ছোটবেলা ফাউন্টেন পেন আমার খুব বেশি প্রিয় ছিল।আমার বড় ভাই-বোনেরা যখন ফাউন্টেন পেন দিয়ে লিখত আমি চাতক পাখির মত চেয়ে চেয়ে দেখতাম আর মনে মনে কল্পনা করতাম আমিও ঝর্ণা কলম দিয়ে লিখছি।
অবশ্য খাটের নীচে লুকিয়ে লুকিয়ে কলমে কালি ভরতে গিয়ে কালির দোয়াত উপুর করে ফেলে সারা শরীরে কালি মাখামাখি হয়ে ধরা পড়ে কতবার উত্তম-মধ্যম খেয়েছি তার হিসাব নাই।
অবশেষে শেষ হলো চক আর কাঠ পেন্সিল অধ্যায়!আমার জীবনে আসলো সেই বহুল আকাক্ষিত ফাউন্টেন পেন।জীবনের অন্যতম আনন্দময় মূহুর্ত।
হাই স্কুলেও অনেক বছর ফাউন্টেন পেন ব্যবহার করেছি।পরীক্ষার সময় এই কলম দিয়ে লেখা সমস্যা হওয়ায় একটা সময় আমার প্রিয় ফাউন্টেন পেন এর মায়া ত্যাগ করতে বাধ্য হই।পরীক্ষার হলে কলমের সাথে কালির দোয়াতও রাখতে হতো।
ফিলিং মিসিং ইউ ফাউন্টেন পেন।।
#গাজীশামীম
Gazi Shamim
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Gazi Shamim, Social service, রাজার বাড়ী-লক্ষীকোল চৌরাস্তা সড়ক, Dhaka.
পানি নিয়ে প্রায়ই আমাকে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।যেমন- পানি খেতে(পান) গেলে জগে পানি থাকে না,গোছলের মাঝখানে ট্যাংকির পানি ফুরিয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
আমার জীবনে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে করুন পানি বিড়ম্বনার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস আপনাদের সাথে শেয়ার করছি -
সম্ভবত তখন সেভেন অথবা এইটের ছাত্র।স্কুলে পরীক্ষা চলছে।শেষ ঘন্টার মাঝামাঝি সময়ে পেটের ভিতর কামড়া কামড়ি শুরু হলো।
অনেক অাত্মত্যাগের পর পরীক্ষা শেষ হওয়ার মিনিট পাঁচেক আগে খাতা জমা দিয়েই এক দৌঁড়ে টয়লেটে গমন ....আহা কি শান্তি :-)
আমার শান্তি চরম অশান্তিতে পরিণত হলো যখন পানির কল ছাড়ার পর কল দিয়ে পানির বদলে অদ্ভুত শব্দ বের হতে থাকলো।
মান সম্মান নিয়া বিশাল টেনশনে পড়ে গেলাম ..... শরীর দিয়ে রীতিমত ঘাম বের হতে থাকলো .... অবশেষে ম্যাকগাইভারী বুদ্ধি খাটাইয়া পকেটে থাকা প্রশ্নপত্র কে টয়লেট পেপার হিসাবে ব্যবহার করে বোকা বোকা চেহারা নিয়ে বাথরুম থেকে বের হলাম এবং সহপাঠীদের থেকে নিরাপদ দুরুত্ব বজায় রেখে বাড়িতে পৌছানার আগ পর্যন্ত নাক টানতে থাকলাম ... কোন ধরনের পারফিউমের গন্ধ নাকে আসে কিনা
#গাজীশামীম
কোন মহিলার সামনে ভুলেও তার রান্নার কোনরুপ সমালোচনা অথবা দূর্নাম করবেন না বরং রান্না খারাপ
হলেও প্রশংসা করুন দেখবেন আপনার জন্য সেই বাড়ীতে পুনরায় নতুন মেনু তৈরী হবে :)
একইভাবে কোন মায়ের সামনে ভুলেও তার সন্তান কে কালো,মুটু বা অন্য কোন দূর্নাম করতে যাবেন না বরং নাক দিয়ে
সর্দি বের হলেও কোলে তুলে একটু আদর করুন :) নিশ্চিত কাজ হবে
প্রেমিকার খালা/চাচী/মামী/ভাবী/বড় বোন পটানোর টিপস্ হিসাবে কাজে লাগাতে পারেন ;)
নিকষ কাল রাত
ঘুমিয়ে পড়েছে তারার দল
থেমে থেমে প্রবল বেগে কেঁদে চলেছে আকাশ
দূর কুলে বাতি নিয়ে দাঁড়িয়ে অজ্ঞাত স্বজনেরা
ঢেউয়ের দোলায় মৃদু কম্পমান আমাদের ক্ষণিকের চলমান আবাস
ভাসমান কামরায় বদ্ধ তুমি,আমি
এবং আমাদের ভালবাসা ।।
#গাজীশামীম
পুলিশ রাতদিন কষ্ট করে অজ্ঞাত একটি খুনের মামলার মূলরহস্য উদঘাটন পূর্বক
আসামীদের গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে এবং আসামীদের বিরুদ্ধে
চার্জশীট দেয়। আর আসামীপক্ষ প্রভাব খাটিয়ে অর্থের বিনিময়ে আদালতের বাইরে
মামলার বাদী/ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের সংগে মামলাটি আপোষ মীমাংসা করে।
আবার অনেক মামলা তদন্তাধীন অবস্থায় বাদী/বিবাদী আপোষ মীমাংসা করে ফেলে।
পুলিশ অনেক সময় আপোষনামা গ্রহণ করে আবার অনেক সময় গ্রহণ না করে
মামলার মেরিট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়।
আসলে কোন মামলার পক্ষ/বিপক্ষ যদি আপোষ হয়ে যায় সেক্ষেত্রে পুলিশের তেমন
কিছুই করার থাকে না।
অথচ দেখা যায় অপরাধী সাজা না পেলে/ছাড়া পেলে সবাই একতরফাভাবে শুধু
পুলিশকেই দোষারপ করে।আমরা ভিতরের খবর না জেনেই পুলিশ সম্পর্কে অনেক
আজেবাজে কথা বলে ফেলি।
#গাজীশামীম
মাঝরাতে সবাই কে ভুতের সরি জ্বীনের সত্য কাহিনী শুনাই
আমাদের বাড়ীতে এক সময় দুষ্ট জ্বীনের খুব উপদ্রব ছিল এবং জ্বীনের উৎপাতে বাড়ীর সবাই ভয়ে তটস্থ
থাকতো ..... নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে সবাইকে ঘরে আটকে রাথতো ...
একদিন মা চাচীরা ঢেঁকিতে ধান ভানছে .... হঠাৎ করে সেখানে থাকা পানি ভর্তি মাটির কলসিটা অদৃশ্য কেও
একজন শূন্যে তুলে ফেলে দিয়ে সারা ঢেঁকি ঘর পানিতে ভাসিয়ে দিল .....
একবার বর্ষাকালে বাড়ীর চারপাশে পানি থৈ থৈ করছে .... ঘর ছাড়া কোথাও এক চিলতে শুকনা মাটি নেই
অথচ ভর দুপুরে টিনের চালে শুকনা মাটির বড় ঢিল ঢিল পড়তে লাগলো ....... আব্বা রেগে গিয়ে খুব
গালাগালি দিল অদৃশ্য শত্রুকে ...... ফলাফল হলো এইযে জ্বীনের বাদশা তখনকার মতো বিরতি নিলো ...
কিন্তু আব্বা যখন দুপুরে খেতে বসলে তেনারা আব্বার প্রতি শুকনি জুরি মাটি নিক্ষেপ করতে লাগলেন ....
বাধ্য হয়ে আব্বা ছাতি মুড়ি দিয়ে পুনরায় খাওয়া শুরু করলেও তেনারা ছাতার নীচ দিয়েই খাবারে ঝুরি মাটি
দিতে লাগলো .....
আব্বা হঠাৎ বলে উঠল .... মাটি দিয়ে ঢিল দিস কেন .... পারলে টাকা দিয়ে ঢিলা ....
সাথে সাথে ঝুরি মাটির বদলে খুচরা পয়সার ঢিল শুরু করেছিল দুষ্ট জ্বীন ...
এমন অনেক ঘটনা সে সময় নাকি অহরহ ঘটতো বাড়ীতে .....
ঘটনা গুলির প্রত্যক্ষ সাক্ষী/শিকার আমার মা-বাবা এবং তাদের কাছ থেকে শুনা
তাছাড়া আমার মা কে আজ পর্যন্ত কখনও কৌতুক করেও মিথ্যা বলতে দেখি নাই আমরা কেও .....
গল্পের মতো মতো মনে হলেও ঘটনাগুলির সত্যতা সম্পর্কে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই .... তবে আমার লেখায় কিছুটা
ভুল থাকতে পারে
#গাজীশামীম
থানায় প্রতিদিন নানান কিসিমের লোকজন আসে নানা রকম সমস্যা নিয়ে ।
একদিন এক মহিলা এসে অভিযোগ করলেন,তার স্বামী তাকে প্রায়ই অকারনে মারধর করে ... তিনি আর স্বামীর সংসার করবেন না ..........
মহিলার স্বামীসহ বাড়ির লোকজনকে ঘটনার বিষয়ে জানার জন্য ডেকে পাঠানো হলো। তারা আসার পর সকলে মিলে মহিলাকে অনেক বুঝালাম স্বামীর সংসারে ফিরে যাওয়ার জন্য।
কিন্তু মহিলার এককথা ..তিনি স্বামীর সংসারে ফিরে যাবেন না।
বাহ্যত, স্বামীর কোন তেমন কোন দোষত্রুটি খুঁজে না পাওয়ায় আমরা সকলে মহামুশকিলে পড়ে গেলাম।
কারন জানার জন্য আমি বিভিন্নভাবে পীড়াপীড়ি করার এক পর্যায়ে মহিলা বলল, স্যার অাপনিই বলেন, "বারো হাত গভীর কুয়া থেকে কি দশ হাত দড়ি দিয়ে পানি উঠানো যায়"
ইয়া মাবুদ!!ইয়া মাবুদ !!
মহিলার কথার তাৎপর্য্য অাসি সামান্য সময় পরে বুঝতে পেরেছিলাম। আপনারা
যারা সংগে সংগে বুঝতে পেরেছেন তারা দয়া করে দুই হাত তুলেন ..... ;) ;-)
#গাজীশামীম (R P)
১৯৯২ সাল;আমি ক্নাস নাইনের ছাত্র,সবেমাত্র প্রেমে পড়েছি। মোটর সাইকেল নিয়ে ঈদের দিন ঘুরাফেরা কালে প্রাণের বন্ধু গিরিজ মিঠুদের বাড়ীর সামনে এসে আমার হবু প্রেমিকাকে দেখতে পেলাম। তারা বান্ধবী গোষ্টীসহ দাঁড়িয়ে গল্প করছে এবং বত্রিশ পাটি দাঁত বের করে হাসাহাসি করছে।
কেন জানি মনেহল হবু নায়িকা ও তার বান্ধবীদের সামনে নায়কগিরি ফলানোর এই সুযোগ কিছুতেই হাত ছাড়া করা যাবে না ..... । তার ও তাহাদের সম্মুখে মোটর সাইকেল নিয়ে দুইটা চক্কর অবশ্যই দেওয়া দরকার,
তা নাহলে কিছুতেই ইজ্জত রক্ষা হবে না ।
বুক ফুলিয়ে পুরাই ভাবের সাথে বাইকের সীটে বসে আড়চোখে হবু প্রেমিকার দিকে এক ঝলক তাকিয়ে মুচকি হেসে চোখের ইশারাতেই যেন তাকে বললাম,হেই লুক এট মি.....
প্রথম কিক মারলাম মোটর সাইকেল স্টার্ট নিল না ...এভাবে ২য় ... ৩য় .... ৪র্থ .... ৫ম ... ৬ষ্ঠ ...৭ম .... ৮ম... কিক মারতে মারতে ঘেমে নেয়ে উঠলাম .... কলিজা শুকায় গেল .... জুতার তলি খুলে যাওয়ার উপক্রম হল তবু আমার বেয়াদব,ফাজিল, নিষ্ঠুর মোটর সাইকেল স্টার্ট নিল না।
প্রেমিকা তার বান্ধবী গোষ্টীসহ আমাকে জিভ দেখিয়ে হাসতে হাসতে নিজেদের গন্তব্যে চলে গেল।
আমার এ যাবত কালের অর্জিত সকল মান-সম্মান ভাবের সবটুকু মোটর সাইকেলের চাকার তলে লুটিয়ে দিয়ে আমি মোটর সাইকেল ঠেলতে ঠেলতে মেকারের দোকানে গিয়ে বললাম দেখেন তো ভাই, সমস্যা কি ... সাইকেল স্টার্ট নেয় না .... মিনিট খানিক পর্যবেক্ষণ করার পর পুংটা মেকার আমারে বলে তুমি তো চাবি অন করনি ..........
