এডভোকেট রেজওয়ানুর রহমান

এডভোকেট রেজওয়ানুর রহমান

Share

☎️ 01914-828282

08/01/2026

জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত না করে আবাদযোগ্য বা কর্ষণীয় জমির উপরি-স্তর কর্তন করলে ২ বছরের #কারাদন্ড!

Photos from এডভোকেট রেজওয়ানুর রহমান's post 04/01/2026

রেজিষ্ট্রেশন আইন ১৯০৮ সংশোধন:

এখন থেকে ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি বিক্রি, পাওয়ার অব অ্যাটর্নী, হেবা/দান, হেবার ঘোষণা /দানের ঘোষণা সব দলিল রেজিস্ট্রি করা যাবে, নিজ নামে নামজারির প্রয়োজন নেই।

উল্লেখযোগ্য
১) বায়না দলিল দাখিলের মেয়াদ ৩০ থেকে ৬০ দিন করা হয়েছে;
২) বিদেশে সম্পাদিত পাওয়ার অফ এটর্নি দলিল বাংলাদেশে রেজিস্ট্রেশনের জন্য সাব-রেজিস্ট্রারের বরাবর দাখিলের মেয়াদ ছিল চার মাস। এখন ছয় মাস করা হয়েছে;
৩) কবলা দলিলের পাশাপাশি এবার দান/হেবার ঘোষণা ও দানপত্র দলিল উত্তরাধিকার সূত্রে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে;
৪) সরকারি ফিস আদায়ে সাব-রেজিস্ট্রারদের কে আরো দায়বদ্ধ করা হয়েছে।

04/01/2026

⚖️ ১. Case (কেস) – মামলা
📄 ২. Lawsuit (লসুট) – দেওয়ানি মামলা
🚓 ৩. Arrest (এরেস্ট) – গ্রেপ্তার
🔒 ৪. Custody (কাস্টডি) – হেফাজত
📜 ৫. FIR (এফআইআর) – প্রাথমিক অভিযোগ
🧾 ৬. Complaint (কমপ্লেইন্ট) – অভিযোগ
👨‍⚖️ ৭. Judge (জাজ) – বিচারক
⚖️ ৮. Court (কোর্ট) – আদালত
🏛️ ৯. High Court (হাই কোর্ট) – উচ্চ আদালত
🏛️ ১০. Supreme Court (সুপ্রিম কোর্ট) – সর্বোচ্চ আদালত

👮 ১১. Police (পুলিশ) – পুলিশ
📂 ১২. Charge (চার্জ) – অভিযোগ দাখিল
📑 ১৩. Charge sheet (চার্জশিট) – অভিযোগপত্র
🧑‍⚖️ ১৪. Lawyer (লইয়ার) – আইনজীবী
🧑‍⚖️ ১৫. Advocate (অ্যাডভোকেট) – উকিল
🗣️ ১৬. Hearing (হিয়ারিং) – শুনানি
⏳ ১৭. Remand (রিমান্ড) – জিজ্ঞাসাবাদের হেফাজত
🚔 ১৮. Detention (ডিটেনশন) – আটক
📆 ১৯. Trial (ট্রায়াল) – বিচার কার্যক্রম
📢 ২০. Verdict (ভারডিক্ট) – রায়

🔓 ২১. Bail (বেইল) – জামিন
📝 ২২. Bail application (বেইল অ্যাপ্লিকেশন) – জামিন আবেদন
💰 ২৩. Bail bond (বেইল বন্ড) – জামিননামা
🔐 ২৪. Bail granted (বেইল গ্রান্টেড) – জামিন মঞ্জুর
❌ ২৫. Bail rejected (বেইল রিজেক্টেড) – জামিন নামঞ্জুর
⏰ ২৬. Interim bail (ইন্টারিম বেইল) – অন্তর্বর্তী জামিন
🏠 ২৭. Anticipatory bail (অ্যান্টিসিপেটরি বেইল) – আগাম জামিন
⚠️ ২৮. Conditional bail (কন্ডিশনাল বেইল) – শর্তসাপেক্ষ জামিন
📜 ২৯. Surety (শ্যুরিটি) – জামিনদার
👤 ৩০. Accused (অ্যাকিউজড) – অভিযুক্ত

