প‌ড়ে রইল। পাশ দি‌য়ে একটা টাঙ্গা যা‌চ্ছিল তাতে বসা ছোট একটা বাচ্চা রাস্তায় জ‌মে থাকা উজ্জ্বল থকথ‌কে র‌ক্তের দি‌কে তাকাল। ওর জি‌বে জল এসে পড়ল সে তার মা‌য়ের হাত টে‌নে অাঙুল দি‌য়ে সে‌দি‌কে দে‌খি‌য়ে বলল: দে‌খো মা, জে‌লি! "

‘মান্টোর ছোট গল্পের অংশবিশেষ’

বই : কালো সীমানা
লেখক : সাদাত হোসেন মান্টো
ভাষান্তর : জাভেদ হুসেন

06/02/2019

তিনটা মশা মরছে দিনে বাসচাপায়
তিনশ মশা দিনদুপুরে দেশ কাঁপায়

তিনশ তিনটা বুদ্ধিজীবী ভাবছে তাই
এমন দেশে কেমন জাতের মন্ত্রী চাই

তিনশ তিনটা যুক্তিবাদী টকশোতে
তিনশ তিনটা যুক্তি দিল মাঝরাতে

তিন-পুরুষে যাদের কোনো লজ্জা নাই
এমন দেশে তেমন জাতের মন্ত্রী চাই

তিনশ ত্রিশটা চেয়ার ভরা পার্লামেন্ট
তিনশ ত্রিশটা বিশ্ববেহায়া সেন্টিমেন্ট

তিনশ ঘণ্টা ডিবেট শেষে বুঝল তাই
সংবিধানে মশা মারার বিচার নাই।

ছড়াকার- মোক্তার হোসেন।

Want your business to be the top-listed Government Service in Cumilla?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Bishnupur
Cumilla
3500