Manab Jagran Foundation official’s

Manab Jagran Foundation official’s

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Manab Jagran Foundation official’s, Social service, Mirpur/1, Dhaka.

Manab Jagran Foundation, We try our best to help people as much as possible.

মানব জাগরন ফাউন্ডেশন, আমরা নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়ে সাধ্যমত মানুষকে সাহায্য করার চেষ্টা করি। মানব জাগরন ফাউন্ডেশন একটি মানবকল্যাণে নিবেদিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। পহেলা এপ্রিল ২০২১ সালে মানবকল্যাণে নিবেদিত কিছু তরুণদের হাত ধরে সংগঠনটির যাত্রা শুরু করে।

আর্তমানবতার সেবা, সমাজ-সংস্কার, মহোত্তম নীতিচেতনার সঞ্চার, পরিচ্ছন্ন মানস

Photos from Manab Jagran Foundation official’s's post 18/12/2025

মানব জাগরণ ফাউন্ডেশন একটি সংগঠনই নয়, এটি একটি পরিবার। আমাদের গঠনের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচটি ছিল ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও আনন্দের এক সুন্দর উদাহরণ।

এই আয়োজনে খেলার পাশাপাশি ফুটে উঠেছে পারস্পরিক সম্মান, দলগত চেতনা ও সৌহার্দ্য—যা আমাদের সংগঠনের মূল আদর্শকে আরও শক্তিশালী করেছে। জয়–পরাজয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাই উপভোগ করেছি কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত।

সফল আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ। ভবিষ্যতেও মানব জাগরণ ফাউন্ডেশনের এমন ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে—এই প্রত্যাশা।

🏏🤝
মানব জাগরণ ফাউন্ডেশন

07/06/2025

মানব জাগরণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সবাইকে
ঈদ মোবারক 🐄

23/05/2025

বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ও আমাদের ভূমিকা
📊 বাংলাদেশে দারিদ্র্যের বর্তমান চিত্র (২০২৩):
✅ জাতীয় দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%

✅ চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%

📉 গত এক দশকে দারিদ্র্য ৪০% থেকে কমে এসেছে

🗺️ অঞ্চলভিত্তিক চিত্র:
গ্রামাঞ্চলে দারিদ্র্য: প্রায় ২২%

শহরে দারিদ্র্য: প্রায় ১১%

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে (রংপুর বিভাগ): সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্য

🔍 দারিদ্র্যের কারণসমূহ:
✅ শিক্ষা ও দক্ষতার অভাব

✅ কর্মসংস্থানের সংকট

✅ প্রাকৃতিক দুর্যোগ

✅ স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতা

✅ দৃষ্টিভঙ্গির সমস্যা ও সামাজিক বৈষম্য

🤝 আমাদের করণীয়:
🧒 শিক্ষা প্রসার:
দরিদ্র শিশুদের জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করা

স্কুলে ভর্তি ও নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত

🛠️ দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান:
টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা

💚 মানবিক সহায়তা:
দরিদ্র পরিবারের জন্য খাবার, পোশাক, চিকিৎসা

কমিউনিটি সাপোর্ট প্রোগ্রাম

🌱 সামাজিক সচেতনতা:
দারিদ্র্য সম্পর্কে সচেতনতা ছড়ানো

অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো

✅ একটি দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে — এখনই সময় উদ্যোগ নেওয়ার!

🔖 উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS),বিশ্বব্যাংক (World Bank)

23/05/2025

আজ জুমাবার।
সকলে সূরা কাহাফ পড়ে নিন ইনশাআল্লাহ। দুরুদ পাঠ করুন।

22/05/2025

বৃক্ষের অভাবে আমাদের পরিবেশে বহু দিক থেকে মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। গাছ শুধু সৌন্দর্যের উপকরণ নয়, এটি প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় অপরিহার্য। নিচে বৃক্ষের অভাবে ঘটে যাওয়া পরিবেশগত ক্ষতিগুলো তুলে ধরা হলো:

🌍 বৃক্ষের অভাবে পরিবেশের ক্ষতি:
১. 🌡️ তাপমাত্রা বৃদ্ধি (গ্লোবাল ওয়ার্মিং):
গাছ কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে। বৃক্ষ কমে গেলে এই গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে যায়, যা পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়।

২. 💨 বায়ুদূষণ বৃদ্ধি:
গাছ বাতাস থেকে ধুলা ও ক্ষতিকর গ্যাস শোষণ করে বিশুদ্ধ বাতাস সরবরাহ করে। গাছ না থাকলে বাতাস হয় দূষিত, ফলে শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা, ফুসফুসের রোগ বেড়ে যায়।

৩. 🌧️ অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও খরা:
বৃক্ষ পরিবেশে আর্দ্রতা বজায় রাখে। গাছ কমে গেলে বৃষ্টিপাত কমে যায় বা অনিয়মিত হয়, যা কৃষিকাজ ও পানির প্রাপ্যতায় প্রভাব ফেলে।

