আওয়ামীলীগ এর একটা অনলাইন মিটিং এ জয়েন হলাম।
ওরা কইতেছে "আল্লাহ ছাড় দেয়, ছেড়ে দেন না" 🙂
Muna Bhai
Personal and social Blog
18/11/2025
🤪🤪
18/11/2025
ঠিক আছে, আমিও ক্ষুব্ধ 😜
18/11/2025
18/11/2025
আমি কিছু দেখি নাই 🙈
27/10/2025
আমাদের ১৭,১৮,১৯ ইং অক্টোবর ২০২৫ইং #শাহ্পরীরদ্বীপএবং সেন্টমার্টিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প-২০২৫ এর আংশিক স্থির চিত্র
শেষে যে তিন শিক্ষার্থীদের দেখছেন তাদের প্রত্যেক এর রক্তের গ্রুপ ও-(নেগেটিভ)
সাথে ছিল আমাদের সবার প্রিয় Volunteer Bangladesh Trust ❤️❤️
25/10/2025
#আলহামদুলিল্লাহ্ ❤️
এবারের সেন্টমার্টিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প-২০২৫ এর সর্ব কনিষ্ঠ ভলান্টিয়ার আমার ছেলে মো: মাশরাফি মাহবীর সায়ান।
প্রথম বারের মত সে ভলান্টিয়ার এর কাজ করে খুব ই আগ্রহ আর উচ্ছাসের সহিত। তার জন্য এবারের ভ্রমন সবকিছুই প্রথমবারের মতন।
আমাদের সকলের প্রাণ-প্রিয় সংগঠন @ ভলানটিয়ার Bangladesh Trust এর উদ্যোগে প্রতি বছরে ন্যায় এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। যহেতু অফ সিজন বাজেট সীমিত। এই সীমিতর মাঝেই অনেক সুন্দর পরিপাটি হয়েছে যে আমার আশার সময় শাহপরীর দ্বীপে ও ব্লাড গ্রুপ ও মেডিকেল ক্যাম্প করি #আলহামদুলিল্লাহ ❤️
এই ছোট্ট পরিশরের লম্বা জার্নিতে আমার ছেলে একটু ক্লান্ত বা মেজাজ খিটখিটে হয় নি বরং সব চেয়ে এনার্জি তার ই ছিল সারাটা ভ্রমনজুরে। এ জন্য উপরওয়ালার দরবারে লাখোকোটি শুকরিয়া। সকলেই আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন; যাতে সে ভালো মানের এবং বড় মনের মানুষ হয় এবং সমাজের কল্যানে নিজেকো নিয়োজিত রাখতে পারে।
শুকরিয়া। 😎
23/10/2025
সেন্টমার্টিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিয়ে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ 💓
আমাদের Volunteer Bangladesh Trust এর উদ্যোগে প্রতি বারের ন্যায় এবার সুন্দর একটি ক্যাম্পেইন শেষ করলাম। তার জন্য আল্লাহ্র দরবারে লাখো কোটি শুকরিয়া জানাই.। 🤲
এবারের সেন্টমার্টিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প করাই সম্ভব হতো না যদি আমরা দ্বীপে প্রবেশের অনুমতি না পেতাম। ৯০ জনের বিশাল দল দিয়ে দ্বীপে প্রবেশের কঠিন চ্যালঞ্জকে অতিক্রম করার জন্য আন্তরিক সহযোগিতা করেছেন ভোক্তা অধিকার এসোসিয়েশন এর সভাপতি জনাব এএইচএম শফিকুজ্জামান। যিনি সদস্য সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব ও সাবেক ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছিলেন। তারপ্রতি আমাদের টিম কৃতজ্ঞ। স্যারের বরাতে আমরা শুধু অনুমতি পাইনি সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের আন্তরিক সহযোগিতাও পেয়েছি। কোস্টগার্ড, বিজিবি, পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন সার্বক্ষণিক আমাদের খোঁজ খবর নিয়েছেন। যদিও বিভিন্ন দপ্তরে এজন্য আমাদের নানাবিধ নথি ও স্বেচ্চাসেবকদের তালিকা দেখাতে জমা দিতে হয়েছে।
