27/12/2018
কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে দেশের জন্য তৈরী হতে হবে -শিবির সভাপতি
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত বলেন, বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়তে হলে সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরীক এবং নেতৃত্বের প্রয়োজন। আজকের কিশোর-তরুণ মেধাবীদের থেকেই আগামী দিনের কাঙ্খিত মানের নেতৃত্ব তৈরী হতে হবে। তাই দেশ ও জাতির প্রয়োজনকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে দেশের জন্য তৈরী হতে হবে।
তিনি আজ রাজধানীর এক মিলনায়তনে ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী পূর্ব শাখার উদ্যোগে জেএসসি, জেডিসি, প্রাথমিক ও এবতেদায়ী পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের জন্য তাৎক্ষণিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এসময় কেন্দ্রীয় ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক সোহেল রানা মিঠু, মহানগরী সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন হেলালী, এইচ আর ডি সম্পাদক কেএম আশরাফুল ইসলাম, স্কুল সম্পাদক মাহফুজুর রহমান শুভ, প্রচার সম্পাদক মাসুদুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শিবির সভাপতি বলেন, হাজারো বাধাকে জয় করে তোমরা জীবনের প্রথম পদক্ষেপে সফলতার মুকুট পড়েছো। তোমাদেরকে উন্নত দেশ বিনির্মাণে অনেক দূর এগিয় যেতে হবে। মূলত মেধাবীরাই দেশকে গড়বে এবং এগিয়ে নিবে। তবে ব্যক্তিকে মেধার সাথে নৈতিক দিক থেকেও শক্তিশালী হতে হবে। মেধা ও নৈতিকতাসম্পন্ন নেতাই দেশকে সুখী, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে গড়তে পারবে। মেধা ও নৈতিকতার সমন্বয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহর (সাঃ) আদর্শিক শিক্ষাই তোমাদের জন্য হাতিয়ার। প্রিয় রাসূল (সাঃ) অসহায় বঞ্চিত, নিপীড়িত মানুষের পাশে এসে ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে আদর্শ সমাজ বিনির্মাণ করেছিলেন। তোমাদের ছাত্রসমাজ ও মানবতার কল্যাণে সেই আদর্শ সমাজ বিনির্মাণ করতে হবে।
তিনি বলেন, সমাজের অসংখ্য মেধাবীরা আছে যারা সততার গুণে গুণান্বিত না হওয়ার কারণে দুর্নীতির মাধ্যমে দেশকে পতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। যা কোন ভাবেই কাম্য নয়। এ অবস্থার পরিসমাপ্তি ঘটাতে হবে। ছাত্রশিবির মেধা ও নৈতিকতার যোগসূত্র স্থাপনের মাধ্যমে দেশ ও জাতির জন্য কাঙ্খিত নেতৃত্ব তৈরিতে নিরলস পরিশ্রম করছে। ভবিষ্যতেও শিবির তার গঠনমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে এই কাজ আরো জোরালো গতিতে চালিয় যাবে ইনশাআল্লাহ।
27/12/2018
শেষ দিনের মত অফিস করলেন শেখ হাসিনা
এটাই যেনো শেষ অফিস হয়....