মোটর সাইকেল স্টার্ট হবে কেমনে.....................................
#গাজীশামীম
আমাদের সময়ে স্কুলে প্লে গ্রুপ,নার্সারি ছিল না।তবে ছোট ওয়ান,বড় ওয়ান ছিল।ছোট ওয়ানকে আবার ব্যঙ্গ করে অনেকে পাত্যা ওয়ানও বলতো।
বহু ত্যাগ তিতিক্ষার পর ছোট,বড় ওয়ান শেষ করে সবে মাত্র ক্লাস টু তে উঠেছি।কোন এক সকাল বেলা আব্বা ভাইবোন সবাইকে পড়াতে বসেছে।আমি বাংলা রিডিং পড়ছিলাম।পড়ার সময় আব্বার ভয়ে বার বার আটকে যাচ্ছিল, আব্বার ভাষায় ঘ্যাঙায় ঘ্যাঙায় রিডিং পড়ছিলাম।
পড়া পছন্দ না হওয়ায় আব্বা আমাকে বার বার একই জিনিস পড়াচ্ছিলেন। কিন্তু আব্বার ভয়ে আমার রিডিং পড়ায় ঘ্যাঙানোর পরিমান আরো বেড়ে যাচ্ছিল।অগ্যতা পিতৃদেব বিরক্ত হয়ে বড় ভাইকে আদেশ করলেন আজই স্কুলে গিয়ে ওকে টু থেকে ওয়ানে ভর্তি করে দিবি।
পিতার অলঙ্ঘনীয় আদেশ মান্য করে বড় ভ্রাতা আমার মান সম্মানের প্রতি বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করে,আমাকে চোখের জলে ভাসিয়ে ক্লাস টু থেকে ওয়ানে ভর্তি করে দিলেন।
ছোট্ট আমি সেদিন অনেক লজ্জা পেয়েছিলাম সংগে প্রচুর কষ্ট।তবে সেদিনের লজ্জা আর কষ্ট পাওয়া পরবর্তিতে আমার জন্য এনেছে অনেক আনন্দের উপলক্ষ।
সেই আমি কিভাবে যেন দাড়ি/কমা মেনে অনেক ভাল রিডিং পড়া শিখে গেলাম।
#গাজীশামীম
আপনাদের আজ শিয়ালের হুক্কা হুয়া ডাকের শানে নুযুল বলবোে-
শিয়াল প্রজাতির বসবাস এক সময় স্বর্গে ছিল| একদিন শিয়ালদের খুব দই খেতে ইচ্ছে করলো| কিন্তু তাদের ঐ সপ্তাহের খাবারের মেনুতে দই ছিল না| এই সময় এক শিয়াল পণ্ডিত জানালো পৃথিবীতে দইয়ের ছড়াছড়ি| শিয়ালের দল খবরের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্বর্গ থেকে পৃথিবীর দিকে দৃষ্টিপাত করল এবং পৃথিবীর কাশবন দেখে তারা সেটাকে দইয়ের সাগর ভাবলো| তারা সবাই চিন্তা করলো ইচ্ছামত দই খেতে হলে যে করেই হোক পৃথিবীতে যেতে হবে| সকলে মিলে সৃষ্টিকর্তাকে অনেক করে বলার পর সৃষ্টিকর্তা ওয়ান ওয়ে টিকেট এর শর্তে শিয়ালের দল কে পৃথিবীতে যাওযার অনুমতি দিলেন |
শিয়াল গোষ্ঠী মহা খুশিতে পৃথিবীতে পদার্পণ করেই দই খাওয়ার জন্য ছুটলো | কিন্তু হায়! দই কোথায় ?
মাঠের পর মাঠ জুড়ে শুধু কাশবন ? স্বর্গ থেকে তারা সাদা কাশবন কে দই ভেবে ভুল করেছিল ?
নিজেদের ভুল বুজতে পেরে তারা তখন সমস্বরে চিত্কার শুরু করলো কিয়া হুয়া,কিয়া হুয়া,কিয়া হুয়া?
