ভূমি সেবা অফিসিয়াল - Land Service Official

ভূমি সেবা অফিসিয়াল - Land Service Official

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ভূমি সেবা অফিসিয়াল - Land Service Official, Government Official, ভূমি ভবন, ৯৮, শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ সরণি, তেজগাঁও. ঢাকা-১২০৮, Dhaka, Bangladesh, 1208, .

27/04/2025

সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজার CS SA RS BS BRS জরিপের মৌজা ম্যাপ বা নকশা দেওয়া যাবে।
কন্ডিশনের মাধ্যমে ৪-৫ দিনের মধ্যে নিতে পারবেন আপনার নিকটস্থ সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস ঠিকানায়।

মৌজা ম্যাপের জন্য যে তথ্যগুলো লাগবে-
১/ জেলার নাম
২/থানার নাম
৩ /মৌজার নাম
৪/ জমির দাগ নং
৫/ সিট নং কারন অনেক মৌজায় বড় হলে একাধিক সিট থাকে তাই আপনার জমি কয় নাম্বার সিটে আছে তা শিউর হওয়ার জন্য সিট নাম্বার হলে ভাল হয়।
৫/ কোন জরিপের ম্যাপ চান?
বিস্তারিত জানতে মেসেজ করুন আমাদের-

19/04/2024
17/04/2024

“নামজারি” কাকে বলে?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।

“জমা খারিজ”কাকে বলে?
যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।

“খতিয়ান” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক। আমাদের দেশে CS, RS, SA এবং সিটি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এসব জরিপকালে ভূমি মালিকের তথ্য প্রস্তত করা হয়েছে তাকে “খতিয়ান” বলে। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান।

“পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হ তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।

“মৌজা” কাকে বলে?
যখন CS জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।

“তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।

“দাগ” নাম্বার কাকে বলে?
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়।

“ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।

“খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।

“আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।

“কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।

“খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।

“দাখিলা” কাকে বলে?
ভূমি কর/খাজনা আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফর্মে ( ফর্ম নং১০৭৭) ভূমি কর/খাজনা আদায়ের প্রমান পত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলা হয়।

DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।

“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।

“ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।

“ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।

“সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

“পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।

“দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।

লেখাটি গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন।

এরকম আরো গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে পেজটিকে লাইক ও ফলো দিয়ে রাখুন এবং প্রতিটি কনটেন্ট লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে নিজের টাইম লাইনে রেখে দিন যাতে আপনার বা আপনার ফ্রেন্ড লিস্টের কারো উপকারে আসে।

15/04/2024

কিভাবে বুঝবেন আপনার জমির দলিল বৈধ কি না?

জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, এবং এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি বোঝা জরুরি। জমির দলিল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই, জমি কেনার আগে দলিলটি সঠিকভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জমি কেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ, এবং আইনি জটিলতা এড়াতে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:

👉নিশ্চিত করুন যে দলিলটি সঠিকভাবে সাব-রেজিস্ট্রারের দ্বারা স্বাক্ষরিত এবং সিল করা আছে।
👉দলিলের মূল কপিতে থাকা ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলে যাচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।
👉দলিলের সকল পাতায় সঠিকভাবে স্ট্যাম্প লাগানো আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।

২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:

👉দলিলে উল্লেখিত মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সঠিক কিনা তা খতিয়ান, দাগ খতিয়ান, এবং সরকারি রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
👉দলিলে উল্লেখিত সাক্ষীদের নাম এবং ঠিকানা সঠিক কিনা তা যাচাই করুন।

৩. আইনি পরামর্শ নিন:

👉একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
👉আইনজীবী দলিলের সকল দিক বিশ্লেষণ করে আপনাকে দলিলটি বৈধ কিনা তা জানাতে পারবেন।

৪. অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করুন:
👉সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে জমির দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
👉কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সার্ভিস প্রদান করে।

৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:

👉দলিলের বৈধতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে দলিলটি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।
অসৎ ব্যক্তিদের প্রতারণার শিকার হতে সাবধান থাকুন।
👉জমি কেনার আগে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরে উল্লেখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে আপনি একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

জমির দলিল বৈধ কিনা তা বোঝার জন্য কিছু প্রশ্ন ও উত্তর

১) দলিলে কি সকল প্রয়োজনীয় তথ্য আছে?

দলিলে জমির মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
,👉দলিলের সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
👉দলিলের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?

২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন

👉দলিলে সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে কিনা?
👉দলিলটি সঠিকভাবে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে কিনা?
রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?

