Humayun Kobir Noyon
আহবায়ক - যুব শ্রমিক জনতা ঐক্য পার্টি
🤩
24/04/2022
ইসলাম ও ঈমান মানুষের আশা আকাংখাকে উৎসাহিত করে, পক্ষান্তরে হতাশা বা নিরাশাকে, করে নিরুৎসাহিত।
প্রকৃতপক্ষে যিনি আল্লাহকে প্রভু, রাসূলকে (সা.) অনুসরণীয় অনুকরণীয় নেতা ও ইসলামকে দ্বীন বা জীবনব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করেছে তার কি কোনো হতাশা থাকতে পারে? না, কখনো না, হতাশা-নিরাশা তাকে স্পর্শ করতে পারে না।
পবিত্র কোরআনে হতাশা বা নিরাশা সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে,
يَا بَنِيَّ اذْهَبُواْ فَتَحَسَّسُواْ مِن يُوسُفَ وَأَخِيهِ وَلاَ تَيْأَسُواْ مِن رَّوْحِ اللّهِ إِنَّهُ لاَ يَيْأَسُ مِن رَّوْحِ اللّهِ إِلاَّ الْقَوْمُ الْكَافِرُونَ
বঙ্গানুবাদ: ‘হে আমার পুত্রগণ! তোমরা যাও, ইউসুফ ও তার সহোদর ভাইয়ের অনুসন্ধান করো এবং আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হইও না। কারণ আল্লাহর রহমত হতে কেউই নিরাশ হয় না, কাফির সম্প্রদায় ব্যতীত।’ (সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৮৭)।
শাব্দিক ব্যাখ্যা: ‘হে আমার পুত্রগণ! তোমরা যাও অতঃপর তোমরা অনুসন্ধান করো ইউসুফ ও তার সহোদর ভাইকে এবং তোমরা নিরাশ হইও না আল্লাহর রহমত হতে। নিশ্চয়ই কেউই নিরাম হয় না আল্লাহর রহমত হতে কাফির সম্প্রদায় ব্যতীত।’
আয়াত নাজিলের প্রেক্ষাপট:
এখানে আল্লাহ তায়ালা ইয়াকুব (আ.) এর ১১ ছেলের ত্রাণ সংগ্রহে মিসর সফরকালে ইউসুফ (আ.) কর্তৃক তার সহোদর ভাই বিন ইয়ামীনকে তার নিকট আটক রাখার পর তার ভাইয়েরা তাদের বৃদ্ধ পিতা ইয়াকুব (আ.) এর নিকট ফিরে আসলে তার কষ্ট জর্জরিত কন্ঠে ছেলেদের উদ্দেশ্যে তিনি যে কথা বলেছিলে তারই বর্ণনা করেন।
মূল বক্তব্য:
ইয়াকুব (আ.) তার দুই ছেলে হারিয়েও কঠিন বিপদে হতাশ হলেন না এবং তার ছেলেদেরও ধিক্কার দিলেন না বরং তিনি ধৈর্যের পরিচয় দিলেন আর তাদেরকেও হতাশ বা নিরাশ হতে বারণ করলেন আর এটাই প্রত্যেক মুমিনের উচিৎ। কারণ হতাশ হওয়া কোনো মুমিনের কাজ নয়। আমরা আলোচ্য আয়াতে লক্ষ্য করেছি আল্লাহ সুবাহানু ওয়া তায়ালা বলেছেন,
أَخِيهِ وَلاَ تَيْأَسُواْ مِن رَّوْحِ اللّهِ إِنَّهُ لاَ يَيْأَسُ
অর্থাৎ: ‘আল্লাহর রহমত হতে কেউই নিরাশ হয় না, কাফির সম্প্রদায় ব্যতীত। (সূরা: ইউনুস, আয়াত: ৮৭)।
আল্লাহ তা’আলার ভয়ে তুমি যা কিছু ছেড়ে দিবে, আল্লাহ তোমাকে তার চেয়ে উত্তম কিছু অবশ্যই দান করবেন ।
— আল হাদিস
পুণ্য অর্জন অপেক্ষা পাপ বর্জন করা শ্রেষ্ঠতর ।
— হযরত আলী (রাঃ)
22/02/2022
শহীদ মিনারে ছাত্রলীগ নেতার মাথা ফাটালেন নেত্রী
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাওয়ার সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. ইয়াসিনের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন নিশি।
সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জানান, ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ তুলে বেনজির হোসেন নিশি তার হাতে থাকা মুঠোফোন দিয়ে মো. ইয়াসিনকে উপর্যুপরি আঘাত করতে থাকেন। এতে করে ইয়াসিনের মাথা ফেটে যায় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়। একপর্যায়ে ইয়াসিন জ্ঞান হারিয়ে ফেললে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইয়াসিনের মাথায় চারটি সেলাই করেন। পরে চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় পৌঁছে দেন ছাত্রলীগ কর্মীরা।
এ ব্যাপারে মো. ইয়াসিন বলেন, শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় অনেক নেতাকর্মীই সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে হঠাৎ করে নিশি আপু আমাকে মোবাইল দিয়ে মাথায় আঘাত করতে থাকেন। আমার মাথা ফেটে রক্ত পড়ার পরও তিনি মাথায় আঘাত করতে থাকে। একপর্যায়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি, হাসপাতালে গিয়ে আমার জ্ঞান ফেরে। মাথায় চারটি সেলাই লেগেছে। চিকিৎসকের পরামর্শে এখন বাসায় বিশ্রামে আছি।
মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন নিশি বলেন, ফুল দেওয়ার সময় অনেক ভিড় ছিল। সেখানে এমন ঘটনা ঘটতে পারে তবে সেটা আমার সঙ্গে ঘটেনি। কে বা কার সঙ্গে ঘটেছে এখন আমার নাম জড়িয়ে মিথ্যা প্রচার করছে।
এসব বিষয়ে জানতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আমরা বিষয়টি শুনেছি, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
09/02/2022
আমি মুসলিম' আমি সংগ্রামী' চির রণবীর, আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাই না, নারায়ে তাকবির।
🕋আল্লাহুু আকবর, আল্লাহু আকবর ❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Address
1000