সবাই মোনাজাত ধরেন।
আমিন
13/12/2018
আওয়ামী বাকশালী সরকারের দুঃশাসন ও আগামি নির্বাচনের সকল তথ্য পেতে পেইজটিতে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন।
www.Facebook.com/Digitalbasherkella
ডিজিটাল বাঁশেরকেল্লা
সত্য ও ন্যায়ের পথে,
অবিরাম পথ চলাই আমাদের লক্ষ্য।
12/12/2018
নোয়াখালী জেলা দক্ষিণ সভাপতিসহ সারাদেশে ছাত্র নেতৃবৃন্দের উপর হামলা ও গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
ছাত্রশিবির নোয়াখালী জেলা দক্ষিণ সভাপতি ইয়াকুব হোসাইনসহ সারাদেশে ছাত্র নেতৃবৃন্দের উপর হামলা ও গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত ও সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসাইন বলেন, আসন্ন নির্বাচনে নিজেদের করুন পরাজয় হবে বুঝতে পেরে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে অবৈধ সরকার। দেশের মুক্তিকামী জনতাকে দমন করতে সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে সারাদেশে গণগ্রেফতার ও নির্যাতন চালাচ্ছে। আজ কোন কারণ ছাড়াই ছাত্রশিবির নোয়াখালী জেলা দক্ষিণ সভাপতি ইয়াকুব, জেলা ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ইয়াছিন রাশেদ, কোম্পানিগঞ্জ সাথী শাখা সভাপতি টিপুসহ জামায়াত শিবির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের ১নং রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের উনুখা ভোটকেন্দ্র এলাকায় পোস্টারিং করতে গেলে শিবিরের ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেনকে বেধরক মারধর করে যুবলীগ নেতা হাফিজুরের নেতৃত্বে ৬/৭ জন সন্ত্রাসী। গুরত্বর অবস্থায় তাকে স্হানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঢাকা মিরপুরে নির্বাচনের পোষ্টারিংয়ের সময় শিবির নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই ভাবে সারাদেশে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের উপর নির্বিচার গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। যা গত কয়েকদিন যাবত চলছে। পরিকল্পিত ভাবে সারাদেশে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের উপর ধরপাকড় চালাচ্ছে সরকার। সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ ছাড়া গণগ্রেপ্তার করে অবৈধ সরকার তার বিকৃত বাকশালী রুপ প্রকাশ করছে। অবৈধ ক্ষমতা হারানোর ভয়ে সরকার যে জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে তা তাদের আচরণে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী করার নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রতিদিন জামায়াত শিবির নেতাকর্মীসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের উপর গ্রেপ্তার, হামলা মামলা নির্যাতন হলেও নির্বাচন কমিশন অস্বাভাবিক নীরব ভূমিকা পালন করছে। এতে প্রমাণ হয় নির্বাচন কমিশনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ঘোষণা প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়ন করতে অবৈধ সরকার চূড়ান্ত অগণতান্ত্রিক আচরণ করছে। সরকার সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষার নামে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা জামায়াত শিবির নেতাকর্মীদের উপর নির্যাতন নিপিড়ণ চালাচ্ছে। এসব কর্মকান্ডে নির্বাচন কমিশনের নিস্ক্রিয়তায় প্রমাণ হয় এসব অরাজকতায় তাদের পরোক্ষ মদদ রয়েছে। নির্বাচন কমিশন এমন একপেশে দায়িত্বহীন ভূমিকা পালন করলে কোন ভাবেই একটি সুষ্ঠ নির্বাচন সম্ভব নয়। অবৈধ সরকারের সর্বগ্রাসী কর্মকান্ড ও নির্বাচন কমিশনের লজ্জাজনক ভূমিকায় মনে হচ্ছে দেশে আরেকবার ভোটাধিকার হরণের আয়োজন হচ্ছে। আমরা হুশিয়ার করে বলতে চাই, জনগণের ধর্য্যের বাধ ভেঙ্গে যাচ্ছে। মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে। জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে আবারো ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করা হলে এর পরণতি শুভ হবে না। অবিলম্বে গ্রেপ্তার নির্যাতন বন্ধ করে নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে। হামলাকারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় দেশে যে কোন সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তার জন্য অবৈধ সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে দায়ী থাকতে হবে।
12/12/2018
সবাই একটি করে ভোট দিবেন আশা করি
12/12/2018
আল্লাহর ওয়াস্তে জালিমদেরকে ভোট দিয়ে বা অন্য কোন ভাবে সহযোগিতা করে জুলুমের ভাগীদার হবেন না।
রাসূলুল্লাহ ( সা ) বলেছেন,
اتقوا الظلم فإن الظلم ظلمات يوم القيامة
"তোমরা জুলুম থেকে বেঁচে থাকো। কেননা জুলুম কিয়ামতের দিন জুলুমাত নিয়ে আসবে।"
আল্লাহ আমাদেরকে বুঝার এবং আমল করার তৌফিক দিক।
12/12/2018
আওয়ামীলীগ ভোট চাইতেছে নিজেদের বাঁচাতে,এবং ভবিষ্যতেও জুলুম অব্যাহত রাখতে।
আর ঐক্যপ্রন্ট ভোট চাচ্ছে দেশ ও জনগণ বাঁচাতে।
সিদ্ধান্ত আপনার কাকে বাঁচাবেন...!