Income Tax and VAT

Income Tax and VAT

Share

Join here with us to get the rules and regulations about Income tax purposes

16/11/2023

সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে করদাতা তার নিজের আয় নিজে নিরূপণ করে প্রযোজ্য আয়কর পরিশোধ করেন। ২০২০-২০২১ কর বছরে কোন 12-ডিজিট টিআইএনধারী ব্যক্তি-করদাতা রিটার্নে প্রদর্শিত মোট আয়ের উপর প্রযোজ্য সমুদয় আয়কর ও সারচার্জ পরিশোধ পূর্বক 30 নভেম্বর 20২০ তারিখের মধ্যে বা উপ কর কমিশনার কর্তৃক মঞ্জুরকৃত বর্ধিত সময়ের মধ্যে সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করতে পারেন। করদাতার 12-ডিজিট টিআইএন না থাকলে করদাতা সার্বজনীন স্বনির্ধারনী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন না। তাছাড়া, মোট আয়ের প্রযোজ্য সমুদয় আয়কর ও সারচার্জ পরিশোধ করা না হলে অথবা 30 নভেম্বর ২০২০ তারিখের মধ্যে বা উপ কর কমিশনার কর্তৃক মঞ্জুরকৃত বর্ধিত সময়ের মধ্যে দাখিলকৃত না হলে করদাতার রিটার্ন সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতির আওতায় পড়বে না।

বর্ণিত সকল শর্ত পূরণ করে সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতির আওতায় রিটার্ন দাখিল করা হলে আয়কর বিভাগ থেকে করদাতাকে যে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র প্রদান করা হয় তা-ই কর নির্ধারণী আদেশ (assessment order) বলে গণ্য হয়।

পরবর্তীতে উপ কর কমিশনার কয়েকটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ত্রুটি-বিচ্যুতি চিহ্নিতকরণের লক্ষ্যে রিটার্নটি process করেন। রিটার্ন process এর ফলশ্রুতিতে যদি দেখা যায় করদাতা প্রদেয় অংকের চেয়ে কম বা বেশি আয়কর ও প্রযোজ্য অন্যান্য অংক পরিশোধ করেছেন, তাহলে উপকর কমিশনার করদাতাকে তা অবহিত করে এ বিষয়ে পরবর্র্তী কার্যক্রম গ্রহণ করবেন।

সকল শর্ত পূরণ করে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিলের পর কোন করদাতা যদি দেখেন যে অনিচ্ছাকৃত ভুলে কম আয় প্রদর্শন অথবা বেশি রেয়াত, কর অব্যাহতি বা ক্রেডিট দাবী/প্রদর্শন, অথবা অন্য কোন কারণে কর বা প্রযোজ্য অন্য কোন অংক কম পরিশোধ বা পরিগণনা করা হয়েছে তাহলে করদাতা নিজে থেকে একটি ভুল-সংশোধনী রিটার্ন উপ কর কমিশনারের বিবেচনার জন্য তার নিকট দাখিল করতে পারবেন। এরূপ ভুল-সংশোধনী রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত শর্ত পরিপালন করতে হবে:

▪ ভুল-সংশোধনী রিটার্নে সাথে ভুলের ধরন ও কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত বিবরণী দাখিল করতে হবে;

▪ যে পরিমাণ কর বা প্রযোজ্য অন্য কোন অংক কম পরিশোধ করা হয়েছে সে পরিমাণ অংক এবং তার অতিরিক্ত হিসেবে উক্তরূপ অংকের উপর মাসিক ২ শতাংশ হারে সুদ ভুল-সংশোধনী রিটার্ন দাখিলের আগে বা দাখিলের সময় পরিশোধ করতে হবে।

ভুল-সংশোধনী রিটার্নে “82বিবি(5) ধারায় দাখিলকৃত” বা “Filed under section 82BB(5)” কথাটি উল্লেখ থাকতে হবে।

ভুল-সংশোধনী রিটার্ন দাখিল করার পর উপ কর কমিশনার যদি সন্তুষ্ট হন যে এ সংক্রান্ত সকল শর্ত যথাযথভাবে পূরণ হয়েছে তাহলে তিনি রিটার্নটি জমাগ্রহণ (allow) করবেন। রিটার্নটি জমাগ্রহণের উপযুক্ত হলে উপ কর কমিশনার প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ইস্যু করবেন। প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে “82বিবি(5) ধারায় জমাগ্রহণ করা হলো” বা “Allowed under section 82BB(5)” কথাটি উল্লেখ থাকবে।

তবে স্বনির্ধারণী রিটার্ন দাখিলের পর 180 দিন অতিক্রান্ত হলে বা মূল রিটার্নটি অডিটের জন্য নির্বাচিত হলে এরূপ ভুল-সংশোধনী রিটার্ন দাখিল করা যাবে না। এরূপ ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল করলেও তা গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে না।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নির্ধারিত criterion এর ভিত্তিতে সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে দাখিলকৃত কোন রিটার্ন বা ভুল-সংশোধনী রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন করে তা উপ কর কমিশনারের নিকট প্রেরণ করতে পারবে।

