এক জীবনের দু’টো পথ… আপনি হলে কোনটা বেছে নিতেন?
১. থাকার জন্য একটা ঘর,ভাত-কাপড়, আর সমাজের চোখে “সুখী” হওয়ার মুখোশ।
কিন্তু এর বিনিময়ে সহ্য করতে হবে—
স্বামীর নিত্যনতুন পরকীয়া( গতো চার বছর ধরে সহ্য করছি,বিয়ের পরদিন থেকেই জানতে পেরেছিলাম এখনো আছে, নিত্যনতুন হরেক রকমের মেয়েদের সাথে সে** চ্যাট থেকে শুরু করে সব করে।এটা তার অভ্যাসে দাঁড়িয়েছে)
অবহেলা, অসম্মান ও মানসিক নির্যাতন,
বছরে মাত্র একবার ১–২ মাসের জন্য স্বামীর দেশে আসা, শ্বশুর-শাশুড়ির কথার আঘাত প্রতিদিন কোনো ভুল না করা স্বত্ত্বেও,
জায়ের দেওয়া মানুষিক নির্যাতন, জয়েন ফ্যামেলি।
স্বামীর সাথে স্বাভাবিকভাবে কথাও বলা যাবে না,
তার হ্যাঁ-তে হ্যাঁ, না-তে না— এর বাইরে কিছু বললেই অপমান ও ঝগড়া,কথা বলার সময় মেপে মেপে বলতে হবে,একটা কথা বলতে হলে হাজার বার চিন্তা করতে হবে।
বাবার বাড়ির আর্থিক অসচ্ছলতা, ভাই নেই— তাই ফিরে যাওয়াটাও সহজ নয়।
২. ডিভোর্স —
একটা কঠিন সিদ্ধান্ত, কারণ—
সমাজ ডিভোর্সকে আজও সহজভাবে গ্রহণ করে না।
সমাজ নারীকে দোষ দেয়, আঙুল তোলে, কথা শুনায়।
বেঁচে থাকার যন্ত্রণা তারা দেখে না,
কিন্তু চলে যাওয়ার সাহসটা তারা বিচার করে।
নোট: বেবি নেই।।
প্লিজ আক্রমণাত্মক কিছু বলবেন না।
#ইনবক্স_থেকে
The Listening Ear কথা রাখার ঘর
আপনার কথা শোনার জন্য আমরা অপেক্ষায় আছি।
আপনি চাইছেন জীবনের গল্পটা কাউকে বলতে, যে আপনাকে বিচার করবে না— শুধু মন দিয়ে শুনবে।
আপনি একটু হালকা হতে চান, নিজের কথাগুলো কারো কাছে নিরাপদে রেখে দিতে চান।
তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
ভয়েস কলে বা লেখার মাধ্যমে, যেভাবে আপনার স্বস্তি, আপনার কথা শুনতে আমরা প্রস্তুত।
WhatsApp: +8801724998879
আমি অপেক্ষায় আছি, আপনার গল্পগুলো সযত্নে শুনে তা সংরক্ষণ করে রাখতে।
আপনি অনুমতি দিলে তবেই আপনার গল্প সবার সঙ্গে ভাগ করা হবে। অনুমতি ছাড়া নয়।
The Listening Ear কথা রাখার ঘর
আসসলামু আলাইকুম সবাইকে। আমি বিবাহিত । আমার দের বছর হয় বিয়ে হয়েছে। আমার স্বামী আমার বাবার বাড়ি যেতে চায় না । ঈদে ও যায়নি । 3 বার গেছে মাত্র। আমার বাবার বাড়ির তরফে কোনো প্রোগ্রাম এ নিজেও যান না আমাকেও যেতে দেন না । শুধু টাকা খরচ হবে ভেবে। উনি সরকারি একটা ব্যাংক এ 5 বছর ধরে আছেন। উনি বাইরে খায় ঘুরতে যায় তাতে সমস্যা নেই শুধু আমার বাবার বাড়িতে যেতেই তার আপত্তি। আমি জিগ্গেস করে দেখেছি উনি অসন্তুষ্ট নন। কোনো ঝামেলা নেই। উনি কারো সঙ্গেই ফোন এ কথা বলেন না ফোন দিলে ইগনোর করেন আমার বাবার বাড়ি থেকে কেউ ফোন দিলে। আমার বাবার বাসা থেকে এত রিকুয়েস্ট করছে যেতে উনি তবুও যাবেন না ।আমার শশুর শাশুড়ি ও কিছু বলেন না ।তারা বলেন ও এমনিও কোথাও যেতে চায়না।কিভাবে বুঝিয়ে বলব বা কি করবো ।
