হিল্লা বিয়ে

হিল্লা বিয়ে

Share

হিল্লা বিয়ের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান
এখানে হিল্লা বিয়ে জন্য পাত্র পাওয়া যায়

05/06/2026

হিল্লা বিয়ে করতে আগ্রহী পাত্রীদের জন্য, সিরিয়াল হতে হবে।

09/04/2026

🔷 আমাদের মাধ্যমে হালালাহ বিয়ে কেন করাবেন?

☞ ১. সম্পূর্ণ কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক বিবাহ হবে। হারামের ধারেকাছেও আমরা যাই না।
☞ ২. পাত্ররা সকলেই ধার্মিক, দীনদার ও আলিম হওয়াতে হারামভাবে কোন চুক্তির প্রয়োজন নেই। সকলেই মাসয়ালা-মাসায়েল সম্পর্কে অবগত।
☞ ৩. পাত্ররা সকলেই বিবাহিত এবং তাদের ঘর-সংসার রয়েছে। তাই বিবাহের পরে তালাক নিয়ে কোন দুশ্চিন্তা নেই।
☞ ৪. বিবাহের পরে নিজস্ব বাসায় নয় বরং বাহিরে রুম ভাড়া করে থাকা হয়। ফলে অতি অল্প সময়ের মধ্যে সবকিছু সম্পন্ন হওয়ার নিশ্চয়তা।
☞ ৫. অত্যন্ত নিরাপত্তার সহিত, সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে বিবাহ সম্পাদন করা হয়। ফলে বিপদেরও আশংকা নেই, সম্মানহানি হওয়ারও কোন সম্ভাবনা নেই।
☞ ৬. পাত্ররা প্রত্যেকেই ফিজিক্যালি সুস্থ এবং তাদের কোন ধরনের সংক্রামক রোগ নেই। ফলে বৈবাহিক সম্পর্কের পরে রোগ-ব্যাধি হওয়ার ঝুঁকি নেই ইনশাআল্লাহ।
☞ ৭. আমাদের প্রত্যেক পাত্রই মাদ্রাসার খেদমতে আছেন। ফলে বিবাহের পরে খুবই অল্প সময় একত্রে অবস্থান করা হয়।
☞ ৮. আমরা তালাকপ্রাপ্তা স্বামী-স্ত্রীর কষ্ট, তাদের দূর্ভোগকে বুঝতে পারি। সন্তানদের ভবিষ্যত যাতে নষ্ট না হয় সেটা আমরা মাথায় রাখি।
☞ ৯. আমরা সমাজ থেকে যেনা-ব্যভিচার বন্ধ করতে চাই। আমরা আল্লাহকে ভয় করি, মানুষের প্রতি জুলুম করাকে ভয় করি, আখিরাতের প্রতি ভয় রাখি।
☞ ১০. আমরা কোনধরনের প্রতারণা বা ধোঁকাবাজি করি না। আমরা সম্পূর্ণ হালাল পন্থায় বিশ্বাসী।

09/04/2026

🔶 অন্য জায়গায় নিজেরা এমন সহীহভাবে হিলা/হালালা বিয়ে করতে গেলে অনেক বাধা, বিপদ ও ক্ষতি হতে পারে। যেমন:

☞ ১. সহীহ পন্থায় বিয়ে পড়াতে না পারা। ফলে বিয়েই হয় না। এতে বিবাহের নামে যেনা-ব্যভিচার হতে থাকে।
☞ ২. নিজ এলাকার সাক্ষী রাখলে তারা পরে তা কাউকে জানিয়ে দিলে সম্মানহানি হওয়ার প্রবল আশংকা থাকে।
☞ ৩. মোহরানা না ধরলে পরে মোহরে মিছিল আবশ্যক হয়ে যায়। কারো কারো মতে বিয়ে বাতিল।
☞ ৪. পাত্রকে হিলার ব্যাপারে না জানালে পরে আর ছাড়ে না। ফলে আগের স্বামীর কাছে ফিরে যাওয়া কঠিন হয়। ঝগড়া-বিবাদ এবং ফেতনা তৈরী হয়।
☞ ৫. অনেকসময় এতোদিন পরে তালাক দেবে এমন শর্ত করে। তাতে গুনাহ হয়, নাজায়েজ হয়। হাদীসে বর্ণিত অভিশাপের শিকার হতে হয়। কারো কারো মতে বিয়েই হয় না। আর শর্ত দিলেও সেই শর্ত সে না মেনে স্ত্রীকে রেখে দেবার সম্ভাবনা থাকে। আমাদের গ্রুপে এমন বিপদের পোস্ট আছে দেখে নিবেন।
☞ ৬. আবার শর্ত না দিলে বা হিলার ব্যাপার না জানালেও বিপদ, তাকে পরে তালাকের ব্যাপারে বললে অনেকদিন পরে ছাড়ে বা ছাড়তে চায় না। ফলে ঝামেলা হয়। উল্টো স্ত্রীর কাছে টাকা চেয়ে তালাক দেয়।
☞ ৭. অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে প্রতারণা করার ঝুঁকি রয়েছে।
☞ ৮. চুক্তিভঙ্গ করে দীর্ঘদিন ভোগ করার ভয় রয়েছে।
☞ ৯. প্রেগন্যান্ট হওয়ার সর্বোচ্চ ঝুঁকি রয়েছে।
☞ ১০. বিয়ের পরে নিজেদের বাসায় নিয়ে থাকবে ফলে দীর্ঘদিন একত্রে থাকতে হতে পারে।
☞ ১১. মাসয়ালা-মাসায়েল না জানার ফলে তালাক নিয়ে গড়িমসি করতে পারে।
☞ ১২. যার তার সাথে বিবাহ হলে বিভিন্ন যৌনবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
☞ ১৩. দ্বীনের বুঝ না থাকার কারণে ব্ল্যাকমেইল করার সম্ভাবনা থাকে ইত্যাদি।
আমাদের মাধ্যমে হালালাহ সম্পন্ন হলে কোনধরনের বিপদের ঝুঁকি নেই, নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হবে না, আবার সম্মানেরও হেফাজত হবে ইনশাআল্লাহ।

শিরকের পরে সবচেয়ে বড় গুনাহগুলোর একটি হচ্ছে অবৈধভাবে কারো স্ত্রীর সাথে যিনা করা!

