Rayhan Chowdhury

Rayhan Chowdhury

Share

জিয়া পরিবারের দালাল আমি� আলহামদুলিল্লাহ

26/02/2026

বিএনপি খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বানিয়েছে,জোনায়েদ সাকীরে অর্থ প্রতিমন্ত্রী বানিয়েছে আর নুরুল হক নুরকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী বানিয়েছে।

অথচ আব্দুল্লাহ তাহের পররাষ্ট্র মন্ত্রী হওয়ার কথা ছিলো,শিশির মনির আইনমন্ত্রী হওয়ার কথা ছিলো,গোলাম পরোয়ার এলজিআরডি মন্ত্রী হওয়ার কথা ছিলো,মামুনুল হক ধর্মমন্ত্রী হওয়ার কথা ছিলো।

ডার্বি পাটোয়ারী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হওয়ার কথা ছিলো, হামিদুর রহমান আজাদ সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রী হওয়ার কথা ছিলো আর শফিকুর রহমান পোন্দানমুন্তি হওয়ার দৌড়ে ছিলেন একেবারে অপ্রতিরোধ্য।

বিএনপি নুরুল হক নুর কিংবা জুনায়েদ সাকির মতো ইয়াংদের জাতীয় সরকারের কৌটায় মন্ত্রী বানায় অথচ শিশির মনিরের মতো ল এক্সপার্ট আর গোলাম পরোয়ার যিনি কি-না নিজের এলাকায় পরাজিত হয়েছেন সে-ই গোলাম পরোয়ারদের কোনো মূল্যায়নই করলো না।

জাতীয় সরকারের কৌটায় ডার্বি পাটোয়ারী,গোলাম পরোয়ার,হামিদুর রহমান আজাদ,মামুনুল হকদের মতো পরাজিত বিশ্বনেতাদের যদি মন্ত্রী বানানো হতো তাহলে ১২ তারিখ নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পর ১৫ তারিখে বায়তুল মোকাররমের পাদদেশে গিয়ে দুনিয়ার সব হারু পার্টির কান্নাকাটি আহাজারি আমাদের শোনা লাগতো না।

বিএনপি জায়গায় জায়গায় এসব হারু পার্টির বিশ্বনেতাদের অবমূল্যায়ন করে কতোদিনই ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে আমরা দেখে নিবো,সবকিছু মনে রাখা হবে এবং কড়াগন্ডায় হিসাব নেওয়া হবে।

জুলাই ব্যবসা থেকে উঠে এসেছে ডার্বি আর সারজিসরা এবং ধর্ম ব্যবসা থেকে উঠে এসেছে গোলাম পরোয়ার, হামিদুর রহমান আজাদের মতো জাতির রাহবররা সে-ই রাহবরদের এই অপমান সইবে নারে মুসলমান।

অন্যদিকে ৭১ এর ব্যবসায়ীরাও পলাতক;বিএনপি জায়গায় জায়গায় এসব ধর্ম ব্যবসায়ী,জুলাই ব্যবসায়ী,৭১ ব্যবসায়ীদের বাজারে ধস নামিয়ে কতোদিন টিকে থাকবে;আল্লাহ মালুম।

সম্ভবত আরো একটা জুলাই আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে তা-ও আগামী ৪ মাসের মধ্যেই.....

Photos from Rayhan Chowdhury's post 24/02/2026

পুরুষ এই একটা যায়গায় আঁটকায় 😂
তার জন্য পুরা দেশ অস্থিতিশীল আর হালায় এক বেডির প্রেমে পরে শেষ😁

24/02/2026

বিএনপির ঢাকা দক্ষিণে ডার্বি পাটোয়ারী,ঢাকা উত্তরে হামিদুর রহমান আজাদ,গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে ব্যারিস্টার ফুয়াদ,সিলেট সিটি কর্পোরেশনে শিশির মনির,নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে সারজিস আলম আর খুলনা সিটি কর্পোরেশনে গোলাম পরোয়ারকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত ছিলো।

কিন্তু বিএনপি এসব যোগ্য লোককে বাদ দিয়ে কিসের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম,৯০ এর গণ-অভ্যুত্থানের মহানায়ক নজরুল ইসলাম মঞ্জু,২৪ এর কিংবদন্তি শফিকুল ইসলাম মিল্টন এবং সেভেন মার্ডার ইস্যূতে পুরো আওয়ামী সেটআপের বিরুদ্ধে লড়াই করা সাখাওয়াত হোসেনকে নিয়োগ দিয়েছে।

বিএনপি সরকার একের পর এক অন্যায় করেই যাচ্ছে;জুলাই ব্যবসায়ী কিংবা ধর্ম ব্যবসায়ীদের এভাবে ইগনোর করছে,এভাবে চললে বিএনপি সরকারের পতন ঠেকাবে কে?