৩) দলিলের মালিকানার ধরণ।

👉দলিলের মাধ্যমে মালিকানা কিভাবে অর্জিত হয়েছে (উত্তরাধিকার, ক্রয়, বিনিময়, দান ইত্যাদি)?
👉মালিকানার ধরণ কি (মালিকানা, দখল, ভাগচাষ ইত্যাদি)?
👉মালিকানার কোনো শর্ত বা বাধা আছে কিনা?

৪) জমির অবস্থা

👉জমি কি বাস্তবে বিদ্যমান?
👉জমির মালিকানা বিতর্কমুক্ত কিনা?
👉জমির উপর কোনো ঋণ বা বন্ধক আছে কিনা?

৫) আইনি পরামর্শ
জমির দলিল বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৬. দলিলের বয়স:
প্রশ্ন: কত বছরের পুরোনো দলিল বৈধ?
উত্তর: দলিলের বয়সের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। তবে, 1976 সালের আগের দলিলগুলো "পুরাতন দলিল" হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বৈধতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই প্রয়োজন হতে পারে।

৭. দলিলের ধরন:
প্রশ্ন: কত ধরণের জমির দলিল আছে?
উত্তর: বাংলাদেশে 4 ধরণের জমির দলিল আছে:
°দাগ নম্বর খতিয়ান
°মৌজা খতিয়ান
°সিএস খতিয়ান
°আরএস খতিয়ান

৮. দলিলের মালিকানা:

প্রশ্ন: দলিলে একাধিক মালিকের নাম থাকলে কী করবেন?
উত্তর: সকল মালিকের সম্মতি ছাড়া জমি বিক্রি করা যাবে না। মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সকলের স্বাক্ষর এবং সম্মতি প্রয়োজন।

৯. দলিলের মিউটেশন:

প্রশ্ন: মিউটেশন কী?
উত্তর: মিউটেশন হলো জমির মালিকানা পরিবর্তনের নথিভুক্তি প্রক্রিয়া। নতুন মালিকের নাম খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন করা আবশ্যক।

১০. দলিলের জালিয়াতি:
প্রশ্ন: জাল দলিলের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
উত্তর: জাল দলিলে ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, মিথ্যা স্বাক্ষর, এবং অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে।

১১. দলিল যাচাই:
প্রশ্ন: জমির দলিল যাচাই করার সর্বোত্তম উপায় কী?
উত্তর: সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিলের মূল কপি এবং খতিয়ানের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন।

ভূমি অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার ভূমি অফিসে গিয়ে দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
আইনজীবীর পরামর্শ: একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।

১২. দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা:

প্রশ্ন: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য কী করবেন?
উত্তর: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করা উচিত।

উল্লেখ্য: এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র সাধারণ ধারণার জন্য। জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার।

20/08/2023

🚫সাবধান🚫সাবধান 🚫সাবধান 🚫
==========================

✅নতুন ভূমি আইন পাস হয়েছে!
১০ই জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে পারে!
দেখে নিন নতুন আইনে কি হতে যাচ্ছে!
👉 কাহারো ৬০ বিঘার উপরে কৃষি জমিন থাকতে পারবেনা।
👉এক নামে ২৫ বিঘা জমিন থাকলে তার খাজনা মাফ।
👉 আসল দলিল যার ভুমি তার।
👉 ভুমি অপরাধ আইন, ভুয়া বেনামি ও ঝাল দলিল বাদ ও সেই দলিলের দাবিদার এর জেল হবে।
👉 ভুমি জবর দখল দন্ডনিয় অপরাধ।
👉 মুল মালিক কে জমিন দেওয়া হবে।
👉 আন রেজিষ্টার্ড দলিল বাদ।
👉 কারো থেকে অতিরিক্ত জমিন লিখে নেওয়া দলিল বাদ ও দন্ডনিয় অপরাধ।
👉 অন্যের নামে ভুয়া ঝাল দলিল বাদ। বা ১০০ বৎসর ভুমি জবরদখল রাখলেও সেই জমিনের দখল ছাড়তে হবে। যাহা হিন্দুদের ছিল।
👉 খাস জমিন ভুয়া দলিল করে দখলে রাখলে ওই ভুমির সেই দলিল বাদ ও দখল ছাড়তে হবে।
👉 নিজের ভাই-বোন মা-বাবা ও কাউকে পাগল বা প্রতিবন্ধী বলে ভুল বুঝিয়ে দলিল করে নেওয়া, ওই সকল নামে ঝাল দলিল বানিয়ে ভুমি আত্তসাৎ করা দলিল বাদ হয়ে যাবে।
👉উত্তরাধিকারিকে বঞ্চিত করে ভুয়া দলিল তৈরি করিলে বা দখল না দিয়ে বা বঞ্চিত করলে সেই দলিল বাদ।
👉 ভূমি ক্রয়কারী ও বিক্রয় কারি দলিল সঠিকতর থাকতে হবে।
💥এক কথায় আসল দলিল যার ভূমি তার✌️✌️ [ভূমি আইন]