14/11/2023

🎯 আয়কর রিটার্ন দাখিল করার ১০টি নিঞ্জা টেকনিক:
⛳ আয়কর আইনের ব্যাপ্তি সীমাহীন। আয়কর রিটার্ন দাখিল আয়কর আইনের একটি অংশ। যদিও রিটার্ন জমা দেয়া আইনের একটি অংশ কিন্তু এই আইনের প্রয়োগ শুরু হয় রিটার্ন দাখিলের মাধ্যমে। তাই সঠিকভাবে রিটার্ন দাখিল করা অতীব জরুরি। তাই আমরা চাই বা না চাই, আমাদের ভালো লাগুক বা না লাগুক তথাপি আয়কর আইনের অনুশাসন ও সুনাগরিকের দায়িত্ব প্রতিপালন সরূপ কিছু ব্যতিক্রম প্রত্যেক ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতাদের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যাদের আয় আছে এবং যাদের আয় নাই কিন্তু ই-টিন আছে তাদের প্রত্যেকেই আবশ্যিকভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে।
আমাদের দেশে রিটার্ন দাখিল করাকে অনেকে ঝক্কি বা ধকল হিসেবে গণ্য করে। অনেকের মাঝে অনেকেরই বদ্ধমূল ধারণা আছে যে, ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করলেই ট্যাক্স অফিসের নজরে পড়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন, বরঞ্চ, আয়কর রিটার্ন দাখিল না করলে ট্যাক্স অফিসের নজরে পড়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। যেহেতু, আয়কর রিটার্ন দাখিল করতেই হবে তাই কৌশলী হওয়ার বিকল্প ব্যতীত অন্য কিছু নেই। কেননা, শুধুমাত্র কৌশলী হলেই আমরা আমাদের করের বোঝাই শুধু কমাতেই পারব না বরঞ্চ যেকোন ঝামেলা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে পারব।
🔎 নিম্নে রিটার্ন দাখিল করার ১০টি নিঞ্জা টেকনিক নিয়ে আলোচনা করা হলঃ
🔴 নিঞ্জা টেকনিক:-১
প্রথমেই আমাদের দেখতে হবে যে, একজন ব্যক্তির ই-টিন থাকলেই কি আয়কর রিটার্ন বা ট্যাক্স রিটার্ন জমা বা দাখিল করার প্রয়োজন আছে কিনা? যারা রিটার্ন দাখিল করবেন তাদেরকে দুইটি শর্তের আলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। শর্ত-ক) যাদের করযোগ্য আছে এবং শর্ত-খ) যাদেরকে আবশ্যিকভাবে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। শর্তের প্রথম অংশ অর্থাৎ ‘ক’ খুবই সুস্পষ্ট। আমরা ‘খ’ অংশ নিয়ে আলোচনা করব অর্থাৎ যাদের আবশ্যিকভাবে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। যেমনঃ ধরুন, যারা চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী কিংবা কোন ধরণের সেবা দিতে চায়, দেশে বা দেশের বাহিরে করমুক্ত আয় করে কিংবা জমি কিনতে চায়, জমি বিক্রি করতে চায়, লোন বা ঋণ নিতে চায়, ফার্মের অংশীদার হতে চায় কিংবা কোন ধরণের লাইসেন্স নিতে চায় ইত্যাদি যে কোন কাজে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বা প্রাপ্তি স্বীকারপত্র প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক। যেহেতু এই সব ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বা প্রাপ্তি স্বীকারপত্র প্রয়োজন হবে তাই অনায়েসে বলা যায় যে, এই সব ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। তাই, রিটার্ন দাখিল ব্যতীত ভিন্ন কিছু আছে বলে আমাদের জানা নেই।
🎯 নিঞ্জা টেকনিক-২
দ্বিতীয় নিঞ্জা টেকনিক হচ্ছে, যে কোন মুল্যে ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। এখন অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে যে, স্বনির্ধারিত পদ্ধতিতে যদি যেকোন সময় রিটার্ন জমা দেয়া যায় তাহলে ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে কেন আয়কর রিটার্ন দাখিল করব? এর উত্তর হচ্ছে যে, ৩০ শে নভেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল না করলে যেকোন ধরণের কর অব্যহতি, রেয়াত, অবকাশ বা হ্রাসকৃত হারে কর পরিশোধ ইত্যাদি কোন সুবিধা প্রাপ্ত হবেন না। তাই, আমরা যদি ট্যাক্স আইনের আওতায় কোন সুবিধা নিতে চাই তাহলে মাথায় রাখতে হবে যে, ৩০ শে নভেম্বর আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ এবং বর্তমান আইনে সময়ের আবেদনের কোন সুযোগ নাই।
🎯 নিঞ্জা টেকনিক-৩
তৃতীয় নিঞ্জা টেকনিক হচ্ছে যে, আমাদের সব সময় মনে রাখতে হবে যে, করমুক্ত আয় মানেই ট্যাক্স রিটার্ন (রিটার্ন দাখিল) মুক্ত নয়। আমার আয় করমুক্ত এর অর্থ এই নয় যে, আমার ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে হবে না। উদাহরণ সরূপ, আমরা ফ্রিলান্সারদের আয় নিয়ে আলোচনা করতে পারি।