🧑 ৩১. Defendant (ডিফেনডেন্ট) – আসামি
🙋 ৩২. Plaintiff (প্লেইনটিফ) – বাদী
🗂️ ৩৩. Evidence (এভিডেন্স) – প্রমাণ
🧪 ৩৪. Proof (প্রুফ) – সাক্ষ্যপ্রমাণ
🗣️ ৩৫. Witness (উইটনেস) – সাক্ষী
📹 ৩৬. Testimony (টেস্টিমনি) – সাক্ষ্য
🕵️ ৩৭. Investigation (ইনভেস্টিগেশন) – তদন্ত
📊 ৩৮. Inquiry (ইনকোয়ারি) – অনুসন্ধান
📁 ৩৯. Case file (কেস ফাইল) – মামলার নথি
🗃️ ৪০. Record (রেকর্ড) – নথিভুক্ত তথ্য

❎ ৪১. Acquittal (অ্যাকুইটাল) – খালাস
✅ ৪২. Acquitted (অ্যাকুইটেড) – খালাসপ্রাপ্ত
⚖️ ৪৩. Conviction (কনভিকশন) – দোষী সাব্যস্ত
⛓️ ৪৪. Sentence (সেন্টেন্স) – সাজা
⛓️ ৪৫. Punishment (পানিশমেন্ট) – শাস্তি
📜 ৪৬. Judgment (জাজমেন্ট) – রায়
📉 ৪৭. Appeal (অ্যাপিল) – আপিল
🏛️ ৪৮. Review (রিভিউ) – পুনর্বিবেচনা
🔄 ৪৯. Revision (রিভিশন) – সংশোধনী আবেদন
🧑‍⚖️ ৫০. Bench (বেঞ্চ) – বিচারক প্যানেল

⚠️ ৫১. Allegation (অ্যালিগেশন) – অভিযোগ
🚨 ৫২. Offence (অফেন্স) – অপরাধ
🚫 ৫৩. Crime (ক্রাইম) – অপরাধমূলক কাজ
⚖️ ৫৪. Penal code (পিনাল কোড) – দণ্ডবিধি
📘 ৫৫. Section (সেকশন) – ধারা
📕 ৫৬. Article (আর্টিকেল) – অনুচ্ছেদ
📝 ৫৭. Petition (পিটিশন) – আবেদন
📄 ৫৮. Affidavit (অ্যাফিডেভিট) – হলফনামা
🖋️ ৫৯. Signature (সিগনেচার) – স্বাক্ষর
📌 ৬০. Notice (নোটিস) – নোটিশ

🕰️ ৬১. Adjournment (অ্যাডজার্নমেন্ট) – মুলতবি
📅 ৬২. Date fixed (ডেট ফিক্সড) – তারিখ নির্ধারণ
🚫 ৬৩. Non-bailable (নন বেইলেবল) – জামিন অযোগ্য
✔️ ৬৪. Bailable (বেইলেবল) – জামিনযোগ্য
👮‍♂️ ৬৫. Custodial interrogation (কাস্টডিয়াল ইন্টারোগেশন) – হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ
📂 ৬৬. Case dismissal (কেস ডিসমিসাল) – মামলা খারিজ
❌ ৬৭. Discharge (ডিসচার্জ) – অব্যাহতি
📉 ৬৮. Withdrawal (উইথড্রয়াল) – মামলা প্রত্যাহার
⚠️ ৬৯. Charges dropped (চার্জ ড্রপড) – অভিযোগ প্রত্যাহার
🧑‍⚖️ ৭০. Legal aid (লিগ্যাল এইড) – আইনি সহায়তা

📘 ৭১. Law (ল) – আইন
🏛️ ৭২. Judiciary (জুডিশিয়ারি) – বিচার বিভাগ
🧑‍⚖️ ৭৩. Magistrate (ম্যাজিস্ট্রেট) – ম্যাজিস্ট্রেট
📜 ৭৪. Order (অর্ডার) – আদেশ
📣 ৭৫. Summons (সমনস) – সমন
🚔 ৭৬. Warrant (ওয়ারেন্ট) – গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
❌ ৭৭. Stay order (স্টে অর্ডার) – স্থগিতাদেশ
🛑 ৭৮. Injunction (ইনজাংশন) – নিষেধাজ্ঞা
📑 ৭৯. Proceedings (প্রসিডিংস) – কার্যক্রম
⚖️ ৮০. Legal procedure (লিগ্যাল প্রসিডিউর) – আইনি প্রক্রিয়া