৪. 🌊 বন্যা ও ভূমিধস:
গাছের শিকড় মাটিকে আঁকড়ে ধরে রাখে। গাছ না থাকলে বৃষ্টি হলে সহজেই ভূমিধস হয়, এবং বন্যার পানি সহজে প্রবাহিত না হয়ে বিস্তৃত হয়।

৫. 🐾 জীববৈচিত্র্যের ধ্বংস:
বিভিন্ন প্রাণীর বাসস্থান ধ্বংস হয়ে যায় গাছ না থাকলে, ফলে অনেক প্রজাতি বিলুপ্তির পথে যায়।

৬. 🌾 মাটির ক্ষয় ও উর্বরতা হ্রাস:
গাছ না থাকলে মাটি সরাসরি বৃষ্টিপাত ও রোদের আঘাতে ক্ষয়ে যায়, উর্বরতা হারায়, এবং কৃষি উৎপাদন কমে যায়।

🌳 বৃক্ষের পরিবেশ রক্ষা ও উপকারিতা:
১. বাতাস পরিশোধন করে
বৃক্ষ বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন উৎপন্ন করে, যা আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অপরিহার্য। এটি বায়ুদূষণ কমায় এবং তাজা বাতাস সরবরাহ করে।

২. তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
গাছের ছায়া ও বাষ্পীভবনের মাধ্যমে পরিবেশের তাপমাত্রা কমায়, ফলে গ্রীষ্মকালে শীতলতা বজায় থাকে এবং গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর প্রভাব কমে।

৩. মাটি ধরে রাখে ও ক্ষয় রোধ করে
গাছের শিকড় মাটিকে দৃঢ়ভাবে ধরে রাখে, যা ভূমিধস এবং মাটির ক্ষয় প্রতিরোধে সাহায্য করে। এর ফলে কৃষি জমি উর্বর থাকে।

৪. বৃষ্টিপাত ও জলচক্র নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে
বৃক্ষ বাষ্পীভবনের মাধ্যমে বাতাসে আর্দ্রতা বজায় রাখে, যা বৃষ্টিপাতের নিয়মিততা ও পরিমাণ রক্ষায় সাহায্য করে।

৫. জীববৈচিত্র্যের আশ্রয়স্থল
বৃক্ষ ও বনজঙ্গল বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী, পাখি ও জীবজন্তুর আবাসস্থল। এরা জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

৬. প্রাকৃতিক দূর্যোগ কমায়
বৃক্ষ ঝড়, বন্যা ও ভূমিধসের ক্ষতি কমাতে সহায়তা করে। শিকড় মাটি ধরে রাখার মাধ্যমে ভূমিধস রোধ করে, এবং বন্যার জল প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৭. মানব জীবনের সহায়ক উপাদান
গাছ আমাদের খাদ্য, ঔষধ, কাঠ, ছোঁয়া, জৈব জ্বালানি ইত্যাদি সরবরাহ করে যা জীবনধারণে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

"গাছ লাগাও, প্রকৃতি বাঁচাও, জীবন বাঁচাও।" 🌿🌎

#সবুজ_পৃথিবী #বৃক্ষরোপণ #পরিবেশ_বাঁচাও

22/05/2025

আসুন আমরা প্রতিদিন সর্বনিম্ন একটি হলেও ভালো কাজ করি।

22/05/2025

🦟 এডিস মশা নিধনে করণীয়

✅ ১. বাসা ও আশপাশে কীটনাশক ছিটানো
নিয়মিতভাবে ঘরের কোণা, পর্দা, বিছানা, ফার্নিচারের নিচে, বাথরুম ও রান্নাঘরে স্প্রে করা।

বাড়ির চারপাশে এবং ফুলের টব, ড্রেন, ডাস্টবিন, জমে থাকা পানির জায়গায় স্প্রে ছিটানো।

✅ ২. ফগিং (ধোঁয়া ছড়ানো) কার্যক্রম
স্থানীয় সরকার কর্তৃক এলাকার নর্দমা, ড্রেন ও ঝোপঝাড়ে মশা মারার ধোঁয়া ছড়ানো।

প্রয়োজনে ব্যক্তিগতভাবে ছোট মেশিন দিয়ে ধোঁয়া ছড়ানো যেতে পারে।

✅ ৩. লার্ভা নিধন (Larvicide ব্যবহার)
যেসব জায়গায় পানি জমে, সেখানে লার্ভা মারার ওষুধ ব্যবহার করা যায় (যেমন: টেমিফস বা ব্যাকটেরিয়াভিত্তিক কীটনাশক)।

ট্যাংক, ড্রাম বা ফোয়ারায় এই ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করে ডিম ও লার্ভা ধ্বংস করা যায়।

✅ ৪. জৈব পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রণ
গাপ্পি মাছ বা অন্যান্য জলজ প্রাণী ব্যবহার করে মশার লার্ভা খাওয়ানো যায় (বিশেষ করে পুকুর বা বড় পানির পাত্রে)।

✅ ৫. জৈব-রাসায়নিক পদ্ধতির ব্যবহার
জৈব উপায়ে যেমন লেবু, তুলসি, ইউক্যালিপটাস তেল বা নেম তেল মিশিয়ে স্প্রে করা।