27/06/2023

অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন শুরু হচ্ছে ৬১ জেলায়

পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। নিবন্ধন অধিদপ্তরের অধীন ৪৮৮টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কাগজের ভলিউমে দলিল রেজিস্ট্রির পরিবর্তে অনলাইনে দলিল রেজিস্ট্রি ও রেকর্ড সংরক্ষণের কার্যক্রম আগামী অর্থবছরেই শুরু হবে। ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় (একনেক) পাঠানো হয়েছে। এজন্য ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে আইন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন খাতে রাখা হয়েছে বিশেষ বরাদ্দ।

আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২০-২১ অর্থবছরে ‘ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা ডিজিটাইজেশনে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ কোটি ৬০ লাখ ৩২ হাজার টাকা। পরে এর আওতায় ২০২১ সালে দেশের ১৭টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়। পাইলট প্রকল্পের অগ্রগতি সন্তোষজনক হওয়ায় এবার ৪৮৮টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করার যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২১ সালের ১০ জুন থেকে ২০২৩ সালের ১৩ জুন পর্যন্ত পাইলট প্রকল্পের আওতায় ১৭টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ৭৮ হাজার ১৯৫টি দলিল ই-রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হয়েছে। বর্তমানে ঢাকার উত্তরা, খিলগাঁও, গুলশান ও সাভার, চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও পাহাড়তলী, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, কুষ্টিয়ার কুমারখালী, টাঙ্গাইলের বাসাইল ও নাগরপুর, রাজশাহীর চারঘাট, সিলেটের তাজপুর, দিনাজপুরের চিরিরবন্দর, ময়মনসিংহের নান্দাইল এবং বরিশালের হিজলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম কার্যকর রয়েছে। দেশে বর্তমানে ৪৯৫টি উপজেলায় ৫০৫টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস রয়েছে।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সমকালকে বলেন, অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হলে সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে শৃঙ্খলা আসবে ও জাল-জালিয়াতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। এতে রেজিস্ট্রি সেবা নিতে মানুষের হয়রানি, সময় ও অর্থ ব্যয় এবং আদালতে জমিসংক্রান্ত মামলা-মোকদ্দমা কমে যাবে।
পাইলট প্রকল্পের আওতায় গৃহীত ১৭টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অগ্রগতি সন্তোষজনক মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, অনলাইনে ভূমি নিবন্ধনের ফলে ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন ও জাল খতিয়ানের মাধ্যমে দলিল নিবন্ধন বন্ধ হয়েছে। জটিলতা ছাড়াই নির্ভুলভাবে দলিলদাতা এবং গ্রহীতার রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হচ্ছে। রাজস্ব আদায়ও গতিশীল হয়েছে। তিনি জানান, সারাদেশের রেকর্ডরুমে রক্ষিত বালাম বইগুলো আর্কাইভে সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি হলে সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে শৃঙ্খলা আসবে এবং জাল-জালিয়াতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রসঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন-সংক্রান্ত একটি প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। তাতে পাইলট প্রকল্পের অগ্রগতিসহ সার্বিক বিষয়ে সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়েছে। আশা করছি, এটি শিগগিরই একনেকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। তিনি জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসকে নিজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারের মধ্যে রেখে এরই মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অনলাইনে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ও ঢাকার খিলগাঁওয়ের সাব-রেজিস্ট্রার এস এম শফিউল বারী বলেন, সারাদেশে ই-রেজিস্ট্রেশন চালু হলে একজনের জমি প্রতারণার মাধ্যমে একাধিকবার বিক্রি বন্ধ হবে। ভূমি অফিসের সার্ভারের সঙ্গে সংযোগ থাকায় সরকারি জমির তালিকা সার্ভারে থাকবে। এর ফলে কোনো প্রতারক সরকারি জমি বিক্রি করে দেওয়ার সুযোগ পাবে না। ম্যানুয়ালি দলিল হলে বালাম তিন বছর পর পেত। কিন্তু ই-রেজিস্ট্রেশন হওয়ায় খিলগাঁওয়ে এখন দলিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি সার্ভারে চলে যাচ্ছে।

নিবন্ধন অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে সারাদেশে ৩৫ লাখ ৯৮ হাজার ১৯৭টি দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে এবং মোট রাজস্ব আয় হয়েছে ১১ হাজার ৬০১ কোটি ৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ আয় হয়েছে ৮ হাজার ১১১ কোটি ১৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও স্থানীয় সরকার কর বাবদ আয় হয়েছে ৩ হাজার ৪৮৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে সারাদেশে ৩৪ লাখ ৭৪ হাজার ৬৯৬টি দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে এবং এ খাত থেকে মোট রাজস্ব আয় হয়েছে ১২ হাজার ২৯২ কোটি ৮৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন বাবদ আয় ৯ হাজার ৩৩৯ কোটি ৪১ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং স্থানীয় সরকার কর বাবদ আয় ২ হাজার ৯৫৩ কোটি ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা।

20/05/2023

কোন দলিল রেজিস্ট্রি করতে কত টাকা???
* বায়নানামা দলিলের ফি
১. ৫০০ টাকা : যে সম্পত্তির মূল্য পাঁচ লাখ টাকার বেশি নয়।
২. ১২৪০ টাকা : যে সম্পত্তির মূল্য পাঁচ লাখ টাকার বেশি কিন্তু ৫০ লাখ টাকার বেশি নয়।
৩. ২৩৪০ টাকা : যে সম্পত্তির মূল্য ৫০ লাখ টাকার বেশি।
* হেবার ঘোষণাপত্র দলিলের ফি
১. মুসলমানদের ব্যত্তিগত আইন (শরিয়ত) মোতাবেক হেবা মূল্য কোনো স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর বিষয়ক ঘোষণা রেজিস্ট্রির জন্য সম্পত্তির মূল্য নির্বিশেষে প্রদেয় রেজিস্ট্রি ফি ৪৪০ টাকা।
২. যদি ওই হেবা স্বামী বা স্ত্রী, মা-বাবা ও সন্তান, দাদা-দাদি (নানা-নানি) ও নাতি-নাতনি, সহোদর ভাইরা, সহোদর বোনরা এবং সহোদর ভাই ও বোনদের মধ্যে হয়।
* বন্ধকি দলিলের ফি
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২-এর ধারা ৫৯ মোতাবেক বন্ধকি দলিলের প্রদেয় রেজিস্ট্রেশন ফি নিম্নরূপ-
১. ৫ লাখ টাকার বেশি হলে ২০ লাখ টাকার কম হলে ১৩৪০ টাকা।
২. ২০ লাখ টাকা থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ২৩৪০ টাকা।
৩. ৫০ লাখ টাকা থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত ৫০০০ টাকা।
* ঋণ বাবদ মঞ্জুরীকৃত টাকার ১ শতাংশ কিন্তু ২০০ টাকার কম নয় ও ৫০০ টাকার বেশি নয়।
* মঞ্জুরীকৃত টাকার শূন্য দশমিক দুই পাঁচ শতাংশ কিন্তু ১৫০০ টাকার কম নয় ও ২০০০ টাকার বেশি নয়।
* মঞ্জুরীকৃত টাকার শূন্য দশমিক এক শূন্য শতাংশ কিন্তু ৩০০০ টাকার কম নয় এবং ৫০০০ টাকার বেশি নয়।
* বণ্টননামা দলিলের ফিসের হার (উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত)
১. ৫০০ টাকা : সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লাখ টাকা হলে।
২. ৭০০ টাকা : সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লাখ টাকার বেশি কিন্তু ১০ লাখ টাকার বেশি না হলে।
৩. ১২০০ টাকা : সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব ১০ লাখ টাকার বেশি কিন্তু ৩০ লাখ টাকার বেশি না হলে।
৪. ১৮০০ টাকা : সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব ৩০ লাখ টাকার বেশি কিন্তু ৫০ লাখ টাকার বেশি না হলে।
৫. ২০০০ টাকা : সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব ৫০ লাখ টাকার বেশি হলে।
* শুধু দলিলের রেজিস্ট্রি ফি
যত টাকা মূল্যের দলিল রেজিস্ট্রি করা হোক না কেন তাতে শতকরা দুই টাকা হারে রেজিস্ট্রি ফি পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