আপনাদের জীবনের সমস্যা গুলো লিখে পাঠিয়ে দেন আমাদের ইনবক্সে।
আসসালামু আলাইকুম। আমি বিবাহিতা। আমার একটা বাচ্চা আছে।
এখন আসি মূল সমস্যায় আমার শশুড়বাড়ির মানুষগুলোকে সবাই অনেক ভালো জানে, সবাই ভাবে যে তারা অনেক দ্বীনি ও ধার্মিক। অবশ্য আসলেই তারা নামাজ কালাম পড়ে। কিন্তু তারা অনেক ছোট মন-মানষিকতার লোক, বিশেষত আমার স্বামী। তারা অনেক অহংকারী, তারা ভাবে যে আমি বা আমার পরিবার তাদের যোগ্য না। তবে আমি তাদের আর আমাদের মধ্যে খুব একটা তফাৎ খুজে পাইনা। অবশ্য তাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা কিনা তাদের থেকে অনেক বিত্তশালী কিন্তু তাদেরকেও তারা দাম দেয়না। সারাক্ষণ মানুষের নামে গীবত, বদনাম করে ঘরে বসে। কিন্তু বাহিরে তাদের রুপটাই আলাদা। সবাই ভাবে যে তারা হয়তো অনেক ভালো। কিন্তু আসলে তা না।
আমার বিয়ের পর থেকেই আমার স্বামী আমাকে সবসময় ছোট করে কথা বলে, আমাকে অসম্মান করে, আমার পরিবারকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করে, তাদেরকে গালি দেয়। এমনি আমার পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য যারা কিনা এখনো অনেক ছোট তারাও ওর টক্সিসিটি থেকে বাদ পরেনা।
আমাকে আমার বাবার বাড়িতে যেতে দেয়না, আমার বাবা-মাকেও ওর বাড়িতে আসতে দেয়না।
মুখের উপরে নিষেধ করেছে যে আমার পরিবারের কেও যেন ওর বাসায় না আসে। তাহলে চিন্তা করেন যে ও কত্ত বড় অমানুষ। এমনকি ওদের কোনো আত্মীয়র সাথেও ওদের ভালো সম্পর্ক বা যাওয়া-আসা নেই।
এতোদিন অনেক সহ্য করেছি কখনো কাউকে কিছু শেয়ার করিনি, আমার এমন জীবন সমন্ধে কেউই কিছু জানেনা। সব যায়গায় আমি আমার স্বামীকে মহৎভাবে প্রকাশ করে এসেছি। কিন্তু এখন তার অত্যাচার অনেক বেড়ে গেছে সে কথায় কথার আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে, আমার মা-বাবা তুলে গালি দেই। রাগের মাথায় না মারলেও এমনিতেই আমাকে অনেক জোরে আঘাত করে মজার ছলে। যা কিনা আমি সহ্য করতে পারিনা। প্রায় সারাক্ষণই আমার উপর মানষিক অত্যাচার চলে। যা আমি আর সহ্য করতে পারছিনা।
আমি অনেক সহ্য করেছি, চেষ্টা করেছি মানিয়ে চলতে কিন্তু এখন মনে হয় যে যেহেতু এতোদিনে ঠিক হয়নি সেহেতু ও সারাজীবনেও হয়তো ঠিক হবেনা।
তাই এখন আর আগের মতো মনোবল পাইনা আমি, আমার সহ্য ক্ষমতা শেষ। এখন যদি আমি এই সংসার ছেড়ে চলে যাই তাহলে এর দোষ কি আমার? এই ব্যাপারে ইসলাম কি বলে আর সমাজ কি বলবে?