আমাদের মধ্যে যারা ফ্রিলান্সিং করে যারা আয় করে তাদের মধ্যে অনেরকেরই মনে প্রশ্ন জাগে “ফ্রিলান্সিং বা প্রবাসীদের আয় কি সত্যিই করমুক্ত?” এক কথায় এর উত্তর হচ্ছে যদি আয়টি আয়কর আইন, ২০২৩ এর ৬ষ্ঠ তফসীলের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে আনয়ন করা হয় এবং আবশ্যিকভাবে যদি ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করা হয় তবেই তা করমুক্তের আওতায় পড়বে। মোদ্দকথা, করমুক্ত দাবি করতে হলে ৩টি প্রধান শর্ত পালন করতে হবে। যথাঃ
১) সংশ্লিষ্ট আয়টি আয়কর আইন, ২০২৩ এর ৬ষ্ঠ তফসীলের অন্তর্ভুক্ত হতে হবে;
২) অর্জিত অর্থ (ফরেন রেমিট্যান্স) ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে আনতে হবে;
৩) প্রতি বছর ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করতে হবে।
এরপরেও অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, “আমার আয় তো আইননুযায়ী করমুক্ত এবং এবার স্বনির্ধারিত পদ্ধতিতে যদি যেকোন সময় রিটার্ন জমা দেয়া যায় তাহলে ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে কেন আয়কর রিটার্ন দাখিল করব?” এর উত্তর হচ্ছে যে, ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে আমার এই করমুক্ত আয় করযোগ্য আয় হিসেবে গণ্য হবে, তাই ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। এছাড়াও, ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে করমুক্ত, রেয়াত ইত্যাদি কোন সুবিধাতো পাবই না বরঞ্চ অতিরিক্ত হিসেবে ১৭৪ ধারা অনুযায়ী কর জমা দিতে হবে।
🎯 নিঞ্জা টেকনিক-৪
চতুর্থ নিঞ্জা টেকনিক হচ্ছে যে, আয়, ব্যয়, সম্পত্তি, বিনিয়োগ, লোন বা ঋণ ইত্যাদি উপাদান চিহ্নিত করা ও আয়কর রিটার্নে সঠিকভাবে উল্লেখ করা এবং প্রমাণসরূপ ডকুমেন্ট দাখিল করা। এক্ষেত্রে এই উপাদানগুলোকে ৬টি ভাগে ভাগ করে নিলে আমাদের ট্যাক্স রিটার্ন পূরণ করতে সুবিধা হবে। যথাঃ ১) আয়ের হিসাব {কোন কোন খাত থেকে আয় হচ্ছে যেমন, বেতন খাত, FDR এর মুনাফা, করমুক্ত আয় (ফ্রিলান্সারদের আয়) ইত্যাদি}। ২) ব্যয়ের খাত (কোন কোন খাতে ব্যয় হচ্ছে যেমন, পারিবারিক খরচ, বাড়ি ভাড়া, সন্তানদের লেখাপড়া ইত্যাদি)। ৩) পূর্ববর্তী সম্পদ (৩০ শে জুন ২০২২ পর্যন্ত যেই সম্পদ গুলো অর্জিত হয়েছে, যেমন, জমি-জমা, ব্যাংকের টাকা, গাড়ি ইত্যাদি)। ৪) বর্তমান সম্পদ (১ লা জুলাই ২০২২ থেকে ৩০ শে জুন ২০২৩ পর্যন্ত অর্জিত সম্পদ, যেমন, জমি-জমা, ব্যাংকের টাকা, গাড়ি ইত্যাদি)। ৫) দান ও ঋণ ৬) বিনিয়োগ (সরকার নির্ধারিত বিনিয়োগের খাত, যেমন, সঞ্চয় পত্র, জীবন বীমার প্রিমিয়াম ইত্যাদি)। মোদ্দকথা, একটি ট্যাক্স রিটার্নে সাম্ভাব্য সকল তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করুন । প্রথমেই বের করার চেষ্টা করুন আপনার আয় কোনটি। এই আয়ের উপরই কর নির্ধারণ হবে। তারপর সারা বছর কি কি খাতে খরচ করেছেন তার একটি হিসাব করুন। এরপর আপনার সম্পত্তি চিহ্নিত করুন। যেমন ধরুন, আপনি গাড়ি কিনেছেন। এই গাড়ি ক্রয় করা ব্যয় নয় বরঞ্চ সম্পদ। এভাবে সম্পদগুলো আলাদা করুন। এবার দান নিয়ে কথা বলা যাক। তারপর ধরুন, আপনি যদি আপানর স্ত্রীকে ব্যাংকিং চ্যানেলে কোন অর্থ দান করে থাকেন তাহলে তার স্বপক্ষে ডকুমেন্ট সংগ্রহ করুন। এখানে একটি বিষয় হচ্ছে যে, দানের ক্ষেত্রে দানের বিষয় দুইজনের ট্যাক্স ফাইলে প্রতিফলন থাকতে হবে। যেমনঃ ধরুন, জনাব রহিম তার স্ত্রী মিসেস করিমন বিবিকে ৫ লক্ষ টাকা ব্যাংকিং চ্যানেলে দান করেছেন। এখানে উল্লেখ্য যে, দুই জনের ট্যাক্স ফাইলে এই ৫ লক্ষ টাকা দানের তথ্য প্রকাশ করতে হবে। অর্থাৎ জনাব রহিমের ট্যাক্স ফাইল থেকে ৫ লক্ষ টাকা দান হিসেবে বিয়োগ হবে অন্যদিকে মিসেস করিমন বিবির ফাইলে ৫ লক্ষ টাকা দান হিসেবে যোগ হবে। তথাপি, দানের উদ্দেশ্য পরিষ্কার করতে হবে। অর্থাৎ, তাদের বলতে হবে যে, তারা কি কারণে একজন আরেকজনকে দান করেছেন। সর্বশেষে হচ্ছে, ঋণ। ঋণ অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলে হতে হবে এবং ঋণের স্বপক্ষে ডকুমেন্ট সংগ্রহ করতে হবে।
🎯 নিঞ্জা টেকনিক-৫
পঞ্চম নিঞ্জা টেকনিক হচ্ছে যে, একটি চেকলিস্ট তৈরি করা অর্থাৎ কি লাগবে, কি লাগবে না কিংবা কি দিব এবং কি দিব না। এভাবে ১,২,৩ সিরিয়াল করে সব লিখব। তারপর চেকলিস্ট অনুযায়ী দলিলাদি সংগ্রহ করব। ইতিমধ্যেই আমরা আমাদের চতুর্থ নিঞ্জা টেকনিকে দেখেছি যে, কিভাবে আয়, ব্যয়, সম্পত্তি, বিনিয়োগ, লোন বা ঋণ ইত্যাদি উপাদান চিহ্নিত করতে হবে। চিহ্নিত উপাদানগুলোর জন্য ডকুমেন্ট সংগ্রহ করব। আমাদের এই পেজে একটি চেকলিস্ট দেওয়া আছে, এক্ষেত্রে , আমরা চাইলে পেজে দেওয়া চেকলিস্ট এর সহযোগিতা নিতে পারি।
এই চেকলিস্টে আমরা দেখতে পারব যে, আয়ের খাত যদি হয় চাকুরী তাহলে আমাদের কি কি ডকুমেন্ট সংগ্রহ করতে হবে অথবা আয়ের খাত যদি হয় ব্যবসা তাহলে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে। এই ভাবে সকল ডকুমেন্ট একাট্টা করব।