ঘরে ধূপ বা লেবুতে লবঙ্গ গুঁজে রেখে মশা দূর করা যায়।

⚠️ মনে রাখার বিষয়:
এডিস মশা দিনে কামড়ায়, বিশেষ করে সকাল ৮টা থেকে ১১টা এবং বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত।

শুধু বড় মশা নয়, ডিম ও লার্ভা ধ্বংস করাও জরুরি।

মশা নিধনে একবার স্প্রে করলেই হবে না, নিয়মিত করতে হবে।

🏁 উপসংহার:
এডিস মশা নিধনের জন্য একক কোনো ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, মশা নিধন ও জনসচেতনতা—এই তিনটি মিলেই সফল প্রতিরোধ সম্ভব। ব্যক্তি ও সামাজিকভাবে সচেতন হলে ডেঙ্গুসহ এডিসবাহিত রোগ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

31/08/2024

আমাদের এই দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে একঝাঁক তরুনী মেয়েরা ছিল সহায়তার যোদ্ধা।

বন্যার্তদের জন্য( ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট)
তাদের সহোযোগিতায় তারা নিজেদের সামর্থ্য এবং সর্বসাধারন থেকে অনুদান যোগাড় করছে তা, আমাদের মানব জাগরন ফাউন্ডেশন এর সাহায্য বন্যার্তদের মাঝে পৌছানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর আমরাও তা গ্রহন করছে খুবই আন্তরিক ভাবে। তাদের কষ্ট তাদের সাহায্য আমাদের মাধ্যমে সফল হবে এতে তারা উচ্ছ্বাসিত।

ধন্যবাদ তরুণী যোদ্ধাদের। আপনাদের সালাম এমন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে আমাদের সাহায্য করতে।

31/08/2024

This is the new Bangladesh!!

সবচেয়ে আশ্চর্য এর ব্যাপার হচ্ছে কি জানেন!!
এখন আর ছোট আর বড় নাই সমস্যা হয়েছে সবাই একসাথে সাহায্যের জন্য চলে আসে। এটাই চেয়েছিল আমাদের বাংলাদেশ।

বন্যার মধ্যে আটককে থাকা মানুষের কথা শুনে ছোট ভাইরাও থেমে নেই চলে গেছে বন্যার্তদের জন্য সাহায্য করতে যারা কিনা এধরনের কাজে কখন অভ্যস্তই না।
দারুসসালাম এলাকার কিছু ছোট ভাইরা মিলে তাদের উঠানো বন্যার্তদের জন্য অনুদান আমাদের মানব জাগরন ফাউন্ডেশন এর দ্বারা পৌঁছে দিল তাদের বিশ্বাস ছিল আমাদের উপর।

তোমাদের জানাই ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
এভাবে এগিয়ে যাও আগামির বাংলাদেশ উন্নত ভাবে গড়ে তুলো।

31/08/2024

আমাদের এবারের বন্যা পরিস্থিতিতে, বন্যার্তদের এান সহায়তায় (ঢাকা সেন্ট্রাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট) শিক্ষার্থীবৃন্দের মাধ্যমে বন্যার্তদের জন্য অনুদান উঠিছে। যা আমাদের মানব জাগরন ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে এান সহায়তা কাজে ফাউন্ডেশন সহযোগীতা করছে।

আমরা ঢাকা সেন্ট্রাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর সকল শিক্ষার্থীদের জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। যে তারাও থেমে ছিল না তাদের সর্বোচ্চ দিয়ে সহযোগী করছে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাদের।

যে কোনো প্রয়োজন আপনাদের পাশে থাকবে আমাদের ফাউন্ডেশন।

29/08/2024

আসসালামু আলাইকুম!! আলহামদুলিল্লাহ Faster Int. Express এটি একটি ইন্টারন্যাশনাল কুরিয়ার সার্ভিস কোম্পানি, যা বাংলাদেশে থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কুরিয়ার করে থাকে। এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ বন্যার্তদের পাশে দাড়িয়েছে। তার কোম্পানির উপার্জিত কিছু অংশ টাকা তিনি বন্যার্তদের মাঝে দিতে চায় তবে উনে আমাদের ফাউন্ডেশন শাহাদাত ইসলাম শামিম এর পরিচিত হওয়ায় তার সাথে যোগাযোগ করে মতামত নিয়ে আমাদের ফাউন্ডেশন অর্থ্যাৎ মানব জাগরন ফাউন্ডেশন এর দ্বারা অুনদান দিতে মতপোষন করেন।

তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এভাবে এগিয়ে আসার জন্য। এই ছবিটি দেখানোর জন্য না মানুষকে ভালো কাজে উৎসাহ দেয়ার জন্য আমাদের দেয়া।

সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসে আশা করি দ্রুত আমরা এই সমস্যা থেকে সমাধান পাব।

ধন্যবাদ ফরহাদ আহমেদ
ফাউন্ডার অফ ফাস্টার ইন্টারন্যাশনাল এক্সপ্রেস।


Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Mirpur/1
Dhaka
1216