আমাকে একটু বলেন আমার কি করা উচিত।
ইনবক্স থেকে,,,,,
নিজের সমস্যা গুলো কে সহজ করে দেখুন। সমস্যার সমাধানের চেষ্টা শান্ত মনে করুন। আমাদের কে লিখে পাঠান আপনার জমানো কথা।
আসসালামু আলাইকুম। একটু হালকা হতে পোস্টটা করছি।আসলে আমার মনে কোন হিংসা কাজ করে না কিন্তু কষ্টটা যে খানে লাগে সেটা হলো আমার ভাই নেই আমরা তিন বোন। আমার আর বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। আমার শাশুড়ী আমাদের সাথে থাকে আমার বাবু হওয়ার জন্য আমার আম্মু আমাদের বাসায় আসে। তো আমার হাসবেন্ড অফিস থেকে বাসায় এসে আগে আমার শাশুড়ীর খোঁজ নিবে কথা বলবে গল্প করবে তারপর আমাদের কাছে আসবে আমার একটু খারাপ লাগে যে আমার ভাই থাকলে হয়তো আমার আম্মুকে এভাবে যত্ন করতো ভালোবাসতো আমার। সারা দিন আম্মু কাজ করে আমারও মন চায় আমার হাসবেন্ড একটু আমার আম্মুকে আরো বেশি করে ভালোবাসুক। কিন্তু জোর দিয়ে বলতে পারি না কারণ আমার আম্মু তো শাশুড়ী। আমার হাসবেন্ড যতোটুকু জিজ্ঞেস করার করে।এদিকে আমার আব্বুর চাকরি চলে গেছে একটু আর্থিক সমস্যায় আছে আব্বুকে আমার দুলাভাই নিজে যতো টুকু পারে আব্বুর না লাগলেও জোর করে হেল্প করে কিন্তু আমার হাসবেন্ড শুনবেও না কিভাবে আব্বু চলতেছে আমি নিজে কয়েক বার মুখ ফুটে চেয়েছি তখন সে হেল্প করছে এভাবে আমার লজ্জা লাগে আর চায়ও না।এসব কথা চিন্তা করে আমার অনেক কষ্ট লাগে মনে হয় আল্লাহ কেন ভাই দিলো না। আমি নিজে বাবা মাকে দেখতে পারছি না। যেখানে মুখ ফুটে না বললে আমার হাসবেন্ড বুঝেও বুঝে না। আমার এসব চাপা কষ্ট কাওকে বুঝাতে পারি না। একা একা অনেক সময় কান্না করি। সব ছেলেই তার মাকে ভালোবাসবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু আমার মনে হয় আমার মা বাবাও হয়তো এই ভালোবাসাটা পেতো যদি একটা ভাই থাকতো আর সে যদি ভালো হতো।
কিছুদিন যাবত আমার শ্বশুর বাড়ির ফ্যামিলি এবং আমাদের ফ্যামিলিতে একটা বিষয় নিয়ে খুব সর্ম্পক খারাপ।
তো আমার বৌকে শ্বশুর বাড়ি থেকে এসে বেড়াতে নিয়ে গেছে।
আমার বাড়ি থেকে সর্ম্পুন নিষেধ শ্বশুর বাড়ি যাওয়া। তো দু-তিন দিন যাবত বাচ্চাদের দেখতে খুব ইচ্ছে হয়তেছে। আবার ওয়াইফের জন্যও খারাপ লাগতেছে।
তো আমার বৌকে সকালবেলা ফোন দিয়ে বললাম,তোমার বাড়িতে বলো আমাদের বাসায় ফোন দিয়ে বলতে যা কিছু হয়ছে এসব নিয়ে কিছু মনে কইরেননা জামাইকে বলেন আসতে।
আমার বৌ সারাদিন রিকুয়েষ্ট করেও তাদের পরিবারকে রাজি করাতে পারেনি।
এদিকে সকাল থেকে মাকে বাবাকে বুঝিয়ে রাজি করানোর চেষ্টা করতেছি।
কিন্তু তাদের একটাই কথা, তোর শ্বশুর বাড়ি থেকে তারা যেতে বলেনা তুই কেন এমন করছ?
সন্ধার পর বৌকে বলছি তোমার মাকে বলবা জীবনে যাতে আর আমাকে ফোন না দেয়।
এ কথা শুনে শ্বাশুড়ি আমার মাকে ফোন দিয়েছে।
কি বলছে জানিনা।
মা কিছু বলছেনা আমাকে,আমি মনে মনে রেডি হয়ে বশে আছি যাওয়ার জন্য।
শেষে এশার নামাজের পর নিজ থেকে গিয়ে বললাম। মা শ্বাশুড়ি নাকি ফোন দিছে।
মা বলছে হুম বলছে তুই যাইতি।
কিন্তু ঝামেলা নিয়ে কথা বলেনি কেন তারা?
হাবিজাবি বলতেছে। আমি বুঝিয়ে বলে রওয়ানা হয়েছি যাবার জন্য।
মা পিছন থেকে মানা করতেছে আর রাগ দেখায়তেছে।
তবুও চলে আসছি আমি।
কিছুদূর আসার পর বড়বোন ফোন দিয়ে খুব ঝারতেছে।
ফোন কেটে দিয়ে ফেলে রাখছি।
অনাবরত ফোন দিচ্ছে।
রাস্তায় বশে আছি কি করি বলেন তো।
শ্বশুর বাড়ি চলে গেলে মা বাবা বোন কষ্ট পাবে।
না গেলে আমার এক মিনিট এক বছরের মত মনে হবে। আর বৌ কষ্ট পাবে?
