Bangladesh Climate Refugees Adaptation Team - BCRAT

Bangladesh Climate Refugees Adaptation Team - BCRAT

Share

Climate Refugees Community & Empowerment Group

24/10/2024

ঘূর্ণিঝড় পর্যটন কি?

ঘূর্ণিঝড় পর্যটন:
ঘূর্ণিঝড় পর্যবেক্ষণ বা চরম আবহাওয়ার পরিস্থিতি অনুভব করার উদ্দেশ্যে ঘূর্ণিঝড় দ্বারা প্রভাবিত বা কাছাকাছি এলাকায় ভ্রমণের অনুশীলনকে বোঝায়। যদিও এই ধরণের পর্যটন অস্বাভাবিক বা ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হতে পারে, কিছু রোমাঞ্চ-সন্ধানী এবং আবহাওয়া উত্সাহীরা অ্যাড্রেনালিন রাশ এবং প্রকৃতির অপ্রচলিত শক্তিকে কাছে থেকে দেখার সুযোগের জন্য এতে আকৃষ্ট হন।

এখানে ঘূর্ণিঝড় পর্যটনের কিছু দিক রয়েছে:

1. **রোমাঞ্চ এবং দুঃসাহসিক**: ঝড়ের তাড়ার মতই, ঘূর্ণিঝড় পর্যটকরা প্রায়ই চরম আবহাওয়ায় মুগ্ধ হয় এবং এটি সরাসরি অনুভব করতে চায়। তারা প্রবল বাতাস, বৃষ্টি এবং ঝড়ের প্রভাব দেখতে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসিত পথের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চল বা স্থানগুলিতে ভ্রমণ করতে পারে।

2. **মিডিয়া এবং ডকুমেন্টেশন**: কিছু ঘূর্ণিঝড় পর্যটক সাংবাদিক, চলচ্চিত্র নির্মাতা বা ফটোগ্রাফার যারা ঘটনাটি নথিভুক্ত করতে চাইছেন। তাদের কাজ ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রগতির ফুটেজ ক্যাপচার, সম্প্রদায়ের উপর এর প্রভাব এবং পরিবেশগত পরিবর্তনগুলি নিয়ে আসতে পারে।

3. **ঝুঁকি সহ ইকোট্যুরিজম**: ঘূর্ণিঝড় দ্বারা সৃষ্ট পরিবেশগত পরিবর্তনে আগ্রহী কিছু লোক—যেমন ল্যান্ডস্কেপ, ইকোসিস্টেম বা উপকূলীয় অঞ্চলে পরিবর্তন—সাইক্লোন ট্যুরিজমের আরও পরিবেশগতভাবে কেন্দ্রীভূত ফর্মে অংশগ্রহণ করে। যাইহোক, জড়িত সম্ভাব্য বিপদের কারণে এটি এখনও ঝুঁকিপূর্ণ।

4. **স্থানীয় এলাকার উপর অর্থনৈতিক প্রভাব**: কিছু ক্ষেত্রে, ঘূর্ণিঝড় পর্যটন ঝড় দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদান করতে পারে, কারণ পর্যটকরা স্থানীয় বাসস্থান, খাবার এবং পরিষেবার জন্য অর্থ ব্যয় করে। যাইহোক, যখন নিরাপত্তা এবং পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টার উপর ফোকাস করা উচিত তখন এটি সংস্থানগুলিকেও চাপ দিতে পারে।

যদিও কিছু লোক ঘূর্ণিঝড় পর্যটনের দিকে আকৃষ্ট হয়, এটি বিপজ্জনক হতে পারে এবং সতর্ক পরিকল্পনা প্রয়োজন। এটি নৈতিক উদ্বেগও উত্থাপন করে, কারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় পর্যটন ত্রাণ প্রচেষ্টা ব্যাহত করতে পারে বা স্থানীয় সম্পদের উপর অপ্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

24/10/2024

নীলকুঠি নির্মাণ : বাংলাদেশ পর্ব
বায়োটেক প্রযুক্তির বেনিয়া মোনসানটোর অনুপ্রবেশ ও বাংলাদেশ সরকারের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং নামক প্রযুক্তিটিকে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের কৌশল হিসেবে গ্রহণ করার ইতিহাসটি পর্যালোচনা করলে এই সিদ্ধান্তের পেছনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রমাণ পাওয়া যায়।
সরকারি পর্যায়ে বায়োটেকনোলজি গবেষণায় জোর দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা শুরু হয় আশির দশকে, যখন বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সরাসরি তদারকির শুরু।
এরশাদের শাসনামলে (১৯৮৪ সালে) প্রজেক্টের ধারণা ও খালেদা জিয়া সরকারের প্রথম মেয়াদে (১৯৯৩ সালে) কনসেপ্ট পেপার জমা দেওয়া হলেও
১৯৯৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সাভারের গণকবাড়িতে শুরু হয় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি) নির্মাণের কাজ।
সরকারের অন্যান্য উন্নয়নমূলক প্রকল্পের মতো এই
প্রকল্পটিকে প্রচারণার আলোতে নিয়ে আসার কোনো চেষ্টা তৎকালীন সরকার করেনি। বরং অত্যন্ত নিভৃতে ১.৫ একরের ওপর এই প্রতিষ্ঠানটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। এবং ২০০৭ সালে বিএনপি সরকারের আমলে সমাপ্ত হয়। লক্ষণীয় যে, বিএনপি সরকার এই প্রকল্পটি সমাপ্ত করেও তার কৃতিত্ব গ্রহণের কোনো চেষ্টা না করে এটিকে জন-অলক্ষ্যে রেখে দেয়।
বাংলাদেশে এটি সম্ভবত সেই বিরল প্রকল্পগুলোর একটি যা পরপর তিনটি ভিন্নমতাবলম্বী সরকার নিষ্ঠার সঙ্গে অব্যাহত রেখেছে। দলমত নির্বিশেষে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের প্রতি এই একাগ্রতা বাংলাদেশের রাজনীতিতে কেবল তখনই দেখা যায় যখন প্রকল্পটি পশ্চিম থেকে প্রেসক্রিপশন হিসেবে নির্দেশিত হয়।
এনআইবি যে লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় তা হলো
অত্যাধুনিক গবেষণাগার তৈরির মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রিয়াল
পর্যায়ে উদ্ভিদ, প্রাণী, মাংস, অণুজীবসংক্রান্ত বায়োটেকনোলজি গবেষণা শুরু, আমদানিকৃত জেনেটিক্যালি মডিফায়েড খাদ্যের সার্টিফিকেট প্রদান ও ডিএনএ ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং উন্নত ফরেনসিকব্যবস্থা চালু করা। ২০০৬ সালের জুলাইয়ে এ প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বিএনপি সরকার বাংলাদেশ জাতীয় বায়োটেকনোলজিনীতি গ্রহণ করে। বর্তমান সরকার আসার পর কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী তার দ্বিতীয় মেয়াদের অভিষেক ভাষণে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের বায়োটেকনোলজি গবেষণার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা, বন্যা, খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল এবং রোগবালাই প্রতিরোধে সক্ষম ধানসহ অন্যান্য ফসল উদ্ভাবনের আহবান জানান। তিনি একই সঙ্গে বাংলাদেশের মতো সীমিত কৃষিজমির দেশে অর্গানিক বা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের অকার্যকারিতা তুলে ধরেন।
আরেক বক্তৃতায় তিনি জানান, ১৯৯৬ সাল থেকে
হাইব্রিড ধানের ব্যবহারে বাংলাদেশের কৃষক যেহেতু
লাভবান হয়ছে সেহেতু জেনেটিক্যালি মডিফায়েড বীজ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও তার সরকার কোনোরকম পিছুটান রাখবে না, বরং এ প্রযুক্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রে যে কোনোরকম বাধা কঠিন হাতে দমন করা হবে। তিনি আরো জানান, জৈবপ্রযুক্তিকে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে সরকার একটি পঞ্চবার্ষিক টেকসই কৃষি-পরিকল্পনা গ্রহণ করবে এবং মাঠপর্যায়ে ৩ হাজার ৫০০ নতুন কৃষি কর্মকর্তা নিয়াগ দেবে।
তবে যে বিষয়টি এক্ষেত্রে সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ
করা প্রয়োজন তা হলো, বায়োটেকনোলজির এ অভিযাত্রায় বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গ বর্তমানে প্রযুক্তিসহায়তা নিয়ে যোগ দিয়েছে ভারত সরকার। এ লক্ষ্যে ভারতের কৃষিমন্ত্রী শারদ পাওয়ারের সঙ্গে বাংলাদেশের কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী জানুয়ারিতে কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন যার আওতায় ভারত ও বাংলাদেশ পরস্পরের সঙ্গে জৈবপ্রযুক্তি ও নিজস্ব উদ্ভাবন বিনিময় করবে। ইতোমধ্যেই ভারতের বিজ্ঞানীদের সহায়তায় বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বারি) বিভিন্ন ধরনের জিএম ফসলের মাঠপর্যায়ে পরীক্ষামূলক চাষ শুরু করেছে। ভবিষ্যতে কৃষিপণ্য বিনিময়ের ক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশে উৎপাদিত কোনো বীজ কিনবে কিনা, কিংবা বাংলাদেশ কী পরিমাণ ভারতীয় বীজ ব্যবহার করবে তা থেকে এ যৌথ সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি প্রকাশিত হবে বলে আশা করা যায়। তবে বাংলাদেশ ও ভারতের বিনিময়জনিত বন্ধুত্বের ইতিহাস বঞ্চনা আর প্রতিশ্রুতিভঙ্গের ইতিহাস হওয়ায় এ মুহূর্তে এ নতুন সহযোগিতা বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা সম্ভব নয়। তবে এক্ষেত্রে এ বিষয়টি উল্লেখ করা অত্যন্ত জরুরি, বাংলাদেশ যদি ভারতকে একতরফাভাবেও জিএম বীজ সরবরাহ করার সুযোগ পায় সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের মুনাফা ঘটবে ভারতের জীববৈচিত্র্যের বিনিময়ে যা মেনে নেওয়া যায় না।
এদিকে মোনসানটো বাংলাদেশে প্রবেশের প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করে ১৯৯৮ সালে। লক্ষণীয়, ঠিক কাছাকাছি সময় মোনসানটো ভারতেও প্রবেশ করে।
নয়াদিল্লিভিত্তিক অর্থনীতিবিদ দুর্গানন্দ ঝা এ বিষয়ে বলেন, এ সময় মোনসানটো ভারত ও বাংলাদেশের বাজারকে টার্গেট করেছিল ইউরোপের বাজারে প্রবেশ করতে না পারার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য। তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে মোনসানটোর ভুট্টা ব্যবসা সে সময় হ্রাস পায় ২০ ভাগ।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১৯৯৮-৯৯ সালের দিকে জিএম ফসলের বিরুদ্ধে একটি প্রবল প্রতিরোধ তৈরি হয়েছিল। এ সময় জিএম ফসলের বিশ্বব্যাপী সমালোচনা এবং সেইসঙ্গে অর্গানিক ফসলের চাহিদা ও বিপণনমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় থাই সরকার বিশেষ বিশেষ এলাকায় রফতানিযোগ্য অর্গানিক চাষাবাদের ঘোষণা দেয়।
জাপানের বৃহত্তম সয়াবিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ফুজি ঘোষণা দেয়, তারা জিএম সয়াবিনের চাষ বন্ধ করে দেবে।
ব্রাজিলের কোর্ট মোনসানটোর রাউন্ডআপ সয়াবিনের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেন।
ঠিক একই ভাবে আমরা দেখেছি, সত্তরের দশকে মার্কিন সরকার কর্তৃক কীটনাশক ব্যবহার নিষিদ্ধ করার পরপরই এশিয়ার বাজারে ‘সবুজ বিপ্লবের’ নামে সার ও কীটনাশকের বন্যা বয়ে গিয়েছিল।
যাই হোক, মোনসানটো চেয়েছিল ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংকের হাত ধরে বাংলাদেশের দরিদ্র কৃষকের কাছে তাদের পণ্য পৌঁছে দেবে। তবে এ পরিকল্পনাটি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মানবতাবাদী সংগঠন ও পরিবেশবাদীদের সমালোচনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।
এরপর অত্যন্ত গোপনে বাংলাদেশে এসে মোনসানটো ‘মোনসানটো বাংলাদেশ লিমিটেড’ নামে তার নাম নিবন্ধন করে ও হোটেল মিডওয়েতে একটি অস্থায়ী কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করে যায়। এ কার্যালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় একজন ভারতীয় নাগরিকের ওপর। ঠিক সে বছরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মহাত্মা গান্ধী পুরস্কারে ভূষিত করে অসলোর মহাত্মা গান্ধী ফাউন্ডেশন এবং অলইন্ডিয়া পিস কাউন্সিল প্রদান করে মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড। পরের বছর বিশ্বভারতী তাকে দেশিকোত্তম পুরস্কারে ভূষিত করে। শেখ হাসিনার ওই মেয়াদের কার্যকালে তাকে গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, সুশাসন, মানবতাবাদ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় অবদান রাখার জন্য ভারত ও