২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া সেন্টমার্টিন পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন প্রতিবছর সংযুক্ত থাকলেও এবার ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ছিল দুজন ডাক্তার দ্বীপবাসিকে স্বাস্থ্য পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি কিছু বিনামূল্যে ঔষধও দিয়েছেন। এই বিষয়গুলো সম্ভব হয়েছে কতিপয় ব্যক্তির আন্তরিক সহযোগিতায় তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।
তবে ৯০ জন স্বেচ্ছাসেবক যারা অংশ নিয়েছেন তাদেরকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কারণ তারা সহযোগিতা না করলে এটা সফল হতো না। প্রায় ১০টির বেশী সংগঠন থেকে তারা অংশ নিয়েছেন। এছাড়া পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী ও টি শার্ট দিয়ে যারা আমাদের পাশে ছিলেন তাদের প্রতিও শুভেচ্চা রইলো।
14/10/2025
#ইনশাহ্আল্লাহ্ ❤️
সেন্টমার্টিন ভ্রমণের প্রস্তুতি
১) ১৬ থেকে ১৮ আমরা ৪রাত ৩ দিনের জন্য ঢাকা চাড়বো এর মধ্যে ২ রাত গাড়িতে থাকবো। সেভাবে মানসিক প্রস্তৃতি নিবেন।
২) মনে রাখতে হবে, যেখানে যাচ্ছি- সেখানে অনেক কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবেনা। তাই- আবহাওয়া খারাপ হলে যাত্রা পরিবর্তন হতে পারে।
৩) আমরা সরকারী বিশেষ অনুমতি নিয়ে যাচ্ছি। যেখানে টেকনাফের লোকেরা বর্তমানে যেতে পারে না। তাই আমাদের সকল নিয়ম মেনে চলতে হবে।
8) সবাইকে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি সংগে রাখতে হবে। এছাড়া পেশাগত ও শিক্ষার্থী হলে ছবিযুক্ত আইডিকার্ড সাথে রাখতে পারেন।
5) ২ দিন কমপক্ষে ৩ ঘন্টা করে ময়লা পরিষ্কার করার মানসিকতা থাকতে হবে। নিজেরা যত প্লাস্টিক মোড়কীপণ্য ব্যবহার করবো যেমন পানির বোতল, চিপসের প্যাকেট, চায়ের কাপ এগুলো রাখার জন্য নিজের ব্যাগে জায়গা রাখতে হবে।
৬) আমরা ট্রলারে যাবো সেখানে লাইফ জ্যাকেট থাকবে। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে তাতে কোনো ঝুঁকি নেই। সারা বছর এমনকি বিগত ৩শ বছর ধরে স্থানীয় লোকেরা এভাবে যাতায়াত করে। কিন্তু রোদের প্রকোপ থেকে বাঁচতে ছাতা, গামছা, ক্যাপ, সান-ক্রিম, পাতলা জামা, নিজস্ব পানির বোতল ইত্যাদি সাথে রাখবেন।
৭) ৪ দিনের জন্য প্রয়োজনীয় জামাকাপড় নেবেন, সমুদ্রে নামা ও ঘোরার জন্য গরম উপযোগী কাপড় নিতে পারেন।
৮) খাবার স্যালাইন, প্যারাসিটামল, শরবত পাউডার এসব নিতে পারেন। তবে আশা করছি অনেকদিন যেহেতু ট্যুরিস্ট যাচ্ছে না, আমরা প্রথম বছর (২০১৭) এর মতো এবার ভাল ডাব পাবো।
৯) মোবাইল, ক্যামেরা, ল্যাপটপ ও পাওয়ার ব্যাংক থাকলে চার্জ দিয়ে নেবেন। নিজের খরচের জন্য বাড়তি টাকা নিবেন। কোনো কারণে আমরা পৌছানোর পর আবহাওয়া খারাপ হলে সেখানে ২/৪দিন থাকা লাগতে পারে তার একটা মানসিক প্রস্তুতি রাখবেন।
১১) ভ্রমনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু নিয়ম কানুন থাকবে যেমন- সময়মতো ঘুম থেকে উঠা, ডাইনিং রুমে হাজির হওয়া, মাঠে হাজির হওয়া। ইত্যাদি মেনে চলতে হবে। কমপক্ষে ২টি সেশন পাবেন নিজেদের ইচ্ছেমতা ঘোরাঘোরি করার জন্য।