এগুলো জীবন?
একটু মানুষিক শান্তির জন্য কত কষ্ট করি।
পরিবারের মানুষ গুলো কেন বুঝেনা।
#আত্মবিশ্লেষণ_নারী
আমি ঠিক জানি না আমার মধ্যে কি সমস্যা।যখন বয়স ১৭ মাস তখন আমার ছোট ভাই হয়।সেইদিন থেকে আমি আর মার সাথে থাকতে পারিনি । দাদুর কাছে বড় হয়েছি । এরপর আমার আরও একটি ছোট বোন হলো । ওরা দুইজন প্লাস আমার বড় বোন ঠিক ই মার কাছে বড় হয়েছে পুরোপুরি ভাবে ।শুধু আমাকে দাদুর কাছে বড় করেছে । দাদুর কাছে বড় হয়েছি এইটা কথা না। আমি জানি দাদু আমাকে সুন্দর ভাবে লালন পালন করেছে ।কিন্তু আমার ছোট বেলায় যখন ৪-৫ বছর বয়স ইচ্ছা করত মা কে জোড়াই দরে ঘুমাতাম। একবার নানু বাড়িতে যখন সবাই দাওয়াত এ গিয়েছিলাম দাদুর সাথে আমি কোলে যাওয়ার জন্য কান্না করতে ছিলাম। আমি দাদুর সাথে পরে বাড়ি চলে আসার পর ছোট চাচী আমার চুল টেনে ছিঁড়ে দিয়েছিল তখন মাত্র আমার বয়স ৫ বছর ছিল। মা চাইলে নানু বাড়ি না থেকে চলে আস্তে পারত। কিন্তু মা আমার অন্য ভাই বোনদের নিয়ে ঠিকই নানু বাড়ি থেকে গিয়েছিল । এইসব বিষয় আমার একটু একটু মনে পড়ে ।আরও কত কি ঘটেছে । আসলে আমি না হলেও হতো। এখন বড় হয়েছি এখনো দেখি মা এর ফার্স্ট প্রায়োরিটি ওরাই । আমাকে শুধু যখন টাকার প্রয়োজন হবে তখন এ মনে করে। আমার কি আসলেই ওভার্থিঙ্কিং করছি নাকি কি আমি বুজতে পারতেসিনা। এইসব চিন্তা আসলে মার প্রতি কেমন যেন একটা বিরক্ত কোলে আসে কারণ যখন আমার মা বেশি প্রয়োজন ছিল মা আমার পাশে ছিলনা । আমিও ভালোবাসা ডিজার্ভ করি ।আমিও তো মায়ের সন্তান। কেনো আমার সাথে এমন হয়েছে ? ছোট থেকে অনেক ট্রমা নিয়ে বড় হয়েছি। আব্বু ও তেমন দেখতে পারতো না ।দোষ টা তো আমার না আমি ওদের ঘরে জন্ম হয়েছি । আল্লাহ আমাকে পাঠিয়েছে । এত অযত্ন অবহেলা হয়েছি । এইসব কেনই বা আমাকে ফেস করতে হয়েছে ?
#আত্মবিশ্লেষণ_নারী
আমাকে দয়া করে একটু সাহায্য করুন।আমার দম বন্ধ হয়ে আসতেছে।
আজকে জানলাম আমি যাকে ভালোবাসি বা আমি এতদিন যে ভাবতাম আমাকে একটা মানুষ ভালোবাসে তা সব মিথ্যা।আমার ভালোবাসার মানুষ টা আমার সাথে ডাবল গেইম খেলতেছিল।ওর আরেক জায়গায় সম্পর্ক আছে।আমি এতদিন তা আন্দাজ করতৃে পারলেও আজকে সরাসরি তার সাক্ষী হইছি।অথচ আমি এই মানুষটাকে এক সমুদ্র পরিমাণ বিশ্বাস করছিলাম।কী করে আমি মানুষ চিনতে এতটা ভুল করছি আমি ভাবতে পারতেছিনা।নিজেকে পৃথিবীর সব থেকে বোকা মানুষ মনে হচ্ছে।অন্য জায়গায় সম্পর্ক থাকার পরও সে আমার ইমোশন নিয়ে খেলছে অথচ আমি তাকে আমার পুরো দুনিয়ায় একমাত্র পুরুষ হিসেবে রাখছি।ভালোবাসা খুজতে খুজতে আমি আজকে টায়ার্ট হই গেছি।আমার খুব শখ ছিল আমি ভালোবেসে বিয়ে করব।আজকে সব শেষ হই গেছে।উপরওয়ালা আমার থেকে আমার সব প্রিয় জিনিস গুলো কেন কেড়ে নেন?বলতে পারবেন কেউ?আমার পুরো পৃথিবী দুমড়ে মুচড়ে গেছে।আমি এতটা বোকা ছিলাম? এই টা মানতেই পারতেছি না।অথচ এতোদিন আমি জানতাম যে সে ভাঁজা মাছ টাও উল্টায় খাইতে পারে না আর এখন আমার বুকে ছুড়ি বসাই চলে গেছে।
#আত্মবিশ্লেষণ_নারী
অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে পরামর্শ চাইছি :
আমি IELTS করার জন্য একটা কোচিং-এ ভর্তি হয়েছি সেখানে শিক্ষক যিনি তার বয়স ৪০ বছর, বিবাহিত। ২ টি ছেলে আছে বড় জন ক্লাস ৮ এ আর ছোট জন ১/২ তে পড়ে।
সমস্যা হচ্ছে সে স্যার আমাকে অদ্ভুত কোশ্চেন জিগ্যেস করে কাইন্ড বিষয়টা আমি সায় ফীল করে ইগনোর করতে চেলেও রিকুয়েষ্ট করে অন্য রকম ভাবে। আমাকে জিগ্যেস করে তোমার কি ছেলে বন্ধু আছে? আমি না বলে এড়িয়ে যাওয়ার পড়ে এরপর বলে বলো আমি কাউকে বলবো না ভরসা করতে পারো। তারপর আমি বলি হ্যা আছে। এরপর সে আরো ইন্টারেস্টি প্রকাশ করে কি করে, কি প্লানিং। এরপর আমি বলেছি।
আমি আবার পড়ায় মনোযোগী হলাম। এরপর ক্লাস শেষে সে দীর্ঘ শ্বাস ফেলে বলে তোমার তো বন্ধু আছে না হলে আমি তোমার বন্ধু হতাম। তার কথার ধরন শুনে মনে হলো সে আমাকে পছন্দ করে। আমি তাকে পড়ে জিগ্যেস করেছি ভদ্র ভাবে স্যার আপনি আর মিস সেপারেশনে আছেন কিনা বিষয় টা সে পড়ে বলবে ফোনে এটা বলে সেসময় বলেনি। এরপর কল দিতে চেয়েছে আমি তখন বলেছি ফ্রি না।
প্রায়সময় আলাদা ক্লাস নেয় মানে একা ক্লাস করায় আমাকে। স্যার আর আমি ছাড়া ক্লাস এ কেউ থাকিনা।
স্যার UK তে থাকেন পড়ানোর সুবিধার্থে সে দেশে যখন আসে তখন ক্লাস নেন। আমি তাকে বরাবরই টিচার হিসেবেই দেখছি। তবে তার এরকম কথায় আমি অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ি। অস্বস্তিকর লাগে ইগনোরও করতে পারিনা পরে বলতে হয় কথা।
নোট: উনার সম্পর্কে এলাকায় কোনো ব্যাড রেকর্ড নেই। ভালো সামজিক পারসোনাল।
📍বিষয়টা কিভাবে কোপ আপ করতে পাড়ি? দয়া করে বলুন প্লিজ।
আসসালামু আলাইকুম। আমি আপনাদের কাছে একটা পরামর্শ চাই। আমি ১৫ দিন শুধু একটা মানুষের সাথে কথা বলেছিলাম। এখন হুট করে কথাটা বলা অফ হয়ে যায় কোন কারনে। তবে এই ১৫ দিন আমার খুব ভালোই কেটেছিল।সুন্দর একটা সময় পার করেছিলাম। আর কথাগুলো আর ভালো লাগত।আমাদের মধ্যে কোন খারাপ খারাপ সম্পর্ক ছিল না। তবে প্রতিদিন লম্বা সময় নিয়ে মেসেজ হত।তবে আমি চাইনা।আমি আর মানুষটার সামনে ফেস হয়।মুলত এই বিষয়টা ফেলে দিতে চাই মাথা থেকে।কিভাবে রিকভার করব বুজতে পারছিনা।সুন্দর পরামর্শ দিবেন।(আমি বিবাহিত+বেবি আছে।উনি নিজেও একজনের সাথে কমিটেড)তাই এইখানে খারাপ সম্পর্ক ছিলো এমন কোন কিছু কেউ ভাবিয়েন না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
1207
