রামিসা হত্যার বিচার ১ মাসের মধ্যেই চাই..
বাংলাদেশ
Video page
রাতের পরে দিন আসবে যতোদিন, ভালোবাসা বেচে থাকবে ততোদিন,সময় পরিবর্তন হবে তবে কিছু দিন বিলম্ব হতে পারে,
সত্য কথা প্রোচারে সর্বদাই প্রস্তুত।💐💐🌹💖
23/05/2026
হাসনাত,সারজিসরা গোপালগঞ্জ থেকে আর্মির ট্যাঙ্কে করে পালাইছে;আজ নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ঝিনাইদহ থেকে পুলিশের প্রিজন ভ্যান দিয়ে পালাইছে।
অথচ কথা ছিলো তারেক রহমানের মেরুদণ্ড ভাঙ্গা হবে,সালাউদ্দিন আহমদকে ঝুলানো হবে আর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাস্তায় পেটানো হবে।
আওয়ামী লীগ আমলে বিএনপির কোনো নেতা পুলিশ প্রোটেকশন নিতো না,মির্জা ফখরুল আমির খসরুরা চট্টগ্রামে রক্তাক্ত হওয়ার পরও নিজের হ্যাডামে চট্টগ্রাম ছেড়েছে;আর্মির ট্যাংক বা পুলিশের প্রিজন ভ্যানের উঠার দরকার হয় নাই।
যে-ই আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা না-ই সে-ই আন্দোলনের শেষ পরিণতি আর্মির ট্যাংঙ্ক বা পুলিশের প্রিজন ভ্যান করে পালানো;শেখ হাসিনা যেভাবে প্লেন দিয়ে পালাইছে।
হাসনাত সারজিস কিংবা নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীরা সিংহের মতো গর্জন দিলেও চোরের মতো কখনো আর্মির ট্যাংক আবার কখনো পুলিশের প্রিজন ভ্যান করে পালাতে হয়।
এ-ই হ্যাডাম দিয়ে ৫১% জনগণের সমর্থিত বিএনপি সরকারকে পতন করবেন।গলাবাজি,বাগাড়ম্বর বক্তব্য ছেড়ে জনগণের রাজনীতি করুন;জনগণই আপনাদের ক্ষমতায় আনবে।
অন্যথায় আর্মির ট্যাঙ্কে করেই পালাতে হবে....
লেখা Ahmed Imtiaj
01/05/2026
মহান মে দিবস সফল হোক 🫂
১৮৮৬ সালের ১ মে যুক্তরাষ্ট্রে দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর পুলিশের গুলিতে শ্রমিক নিহত হন.
শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের দিন এটি।
যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমরা পেয়েছি সমৃদ্ধশীল একটি দেশ।
কৃষক শ্রমিক বাঁচলে বাচবে দেশ ❤️
সবার আগে বাংলাদেশ 🇧🇩
#মহান #মে #দিবস #সফল #হোক🫂
গণধোলাই খোল দাতলা মোসাদ্দেক আর জুবায়ের
গুপ্ত বললে এতো গায়ে লাগে কেনো?
তাদের
16/04/2026
এই সাহসী লোকের পরিচয় জানতে চাই, ও ঠিকানা
16/04/2026
গতকাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের বক্তব্য নিয়ে জাশি ও এনসিপির কিছু নদান পোলাপান অতি উল্লাসী, তাদের উদ্দেশ্যে বলি আগে ইতিহাস জেনে তারপর কথা বল!
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে ১৯৭৩ সালের প্রথম সংসদ নির্বাচনে ন্যাপ (ভাসানী) "ধানের শীষ" প্রতীক ব্যবহার করেছিল।
১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে 'জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের’ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী অংশ ছিল ন্যাপ (ভাসানী)। তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান ছিলেন 'জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের’ মনোনীত প্রার্থী।
ছয় দলীয় জোট 'জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট'-এর প্রার্থী হিসেবে সেই নির্বাচনে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানও "ধানের শীষ" প্রতীক ব্যবহার করেন।
জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টে ছিল—জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল, মরহুম মশিউর রহমানের নেতৃত্বাধীন ন্যাপ (ভাসানী), ইউনাইটেড পিপলস পার্টি, শাহ আজিজুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ লেবার পার্টি এবং বাংলাদেশ তফসিলি ফেডারেশন।
মৃত্যুর আগে দল গঠন করা নিয়ে আলোচনা করেছিলো তখন মৌখিকভাবে প্রতীক টা দেয় আর তিনি মারা যাওয়ার পর হুজুরের স্ত্রী ও মশিউর রহমান যদু মিয়া প্রতিক তুলে দিছিলো ১৯৭৮ এ,
সেটাইকে ভাসানী তুলে দিছিলো বলে ব্যাবহার করা হয়!
বিঃদ্র:- জাশি-এনসিপির উচিত রাজনিতী ইতিহাস নিয়ে পড়াশুনা করা।খালি বিএনপি কে হুমকি-ধামকি দিলে হবে না।ইতিহাস ঘাটতে হবে,প্রচুর রাজনিতী বই পড়তে হবে।সব দলের সম্পর্কে জানতে হবে।হুদাই অপপ্রচার করে লাভ নাই!!
সংগীত
কিছু আবাল ইতিহাস না জেনে কথা বলে
31/03/2026
হান্নান সাহেব বারকাতুহু এর পাওনা।,
৭২ চায়না নতুন প্রজন্ম।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণসহ প্রবাসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন। এই দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি জাতির শ্রেষ্ঠ সূর্যসন্তানদের, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিতা মা, বোন ও স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সকলকে গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি এবং সকল শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।
আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির অগ্রগতি ও উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করতে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে।
আসুন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করি।
আমি মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করছি।
On the occasion of the great Independence and National Day, 26 March, I extend my heartfelt greetings and congratulations to the people of Bangladesh at all levels, as well as to all Bangladeshis living abroad.
March 26 is a glorious and historic day in our national life. On this day, I remember with profound respect the nation's finest sons, whose sacrifices enabled us to achieve an independent and sovereign Bangladesh. At the same time, I recall with deep gratitude the brave freedom fighters who took part in the Liberation War, the mothers, sisters who suffered oppression and all those who devoted themselves to the struggle for independence. I pray for the eternal peace of the departed souls of all the martyrs.
The Great Independence Day inspires us anew with the spirit of courage, sacrifice and patriotism. The fundamental goal of independence was to establish a Bangladesh that is free from discriminations, and to be democratic, peaceful and prosperous.
Keeping that goal before us, we must work together and continue to move the country forward.
To further accelerate the progress and development of our beloved motherland, we must uphold in our hearts the spirit of national unity, mutual tolerance and patriotism.
Let us draw inspiration from the significance of the Great Independence and National Day and dedicate ourselves, from our respective positions, to the welfare of the country. Together, let us work to build a developed, prosperous and dignified Bangladesh.
I wish every success to all programmes organised on the occasion of the Great Independence and National Day.
Click here to claim your Sponsored Listing.
