10/04/2026
#গল্প #সরস্বতী #বরিশাল #স্কুল #অবসর #শিক্ষিকা
শিক্ষক, যিনি মানুষ গড়ার কারিগর, তাঁর খবর কি আমরা রাখি?
ছবির এই মহীয়সী নারীর নাম সাহান আরা বেগম। বর্তমানে তাঁর বয়স ৮০ বছর। ১৯৬২ সালে তিনি বরিশালের সরস্বতী বালিকা বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে যোগ দেন। পরে তিনি একই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৬২ থেকে ১৯৯৯—দীর্ঘ ৩৭ বছর তিনি নিষ্ঠা ও মমতার সঙ্গে অসংখ্য মেয়েদের শিক্ষা দিয়েছেন । ইংরেজি শিক্ষিকা হিসেবে তাঁর হাতে গড়ে উঠেছে অনেক সফল নারী, যারা আজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিজেদের কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত।
অবিবাহিত এ শিক্ষিকা জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে তাঁর জীবনের বড় একটি অংশ উৎসর্গ করেছেন । কিন্তু আজ সেই মানুষটির সময় কাটছে নিঃসঙ্গতায়। এই নিভৃতচারী মহীয়সী নারীর সাথে আমার সাক্ষাৎ, আমাকে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন করেছে।
নিজেকে প্রশ্ন করি —
যাঁরা আমাদের মানুষ বানিয়েছেন, তাঁদের খোঁজ কি আমরা রাখি? একজন শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না—তিনি মানুষ গড়েন, ভবিষ্যৎ নির্মাণ করেন। তাই আমাদের সমাজে এমন মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, সম্মান ও মানবিক দায়িত্ববোধ থাকা জরুরি।
আসুন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের স্মরণ করি, তাঁদের খোঁজ নিই, তাঁদের পাশে দাঁড়াই। কারণ তাঁদের হাত ধরেই তো আমাদের পথচলার শুরু। 🌿
09/03/2026
#গল্প #মশা #সচেতন #কর্তৃপক্ষ #গৃহকর্মী
সচেতন নাগরিকের দৃষ্টি:
আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব যখনই যার সাথে কথা বলি তখনই 'কাজের লোক' বা 'গৃহকর্মী' প্রসঙ্গ একটা কমন ইস্যু হিসেবে আলোচনায় থাকবেই। কিন্তু ইদানিং কাজের লোক বা গৃহকর্মীর আলোচনার পাশাপাশি আরেকটি বিষয় যোগ হয়েছে। সে বিষয়টি হলো 'মশা'। ঢাকা এখন মশার শহর, মশার উপদ্রপ নাই, এমন কোন জায়গা ঢাকায় অবশিষ্ট নাই। যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি একান্তভাবে কাম্য।
24/01/2026
#গল্প #হাসি #সুন্দর
হাসলে কত সুন্দর লাগে!
20/01/2026
#গল্প #রবি #আবিষ্কার
AI দিয়ে তৈরি করা প্রথম ছবিটির মাধ্যমে সকল ফলোয়ারসদের জানাই শুভেচ্ছা।
13/01/2026
With Md Sohel Mridha – I'm on a streak! I've been a top fan for 6 months in a row. 🎉
11/12/2025
#গল্প #গোধূলি #বিষন্ন #জীবন
গোধূলি বিকেলে বিষন্ন মনের প্রতিচ্ছবি!
21/11/2025
#গল্প #মসজিদ #ইসলাম #শিক্ষা #বরিশাল
একজন সচেতন নাগরিকের দৃষ্টি:
বরিশালের কসাই মসজিদে নামায পড়তে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা হলো তা একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তুলে ধরছি। আমি কসাই মসজিদে মহিলাদের নামাজের নির্ধারিত স্থান থেকে এ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। মসজিদের সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতেই একজন মহিলার বাজখাঁই ও কর্কশ গলায় শোনা গেল 'জুতা রাইখখ্যা ভিতরে আসেন। মসজিদে কাম চলতেছে।' ভীষণ কর্কশ ভাষার কথাগুলো প্রথমেই মসজিদে নামায পড়ার উৎসাহ যেন ম্লান করে দিল। নামাজে দাঁড়ানোর আগেই দেখলাম দুজন মহিলা জোরে জোরে কথা বলে যাচ্ছেন। এরা সম্ভবত আয়া, যারা মসজিদ ঝাড়ু দিয়ে থাকেন। তাদের দুনিয়া ও সংসারের সব কথা বলার স্থান হলো মসজিদ। তাদের বিভিন্ন বিষয়ে জোরে জোরে শব্দ করে কথা বলার কারণে নামাজে দাঁড়িয়ে আমার নামাযেরর সুরা বার বার ভুল হয়ে যেতে থাকে। এর মধ্যে একজন আবার মোবাইল ফোনে বিকট শব্দে কথা শুরু করলেন।
নামায শেষে মসজিদে এত জোরে কথা বলে সবার নামায পড়ায় অসুবিধা সৃষ্টি না করার উপদেশ দিলাম। কিন্তু আমার উপদেশে তাদের কোন বোধদয় হলো বলে মনে হলো না।
মসজিদের পবিত্রতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এদের স্বভাব ও আচরণের পরিবর্তনের দায়িত্ব কার? এ প্রশ্ন আমাদের। কারণ মসজিদ পরিস্কারের দায়িত্ব নিয়েও এদের আচরণ ও স্বভাব পরিস্কারের প্রয়োজন অনিস্বীকার্য। দীর্ঘদিন পবিত্র স্হান মসজিদে থেকেও এরা ইসলামের ন্যূনতম শিক্ষা গ্রহণ করতে পুরোপুরি ব্যর্থ।