অ্যাংলো-আমেরিকান বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একডজনেরও বেশি সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদান করা হলেও বাংলাদেশের জনগণ তার শাসনব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলায় তাকে পরের মেয়াদে (২০০১ সালের নির্বাচনে) আর পুনর্নির্বাচিত করেনি। পুঁজিবাদী তৃতীয় বিশ্বের সরকারপ্রধানের প্রতি এ ধরনের সমর্থন বিশ্বরাজনীতির ইতিহাসে কোনো বিরাট বাণিজ্যিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রাকপ্রস্ত্ততি হিসেবে বারবার প্রমাণিত হয়ে এসেছে (ইরাক তার জাজ্বল্যমান প্রমাণ)।
হয়তো সে কারণেই আমরা দেখি, ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় কৃষিফসলের বিরাট ক্ষয়ক্ষতির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার বীজনিরাপত্তাসংক্রান্ত বাংলাদেশের আগের নীতি উপেক্ষা করে বহুজাতিক কোম্পানিগুলা হতে হাইব্রিড ধান আমদানি করার অনুমতি প্রদান করে। এ বিষয়টি এক্ষেত্রে স্মরণ রাখা প্রয়োজন, বাংলাদেশে বন্যার নির্মাণ ও বিস্তারে বর্ষা মৌসুমে ভারত কীভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে তার ৫৪টি অভিন্ন নদীর ওপর নির্মিত বাঁধগুলো নিয়ন্ত্রণ করে সেটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
যাই হোক, বীজ কেনায় সে সময় এগিয়ে আসে কেমিক্যাল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এসিআই ও ক্ষুদ্রঋণ বিতরণী এনজিও ব্র্যাক। আমদানি করা হয় ভারতের হাইব্রিড ধান ‘আলোক’। বন্যাবিধ্বস্ত কৃষক যখন ঋণের জন্য ব্র্যাকের কাছে আবেদন জানায় তখন তার সেই ঋণটি প্রদান করা হয় অর্ধেক টাকায় ও অর্ধেক আলোক বীজ দিয়ে। আলোক ধান হতে কৃষকের ফলন অত্যন্ত নিম্নমানের হলেও কিছু কিছু পত্রিকার পৃষ্ঠায় এ ধানের ফলনকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে বাম্পার ফলন হিসেবে দেখানো হয়, যা বাংলাদেশের উবিনীগ নামক সংগঠনটির মাঠপর্যায়ের তদন্তে ভুয়া হিসেবে প্রমাণিত হয়েছিল। যাই হোক, বাংলাদেশের বাজারে মোনসানটোর অনুপ্রবেশ ১৯৯৮ সালেই ঘটে।
বহুজাতিক মোনসানটো বাংলাদেশ লিমিটেডের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলো এটা নিয়ন্ত্রণ করছে মোনসানটো ইন্ডিয়া। মোনসানটো ইন্ডিয়ার ২০০১-২০০২ সালের বার্ষিক রিপোর্টে শেখর খান্নাকে মোনসানটো বাংলাদেশের প্রধান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মোনসানটো বাংলাদেশ কেন মোনসানটো কর্তৃক সরাসরি পরিচালিত না হয়ে মোনসানটো ইন্ডিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে পরিচালিত হবে তার ব্যাখ্যা সম্ভবত দক্ষিণ এশিয়ার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পর্যালোচনা করলে পাওয়া সম্ভব।
আমরা জানি, সম্প্রতি মার্কিন সরকার ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে কৌশলগত বন্ধু হিসেবে ঘোষণা করেছে। সম্প্রতি ওবামার প্রশাসনেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান দেওয়া হয়েছে মোনসানটোর এক সাবেক ভারতীয় বংশোদ্ভূত কর্মকর্তাকে।
লক্ষণীয়, ভারতে বিটি তুলার বিরুদ্ধেও ব্যাপক আন্দোলন চলছে। আগেই বলা হয়েছে, বিটি তুলা প্রায় দুই লাখ কৃষকের প্রাণনাশ করেছে। এরপরও ভারত সরকার বিটি তুলা উৎপাদন থেকে সরে আসার কোনো চেষ্টা করেনি বরং এ তুলা চাষ নিয়ে ভারত সরকারের রয়েছে আরো উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা।
অন্যদিকে বিটি বেগুনের বাজারজাতকরণের আগেই এর বিরুদ্ধে সংঘটিত প্রতিবাদকে সরকার গুরুত্বসহকারে নিয়ে বাজারজাতকরণের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে। সেইসঙ্গে পাশের দেশ বাংলাদেশে প্রযুক্তি বিনিময় চুক্তির নামে বিটি বেগুনের চাষ সম্প্রসারণ করছে। প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণে আমরা কি ধরে নিতে পারি, ভারত ওয়াশিংটনের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও বাণিজ্যের লভ্যাংশ প্রদানের বিনিময়ে বাংলাদেশের বাজার মোনসানটোকে নিবেদন করে তার নিজের বাজারকে বিষাক্ত জৈববিকৃত খাদ্য থেকে নিরাপদ রাখার অনুমতি পেয়েছে?

#অথঃনীলকরনামাপর্ব ৪

08/10/2024

আমরা দেশ ব্যাপী জেলা ভিত্তিক “জলবায়ু উদ্বাস্তু অভিযোজন কর্মসূচি পরিচালনা করার জন্য বিভিন্ন জেলা হতে আগ্রহী প্রতিনিধি ও ভলেন্টিয়ার সংগ্রহ করছি।
আগ্রহী প্রার্থীকে তাঁর জীবনবৃত্যান্ত সহকারে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

(প্রার্থীকে অবশ্যই পরিবেশ ও উন্নত সামাজিক জীবন ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বাস্তব সম্মত জ্ঞান থাকতে হবে।)

ইমেইলের ঠিকানা: [email protected]
বিষয় এর স্থানে প্রতিনিধি / ভলেন্টিয়ার যেটা হতে অগ্রহী তা উল্ল্যেখ করতে হবে।

Bangladesh Climate Refugees Adaptation Team - BCRAT Ministry of Environment, Forest and Climate Change, Bangladesh Bangladesh Climate Refugees Adaptation Camp at Coxsbazaar - BCRAC Group

Send a message to learn more

27/09/2024

বন বিভাগের এফরেস্টেশন প্রোগ্রামগুলোর বর্তমান আপডেট কি কেও জানাতে পারেন?

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address

Dhaka
1209