১২) বাস যেখান থেকে ছাড়া হবে। সেখানে সময়মতো পৌছার জন্য রাস্তায় যতটা সময় দরকার। তারচেয়ে ১ ঘন্টা আগে বের হতে ভুলবেন না।
Volunteer Bangladesh Trust
এমএম সুমন হুসাইন মুনা @
12/10/2025
দক্ষিণ মেক্সিকোর পাহাড়ি গ্রামের ছোট এক কুঁড়েঘরে একা একাই ছিলেন ইনেস রামিরেজ পেরেজ। প্রসব বেদনায় কাতর হয়ে তিনি বুঝতে পারছিলেন, তার সন্তান পৃথিবীর মুখ দেখতে চলেছে শীঘ্রই।
ইনেস রামিরেজ পেরেজ হলেন চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে একমাত্র পরিচিত নারী, যিনি নিজের উপর সফলভাবে সিজারিয়ান সেকশন (Cesarean section) বা অস্ত্রোপচার করে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এটি একটি চরম বিরল এবং বিপজ্জনক ঘটনা।
তিন বছর আগেই তিনি এক মৃত কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। এবারের প্রসববেদনার সাথে সাথে পুরনো সেই ঘটনাও বার বার ফিরে আসছিল তার মনে।
সূর্য অস্ত গেছে অনেকক্ষণ আগে। কাছের ক্লিনিকটিও প্রায় ৫০ মাইল দূরে; কণ্টকাকীর্ণ পথ আর দুর্গম রাস্তার পেরিয়ে তবেই যেতে হবে। আগের ছয় সন্তান জন্মের সময় তার স্বামী পাশে থাকলেও সেদিন তিনি দূরে মদ্যপানে ব্যস্ত ছিলেন। যোগাযোগের জন্য কোনো ফোনও ছিল না।
রাত বারোটার দিকে, টানা বারো ঘণ্টার প্রসববেদনার পর, ৪০ বছর বয়সী এই নারী এক কাঠের বেঞ্চে বসলেন। কিছুটা সাহস পেতে তিনি নিজেই কয়েক ঢোক অ্যা ল কো হ ল গিললেন, তারপর হাতের কাছে থাকা ছয় ইঞ্চি লম্বা ছু রি তুলে নিলেন। এরপর তিনি নিজের পেটে ছু রি চালালেন।
একের পর এক ত্বক, চর্বি ও পেশি কাটতে কাটতে জরায়ু পর্যন্ত পৌঁছান ইনেস। তারপর নিজেই হাত ঢুকিয়ে টেনে বের করেন পুত্রসন্তানকে। শিশুর নাড়ি কে টে দেন একজোড়া কাঁচি দিয়ে; তারপর অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
ঘটনাটি ঘটে ২০০০ সালের ৫ মার্চ; ২৫ বছরের বেশি সময় আগের। ইনেস রামিরেজ এখন বিশ্বজুড়ে পরিচিত এক ‘আধুনিক বিস্ময়’ হিসেবে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে তাকেই একমাত্র নারী হিসেবে ধরা হয়, যিনি নিজ হাতে নিজের সফল সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।
নিজের কাঠের তৈরি ঘরের সামনে বসে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপে ইনেস বলেছিলেন, “আমি আর ব্যথা সহ্য করতে পারছিলাম না। ভেবেছিলাম, যদি আমার বাচ্চা মারা যায়, তাহলে আমিও মরব। কিন্তু যদি সে বাঁচে, তাহলে আমি ওর সঙ্গে থাকব, ওর বড় হওয়া দেখব। বিশ্বাস করেছিলাম, ঈশ্বর আমাদের দুজনকেই রক্ষা করবেন।”
যদিও তার ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষ সাক্ষী নেই, তবু প্রসবের ১২ ঘণ্টা পর তাকে পরীক্ষা করা দুজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ নিশ্চিতভাবে বলেছেন- ঘটনাটি সত্য। তার গ্রামেও কেউ এই কাহিনির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেনি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
1216