👤 ৮১. Suspect (সাসপেক্ট) – সন্দেহভাজন
📂 ৮২. Case number (কেস নাম্বার) – মামলার নম্বর
🧾 ৮৩. Document (ডকুমেন্ট) – দলিল
🧠 ৮৪. Legal advice (লিগ্যাল অ্যাডভাইস) – আইনি পরামর্শ
⚖️ ৮৫. Justice (জাস্টিস) – ন্যায়বিচার
📜 ৮৬. Rule (রুল) – বিধি
📕 ৮৭. Ordinance (অর্ডিন্যান্স) – অধ্যাদেশ
📘 ৮৮. Act (অ্যাক্ট) – আইন
⚠️ ৮৯. Violation (ভায়োলেশন) – আইন লঙ্ঘন
🕊️ ৯০. Release (রিলিজ) – মুক্তি

🔓 ৯১. On bail (অন বেইল) – জামিনে মুক্ত
🏠 ৯২. House arrest (হাউস এরেস্ট) – গৃহবন্দি
⛔ ৯৩. Prohibition (প্রোহিবিশন) – নিষেধাজ্ঞা
📢 ৯৪. Public prosecutor (পাবলিক প্রসিকিউটর) – সরকারি কৌঁসুলি
⚖️ ৯৫. Defense lawyer (ডিফেন্স লইয়ার) – আসামিপক্ষের আইনজীবী
📄 ৯৬. Final report (ফাইনাল রিপোর্ট) – চূড়ান্ত প্রতিবেদন
❎ ৯৭. Case closed (কেস ক্লোজড) – মামলা নিষ্পত্তি
🧑‍⚖️ ৯৮. Legal victory (লিগ্যাল ভিক্টরি) – আইনি জয়
🕊️ ৯৯. Freedom (ফ্রিডম) – স্বাধীনতা
✅ ১০০. Justice served (জাস্টিস সার্ভড) – ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত
👌

18/09/2025

"নাম, টাকার অঙ্ক ও তারিখ ছাড়া ব্যাংক চেক আইনের চোখে বৈধ নয়"- হাইকোর্ট।

একই আদেশের বিরুদ্ধে দুই আবেদন, আইনজীবীকে তলববাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
নাম, টাকার অঙ্ক ও তারিখ ছাড়া ব্যাংক চেক আইনের চোখে বৈধ নয়
হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

ল'ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশবাংলাদেশ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ 2 min read
0
চেক প্রতারণা সংক্রান্ত এক মামলায় রায় দিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এক গুরুত্বপূর্ণ আইনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আদালত পর্যবেক্ষণ করেছেন— যে কোনো ব্যাংক চেকে প্রাপকের নাম, টাকার অঙ্ক এবং তারিখ উল্লেখ না থাকলে সেটি আইনের চোখে বৈধ চেক নয়। এমনকি ব্ল্যাঙ্ক বা ফাঁকা চেক ইস্যু করা হলেও দাতা আইনগতভাবে উক্ত অঙ্ক প্রদানে বাধ্য থাকবেন না।

১৯ মে ২০২৫ তারিখে বিচারপতি মো. শহরওয়ার্দীর একক বেঞ্চ এ রায় প্রদান করেন। মামলাটি ছিল ক্রিমিনাল আপিল নং-৫৯৩০/২০২৪ (Md. Saiful Islam বনাম The State and another), যা সেশনস কোর্ট, সাতক্ষীরা-২ কর্তৃক প্রদত্ত এক খালাসাদেশের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছিল।

মামলার পটভূমি
অভিযোগকারী মো. সাইফুল ইসলাম দাবি করেন, আসামি মো. আব্দুল মান্নান তার কাছ থেকে ২০১৯ সালের আগস্টে ব্যবসার কাজে ৪৮ লাখ টাকা ঋণ নেন। নির্ধারিত সময়ে টাকা ফেরত না দিয়ে ২০২০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি একটি চেক প্রদান করেন। তবে উক্ত চেক ব্যাংকে উপস্থাপন করলে “insufficient funds” মন্তব্যে তা ফেরত আসে। পরবর্তীতে নোটিশ প্রেরণ করা হলেও আসামি টাকা পরিশোধ করেননি।