30/04/2023

টাইমলাইনে রেখে দিন কাজে লাগবেঃ
১ বিঘা = ২০ কাঠা( ৩৩ শতাংশ) ;
❍ ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট (৮০ বর্গ গজ)
❍ 1 মাইল = 1.61 কি.মি ;
❍ 1 কি.মি. = 0..62
❍ 1 ইঞ্চি = 2.54 সে..মি ;
❍ 1 মিটার = 39.37 ইঞ্চি
➲ ৬ফুট = ১ ফ্যাদম
➲ ১ বর্গহাত = ১গন্ডা
➲ ২০গন্ডা = ১ছটাক
➲ ১৬ছটাক = ১কাঠা
➲ ২০কাঠা = ১বিঘা
➲ ১৪৪বর্গইঞ্চি = ১বর্গফুট
➲ ৯ বর্গফুট = ১ বর্গগজ
➲ ৪৮৪০বর্গগজ = ১একর
➲ ১০০শতক = ১একর
➲ ৬৪০একর = ১বর্গমাইল
➲ ২৪৭ একর = ১বর্গকিমি
➲ ১০০০০বর্গমি = ১০০এয়র
➲ ১মিটার = ৩৯.৩৭ইঞ্চি
➲ ১২ইঞ্চি = ১ফুট
➲ ৩ফুট = ১গজ
➲ ৭.৯২ ইঞ্চি = ১ লিংক
➲ ২৫ লিংক = ১ রড
➲ ৪ রড = ১মাইল
➲ ১০ চেইন = ১ফার্লং
➲ ৮ ফার্লং = ১মাইল
➲ ৯ বর্গফুট = ১বর্গগজ
➲ ১৬০০বর্গগজ = ১বিঘা
➲ ৮০বর্গগজ = ৭২০বর্গফুট = ১কাঠা
➲ ১মিলিয়ন=১০লক্ষ
➲ ১কোটি=১০মিলিয়ন
➲ ১বিলিয়ন=১০০কোটি
➲ ১ট্রিলিয়ন=১লক্ষ কোটি
➲ ১৭৬০গজ=১মাইল
➲ ১ইঞ্চি=২.৫৪সে.মি.
➲ ১ মাইল=১.৬১ কি.মি.
➲ ০.৬২মাইল = ১ কি.মি.
➲ ১৬ আউন্স = ১পাউন্ড
➲ ২৮ পাউন্ড = ১কোয়ার্টার
➲ ৪কোয়ার্টার = ১ হন্দর
➲ ২০হন্দর = ১বৃটিশ টন
➲ ১০০কিলোগ্রাম = ১কুইন্টাল
➲ ১০০০কিলোগ্রাম = ১মেট্রিক টন
➲ ১পাউন্ড = ০.৪৫৩৬কেজি
➲ ১কেজি = ২.২পাউন্ট=১.০৭সের
➲ ১সের = ০.৯৩কিলোগ্রাম
➲ ৫বর্গগজ = ১ছটাক
➲ ৪০ কেজি =১ মন
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
❍ ১ পক্ষ = ১৫ দিন;
❍ ১ মাস = ২ পক্ষ
❍ ১ মাস = ৪ সপ্তাহ;
❍ ১ মাস = ৩০ দিন
❍ ১ ঋতু = ২ মাস = ৪ পক্ষ = ৮ সপ্তাহ = ৬০ দিন
❍ ১ বছর = ১২ মাস = ২৪ পক্ষ = ৩৬৫ দিন = ৫২ সপ্তাহ
❍ ১ অধিবর্ষ = ৩৬৬ দিন
❍ ১ যুগ = ১২ বছর ;
❍ ১ অর্ধযুগ = ৬ বছর;
❍ ১ অর্ধ-শতাব্দী = ৫০ বছর ;
❍ ১ শতাব্দী = ১০০ বছর
❍ ১ কুড়ি = ২০টি
❍ ১ রিম = ২০ দিস্তা = ৫০০ তা
❍ ১ ভরি = ১৬ আনা ;
❍ ১ আনা = ৬ রতি
❍ ১ গজ = ৩ ফুট = ২ হাত
❍ ১ কেজি = ১০০০ গ্রাম
❍ ১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি
❍ ১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি
❍ ১ লিটার = ১০০০ সিসি
❍ ১ মণ = ৪০ সের
❍ 1 কে.জি = 2.20 পাউন্ড ;
❍ 1 সের = 0.93 কিলোগ্রাম
❍ 1 মে. টন = 1000 কিলোগ্রাম ;
❍ 1 পাউন্ড = 16 আউন্স
❍ 1 গজ= 3 ফুট ;
❍ 1 একর = 100 শতক
❍ 1 বর্গ কি.মি.= 247 একর
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
১ মিলিয়ন(Million) = ১০০০ হাজার= ১০ লক্ষ = ১,০০০,০০০ = ১+৬ শূন্য
১ বিলিয়ন(Billion) = ১০০০ মিলিয়ন = ১০০ কোটি= ১,০০০,০০০,০০০ = ১+৯ শূন্য
১ ট্রিলিয়ন(Trillion) = ১০০০ বিলিয়ন = ১ লক্ষ কোটি

Want your business to be the top-listed Government Service?

Culinary Team

Attire