06/04/2026

হিল্লা বিয়ের জন্য পুরুষ কই পাব?
-- অবশ্যই মাসয়ালা-মাসায়েল সম্পর্কে জানাশোনা বিজ্ঞ কোন ব্যক্তির কাছে যেতে হবে। ধান্দাবাজ টাইপের লোকের হাতে পড়া যাবে না।
ভারতে সাধারণত পারিবারিকভাবে সমাধান করা হয় (দেবর-ভাসুর)। এতে সুবিধা হচ্ছে বাইরে জানাজানি হয় না। অসুবিধা হচ্ছে পরবর্তীতে এই ঘটনা নিয়ে ঝগড়া বা খোঁচা দেয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে।
বাংলাদেশে হিল্লার পুরুষ হিসেবে সাধারণত স্বামীর পক্ষের চাইতে স্ত্রীর পক্ষের (চাচাত-খালাত-মামাত ভাই) বেশি হয়ে থাকে। পারিবারিক হলে একটা বড় সুবিধা, তালাকের জন্যে ঘোরায় না। সহজে দিয়ে দেয়।
অনেকে এত কাছে না করে একটু দূর সম্পর্কের করে থাকে, যেমন - পারিবারিক বন্ধু কেউ। এটাও খারাপ না।
হিল্লা বিয়েতে কন্ডম বা পিল ব্যবহার করা যাবে কিনা?
-- যেহেতু তখন এগুলো ছিল না, হাদীসে এই ব্যাপারে কিছু বলা নেই। কেউ বলে ব্যবহার করা যাবে, কেউ বলে যাবেনা। আমি দুপক্ষের যুক্তিই দিচ্ছি, ডিসিশন আপনার -
পক্ষেঃ যেহেতু সাধারণত স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এগুলো ব্যবহার করা যায়, হিল্লা সম্পর্কেও করা যেতে পারে।
বিপক্ষেঃ তালাক দিয়ে বৌকে পুনরায় ঘরে তুলতে হলে হিল্লা দিতে হবে। হিল্লার ফলে বৌ গর্ভবতীও হয়ে পড়তে পারে - এই ভয়ে পুরুষরা যাতে কথায় কথায় তালাক না দেয় তাই নিয়মটি করা হয়েছিল। যদি পিল বা কন্ডম ব্যবহার করা হয় তাহলে স্বামীদের মধ্যে এই ভয়টি কাজ করবে না। সুতরাং, এগুলো ব্যবহার করা যাবে না।
পক্ষেঃ সহবাস বাধ্যতামুলক হলেও বীর্যপাত হতে হবে এমনটা তো হাদীসে বলা নেই। কন্ডম-পিল ছাড়াও তো গর্ভধারণ এড়ানো যেতো তখনও (যেমন - আযল)।
বিপক্ষেঃ স্বামী-স্ত্রীর স্বাভাবিক সহবাসে সাধারণত বীর্যপাত হয়ে থাকে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গর্ভধারণ আটকানো প্রতারণার শামিল।
তাহলে সহবাসের নিয়ম কি হবে?
-- হিল্লা বিয়ের ক্ষেত্রে যেমন স্পষ্ট কোন চুক্তি করা যাবে না, সহবাসের ব্যাপারেও পুরুষকে কোন বিধিনিষেধ (যেমন - কন্ডম) দেয়া যাবে না। পুরুষ যদি চায় স্বেচ্ছায় কন্ডম ব্যবহার করতে পারে। অর্থাৎ, বুঝদার লোকের কাছে যেতে হবে।
স্বাভাবিকভাবে যোনিপথে সহবাস হলেই হিল্লা হয়ে যাবে। পুরুষ যদি চায় বীর্যপাতের আগেই সহবাস সমাপ্ত করতে পারে। এক বা একাধিকবারও সহবাস হতে পারে। এতে কোন সমস্যা নেই।
সহজ এবং সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক শরঈ হিল্লা বিয়ের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। নিরাপত্তার সহিত গোপনীয়তা রক্ষা করে দ্রুত সমাধান করে দেওয়া যাবে।

05/04/2026

হিল্লা বিয়ে কি?
-- তালাক হয়ে গেলে পুনরায় আগের স্বামীর কাছে ফিরে যেতে চাইলে আগে অন্য কোন পুরুষকে বিয়ে করতে হয়। তারপর ডিভোর্স নিয়ে আগের স্বামীকে বিয়ে করা যায়। মাঝের এই সাময়িক বিয়েই হচ্ছে হিল্লা বিয়ে। হিল্লা বিয়ের দুই পক্ষের স্বামীর তালাকের আগে-পরে তিনমাস করে ইদ্দত বা বিবাহ বিহীন থাকতে হয় নারীকে।

এখনো কি হিল্লা বিয়ে হয়?
-- দৈনিক বর্তমানে হাজার হাজার ডিভোর্স হচ্ছে। তারপর দুইজন আবার এক হতে চাইলে পরিবার এবং সমাজ ঠিকই বলছে হিল্লা দিতে হবে। অনেকে মনে করে এখন আর হিল্লা বিয়ে হয় না। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। দৈনিক শতশত হচ্ছে। তবে সঠিকভাবে সম্পন্ন না হওয়াতে যেনা হচ্ছে। বর্তমানে হিল্লা অনেকটা চুপচাপ হয়। ফ্যামিলির বাইরে তেমন কেউ জানতে পারে না।