অামরা শুনি হুক্কা হুয়া,হুক্কা হুয়া,হুক্কা হুয়া .................
মোরাল : দূর থেকে কাশবন খুবই ঘন এবং দইয়ের মত সাদা মনে হয় ||
#গাজীশামীম
ছোট বেলার কথা অাপনাদের সাথে শেয়ার করছি। কেও হাসবেন না প্লিজ। হাফ প্যান্ট ছাড়িনি তখনও।গ্রামের ছোট-বড়/সমবয়সী অনেকেই প্রতিদিন ভোরে মসজিদে গিয়ে এক সংগে ফজরের নামাজ আদায় করতাম। কেও ঘুম থেকে না উঠতে পারলে অন্যরা এসে তাকে ডেকে তুলতো। কখনও হাফ প্যান্টের উপর লুঙ্গী পরে করে কখনও বা প্যান্ট খুলে বড়দের কারও লুঙ্গী পরে নামাজে যেতাম।
একদিন ঘুম থেকে উঠতে না পারায় কয়েক জন বাড়ির বাইরে থেকে আমাকে ডাকতে লাগলো।তাদের ডাকাডাকিতে আমি ঘুম থেকে উঠে দেখি কারেন্ট নাই। ঘুম ঘুম চোখে তাড়াহুড়া করে কাপড়ের আলনার যেখানে মা সচরাচর লুঙ্গী রাখে,সেখান থেকে একটা লুঙ্গী নিয়ে দরজা খুলে দৌঁড় লাগালাম।ততক্ষণে ওরা বেশ কিছুটা এগিয়ে গেছে। আমি মসজিদের কাছাকাছি গিয়ে ওদের ধরলাম।
মসজিদের কলপাড়ে পৌছানার পর আমি ওজু করার জন্য দাঁড়ানো মাত্র খেয়াল করলাম সবাই আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে। এক বড় ভাই আমার কাছে এসে বলল,শামীম তোর পরনে কি?তুই এইটা কি পড়েছিস?
আমি নিজের নিম্নাঙ্গের দিকে দৃষ্টিপাত করলাম।অতঃপর ভোঁ দৌঁড়ে নিজ গৃহে গমন।
আসলে আমি অন্ধকারে লুঙ্গীর বদলে মায়ের সায়া পরিধান করেছিলাম।।
#গাজীশামীম
বাবুগঞ্জ থানার ঘটনা, ১৪৪/১৪৫ ধারা ভঙ্গ করায় এক লোককে থানা হাজতে রেখেছি। আমার চিন্তা ভাবনা ছিল তার কোন লোকজন আসলে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়ার।
অন্য কাজে খুব ব্যস্ত হয়ে পড়ায় লোকটির কথা প্রায় ভুলেই গেছিলাম! রাত সাড়ে
দশটা/১১ টার সময় খাওয়ার জন্য বাসার উদ্দেশ্যে বের হয়েছি তখন সেন্ট্রি হাজতে থাকা লোকটির কথা মনে করিয়ে দিলে সেন্ট্রিকে বললাম লোকটিকে নিয়ে আসেন।
লোকটির সাথে প্রয়োজনীয় কথা সেরে বললাম বাড়ি যাওয়ার অাগে দেখে নাও তুমি কত খারাপ লোক, তোমাকে নেওয়ার জন্য তোমার বাড়ীর/এলাকার কোন লোক আসে নাই।লোকটি তখন বলল,
আমার ছেলে এসেছে .. স্যার আপনাকে তো ...... এইটা রাখেন ......৭৫০ টাকা অাছে..
আমার ছেলে খুব কষ্ট করে এই টাকা যোগাড় করে এনেছে .....
চোখের পানি অাড়াল করে বললাম, এত কম টাকা তো আমি খাই না .... এ কথা শুনে এতক্ষণ ভয়ে সেন্ট্রির
পিছনে থাকা ছেলেটি ফুঁপিয়ে কেদে উঠলো ..... ছেলেটির মনের পুলিশী ভীতি দুর করার জন্য ওকে হাত ধরে টেনে আমার কাছে আনলাম .. ছেলেটির সাথে কুশল বিনিময় করলাম ..লোকটিকে বললাম তোমার টাকা আমার লাগবে না .... তুমি আর আইন ভেঙো না তাতেই অামার চলবে।।
#গাজীশামীম ( R P)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
7700