🎯 নিঞ্জা টেকনিক-৬
ষষ্ঠ নিঞ্জা টেকনিক হচ্ছে যে, কর গণনা, রেয়াত, অব্যহতি ইত্যাদি সঠিকভাবে পরিগণনা করা। আমরা যদি আমাদের আয়ের খাত চিহ্নিত করতে পারি তাহলে এর পর আমাদের চিহ্নিত করতে হবে কোন আয়ের খাত নিয়মিত কর হার সম্বলিত কিংবা কোন আয়ের খাত নুন্যতম কর হার সম্বলিত অথবা কোন আয়ের খাত হ্রাসকৃত কর হার সম্বলিত বা কর অব্যহতিপ্রাপ্ত। সেক্ষেত্রে, আমরা অবশ্যই আয়কর আইন, ২০২৩; আয়কর নির্দেশিকা ২০২৩-২৪, আয়কর পরিপত্র ২০২৩-২৪ এর নিয়ম ও ব্যাখ্যা অনুসরণ করব। কেননা, একমাত্র সঠিকভাবে আইন পালনই আমাদের কর ভার হ্রাস হবে।
🎯 নিঞ্জা টেকনিক-৭
সপ্তম নিঞ্জা টেকনিক হচ্ছে যে, আয়কর রিটার্ন ফরমের ঘরগুলো অর্থাৎ যেই রিটার্ন ফরমটা আমরা পূরণ করব সেই আয়কর রিটার্ন ফরমটা ভালো ভাবে বুঝতে হবে। রিটার্ন ফরমের ঘরগুলোতে কোন ঘরে কি লিখতে হবে তা আমাদের আয়ত্ত করতে হবে। যেমনঃ সম্পত্তির ঘরগুলোতে কোন ঘরে কোন সম্পত্তি কিংবা আয়ের ঘরগুলোতে কোন ঘরে কোন আয় বসবে এই সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক। শুধু তাই নয়, কোন ঘরগুলোতে কোন তথ্য দিয়ে পূরণ করছি তা জানাও আবশ্যক। এই বছর নতুন আইন পাস হওয়ার দরুন নতুন রিটার্ন ফরম প্রকাশ হয়েছে। তবে, আয়কর নির্দেশিকা ২০২৩-২৪ এর ভাষ্যমতে, পূর্বের আয়কর রিটার্ন ফরম প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনয়ন সাপেক্ষে জমা বা দাখিল করা যাবে।
🎯 নিঞ্জা টেকনিক-৮
অষ্টম নিঞ্জা টেকনিক হচ্ছে যে, রিটার্নের সাথে কি কি ডকুমেন্ট জমা দিব। আয়কর রিটার্নের সাথে অবশ্যই সকল সংশ্লিষ্ট বা প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের অনুলিপি জমা দিব। রিটার্ন ফরম আমরা যেসব ডকুমেন্টের উপর ভিত্তি করে পূরণ করেছি তার অনুলিপি বা ফটোকপি জমা দিতে হবে। উদাহরণসরূপ, জনাব রানা একজন বেসরকারি চাকুরীজীবী, তার আয়ের একমাত্র খাত হচ্ছে বেতন খাত। তাহলে জনাব রানাকে তার অফিস বেতন খাতের স্বপক্ষে বেতন বিবরণী বা স্যালারি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে। সেই সার্টিফিকেটের ফটোকপি ট্যাক্স রিটার্নের সাথে জমা দিতে হবে।
🎯 নিঞ্জা টেকনিক-৯
নবম নিঞ্জা টেকনিক হচ্ছে যে, ট্যাক্স রিটার্নটি সঠিকভাবে গুছিয়ে জমা দেয়া। ট্যাক্স রিটার্ন যদি হাতে লিখে পূরণ করা হয় তাহলে কাটাকাটি বা ফ্লুইড ব্যবহার না করাই উত্তম। ট্যাক্স রিটার্ন পূরণ করার পর যেসব পাতায় করদাতার স্বাক্ষর প্রয়োজন সেসব পাতায় স্বাক্ষর করতে হবে। যদি নতুন রিটার্ন ফরম জমা দিতে চাই সেক্ষেত্রে প্রাপ্তিস্বীকারপত্রটি সবার উপরে রাখতে হবে তাহলে ট্যাক্স অফিস সহজেই আপনার ট্যাক্স রিটার্ন জমা করতে পারবে এবং প্রাপ্তিস্বীকারপত্রটি দ্রুত আপনার হাতে ফেরত দিতে পারবে। এরপর রিটার্ন ও রিটার্নের সাথে যেসব ডকুমেন্ট (অবশ্যই ফটোকপি) দাখিল করব তা একসাথে বাঁধাই করব। বাঁধাই করার পর সকল ডকুমেন্ট (রিটার্ন ফরম সহ) একসেট ফটোকপি করে নথি সংরক্ষণের স্বার্থে নিজের কাছে রেখে দিব। এভাবেই আমাদের রিটার্নটি প্রস্তুত করার পর আয়কর অফিসে জমা দিব।
🎯 নিঞ্জা টেকনিক-১০
দশম নিঞ্জা টেকনিক হচ্ছে যে, ‘ইকরা’ অর্থাৎ পড়। পড়ুন, পড়ুন এবং পড়ুন। নিজের রিটার্ন নিজে পূরণ করতে চাইলে অন্যের কাছে আইনের ধারা জানতে না চেয়ে সবার আগে নিজেকে বই নিয়ে বসতে হবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কোন বই পড়ব? আপনি সবার আগে আয়কর নির্দেশিকা ২০২৩-২৪; তারপর আয়কর আইন,২০২৩ এবং সর্বশেষ আয়কর পরিপত্র ২০২৩-২৪ পড়ুন। দেখুন, আমাদের প্রকাশিত এই নিবন্ধ কিংবা কোন মানুষের মুখের কথাও কোন আইন না। আমাদের প্রকাশিত এই নিবন্ধ শুধুই একটি দিকনির্দেশনা। এই নির্দেশনা না মানলে কোন অপরাধ হবে না। কিন্তু আইনের বইয়ের আইন না মানলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। তাই আবারও বলছি, ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করার সময় একবার নয়, বেশ কয়েকবার আয়কর আইন, ২০২৩; আয়কর নির্দেশিকা; আয়কর পরিপত্র ইত্যাদি বইগুলো ভালোভাবে পড়া উচিৎ। তথ্য সমৃদ্ধ না হয়ে আয়কর রিটার্ন পূরণ না করাই শ্রেয়।
পরিশেষে বলতে হয়, যদিও ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবস তথাপি, ৩০ নভেম্বর এর জন্য অপেক্ষা না করে আগভাগেই রিটার্ন তৈরি করে জমা দিন।
🖊লেখকঃ মোঃ রাজু আহমেদ।
🛡 আয়কর আইনজীবী।
🚦বিঃদ্রঃ এই নিবন্ধ এর সাথে যদি আইনের কোন পার্থক্য ঘটে অবশ্যই আইন প্রাধান্য পাবে।

20/10/2023

#ইনকামট্যাক্স টিপস, ২০২৩ইং
#আজকের টিপস - ইনকাম ট্যাক্স এর বিষয়ে করদাতাদের সচেতনতা সৃষ্টি।
ইনকাম ট্যাক্স এর বিষয়ে আমাদের আগে থেকেই একটু সচেতন হওয়া উচিত, তাহলে আমরা জটিল জটিল সমস্যা গুলো সহজেই ওভারকাম করতে পারবো।

যেমন ইনকাম ট্যাক্স সম্পর্কে কিছু ধারণা রাখা, সঠিক সময়ে রিটার্ন সাবমিট করা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি আপনার ফাইলে কি আয়, ব্যয় দেখাচ্ছেন, কি পরিমান এসেটস আছে তার হিসাবগুলো জানা। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য যে, আমাদের অনেক করদাতা আছেন যিনি এগুলো কিছুই জানেন না।
তারা কি করছেন?
তারা একজন কন্সাল্টেন্টকে দিয়েছেন রিটার্ন সাবমিট করার জন্য, কন্সাল্টেন্ট নিজের মত ক্যাল্কুলেশন করে রিটার্ন সাবমিট করে তার কপিটা করদাতাকে দিয়ে দিচ্ছেন।

অনেক কন্সাল্টেন্ট জানতেও চায় না করদাতার কি আছে, আয় কত এবং ব্যয় কত? করদাতা ও জানে না তার ফাইলে কি আছে কিভাবে আয়-ব্যয় প্রদশর্ন করা হচ্ছে, এসেটস এর কোন আইটেম কি পরিমান আছে।
ট্যাক্স রিটার্ন সাবমিট এর সময় আসলে, রিটার্ন সাবমিট করে একনলেজমেন্ট এর কপিটা করদাতাকে দিয়ে দেয়। করদাতা ও পেয়ে খুশি যে তিনি রিটার্ন সাবমিট করেছেন, আইন মেনেছেন। এগুলো সাধারণত শুন্য রিটার্ন বা মিনিমাম ট্যাক্স এর ক্ষেত্রে বেশি হয়ে থাকে।
প্রকৃত ভাবে করদাতা বুঝতেই পারেন না, তার কি কোন লাভ হল নাকি ক্ষতি হল !!!!!

কিন্তু যখন কোন সমস্যা সৃষ্টি হয় বা ফাইল অডিটে পড়ে তখনি করদাতা ফিল আসে যে আগে এই রকম সিরিয়াস বা সচেতন না হওয়া ঠিক হয়নি, যদি সচেতন থাকতো তাহলে আজকের পরিস্থিতির সৃষ্টি হত না।

কি ধরনের কমন সমস্যা হয়?
যেমন- করদাতার প্রকৃত ভাবে টাকা আছে এবং ব্যাংকেই আছে যা পূর্বের ইনাকম কিন্তু ফাইলে না থাকায় তা ব্ল্যাক মানিতে পরিণত হয়েছে, নতুন ইনভেস্টমেন্ট যাবে পর্যাপ্ত হোয়াইট মানি নাই ফলে আগের টাকাকে ট্যাক্স দিয়ে হোয়াইট মানি করে ইনভেস্টমেন্ট করা লাগতেছে।
আবার অনেকের স্থায়ি সম্পদ (জমি) রয়েছে নিজের নামে নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে কেনা, যা ফাইলে নাই মিস করেছে যেকোনো কারনেই। কোন একটা সময় এসে ওই সম্পদ সেল করে টাকা পেয়েছে ওই টাকা ব্যাংকে রাখতে গিয়েও জটিলতায় পড়তে হচ্ছে কারণ এই টাকা কোথা থেকে আসলো তার তথ্য চায়। আবার হোয়াইট মানি করার জন্য ফাইলে এড করতে গিয়ে পড়তে হচ্ছে ঝামেলায়, গুনতে হচ্ছে বিপুল পরিমান ট্যাক্স, জরিমানা ও সুদ। কারণ এগুলো অপ্রদর্শিত আয়।

এই রকম আরো অনেক ঘটনা ঘটে।

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল- আর হয়তো খুব বেশি সময় নেই যে, সরকার এক ক্লিকেই আপনার আমার সকল তথ্য বের করতে পারবে, কি আছে কোথায় আছে এবং তা ফাইলে আছে কিনা 🤔🤔🤔 ????
কাজেই আসুন আমরা সতর্ক হই জটিলতা দূর করি নিজেকে সেভ করি।

কর দিয়ে দেশের উন্নয়নের সাথে থাকি, সুন্দর দেশ গড়ি।

ধন্যবাদ
সমীর সূত্রধর।

17/10/2023

২০২৩-২৪ অর্থ বছরের জন্য বিভিন্ন খাতের খরচে ভ্যাট আইটি কর্তনের হার কত হবে তার আপডেট ও পূর্নাঙ্গ তালিকা:

05/10/2023

✅আয়কর বর্ষ ২০২৩-২০২৪ এ আয়কর রিটার্ন জমা দিতে আপনার যা যা প্রয়োজন: -
ব্যক্তিগত তথ্য :
1. Photocopy of E-TIN certificate.
2. Photocopy of NID.
3. 2 copy Passport size photo

চাকুরির তথ্য :
1. Salary certificate.
2. Bank statement from 01-07-2022 to 30-06-2023
3. Provident fund info. (if any)

ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক স্টেটমেন্ট

বিনিয়োগের তথ্য:
1. D.P.S (যদি থাকে)
2. Insurance certificate (যদি থাকে).
3. Share Market Investment (যদি থাকে)
4. (সঞ্চয়পত্র - যদি থাকে)

সম্পদ ও দায় বিবরনীঃ
1. House, Apartment (যদি নিজ নামে থাকে)
2. Land, Car , Furniture , Electronics, etc. (যদি নিজের নামে থাকে)
3. Bank Loan info. (যদি নিজ নামে হয়)
4. Others Loan (যদি নিজ নামে হয়)।

বি দ্রঃ যদি আপনি আগে রিটার্ন জমা দিয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই ঐ রিটানের একটি ফটো কপি লাগবে।

ধন্যবাদ সবাইকে।
ভাল থাকবেন। সুস্থ থাকবেন।

Photos from Income Tax and VAT's post 24/09/2023


সমস্যা- জিপিএফ রির্টার্ণে কিভাবে দেখাবেন (সরকারি চাকরিজীবিদের জন্য)।
রির্টাণে জিপিএফ অবশ্যই প্রদর্শন করতে হবে এটাই নিয়ম। জিপিএফ এর টাকা আপনি বেতনভাতা বাবদ আয় করলেন, রেয়াত নিলেন এবং তা বিনিয়োগ করে সরকারি কোষাগারে জমা রাখছেন। এটি আপনার নিজস্ব অর্থ।

আয় করে সঞ্চয়পত্র ক্রয় করলে যেমন সরকারি কোষাগারে জমা থাকে তেমনি জিপিএফ এর অর্থও সরকারি কোষাগারে জমা থাকে। অনেকে মনে করেন এ অর্থ আমার কাছে নাই এটি সঠিক নহে এবং জিপিএফ আয়কর রিটার্নে না দেখানো ভুল। জিপিএফ না দেখালে তা হিডেন অবস্থায় খরচ হিসাবে চলে যায় বলে গন্য হয়।

আয়কর আইনে জিপিএফের চলতি বছরে যে সুদ বা মুনাফা পেয়েছেন তা নতুন ফরমের “Schedule-1” এর “Interest accured on Provident Fund” এর ঘরে দেখাতে হবে। এখানে প্রথম চিত্রে ৩,১৫,২৫৫/- টাকা সুদ প্রাপ্ত হওয়ায় তা দেখানো হয়েছে (চিত্র-১)।

সরকারি চাকুরিজীবিদের জিপিএফ এর সুদ সম্পন্ন করমুক্ত। আর আপনার পূর্বের বিনিয়োগ ও সুদসহ মোট জের 10B 2023 এর ২য় পৃষ্ঠায় 8v- Provident Fund or Other Fund তে দেখাতে হবে (চিত্র-২)।

তাছাড়াও চলতি বছরের বিনিয়োগ রেয়াত পাওয়ার জন্য নতুন ফরমে “Schedule-5” এর ক্রমিক- ৫ এ ১,১২,৫২৪.০০ /- টাকা দেখানো হয়েছে (চিত্র-৩)।

17/09/2023

# ১ জন পুরুষ করদাতা চাকুরী হতে ২৭,০০,০০০/- গ্রস প্রাপ্তি।
# সঞ্চয় পত্র ক্রয় ২,০০,০০০/- টাকা
# ডিপিএস ১,২০,০০০/-
# চাকরি হতে কর্তন ১৫,০০০/-
# ব্যক্তিগত গাড়ীর ট্যাক্স ২৫,০০০/-

কর নির্ণয় :
মোট আয় ২৭,০০,০০০
বাদ ৪,৫০,০০০
------------------
কর যোগ্য আয় ২২,৫০,০০০/-
কর ৩,৪৫,০০০/-
বাদ( -)রেয়াত ৪৮,০০০/-
কর ২,৯৭,০০০/-
কর্তন
১৫,০০০/-
২৫,০০০/ ৷ ৷৷ ৪০,০০০
৷৷৷৷ ৷৷৷৷ ৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷
কর দিতে হবে ২,৫৭,০০০/-
========
সংশোধন::
এখানে ৭৫% কর অগ্রিম হিসেবে দিতে হবে,,
করাতার অগ্রিম কর আসে ২,২২,৭৫০, কিন্তু পরিশোধ আছে ৪০,০০০/= টাকা /
বাকী টাকা (২,২২,৭৫০-৪০,০০০)
= ১,৮২,৭৫০/- টাকার ১০% সুদ আরোপ হবে ১৬২ ধারা অনুসারে
১৮,২৭৫/-
সুতরাং নীট কর দিতে হবে:
নিয়মিত কর ২,৫৭,০০০/=
সুদ ৬২ ধারায় ১৮,২৭৫/=
মোট পরিশোধ ২,৭৫,২৭৫/=
========
✪ কৃতজ্ঞতা স্বীকার : Imtiaz Imtiaz ভাই।

বাংলাদেশের কর্পোরেট ট্যাক্সের আদ্যোপান্ত
# একজন করদাতার অনুরোধে /
#আয়কর

Photos from Income Tax and VAT's post 17/09/2023

একজন চাকুরিজিবী করদাতা জনাব শারিয়ার হাসানের আয়বর্ষ ২০২২-২০২৩ এর কাল্পনিক তথ্যের উপর ভিত্তি করে আয়কর আইন ২০২৩ পরিপালন করে আইটি১১গ(২০২৩) ফরমে করবর্ষ ২০২৩-২০২৪ এর ডেমো রিটার্ন তৈরি করলাম। আমার অজান্তে যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে তা ধরিয়ে দিলে সংশোধন করে নিবো।

দয়া করে এই রিটার্নটির মুল এক্সেল ফাইল চাইবেন না। প্রয়োজনে ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করুন।

©

11/09/2023

যেই ৪৩ টি ক্ষেত্রসমূহে “রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ” PSR দাখিল করিতে হইবে
১. করারোপযোগ্য আয় না থাকা সাপেক্ষে, ২০ (বিশ) লক্ষাধিক টাকার ঋণ গ্রহণে;
২. কোনো কোম্পানির পরিচালক বা স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার হইতে হইলে;
৩. আমদানি নিবন্ধন সনদ বা রপ্তানি নিবন্ধন সনদ প্রাপ্তি ও বহাল রাখিতে;
৪. সিটি কর্পো রেশন বা পৌরসভা এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স প্রা প্তি ও নবায়ন করিতে;
৫. সমবায় সমিতির নিবন্ধন পাইতে;
৬. সাধারণ বিমার তালিকাভুক্ত সার্ভেয়ার হইতে এবং লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়ন করিতে;
৭. সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় ১০ (দশ) লক্ষাধিক টাকার জমি, বিল্ডিং বা ফ্ল্যাট বিক্রয় বা লিজ বা হস্তান্তর বা বায়নানামা বা আমমোক্তারনামা নিবন্ধন করিতে;
৮. ক্রেডিট কার্ড প্রাপ্তি ও বহাল রাখিতে;
৯. চিকিৎসক, দন্ত চিকিৎসক, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি অথবা সার্ভেয়ার হিসাবে বা সমজাতীয় পেশাজীবী হিসাবে কোনো স্বীকৃত পেশাজীবী সংস্থার সদস্যপদ প্রাপ্তি ও বহাল রাখিতে;
১০. Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 (Act No. LII of 1974) এর অধীন নিকাহ রেজিস্ট্যার,হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৪০ নং আইন) এর অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক ও Special Marriage Act, 1872 এর অধীন রেজিস্ট্রার হিসাবে লাইসেন্স প্রাপ্তি বা, ক্ষেত্রমত, নিয়োগপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে;
১১. টেড্র বডি বা পেশাজীবী সংস্থার র সদস্যপদ প্রাপ্তি ও বহাল রাখিতে;
১২. ড্রাগ লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র, বিএসটিআই লাইসেন্স ও ছাড়পত্র প্রাপ্তি ও নবায়নে;
১৩.গ্যাসের বাণিজ্যিক ও শিল্প সংযোগ প্রাপ্তি ও বহাল রাখিতে এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকায় আবাসিক গ্যাস সংযোগ প্রাপ্তি এবং বহাল রাখিতে;
১৪. লঞ্চ,স্টিমার, মাছ ধরার ট্রলার, কার্গো, কোস্টার, কার্গো ও ডাম্ব বার্জসহ ভাড়ায় চালিত সকল নৌযানের সার্ভে সার্টিফিকেট প্রাপ্তি ও বহাল রাখিতে;
১৫. পরিবেশ অধিদপ্তর বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হইতে ইট উৎপাদনের অনুমতি প্রাপ্তি ও নবায়নে;
১৬. সিটি কর্পোরেশন, জেলা সদর বা পৌরসভায় অবস্থিত’ ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে শিশু বা পোষ্য ভর্তির ক্ষেত্রে ;
১৭. সিটি কর্পোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রাপ্তি বা বহাল রাখিতে;
১৮. কোম্পানির এজেন্সী বা ডিস্ট্রিবিউটরশিপ প্রাপ্তি ও বহাল রাখিতে;
১৯. আস্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রাপ্তি ও বহাল রাখিতে;
২০. আমদানির উদ্দেশ্যে ঋণপত্র খোলায়;
২১. ৫ (পাঁচ) লক্ষাধিক টাকার পোস্ট অফিস সঞ্চয়ী হিসাব খোলায়;
২২. ১০ (দশ) লক্ষাধিক টাকার মেয়াদী আমানত খোলায় ও বহাল রাখিতে;
২৩. ৫ (পাঁচ) লক্ষাধিক টাকার সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে;
২৪. পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন বা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে;
২৫. মোটরযান, স্পেস বা স্থান, বাসস্থান অথবা অন্যান্য সম্পদ সরবরাহের মাধ্যমে শেয়ারড ইকোনমিক এক্টিভিটিজে অংশগহনে;
২৬. ব্যবস্থাপনা বা প্রশাসনিক বা উৎপাদন কার্যক্রমমের তত্ত্বাবধানকারী পদমর্যাদায় কর্মরত ব্যক্তির বেতন-ভাতাদি প্রাপ্তিতে;
২৭. গণকমর্চারীর বেতন-ভাতাদি প্রাপ্তিতে;
২৮.মোবাইলব্যাংকিং বা ইলেক্ট্রনিক উপায়ে টাকা স্থানান্তররের মাধ্যমে এবং মোবাইলের হিসাব রিচার্জের মাধ্যমে কমিশন,ফি বা অন্য কোনো অর্থ প্রাপ্তিতে
২৯. অ্যাডভাইজরি বা কন্সান্টেন্সি সার্ভিস, ক্যাটারিং সার্ভিস, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস, জনবল সরবরাহ, নিরাপত্তা সরবরাহ সেবা বাবদ নিবাসী কতৃর্ক কোনো কোম্পানি হইতে কোনো অর্থ প্রাপ্তিতে;
৩০. MPO বা এমপিও ভুক্তির মাধ্যমে সরকারের নিকট হইতে মাসিক ১৬ (ষোল) হাজার টাকার ঊর্ধ্বে কোনো অর্থপ্রাপ্তিতে;
৩১. বিমা কোম্পানির এজেন্সি সার্টিফিকেট নিবন্ধন বা নবায়নে;
৩২. দ্বি-চক্র বা ত্রি-চক্র মোটরযান ব্যতীত অনান্য মোটরযানের নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়নকালে;
৩৩. এনজিও বিষয়ক ব্যুরোতে নিবন্ধিত এনজিও বা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী হইতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা’র বিদেশি অনুদানের অর্থ ছাড়ে;
৩৪. বাংলাদেশে অবস্থিত’ ভোক্তাদের নিকট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করিয়া পণ্য বা সেবা বিক্রয় ;
৩৫. কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এবং Societies Registration Act, 1860 (Act No. XXI of 1860),
এর অধীন নিবন্ধিত কোনো ক্লাবের সদস্যপদ লাভের আবেদনের ক্ষেত্রে;
৩৬. পণ্য সরবরাহ, চুক্তি সম্পাদন বা সেবা সরবরাহের উদ্দ্যেশে নিবাসী কতৃর্ক টেন্ডার ডকুমেন্টস্ দাখিলকালে;
৩৭. কোনো কোম্পানি বা ফার্ম কতৃর্ক কোনো প্রকার পণ্য বা সেবা সরবরাহ গ্রহণকালে
৩৮. পণ্য আমদানি বা রপ্তানির উদ্দ্যেশ্যে বিল অব এন্টি দাখিলকালে;
৩৯. রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), খুলনা উন্নয়ন কতৃর্পক্ষ (কেডিএ), রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ), গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃর্পক্ষ বা, সময় সময়, সরকার কর্তৃক গঠিত অনুরূপ কর্তৃপক্ষ অথবা সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অনুমোদনের নিমিত্ত ভবন নির্মাণের নকশা দাখিলকালে;
৪০. স্ট্যাম্প, কোর্ট ফি ও কার্টিজ, ভেন্ডর বা দলিল লেখক হিসাবে নিবন্ধন, লাইসেন্স বা তালিকাভুক্তি করতে এবং বহাল রাখিতে;
৪১. ট্রাস্ট, তহবিল, ফাউন্ডেশন, এনজিও, মাইক্রোক্রেডিট , সোসাইটি এবং সমবায় সমিতির ব্যাংক হিসাব খুলতে এবং চালু রাখিতে;
৪২. কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি কতৃর্ক সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাড়ি ভাড়া বা লিজ গ্রহণকালে বাড়ির মালিকের;
৪৩. কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি কর্তৃক পণ্য বা সেবা সরবরাহ গ্রহণকালে সরবরাহকারীর বা সেবা প্রদানকারীর।

30/06/2023

কৌতুক!
ব্যাংকের চেকে টাকার অঙ্ক ওয়ার্ড ও ফিগার দুটোতেই লেখা বাধ্যতামূলক কেন?

বিকেল ৪.০০টার সময় ব্যাংক দিনের মতো বন্ধ হবার সময় ব্রাঞ্চ ম্যানেজার অত্যন্ত মিষ্টি, সুরেলা কণ্ঠে এক মহিলার ফোন পেলেন। ফোনের ওপার হতে সেই লাস্যময়ী রমণী পাহাড়ের ওপর থেকে ঝরে পড়া ঝর্ণার মতো কলকলিয়ে বললেন, "স্যার, আমার দু'লক্ষ টাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। আমি দশ মিনিটের মধ্যে চেক নিয়ে আসছি, আপনি কি আমার জন্যে একটু অপেক্ষা করবেন?"

মহিলার সুমধুর কণ্ঠস্বরে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার অভিভূত হয়ে গেলেন। আর ক্যাশিয়ারকে দু'লক্ষ টাকা রেডি রাখার আদেশ দিলেন।

ক্যাশিয়ার রাগে গজগজ করতে করতে দু লাখ টাকা রেডি করতে লাগলেন।

এরই মধ্যে এক বিশাল মোটা, বেঢপ চেহারার এক মহিলা থপাস থপাস করে ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের অফিসের দরজা ঈষৎ ফাঁক করে সেই সুরেলা গলায় বললেন, "স্যার ভিতরে আসতে পারি?"

ম্যানেজার এতক্ষণ যে এক সুন্দরী মহিলার চেহারা মানসপটে এঁকেছিলেন, কিন্তু বাস্তবের এই মহিলাকে দেখে ক্ষণকালের জন্যে বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন। পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, "সরি, ম্যাডাম আজ ক্যাশ ক্লোজ হয়ে গেছে আপনি কাল আসুন।"

এটা তো ফোনেই বলতে পারতেন"- ঝংকার দিয়ে গটমটিয়ে মহিলা ব্যাংক থেকে বেরিয়ে গেলেন।

ক্যাশিয়ার যিনি টাকা রেডি করে বসেছিলেন- বিরক্ত বদনে ম্যানেজারকে বললেন, "যদি টাকা দেবেনই না তাহলে আমাকে আটকে রাখলেন কেন?"

ম্যানেজার বললেন, "ব্যাংকের আন্তর্জাতিক নিয়মই হচ্ছে-
If word and figure do not match, payment will be declined."

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা!

07/05/2023
27/02/2023

বাংলাদেশ সরকারী আইন অনুযায়ী টিন সার্টিফিকেট থাকলেই আয়কর রিটার্ণ জমা দিতে হবে। সেক্ষেত্রে ইনকাম ১ টাকাই হোক আর ১ কোটি টাকাই হোক তাতে কিছু যায় আসে না-আয়কর রিটার্ণ জমা দিতেই হবে।
যাদের TIN Certificate আছে,কিন্তু কখনও রিটার্ন জমা করেননি, ৩০ শে জুন, ২০২৩ পর্যন্ত জরিমানা ছাড়াই রিটার্ন জমা করতে পারবে।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address

House No. 148, Road No. 8, South Bishil, Mirpur-1
Dhaka
1216