সবাই যে বলে হিল্লা বিয়ে হারাম?
-- হিল্লা বিয়ে নিয়ে পোস্ট দিলেই অনেকে কমেন্টে হাদীস কপি-পেস্ট করে বলেন হিল্লা বিয়ে হারাম। একটু মনোযোগ দিয়ে হাদীসগুলো পড়লেই বুঝতে পারবেন, হিল্লা বিয়ে হারাম নয়। বরং "চুক্তি" করা হারাম।

তাহলে কিভাবে হিল্লা হালাল?
-- যে পুরুষের সঙ্গে হিল্লা দেয়া হবে, তাকে বলতে হবে, "অমুক মেয়েটি বিপদে আছে, অনাকাঙ্খিত তালাক হয়ে যাওয়ায় আর স্বামীর কাছে যেতে পারছে না আপনি এই পরিস্থিতি বিবেচনায় তাকে সহায্য করবেন কি?"

কি বলা যাবে না?
-- বিয়ের পর তালাক দিয়ে দিতে হবে, একরাত পর তালাক, একঘন্টা পর তালাক - এসব বলা যাবে না। সহবাস একবার করতে হবে কিংবা কনডম ব্যবহার করতে হবে ইত্যাদি কোন কথা বলাই যাবে না। কীভাবে নারীটি এই বিপদ থেকে উদ্ধার পাবে তা তো পুরুষটি জানেই। তাকে তার মতো সিদ্ধান্ত নিতে দিন।

যদি তালাক না দিতে চায়?
-- ভাইরে, চুক্তি করে নিলেও সবসময় তালাক দিতে চায় না। অনেকেই ঘোরায়। ভদ্রলোকের কাছে যাবেন, যে পরিস্থিতি বুঝবে কোন চুক্তি ছাড়াই। চুক্তি ছাড়া যদি পুরুষ নিজে নিজে তালাক দেয়, তবে এই বিয়ে শতভাগ হালাল।

হিল্লা বিয়েতে সহবাস বাধ্যতামূলক কিনা?
-- অবশ্যই বাধ্যতামূলক। সহবাস না হলে এক বছর সংসার করার পর তালাক নিলেও আগের স্বামীকে বিয়ে করা যাবে না। হাদীসে এটি স্পষ্ট বলা আছে। অনেকেই সহবাস সম্পন্ন না করে হিল্লা শেষ করে ফেলেন। এটা জায়েয নেই।

হিল্লা বিয়ের জন্য পুরুষ কই পাব?
-- অবশ্যই মাসয়ালা-মাসায়েল সম্পর্কে জানাশোনা বিজ্ঞকোন ব্যক্তির কাছে যেতে হবে। ধান্দাবাজ টাইপের লোকের হাতে পড়া যাবে না।

28/03/2026

তিন তালাকের পরে প্রথম স্বামীর সাথে ঘর-সংসার করার একটাই পথ শরয়ী হালালা বিয়ে বা হিল্লা বিয়ে। এটা ব্যতীত প্রথম স্বামীর কাছে ফিরে যাওয়ার কোন পথ খোলা থাকে না। তাই শরয়ী হালালার জন্য অবশ্যই যোগ্য এবং বিশ্বস্ত আলেমের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এতে কোনপ্রকার অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদের সম্মুখীন হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যাবেন।

আমরা কেন বলি, যোগ্য এবং বিশ্বস্ত আলেমের সাথে শরয়ী হালালা বিয়ের কথা তার একটা নমুনা দেখুন। পন্ডিতি করে হিল্লা বিয়ে করার পরে এখন তালাক নিয়ে তালবাহানা করতেসে। এই মেয়ে যখন আমাকে নক দিয়ে বিয়ের কথা বলেছিল তখনই আমি বলেছিলাম আপনার সামনে বিপদ রয়েছে। তার জলজ্যান্ত প্রমাণ সে পেয়ে গেছে। আজকে ইনবক্স করে কান্নাকাটি করতেসে। অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে এখন তাকে আটকে রেখে ভোগ করে যাচ্ছে! 😢

তাই আপনি যখন হিল্লা করবেনই তাহলে কেন এমন ঝুঁকির মধ্যে যাবেন, কেন গুনাহের মাধ্যমে হিল্লা বিয়ে করবেন; আপনি বিপদমুক্ত ভাবে সম্পূর্ণ সহীহ পদ্ধতিতে শরয়ী হিল্লা/হালালা বিয়ের যদি আমাদের সাথে যোগাযোগ করতেন তাহলে এমন দু্র্দশার মধ্যে পড়তে হতো না। এত বার বলি তবু আপনাদের হুঁশ হয় না। শেষে বিয়ের পরে কান্নাকাটি করেন। তখন কান্নাকাটি করলে কোন ফায়দা হবে না। স্বামী তালাক না দিলে করার কিছুই নেই।

আমরা চাই না কারো তালাক হোক, কারো সাজানো সংসার ভেঙে যাক। কিন্তু শয়তানের ওয়াসওয়াসায় কারো যদি তালাক হয়ে যায় তাহলে নতুন করে অনাকাঙ্ক্ষিত কোন বিপদের সম্মুখীন যাতে না হতে হয় সেজন্য আমরা আপনাকে যোগ্য এবং বিশ্বস্ত আলেমের সাথে পরামর্শ করে তাদের মাধ্যমে হালালা বিয়ে করতে পারি। এতে আপনিও বিপদমুক্ত থাকবেন, আবার হারামের ধারেকাছেও যেতে হবে না। সেটা না করে নিজেরা পন্ডিতি করে যদি হিল্লা করেন তাহলে তার পরিণতি কত খারাপ হয় স্কিনশট দেখুন।

আপনি যখন হিল্লা বিয়ে করবেনই তখন আমার পরামর্শ হলো আলেমদের পরামর্শ নিন, আলেমদের সাথে হিলা করুন। এতে আপনার জন্যই কল্যাণ রয়েছে।

#নিকাহে_তাহলিল #শরয়ী_হালালা_বিয়ে #হিল্লা_বিয়ে #তালাক #হিল্লা_বিয়ে

28/03/2026

হিল্লা বিয়ে।
এক রাতের জন্য বিয়ে সম্পর্কে ইসলাম কি বলে?

হিল্লা বলা হয় সাধারণত অন্য কারো কাছে যদি বিয়ে হয় সাধারণ উপায়ে। এর পর যদি কোনো কারণে তালাক হয়ে যায়, তাহলে নির্দিষ্ট ইদ্দত শেষ করে এবার স্বামীর জন্য হালাল হওয়াকেই ‘হালালা’ বলে।

কিন্তু বর্তমানে এটাকে নাটকে ভাড়াটিয়া বানিয়ে ফেলা হইছে যা জায়েজ নাই। এছাড়া আমি যেভাবে বর্ণনা করলাম সেভাবে যদি হয় তাহলে জায়েজ হবে।

আমাদের সমাজে প্রচলিত যে হিল্লা বিয়ে সেটি হলো এই যে, কোন স্ত্রীলোকের তিন তালাক হয়ে গেলে, সে তো আর তার স্বামীর জন্য জায়েজ থাকে না। এক্ষেত্রে বিধান হল, যতক্ষণ না উক্ত মহিলাটির আরেক স্থানে বিবাহ হয়, তারপর উক্ত স্বামী তাকে তালাক দেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত প্রথম স্বামীর জন্য উক্ত মহিলাটি জায়েজ হয় না। তাই একজন ব্যক্তির কাছে তালাক দেয়ার শর্তে মহিলাটিকে বিবাহ দেয়া হয়, তারপর উক্ত পুরুষ এক রাত উক্ত স্ত্রীর সাথে থেকে পরদিন তালাক দিয়ে দেয়। তারপর প্রথম স্বামী উক্ত মহিলাকে আবার বিয়ে করে থাকে। এই হলো আমাদের সমাজে প্রচলিত হিল্লা বিয়ে।

❑ এখানে মাস’আলা দু’টি। যথা :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১) উপরোক্ত পদ্ধতিটি জায়েজ কি না?
২) উক্ত পদ্ধতির মাধ্যমে প্রথম স্বামীর জন্য উক্ত স্ত্রীলোকটির বিবাহ জায়েজ হয় কি না?