আসামির বক্তব্য
ডিফেন্সে দাঁড়িয়ে আসামি আব্দুল মান্নান জানান, তিনি দীর্ঘদিন ব্রিক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কিন্তু ৫-৭ বছর আগে অবসর নেন এবং শারীরিকভাবে (এক চোখে দৃষ্টিশক্তি হারানো) অসুস্থ। তার দাবি, অভিযোগকারীর পিতা আহমেদ আলীর সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেনের সময় তিনি নিরাপত্তা স্বরূপ কিছু চেক দিয়েছিলেন। ঋণ শোধের পরও ওই চেক ফেরত না দিয়ে অভিযোগকারী ও তার পিতা একটি পুরোনো চেক ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা করেছেন।

ট্রায়াল কোর্টের রায়
সাতক্ষীরার যৌথ জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ (সেশন কেস নং-১৮৩৫/২০০০, কালীগঞ্জ) মামলাটি বিচার করে ২০২৪ সালের ২৩ মে মান্নানকে খালাস দেন। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, অভিযোগকারী টাকার উৎস বা ৪৮ লাখ টাকা নগদে দেওয়ার প্রমাণ দেখাতে পারেননি। এছাড়া অভিযোগকারীর স্বাক্ষ্যেও অসঙ্গতি রয়েছে এবং চেকের লেখার অংশে ভিন্ন হস্তাক্ষরের বিষয়টি নজরে আসে। আদালত মনে করেন, চেকটি আসলে অভিযোগকারীর বাবা আহমেদ আলীর কাছে ব্যবসায়িক লেনদেনের সময় আমানত রাখা হয়েছিল, যা পরে ব্যবহার করে এ মামলা করা হয়।

আপিলে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ
হাইকোর্ট রায়ে বলেন—

৪৮ লাখ টাকার লেনদেনের কোনো দলিল বা উৎস প্রমাণ হাজির করা যায়নি। অভিযোগকারী নিজেও স্বীকার করেছেন যে তিনি ঘরে এত টাকা নগদ রাখতেন না, অথচ কোনো ব্যাংক থেকে উত্তোলনের প্রমাণও দেননি।

উপস্থাপিত চেক (এক্সহিবিট-২) পরীক্ষা করে দেখা যায়, আসামির স্বাক্ষর ও অন্য লেখার হাতের লেখা এক নয়। অভিযোগকারীও বলেননি কে বাকি অংশ পূরণ করেছেন।

অভিযোগকারী স্বীকার করেছেন যে আসামি শুধু স্বাক্ষর করেছেন, কিন্তু নাম, তারিখ ও টাকার অঙ্ক কে লিখেছে সে সম্পর্কে কিছু বলেননি।

রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়—

একটি চেক বৈধ হতে হলে অবশ্যই প্রাপকের নাম, অর্থের পরিমাণ এবং তারিখ উল্লেখ থাকতে হবে। খালি (blank) বা অস্বাক্ষরিত অংশসহ চেক আইনের চোখে চেক নয়। এ ধরনের ব্ল্যাঙ্ক চেক প্রদানের পর আসামিকে অর্থ পরিশোধে বাধ্য করার কোনো আইনি সুযোগ নেই।

নজির স্থাপনকারী মন্তব্য
আদালত A.H. Ershadul Haque vs State, 75 DLR (2023) 447 মামলার নজির উদ্ধৃত করে বলেন—

চেক প্রদানের ছয় মাসের মধ্যে তা উপস্থাপন করতে হবে।

“Undated cheque” বা “Blank cheque” উপস্থাপনযোগ্য নয়।

আইন অনুযায়ী চেকদাতাকে ব্ল্যাঙ্ক চেক সম্মান করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