গোলাম পরোয়ার,শিশির মনির,হামিদুর রহমান আজাদ,ডার্বি পাটোয়ারীরা এ-ই জাতির রাহবর হয়তো ওনারা জনগণের ভোটে পরাজিত হয়েছে কিন্তু ওনারা জনগণের হৃদয় ইতিমধ্যেই জয় করে ফেলছে।

এ-ই যেমন ভোটে পরাজিত হওয়ার পর বিএনপির ৫ বারের সাবেক সাংসদ হারুন ভাইকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না কিন্তু গোলাম পরোয়ার,শিশির মনির,ডার্বি পাটোয়ারীরা পরাজিত হওয়ার পরও মিডিয়ায় আসছে,গর্জন দিচ্ছে,আরেকটা গণ-অভ্যুত্থানের হাঁকডাক দিচ্ছে।

এমন নিলজ্জ নেতা আপনি কোথায় পাবেন?জনগণের ভোটই আসল কথা নয়,ফেসবুকের ভোটই মূল বিষয়।বিএনপি সরকার জাতির এ-ই রাহবরদের মূল্যায়ন করছে না,এরজন্য তীব্র নিন্দা জানিয়ে গেলাম।

জাতির এ-ই নিলজ্জ সরি সূর্য সন্তানদের এ-ই অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে কোথাও আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়,আমারে ডাক দিয়েন প্লিজ....

Photos from Rayhan Chowdhury's post 23/02/2026

যেই দলেরই আমির একটা ভুদায় তার পিছে রাজনীতি করে কোন ছাগল গুলা হিসাব মিলাই নেন
একটা রাজনৈতিক দলের প্রধান কি ভাবে যাচাই-বাছাই ছাড়া একটা কথা বলে আমার ত মাথায় আসে না

23/02/2026

জামায়াতি সেটাপ টাকে এই ভাবে ভরে দিবে কল্পনা ও করে নাই😂😂
না না বিএনপি সরকার ভালা নাহ

23/02/2026

আজ যাত্রাবাড়ীতে ঘটনাটি ঘটেছে লেগুনার সিটে যাত্রী উঠানোকে কেন্দ্র করে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিও লেগুনা ড্রাইভার তার সাথে বিএনপির কোনো ধরনের সম্পর্কও নেই,এখানে চাঁদাবাজির কোন ঘটনা হয় নি।

অথচ ইতিমধ্যে কয়েকটি মিডিয়ার নিউজকে ভিত্তি করে সোশ্যাল মিডিয়াতে ফ্রেমিং হয়ে গেছে 'বিএনপির চাঁদাবাজির' কারণে এই ঘটনা হয়েছে!

এই মূহুর্তে তথ্য মন্ত্রণালয় বিএনপি সরকারের হাতে।
বিএনপির একটি মিডিয়া সেল আছে।
অনলাইন নিয়ে কাজ করবার জন্য অনেকে দায়িত্বে আছেন।

অথচ বিএনপির বিরুদ্ধে চালানো ফেইক নিউজ গুলো কাউন্টার দিতে হচ্ছে দেশে এবং প্রবাসে থাকা সাধারণ অনলাইন এক্টিভিস্টদেরকে।

যেকোনো চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর তার প্রকৃত সত্য তুলে এনে প্রোপাগাণ্ডার জবাব দেয়া যে এই মূহুর্তে অনেক ইফেক্টিভ একটি রাজনীতি -তা বিএনপি গুরুত্ব না নিলেও এতদিন ফি সাবিলিল্লাহ হিসেবে পার পেয়ে গেছে!

