03/12/2025
এটি ইয়েমেনের একটি মসজিদে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা। শায়খ আবু ইমাদ ঘটনাটি বর্ণনা করছিলেন এভাবে:
আমার এক বন্ধু বলল, 'গতকাল আমার পাশের গলির একজন মারা গেছেন। নাম আবু নাসের, বেশ বয়স্ক মানুষ ছিলেন। আল্লাহ ওনাকে জান্নাত নসিব করুন। তো, জানাজা আর দাফন শেষে খাটিয়াটা (মৃতদেহ বহনের খাট) যখন ফেরত আনা হলো, তখন বেশ রাত। এশার নামাজ শেষ, মসজিদও বন্ধ। তাই লোকেরা খাটিয়াটা মসজিদের দরজার বাইরের উঠোনে রেখে দিল, যাতে সকালে মুয়াজ্জিন বা খাদেম এসে সেটা জায়গামতো রেখে দেয়।
রাত তখন প্রায় সাড়ে ৩টা। এক লোক মসজিদে আসল। দেখল উঠোন খোলা কিন্তু মসজিদের মেইন দরজা তালাবদ্ধ। সে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল, কিন্তু কেউ খুলল না। ওদিকে হাড় কাঁপানো শীত। হঠাৎ তার নজর পড়ল ওই খাটিয়াটার দিকে। ওটার ওপর আবার একটা চাদর বিছানো ছিল। ব্যাস! সে আর দেরি না করে খাটিয়ার ঢাকনা সরাল, ভেতরে মোটা কাপড় পাতা ছিল, আরামসে ওটার ভেতরে ঢুকে শুয়ে পড়ল। আর সাথে সাথেই গভীর ঘুম!
আধঘণ্টা পর মসজিদের খাদেম এলেন দরজা খুলতে। তিনি খাটিয়াটা দেখে ভাবলেন, হয়তো ফজরের পর জানাজা হবে, তাই লাশসহ কেউ রেখে গেছে। মুসল্লিরা আসতে শুরু করল, কেউ অজু করতে গেল, কেউ সালাম বিনিময় করল। খাদেম আর কয়েকজন মিলে খাটিয়াটা ধরাধরি করে একেবারে মেহরাবের পাশে নিয়ে রেখে দিল। সবাই ভাবছে ভেতরে লাশ আছে, তাই কেউ আর ওটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেনি। তাছাড়া ভোরের বেলা সবার চোখে তখনও ঘুমের রেশ।
ফজরের আজান হয়ে গেল। মসজিদে প্রায় ৫০ জনের মতো লোক। আমরা কাতার সোজা করে নামাজে দাঁড়ালাম। আমি ছিলাম একদম প্রথম কাতারে। দ্বিতীয় রাকাতেও সব ঠিক ছিল, হঠাৎ দেখলাম খাটিয়াটা নড়ছে! ভাবলাম, এ কী! চোখের ভুল নাকি? চোখ কচলে আবার তাকালাম। না! স্বপ্ন না! ইমাম সাহেবের ঠিক পেছনে রাখা খাটিয়াটা সবার চোখের সামনে সত্যিই নড়ছে! আমার তো ভয়ে কলিজা শুকিয়ে গেল, পুরো কাতারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল।
ঠিক তখনই খাটিয়ার ভেতর থেকে লোকটা ঘুম ভেঙে ঢাকনাটা সরাল। মাথা বের করে সোজা জিজ্ঞেস করল, 'ভাই, আপনারা কি নামাজ পড়ে ফেলেছেন?'
ওরে ভাই! এরপরের দৃশ্য আর কী বলব! আল্লাহর কসম, সেই দৃশ্য দেখার মতো ছিল। আমি জুতো ফুতোর কথা ভুলে জান নিয়ে দে দৌড়! এক দৌড়ে মনে হয় এক কিলোমিটার পার হয়ে গেছি, তাও খালি পায়ে! ওদিকে ইমাম সাহেব তো বেহুঁশ হয়ে ফ্লোরে পড়ে গেলেন। ভয়ে কেউ কেউ দেয়ালে গিয়ে মাথা ঠুকল। কেউ কেউ আমার মতো খালি পায়েই ভোঁ দৌড়। একজন তো ভয়ে অজুখানার হাউজেই পড়ে গেল। সোজা কথায়, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পুরো মসজিদ ফাঁকা!
কিন্তু হাসির ব্যাপার হলো, ওই খাটিয়ার লোকটাও আমাদের সাথে সাথে দৌড়াতে শুরু করল! সে দৌড়াচ্ছে আর সবার পিছু পিছু চিৎকার করছে:
'ও ভাই! কী হয়েছে? কেয়ামত হয়ে গেল নাকি? আপনারা দৌড়াচ্ছেন কেন?'
আর পেছনের লোকজন যতবার দেখছে যে 'লাশ' তাদের পেছনে দৌড়াচ্ছে, তাদের দৌড়ানোর গতি তত বাড়ছে! বেচারা লোকটা তখনও চিল্লাচ্ছে, 'আমাকে ফজরের জন্য ডাক দিলেন না কেন? আল্লাহ আপনাদের বিচার করবেন!' আসলে সে বুঝতেই পারছিল না যে এই লঙ্কাকাণ্ডের মূল হোতা আসলে সে নিজেই!
(কালেকশিত)
02/12/2025
যদি খিদা লাগে, তাহলে এই স্কুলে ভর্তি হয়ে যান।
23/11/2025
জীবনের সবকিছুর বিনিময়ে যদি আর একবার বাবা–মায়ের সেবা করার সুযোগ পেতাম!
আমার সামর্থ্যের মধ্যে যতটুকু পেরেছি, আমি আমার বাবা–মাকে সেবা করেছি। আর সেই সেবার বিনিময়ে তারা আমার মাথায় হাত রেখে যে দোয়াটা দিয়েছিলেন—
“তোর জীবনে কোনো চিন্তা নাই।”
সেদিনের সেই দোয়ার পর থেকে সত্যিই কখনও পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। জীবনে অদ্ভুত শান্তি, বরকত আর সফলতা এসেছে শুধু সেই দোয়ার বরকতে।
যাদের আজও এই সম্পদ আছে—বাবা–মা বেঁচে আছেন—দয়া করে তাদের হাতছাড়া করবেন না।
বাবা–মায়ের সেবা করতে করতে যদি আপনি ফকিরও হয়ে যান, তবুও শেষ সম্বল হিসেবে যদি তাদের সত্যিকারের দোয়া আপনার সাথে থাকে—
তাহলে আপনি রাজাই হয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।
সংগ্রহীত
15/11/2025
গরিব মায়ের রাজকন্যা ❤️
বাবা তো নেয় সে বাবা নামের ক/ল/ঙ্ক 😡
14/11/2025
আপনি ফাস্ট কিভাবে আর্নিং করেছেন! 🙃
12/11/2025
ডেফিনেশান অফ সাকসেস...
যখন জন্মালাম তখন বাবা-মা ভাবলো এটা তাদের সাকসেস, তারপর যখন হাটতে শিখলাম মনে হল এটা সাকসেস, আবার যখন কথা বলতে শিখলাম মনে হলো এটাই সাকসেস !
এরপর স্কুলে গেলাম এবং শিখলাম ফার্স্ট হওয়াটা সাকসেস । এরপর বুঝলাম যে আসলে মাধ্যমিকে জিপিএ ৫ পাওয়াটা সাকসেস । কিন্তু ভুল ভাঙলো এবং বুঝলাম উচ্চমাধ্যমিকে এই রেজাল্ট-টা ধরে রাখাই সাকসেস !
এখানেই শেষ নয়.. এরপর বুঝলাম ভালো ভালো সাবজেক্ট, ঢাবি, মেডিকেল, ইন্জিনিয়ারিং, পাবলিক এ চান্স পাওয়াটাই সাকসেস ! পরে আবার ভুল ভাঙলো.. বুঝলাম এগুলা কিচ্ছু না, পড়া শেষে চাকরী পাওয়াটাই আসল সাকসেস !
এরপর আবার বুঝলাম, না.. নিজের টাকায় একটা ফ্ল্যাট, বাড়ী, গাড়ি কেনাটাই সাকসেস । পরক্ষণে আবার ভুল ভাঙলো, এরপর দেখলাম বিয়ে করে সংসার করাটাই সাকসেস । বছর ঘুরলো, দেখলাম আসলে বিয়ে করে বংশধর এনে তাকে বড় করাটাই সাকসেস । ছেলে হলে তাকে প্রতিষ্ঠিত করাটা সাকসেস, মেয়ে হলে ভালো বাড়িতে বিয়ে দেওয়াটা সাকসেস । এরপর এলো রিটায়ারমেন্ট, তারপর অনুভব করলাম সারা জীবনের জমানো টাকার সঠিক ইউটিলাইজেশন ই সাকসেস !
এরপর যখন সবাই মিলে কবরে নামিয়ে দিল, তখন বুঝলাম পৃথিবীতে কোন কিছুই সাকসেস নয়, পুরোটাই কম্পিটিশন । যার মূলে রয়েছে আকাশ ছোঁয়া আকাঙ্ক্ষা, যা কখনো পূর্ণ হয়না !
-এক মৃত ব্যক্তির পকেট থেকে পাওয়া চিঠি(রুপক)
-সংগৃহীত
07/11/2025
বড়ই ভয়ানক কথা! মনে হলো আমার ব্যাপারে বলা হচ্ছে এখানে-
হাসান বাসরী (রহ.) বলেন-
“তুমি মুমিনকে যখনই দেখবে, তাকে একই অবস্থায় পাবে, একই চেহারায় পাবে। যতই সময় গড়াক। কিন্তু মুনাফিককে দেখবে সময়ের সাথে সে পরিবর্তনশীল; সে যার সাথেই বসে, তার মতো হতে চায়। বাতাস যখন যেদিকে যায়, সেও সেই পথে হাঁটে।”
[আয-যুহদ, হান্নাদ ২/৫৭৯]
সংগ্রহীত
20/10/2025
চাচা মিয়া সুখ টান দিচ্ছেন… কেমোথেরাপির মাঝেই।”
রাউন্ডে ঢুকেই দেখি —
চাচা মিয়া হাসিমুখে বিছানায় বসে আছেন।
আজ তার দ্বিতীয় কেমোথেরাপি।
বললেন, “ডাক্তার সাহেব, আগেরটার পর বেশ ভালো লাগছে, শ্বাসও কম কষ্ট হয়।”
ভালো খবর শুনে খুশি হলাম।
কিন্তু একটু পরেই চোখ পড়ল বালিশের পাশে থাকা শার্টের পকেটে —
সেখান থেকে উঁকি দিচ্ছে একটা সিগারেটের প্যাকেট।
আমি অবাক হয়ে বললাম, “চাচা, এটা কী?”
চাচা হাসতে হাসতে বললেন —
“ডাক্তার, এখন আর আগের মতো খাই না। দিনে ৪-৫ টা মাত্র।”
বুঝলেন তো?
ক্যান্সারও এখন বুঝে গেছে —
মানুষ বদলায় না, যতই মৃত্যু সামনে থাকুক।
ফুসফুসের কোষগুলো আগুনে পুড়ছে,
কিন্তু হাতের অভ্যাসটা এখনো ছাড়েনি।
যে রোগী কেমোথেরাপির সময়েও সুখ টানে,
তাকে আর চিকিৎসা নয়, শুধু দোয়া দেওয়া যায়।
কারণ যিনি নিজের মৃত্যু নিজেই বেছে নিয়েছেন,
সত্যটা কষ্টের, কিন্তু বলা দরকার —
কেমো মানেই জীবন বাঁচানোর শেষ চেষ্টা।
আর সিগারেট মানেই নিজের হাতে সেই জীবনকে মেরে ফেলা।
দুইটা একসাথে চলতে পারে না।
তুমি যদি ভাবো,
“এখন কম খাই”, “দুই টানেই বা কী হবে”—
তাহলে মনে রাখো,
প্রতিটি টান মানেই এক ফোঁটা করে অক্সিজেন কমে যাওয়া।
একটা সিগারেট, একদিনের আয়ু কমানো নয় —
এটা আসলে “নিজের জন্য খোঁড়া কবরের প্রথম ইট”।
আজ যারা সুখ টান দিচ্ছেন,
তাদের জন্য ক্যান্সার ইতিমধ্যেই রাস্তা ঠিক করে রেখেছে।
চুপচাপ অপেক্ষা করছে,
কখন আপনি শেষ টানটা দেবেন —
আর মৃত্যুও হাসতে হাসতে বলবে, “চলুন, এবার আমার পালা।”
এই পোস্টটা শেয়ার করুন,প্রিয় মানুষটা যে বয়সের কারনে বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে সিগারেট খাচ্ছে তাদের সচেতন করুন,বাচুক আরেকটা ফুসফুস
কেস সামারি, ছবি : অনকোলজিস্ট জাবির ভাই
© Dr-Abdur Rahman