আপিল খারিজ ও জরিমানা
হাইকোর্ট মনে করেন, অভিযোগকারী সাইফুল ইসলাম প্রকৃত প্রমাণ হাজির করতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং প্রতিরক্ষার উত্থাপিত যুক্তিগুলো দ্বারা আইনের ১১৮(ক) ধারার প্রাথমিক অনুমান খণ্ডিত হয়েছে। ফলে ট্রায়াল কোর্টের রায় সঠিক হয়েছে।

সব দিক পর্যালোচনা শেষে হাইকোর্ট বলেন, অভিযোগকারী তার পিতার হেফাজতে থাকা পুরোনো চেক ব্যবহার করে মামলা করেছেন। ফলে সেশনস কোর্টের খালাসের রায় বহাল রাখা হয়।

একইসঙ্গে মামলাটি অযৌক্তিকভাবে করার কারণে অভিযোগকারীকে ৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা ৩০ দিনের মধ্যে ট্রায়াল কোর্টে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
collected

Photos from এডভোকেট রেজওয়ানুর রহমান's post 10/08/2025

ফৌজদারি কার্যবিধির যুগান্তকারী সংস্কার

♦ আমলযোগ্য অপরাধের সন্দেহে ৫৪ ধারায় পুলিশের গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা অবারিত থাকছে না। কগনিজেবল অফেন্স পুলিশের সামনে ঘটতে হবে বা পুলিশকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে আসামি এই অপরাধ করেছে। সন্তুষ্টির কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে।

♦গ্রেপ্তার করলেই মেমোরেন্ডাম অব অ্যারেস্ট পূরণ করতে হবে পুলিশকে। গ্রেপ্তারকৃতের সব আইনি সুরক্ষা প্রতিপালিত হয়েছে কি না, মেমোরেন্ডাম অব অ্যারেস্টে তার চেকলিস্ট পূরণ করতে হবে, যা গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থাপন করতে হবে।

♦ পুলিশকে পরিচয় প্রকাশ করে গ্রেপ্তার করতে হবে।

♦ সাক্ষী ও ভিকটিমের সুরক্ষায় আদালত প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারবে।

♦ আদালত সাক্ষীর প্রয়োজনীয় খরচ দিতে পারবে।

♦ মিথ্যা মামলা প্রমাণিত হলে বাধ্যতামূলক সাজা দিতে হবে এবং এক্ষেত্রে অর্থদণ্ড বৃদ্ধি করে অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা করা হয়েছে।

♦ এক মামলায় পুলিশ রিমান্ড কোনোভাবে ১৫ দিনের বেশি দেয়া যাবে না, আগে আনলিমিটেড দেয়ার সুযোগ ছিল।

♦ গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি বা রিমান্ডের পর আসামি অসুস্থ বা আহত হলে তাকে ডাক্তার কর্তৃক পরীক্ষা করতে হবে এবং আঘাতের কারণ নিশ্চিত হতে হবে, তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে হবে। এক্ষেত্রে পুলিশের দায় থাকলে ব্যবস্থা নেয়ার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

♦ গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি চাইলে তাকে আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দিতে হবে।

♦ গ্রেপ্তারের পর গ্রেপ্তারকৃতের পরিবারকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে জানাতে হবে।

♦ যে সংস্থাই গ্রেপ্তার করুক না কেন, গ্রেপ্তারের তথ্য সংশ্লিষ্ট থানায় জিডিভুক্ত করতে হবে।

♦ প্রত্যেক থানায় ও জেলা/ মেট্রো পুলিশ হেডকোয়ার্টারে প্রতিদিনের গ্রেপ্তারের তথ্য ও তালিকা প্রদর্শন করতে হবে।

♦ দণ্ডবিধির ৩২৫ জামিনঅযোগ্য ও ১৪৩ ধারা আপসযোগ্য করা হয়েছে।

C

24/07/2025

সরকারি চাকরিজীবীরা আন্দোলন করলে বাধ্যতামূলক অবসর

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর দ্বিতীয় সংশোধিত অধ্যাদেশের জারি করা হয়েছে। বুধবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়।

নতুন সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী কোন সরকারি কর্মচারী আন্দোলনে গেলে, অর্থাৎ নিজে নিয়ম লঙ্ঘন করে একজন সরকারি কর্মচারী আরেকজন সরকারি কর্মচারীর কাজে বাধা দিলে বা তাকে তার কাজ থেকে বিরত রাখলে, তাকে বাধ্যতামূলক অবসরসহ চাকরি থেকে বরখাস্ত করা যাবে।

15/07/2025

৩৯ সেবা পেতে বাধ্যতামূলক আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র লাগবে।

যে ৩৯টি সেবা পেতে রিটার্নের প্রমাণ লাগবে
১. ২০ লাখ টাকার বেশি ঋণ
২. কোম্পানির পরিচালক/স্পনসর শেয়ারহোল্ডার হওয়া
৩. আমদানি–রপ্তানি সনদ গ্রহণ/নবায়ন
৪. ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন
৫. সাধারণ বিমার সার্ভেয়ার লাইসেন্স নবায়ন
৬. জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় বা হস্তান্তর
৭. বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যপদ নবায়ন৮. বিবাহ নিবন্ধন লাইসেন্স গ্রহণ/নবায়ন
৯. ব্যবসায়িক সংগঠনের সদস্যপদ
১০. দলিল লেখক বা ভেন্ডার লাইসেন্স
১১. ড্রাগ, ফায়ার, পরিবেশ, বিএসটিআই লাইসেন্স
১২. বাণিজ্যিক ও শিল্প গ্যাস সংযোগ
১৩. আবাসিক গ্যাস সংযোগ
১৪. বিদ্যুৎ সংযোগ
১৫. ভাড়ায় চালিত নৌযানের সার্ভে সার্টিফিকেট
১৬. ইটভাটার লাইসেন্স
১৭. ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ভর্তি
১৮. কোম্পানির এজেন্সি/ডিস্ট্রিবিউটরশিপ১৯. আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স
২০. আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলা
২১. ১০ লাখ টাকার বেশি মেয়াদি আমানত
২২. ১০ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র
২৩. জাতীয় নির্বাচন অংশগ্রহণ
২৪. প্রশাসনিক/ব্যবস্থাপনা পদে বেতন গ্রহণ
২৫. দশম গ্রেড বা তার উপরে সরকারি চাকরি
২৬. মোবাইল ব্যাংকিং কমিশন গ্রহণ
২৭. কনসালটেন্সি বা ক্যাটারিং সার্ভিস গ্রহণ
২৮. বিমা কোম্পানির এজেন্সি সার্টিফিকেট২৯. বড় মোটরযান নিবন্ধন বা মালিকানা পরিবর্তন
৩০. এনজিওর বিদেশি অনুদান ছাড়
৩১. ই-কমার্স লাইসেন্স নবায়ন
৩২. ক্লাবের সদস্যপদ
৩৩. সরকারি দরপত্রে অংশগ্রহণ
৩৪. পণ্য আমদানি বা রপ্তানি
৩৫. রাজউকসহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নকশা অনুমোদন
৩৬. বাড়ি ভাড়া বা লিজ প্রদান
৩৭. নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে পণ্য বা সেবা সরবরাহ
৩৮. হোটেল, হাসপাতাল, কমিউনিটি সেন্টারের লাইসেন্স
৩৯. সামাজিক বা করপোরেট অনুষ্ঠানে কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া

যাদের করযোগ্য আয় রয়েছে, শুধু তাদের জন্য। যাদের আয় করসীমার নিচে, তারা শূন্য রিটার্ন দিলেও এই সেবা নিতে পারবেন।

15/07/2025

At work

10/07/2025

বাস্তব

10/07/2025

রাজসাক্ষী :

একই অভিযোগে একইসাথে একাধিক ব্যক্তির বিচার চলাকালীন আদালত কোনো সহ-অভিযুক্তকে উক্ত ঘটনা সম্পর্কে তার যা যা জানা আছে তার পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ আদালতে উপস্থাপনের শর্তে ক্ষমা করে দিতে পারে। আদালতের এই শর্ত মেনে যদি কেউ তার সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষী হতে রাজি হয় তাকে এপ্রুভার বা রাজসাক্ষী বলে। এখানে একিউসড নিজেই অপরাধের সত্যতা স্বীকার করে (approve) এবং রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী (রাজসাক্ষী) হিসেবে নিজেকে সোপর্দ করে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইনে এভাবে রাজসাক্ষী বা এপ্রুভার বা tender of pardon এর বিধান আছে সেকশন ১৫ তে।

কেউ এপ্রুভার হলে তিনটা গুরুত্বপূর্ণ ইফেক্ট আছে:

১। যিনি এপ্রুভার হবেন তাকে অবশ্যই অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে তার কাছে যত তথ্য জানা আছে সব আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
২। কেউ এপ্রুভার হওয়ার অর্থ সে অন্যদের বিপক্ষে সাক্ষী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করছে। তাই রাজসাক্ষীকে অন্যান্য আসামিপক্ষগণ জেরা করতে পারবে।
৩। বিচার যতদিন শেষ না হয় ততদিন পর্যন্ত রাজসাক্ষীকে আটক রাখতে হবে। জামিনে মুক্তি দেওয়া যাবে না।

এক্ষেত্রে রাজসাক্ষীকে অবশ্যই নিজেকে অভিযুক্ত করতে হবে। নিজেকে অভিযুক্ত না করে শুধু অন্যদের ওপর দোষ চাপালে তাকে approver বলা যাবে না।

আইসিটি ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য আইন ও ফৌজদারি কার্যবিধি প্রযোজ্য না। ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব আইন ও বিধি অনুযায়ী পরিচালিত হয়। তবে রাজসাক্ষী সংক্রান্ত সাধারণ নীতিগুলি এখানেও প্রযোজ্য হবে।
যেমন: প্রসিকিউটর যদি মনে করেন কোনো রাজসাক্ষী যথাযথ সাক্ষ্য দেয়নি, তাহলে তার ক্ষমা পাওয়ার শর্ত বাতিল হয়ে যাবে এবং তার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে মামলা করা যাবে।

আমাদের সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারায় একজন সহ-অভিযুক্ত একই মামলায় অন্য আসামিদের বিপক্ষে সাক্ষী হতে পারবে। শুধু তার সাক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে কোনো আসামিকে সাজা দিলে তা বেআইনি হবে না। তবে এধরনের সাক্ষীর বক্তব্যের সাথে অন্যান্য সাক্ষ্য প্রমাণ না মিললে তাকে বিশ্বাস করার ক্ষেত্রে আদালত অধিক সতর্কতা অবলম্বন করে (সেকশন ১১৪(বি))। এজন্য বলা হয়, corroboration is a rule of prudence, not law.

সাধারণত জনস্বার্থ বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ মামলায় পর্যাপ্ত সাক্ষ্যের অভাব থাকলে এরকম টেন্ডার অব পারডন দিয়ে এপ্রুভার বা রাজসাক্ষী উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু এই রাজসাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা কয়েকটি কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়:

প্রথমত, রাজসাক্ষী নিজেকে বাঁচিয়ে অন্যদের ওপর দোষ চাপায়। তার বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করা অনেকক্ষেত্রে অসম্ভব;
দ্বিতীয়ত, রাজসাক্ষী নিজেই একজন ক্রিমিনাল। তার বক্তব্য বিশ্বাস করা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য না;
তৃতীয়ত, নিজে ক্ষমা পাওয়ার শর্তে সাক্ষ্য দেওয়ার অর্থ এই সাক্ষী প্রলোভনে পড়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে।

রাজসাক্ষীর ক্ষেত্রেও তার বক্তব্যের সাথে অন্যান্য সাক্ষ্য প্রমাণ ও সাক্ষীদের বক্তব্যের মধ্যে ম্যাটেরিয়াল কন্ট্রাডিকশন থাকলে তাকে বিশ্বাস করা হয় না। এক্ষেত্রে আদালতে two fold টেস্ট ইউজ করা হয়: প্রথমত, কোর্ট দেখে রাজসাক্ষী অপরাধী হলেও বিশ্বাসযোগ্য কিনা? এবং দ্বিতীয়ত, তার বক্তব্য কোনো স্বতন্ত্র সাক্ষ্য দ্বারা সমর্থিত হয় কিনা? কোনো একটা নেতিবাচক হলে সেই সাক্ষ্য বিশ্বাস করা হয় না।

Well explanation by Mr Habibur Rahman

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Dhaka