❑ ১ম বিষয়টির জবাব :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
উক্ত পদ্ধতির হিল্লা বিয়ে সম্পূর্ণ হারাম। যারা হিল্লে বিয়ে করে, এবং যার জন্য করে উভয়ের উপর আল্লাহর অভিশাপ। হাদীসে ইরশাদ হয়েছে,

ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ : لَعَنِ اللَّهُ الْمُحِلَّ وَالْمُحَلَّلَ لَهُ وَالْمُحَلَّلَةَ. (مصنف ابن ابى شيبة، كتاب النكاح، في الرجل يُطَلِّقُ امْرَأَتَهُ فَيَتَزَوَّجُهَا رَجُلٌ لِيُحِلَّهَا لَهُ، رقم الحديث

হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হালালকারী, যার জন্য হালাল করা হল এবং যাকে করা হল, সবার উপর আল্লাহর অভিশাপ।
— (ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-১৭৩৬৪)

সুতরাং বুঝা গেল উপরোক্ত কর্মটি জায়েজ নয়; হারাম।

❑ ২য় প্রশ্নের জবাব :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
আরেকটি মাসআলা হলো, হিল্লে করার দ্বারা প্রথম স্বামীর জন্য উক্ত স্ত্রীলোকটি হালাল হয় কি না? একটি বিষয় হারাম হওয়া মানে উক্ত হারাম কাজের মাধ্যমে সংঘটিত কাজটি সঠিক হয়নি বিষয়টি এমন নয়। যেমন জিনা করা হারাম, তাই বলে কি জিনা করলে জিনা হয়নি? কাউকে হত্যা করা হারাম, তাই বলে কি হত্যা করলে সেটিকে হত্যা বলা হবে না?

তেমনি এভাবে হিল্লে করা হারাম,,,

17/03/2026

📌 ১. দুই তালাকের পর অবস্থা কী?
📖 কুরআন (সূরা বাকারা ২:২২৯):
“তালাক দু’বার; এরপর হয় সুন্দরভাবে রাখা, নয়তো উত্তমভাবে বিচ্ছেদ।”
👉 অর্থ:
১ম ও ২য় তালাকের পর স্ত্রী এখনো ফিরে আসতে পারে
সম্পর্ক পুরোপুরি শেষ হয়ে যায় না
📌 ২. ইদ্দতের মধ্যে করণীয় (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)
👉 তালাক দেওয়ার পর স্ত্রীকে ইদ্দত (৩ হায়েজ/মাসিক) পালন করতে হবে
এই সময়—
✔️ স্বামী চাইলে:
রুজু (ফিরিয়ে নেওয়া) করতে পারবে
নতুন করে বিয়ে লাগবে না
📖 হাদিস অনুযায়ী:
রুজু কথার মাধ্যমে (যেমন: “আমি তোমাকে ফিরিয়ে নিলাম”)
বা দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) করলেও রুজু হয়ে যায়
📌 ৩. ইদ্দতের পরে কী হবে?
👉 যদি ইদ্দতের মধ্যে রুজু না করা হয়:
✔️ তখন:
তালাক কার্যকর হয়ে যাবে
তবে আবার বিয়ে করা যাবে (নতুন করে নিকাহ ও মোহর দিয়ে)
📌 ৪. এখন কী করা উচিত (প্র্যাকটিক্যাল গাইড)
👉 আপনি যদি ২ বার তালাক দিয়ে থাকেন:
✔️ Step-by-step:
দেখুন স্ত্রী এখনো ইদ্দতের মধ্যে আছে কিনা
যদি থাকে →
👉 সঙ্গে সঙ্গে রুজু করে নিন
যদি ইদ্দত শেষ হয়ে যায় →
👉 নতুন করে বিয়ে করতে হবে
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
❌ আর একবার তালাক দিলে (৩য় তালাক):
স্ত্রী সম্পূর্ণ হারাম হয়ে যাবে
তখন হিল্লা ছাড়া ফিরে আসা সম্ভব না
👉 তাই আবেগে আর তালাক দেওয়া থেকে বিরত থাকুন

16/03/2026

**আমাদের মাধ্যমে হালালাহ বিয়ে কেন করাবেন?**

* *☞ ১. সম্পূর্ণ কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক বিবাহ হবে। হারামের ধারেকাছেও আমরা যাই না।*
* *☞ ২. পাত্ররা সকলেই ধার্মিক, দীনদার ও আলিম হওয়াতে হারামভাবে কোন চুক্তির প্রয়োজন নেই। সকলেই মাসয়ালা-মাসায়েল সম্পর্কে অবগত।*
* *☞ ৩. পাত্ররা সকলেই বিবাহিত এবং তাদের ঘর-সংসার রয়েছে। তাই বিবাহের পরে তালাক নিয়ে কোন দুশ্চিন্তা নেই।*
* *☞ ৪. বিবাহের পরে নিজস্ব বাসায় নয় বরং বাহিরে রুম ভাড়া করে থাকা হয়। ফলে অতি অল্প সময়ের মধ্যে সবকিছু সম্পন্ন হওয়ার নিশ্চয়তা।*
* *☞ ৫. অত্যন্ত নিরাপত্তার সহিত, সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে বিবাহ সম্পাদন করা হয়। ফলে বিপদেরও আশংকা নেই, সম্মানহানি হওয়ারও কোন সম্ভাবনা নেই।*
* *☞ ৬. পাত্ররা প্রত্যেকেই ফিজিক্যালি সুস্থ এবং তাদের কোন ধরনের সংক্রামক রোগ নেই। ফলে বৈবাহিক সম্পর্কের পরে রোগ-ব্যাধি হওয়ার ঝুঁকি নেই ইনশাআল্লাহ।*
* *☞ ৭. আমাদের প্রত্যেক পাত্রই মাদ্রাসার খেদমতে আছেন। ফলে বিবাহের পরে খুবই অল্প সময় একত্রে অবস্থান করা হয়।*
* *☞ ৮. আমরা তালাকপ্রাপ্তা স্বামী-স্ত্রীর কষ্ট, তাদের দূর্ভোগকে বুঝতে পারি। সন্তানদের ভবিষ্যত যাতে নষ্ট না হয় সেটা আমরা মাথায় রাখি।*
* *☞ ৯. আমরা সমাজ থেকে যেনা-ব্যভিচার বন্ধ করতে চাই। আমরা আল্লাহকে ভয় করি, মানুষের প্রতি জুলুম করাকে ভয় করি, আখিরাতের প্রতি ভয় রাখি।*
* *☞ ১০. আমরা কোনধরনের প্রতারণা বা ধোঁকাবাজি করি না। আমরা সম্পূর্ণ হালাল পন্থায় বিশ্বাসী।*

* **❏❏ অন্য জায়গায় নিজেরা এমন সহীহভাবে হিলা/হালালা বিয়ে করতে গেলে অনেক বাধা, বিপদ ও ক্ষতি হতে পারে। যেমন:**

* *☞ ১. সহীহ পন্থায় বিয়ে পড়াতে না পারা। ফলে বিয়েই হয় না। এতে বিবাহের নামে যেনা-ব্যভিচার হতে থাকে।*
* *☞ ২. নিজ এলাকার সাক্ষী রাখলে তারা পরে তা কাউকে জানিয়ে দিলে সম্মানহানি হওয়ার প্রবল আশংকা থাকে।*
* *☞ ৩. মোহরানা না ধরলে পরে মোহরে মিছিল আবশ্যক হয়ে যায়। কারো কারো মতে বিয়ে বাতিল। *
* *☞ ৪. পাত্রকে হিলার ব্যাপারে না জানালে পরে আর ছাড়ে না। ফলে আগের স্বামীর কাছে ফিরে যাওয়া কঠিন হয়। ঝগড়া-বিবাদ এবং ফেতনা তৈরী হয়। *
* *☞ ৫. অনেকসময় এতোদিন পরে তালাক দেবে এমন শর্ত করে। তাতে গুনাহ হয়, নাজায়েজ হয়। হাদীসে বর্ণিত অভিশাপের শিকার হতে হয়। কারো কারো মতে বিয়েই হয় না। আর শর্ত দিলেও সেই শর্ত সে না মেনে স্ত্রীকে রেখে দেবার সম্ভাবনা থাকে।

16/03/2026

হিল্লা বিবাহ করতে চাইলে জানাবেন।....

👉হিল্লাহ বিবাহ সম্পর্কে জানতে হলে আপনাকে আগে তালাক সংক্রান্ত মাসআলা-মাসায়িল জানাতে হবে। নিচে সংক্ষিপ্ত করে তুলে ধরা হলো।

# তালাক সংক্রান্ত কিছু মাসআলা-মাসায়িলঃ

১. স্বামী যদি কোনো শর্ত স্বাপেক্ষে ১তালাক দেয় অথবা ২ তাহলে সেই স্ত্রীর সাথে আবার বিবাহ করতে চায় তাহলে ইদ্দত পালন করার পর স্ত্রী অনুমতি নিয়ে তার সাথে বিবাহ করতে পারবে।

শর্ত তালাক যেমনঃ বলল, তুমি ঐ কাজ করলে তালাক, অথবা মুখে "তালাক" শব্দ ব্যবহার ছাড়া তালাক দিলেই যার অর্থ তালাক কিনা বুঝা যায় না তবে উদ্দেশ্য ছিলো তালাক দেওয়ার, এগুলো হলো শর্ত তালাক।

২. কোনো শর্ত ছাড়া মুখে তালাক শব্দ উচ্চার করে ১ তালাক অথবা ২ তালাক দিলে, ইদ্দতের মধ্যে তার সাথে স্বামী-স্ত্রীর মতো আচরণ করে ফিরিয়ে নিতে পারে।

৩. এখন আসি তিন তালাকের বিষয় নিয়েঃ

=> হিল্লা বিবাহ বলতে কিছু নাই।

মুলত স্বামী যখন তার স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, তখন সেই স্ত্রী তার জন্য আজীবন হারাম হয়ে যা।

তিন তালাক এক সাথে দিলে তিনটি তালাকই হবে।

আর যদি এমন হয়, একবার তালাক দিছে, পরে আবার বিয়ে করছেন, আবার তালাক দিছে তাহলে আগের তালাকসহ ২ তালাক হলো, আরেকবার তালাক দিলে তখন মোট তিন তালাক হবে।

আর তিন তালাক দেওয়ার দ্বারা তাদের মধ্যে সারাজীবনের জন্য একে অপরের জন্য হারাম হয়ে যায়।

আর এই ধরনের তিল তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার জন্য অথবা সেই স্ত্রী আগের স্বামীর কাছে যেতে চেলে তাকে অন্য কোথাও বৈধভাবে বিবাহ করতে হবে। সহবাসও করতে।

তারপর যার সাথে বিবাহ হয়েছে সে যদি তালাক দেয় অথবা তার মৃত্যুর পর সেই স্ত্রী ইদ্দত পালন করবে। তারপর যদি আগের স্বামীর কাছে যেতে চায়, সে যেতে পারবে।

★ কয়েকজন এই ধরনের বিবাহে চুক্তি করে বিবাহকে হারাম বানিয়ে ফেলে মাসআলা-মাসায়িল না জেনে।

অথচ এই বিবাহ বৈধ হতে হবে, সহবাসও বৈধ হতে হবে। এছাড়া হালাল করা সম্ভব না।

তাই তিন তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী কে হালাল করতে হলে সঠিক মাসআলা-মাসায়িল জেনে তারপর করবেন।

শরিয়তের যে কোনো মাসআলা-মাসায়িল জানতে অথবা এই ধরনের বিবাহ করে স্ত্রীকে হালাল করতে যোগাযোগ করতে পারেন।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Mirpur
Dhaka