এখন তো বিএনপির সরকার ক্ষমতায়!
তবুও সত্য গুলো তুলে ধরতে কেন এত অনীহা!
অনুগ্রহ করে গুজব প্রতিরোধের দিকে সর্বোচ্চ নজর দিন।

23/02/2026

জামায়াতের আওয়ামী লীগ পিরানোর সপ্ন আর পরুন হবে না😂

23/02/2026

এই পুলিশের শুধু পোশাক চেঞ্জ করলে এ হবে না,, আওয়ামী লীগের পুলিশ গুলারে ও চেঞ্জ করতে হইবো

22/02/2026

আয় হায় আমির হামজার কি হবে এখন😂😂

22/02/2026

ডাক্তার ইউনুস সাহেব কে বলছিলো স্যার ৫টা বছর থেকে যান
আমার ত মনে তারেক রহমান কে এই দেশের মানুষ বলবে স্যার সারাজীবনের জন্য থেকে জান❤️

22/02/2026

সবার আগে বাংলাদেশ ✊✊

21/02/2026

বিভিন্ন পত্রিকার সূত্রমতে জানতে পারলাম,জামায়াত তার দলের বর্তমান এবং প্রয়াত নেতাদের স্ত্রীদের সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দিতে পারে।

এখানে এগিয়ে আছেন শফিকুর রহমানের স্ত্রী আমিনা শফিক,আব্দুল্লাহ তাহেরের স্ত্রী হাবিবা আক্তার সুইট,শফিকুল ইসলাম মাসুদ ওরপে টারজান মাসুদের স্ত্রী জাকিয়া ফারজানা।

এছাড়াও জামায়াতের প্রয়াত নেতা মীর কাশেম আলীর স্ত্রী আয়েশা,আলী আহসান মুজাহিদের স্ত্রী সাদিয়া খাতুন,কাদের মোল্লার স্ত্রী সানোয়ারা জাহানদের নামও দেখা যাচ্ছে।

সত্য মিথ্যা জানি না তবে জামায়াতের সিদ্ধান্ত জামায়াত নিবে এটাই স্বাভাবিক,এ-ই লিংকের কমেন্ট বক্সেও সবাই দেখলাম স্বাগত জানাচ্ছে;এতেও আমার কোনো আপত্তি নাই।

কিন্তু যখন বিএনপি মির্জা আব্বাসের স্ত্রী ১১ মামলার আসামি আফরোজা আব্বাস,ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর স্ত্রী ৬ মামলার আসামি রুমানা মাহমুদ কিংবা নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে বারবার কারা নির্যাতিত নারী নিপুণ রায়কে নমিনেশন দিবে;তখনই যাকাতের টাকা খাওয়া পেইড এক্টিভেস্টদের চুলকানি শুরু হয়ে যাবে।

বিএনপি যখন প্রয়াত তরিকুল ইসলামের স্ত্রী ২২ মামলার আসামি নার্গিস ইসলাম, আরেক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের স্ত্রী হাসনা মওদুদকে নমিনেশন দিবে,শাকিলা ফারজানাকে নমিনেশন দিবে।

তখনই এ-ই যাকাতের টাকা খাওয়া পেইড এক্টিভেস্টদের চুলকানি শুরু হয়ে যাবে,পরিবারতন্ত্রের বুলি দেখাবে; অথচ এদের পুরো দলটাই পরিবারতন্ত্রের মধ্যে টিকে আছে।

আফরোজা আব্বাস,নারগিস ইসলাম,রুমানা মাহমুদ,নিপুণ রায়রা গত ১৭ বছরের স্বৈরশাসনে মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছে,কারাবাস বরণ করেছে,রক্তক্ষয়ী হামলার শিকার হয়েছে।

আর এ-ই আমিনা শফিক,হাবিবা আক্তার সুইট,জাকিয়া ফারজানারা একটা মামলার আসামিতো দূরে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এদের একটা কথা বলারও মুরোদ হয় নাই।

বিএনপির নারী নেত্রীরা গত ১৭ বছরের স্বৈরশাসনে মৃত্যু উপত্যকায় দাঁড়িয়ে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে আর জামায়াতের নারী নেত্রী গত ১৭ বছর কোনো এক অদৃশ্য গর্তে লুকিয়ে ছিলো।

তারপরও বিএনপিরটা পরিবারতন্ত্র আর জামায়াতেরটা সাংগঠনিক ভিত্তি,এটাই যাকাতের টাকা খাওয়া পেইড এক্টিভেস্টদের এ-ই মুহুর্তের বাটপারি,ভাঁওতাবাজি।

মানে জামায়াত যা-ই করবে তা-ই হালাল আর একই কাজ বিএনপি করলেই সেটা খাড়াখাড়ি হারাম হয়ে যাবে, এটাই গত দেড় বছরে যাকাতের টাকা খাওয়া পেইড এক্টিভেস্টদের ন্যারেটিভ......

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka