𝗥𝗔𝗜𝗡𝗕𝗢𝗪 𝗤𝗨𝗥𝗔'𝗡

𝗥𝗔𝗜𝗡𝗕𝗢𝗪 𝗤𝗨𝗥𝗔'𝗡

Share

We are trying to represent you the best Quran collection in BD and provide dedicated Quran related products, services and sunnah essentials inn sha Allåh.

Photos from 𝗥𝗔𝗜𝗡𝗕𝗢𝗪 𝗤𝗨𝗥𝗔'𝗡's post 12/08/2022
30/11/2021

রাসূল_ﷺ_যা_বলেন

আবদুল্লাহ ইবনু উমার থেকে বর্ণিত, নবি ﷺ বলেন,

“(অপরের কোনও কিছুর জন্য) ঈর্ষা করা যাবে না, তবে দুটি বিষয় এর ব্যতিক্রম :

(১) কোনও ব্যক্তিকে আল্লাহ কুরআন(-এর জ্ঞান) দিয়েছেন আর সে তা দিনরাত অনুসরণ করে, এবং

(২) কোনও ব্যক্তিকে আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন আর সে তা দিনরাত (ভালো কাজে) খরচ করে।”

15/11/2021

- দ্বীনের উপর অটল থাকার দোয়া

শাহর বিন হাওশাব (রাঃ) উম্মু সালামা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘নবী (ﷺ) তার কাছে অবস্থান করার সময় কোন দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন?' তিনি বলেন, তিনি যে দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন তা হলো -

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ

ইয়া- মুকাল্লিবাল ক্কুলূবি সাব্‌বিত ক্কাল্‌বী ‘আলা- দীনিক্‌

হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর অটল রাখো।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আপনি এ দোয়াটি অধিক পরিমাণে পড়েন কেন?” নবী (ﷺ) বলেন, “হে উম্মু সালামা (রাঃ)! এমন কোনও আদম (আঃ)-সন্তান নেই, যার ক্বলব আল্লাহ্‌র দু আঙুলের মাঝখানে নেই; তিনি যাকে চান সোজা রাখেন, আর যাকে চান বাঁকা করে দেন।”

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫২২

13/11/2021

আল্লাহ তা’আলা যেভাবে আমাদের দোয়া করার জন্য আদব শিখিয়েছেন।

কুরআনে উদ্ধৃত দোয়াসমূহে এটি সুস্পষ্ট যে দোয়া বা প্রার্থনা যা আমরা নিত্য ও নিয়মিত একা বা সম্মিলিতভাবে করি সেটা কেবলই কয়েকটি আবেদন নয় বা আরবী উর্দু ফার্সী ভাষার কতগুলো শ্লোক নয় বরং আল্লাহর সমীপে বান্দার সমর্পণ এবং সে হিসাবে দোয়া সর্বোচ্চ মানের ইবাদাত বা হাদীসের ভাষায় ‘ইবাদাতের মগজ”।

নোমান ইবনে বশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ إِنَّ الدُّعَاءَ هُوَ الْعِبَادَةُ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَرَأَ ‏(وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ)‏
দোয়াই হলো ইবাদত। অতঃপর তিলাওয়াত করেন (অনুবাদঃ) ‘‘এবং তোমার প্রভু বলেছেন, তোমরা আমাকে ডাকো আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো’’ (সূরা মুমিন,আয়াত ৬০)
(তিরমিযী ২৯৬৯, ৩২৪৭, ৩৩৭২, আবূ দাউদ ১৪৭৯, ১৭৮৮৮, ১৭৯১৯, ১৭৯৬৪, আল-আহকাম ১৯৪, রাওদুন নাদীর ৮৮৮, মিশকাত ২৩৩০, সহীহ আবু দাউদ ১৩২৯। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ
‎لَيْسَ شَىْءٌ أَكْرَمَ عَلَى اللَّهِ سُبْحَانَهُ مِنَ الدُّعَاءِ
মহান আল্লাহর নিকট দোয়ার চেয়ে অধিক সম্মানিত কোন জিনিস নাই।
(ইবনু মাযাহ,তওহীদ পাবলিকেশন ৩৮২৯)

সুতরাং দোয়া হবে ইবাদাতের নিয়তে,ইবাদাতের স্পিরিটে। যে সকল শর্ত ইবাদাত অর্থে সালাতের জন্য প্রজোয্য দোয়ার ক্ষেত্রেও তেমনটি হবে। দেয়া কবুল ও মন্জুরের জন্য সালাফগণ যেসব আদবের কথা বলেছেন তার কয়েকটি নিন্মে বর্ণিত হল।

১.দোয়ার পূর্বে অযু করে নিতে হবে।

আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার পানি আনিয়ে অযূ করলেন। তারপর উভয় হাত তুলে দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি ‘উবায়দ আবূ ‘আমরকে মাফ করে দিন। আমি তখন তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখলাম। আরও দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি তাকে কিয়ামতের দিন আপনার সৃষ্ট অধিকাংশ অনেক লোকের উপর স্থান দান করুন।(বুখারী, আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২৮)

২.সালাতের ন্যায় কেবলামুখী হওয়া

আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইস্তিস্কার (বৃষ্টির) সালাতের জন্য ঈদগাহে গমন করলেন এবং বৃষ্টির জন্য দু‘আ করলেন। অতঃপর কিবলার দিকে মুখ করে নিজের চাদরখানা উল্টিয়ে গায়ে দিলেন। ( বুখারী আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯০)

৩.হাত তুলে দোয়া করা

ইবনু ‘আব্বাস রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, তুমি উভয় হাতকে তোমার কাঁধ বরাবর বা অনুরূপ উঁচু করে দু‘আ করবে এবং ইস্তিগফারের সময় এক আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করবে এবং দু‘আতে কাকুতি মিনতির সময় দু’ হাত প্রসারিত করবে।(আবু দাউদ,তাহকীককৃত,১৪৮৯)

৪.উত্তম আমলের উসিলা দিয়ে দোয়া করবে

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের আগের যুগের লোকদের মধ্যে তিনজন লোক ছিল। তাঁরা পথ চলছিল। হঠাৎ তাদের বৃষ্টি পেয়ে গেল। তখন তারা এক গুহায় আশ্রয় নিল। অমনি তাদের গুহার মুখ বন্ধ হয়ে গেল। তাদের একজন অন্যদেরকে বললেন, বন্ধুগণ আল্লাহর কসম! এখন সত্য ব্যতীত কিছুই তোমাদেরকে রেহাই করতে পারবে না। কাজেই, এখন তোমাদের প্রত্যেকের সেই জিনিসের উসিলায় দু’আ করা দরকার, যে সম্পর্কে জানা রয়েছে যে, এ কাজটিতে সে সত্যতা আছে।

তখন তাদের একজন দু’আ করলেন- হে আল্লাহ! আপনি জানেন যে, আমার একজন মজদুর ছিল। সে এক ফারাক১ চাউলের বিনিময়ে আমার কাজ করে দিয়েছিল। পরে সে মজুরী না নিয়েই চলে গিয়েছিল। আমি তার এ মজুরী দিয়ে কিছু একটা করার ইচ্ছা করলাম এবং কৃষি কাজে লাগালাম। এতে যা উৎপাদন হল, তার বিনিময়ে আমি একটি গাভী কিনলাম। সেই মজদুর আমার নিকট এসে তার মজুরী দাবী করল। আমি তাকে বললাম, এ গাভীটির দিকে তাকাও এবং তা হাঁকিয়ে নিয়ে যাও। সে জবাব দিল, আমার আপনার নিকট মাত্র এক ‘ফারাক’ চালই পাওনা। আমি তাকে বললাম গাভিটি নিয়ে যাও। কেননা সেই এক ‘ফারাক’ দ্বারা যা উৎপাদিত হয়েছে, তারই বিনিময়ে এটি কেনা হয়েছে। তখন সে গাভীটি হাঁকিয়ে নিয়ে গেল। আপনি জানেন যে, তা আমি একমাত্র আপনার ভয়েই করেছি। তাহলে আমাদের হতে সরিয়ে দিন। তখন তাদের নিকট হতে পাথরটি কিছুটা সরে গেল।

তাদের আরেকজন দু’আ করল, হে আল্লাহ্! আপনি জানেন যে, আমার মা-বাপ খুব বৃদ্ধ ছিলেন। আমি প্রতি রাতে তাঁদের জন্য আমার বকরীর দুধ নিয়ে তাঁদের নিকট যেতাম। এক রাতে তাদের নিকট যেতে আমি দেরী করে ফেললাম। অতঃপর এমন সময় গেলাম, যখন তাঁরা দু’জনে ঘুমিয়ে পড়েছেন। এদিকে আমার পরিবার পরিজন ক্ষুধার কারণে চিৎকার করছিল। আমার মাতা-পিতাকে দুধ পান না করান পর্যন্ত ক্ষুধায় কাতর আমার সন্তানদেরকে দুধ পান করাইনি। কেননা, তাদেরকে ঘুম হতে জাগানটি আমি পছন্দ করিনি। অপরদিকে তাদেরকে বাদ দিতেও ভাল লাগেনি। কারণ, এ দুধটুকু পান না করলে তাঁরা উভয়েই দুর্বল হয়ে যাবেন। তাই আমি ভোর হয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলাম। আপনি জানেন যে, এ কাজ আমি করেছি, একমাত্র আপনার ভয়ে, তাই আমাদের হতে সরিয়ে দিন। অতঃপর পাথরটি তাদের হতে আরেকটু সরে গেল। এমনকি তারা আসমান দেখতে পেল।

অপর ব্যক্তি দু’আ করল, হে আল্লাহ্! আপনি জানেন যে, আমার একটি চাচাত বোন ছিল। সবেচেয়ে সে আমার নিকট অধিক প্রিয় ছিল। আমি তার সঙ্গে বাসনা করছিলাম। কিন্তু সে একশ’ দ্বীনার প্রদান ছাড়া ঐ কাজে রাযী হতে চাইল না। আমি স্বর্ণ মুদ্রা অর্জনের চেষ্টা আরম্ভ করলাম এবং তা অর্জনে সমর্থও হলাম। অতঃপর কথিত মুদ্রাসহ তার নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে তা অর্পণ করলাম। সেও তার দেহ আমার জন্য অর্পণ করলো। আমি যখন তার দুই পায়ের মাঝে বসে পড়লাম তখন সে বলল, আল্লাহকে ভয় কর, অন্যায় ও অবৈধভাবে পবিত্র ও রক্ষিত আবরুকে বিনষ্ট করো না। আমি তৎক্ষণাৎ সরে পড়লাম ও স্বর্ণমুদ্রা ছেড়ে আসলাম। হে আল্লাহ্! আপনি জানেন যে, আমি প্রকৃতই আপনার ভয়ে তা করেছিলাম। তাই আমাদের রাস্তা প্রশস্ত করে দিন। আল্লাহ্ সংকট দূরীভূত করলেন। তারা বের হয়ে আসল। ( সহীহ বুখারী,আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২১৬)

৫.বিশুদ্ধ নিয়তে আখিরাতের কল্যাণে দোয়া করবে

যে কোন আমল মকবুলিয়তের জন্য দুটি শর্ত অত্যাবশ্যক।একটি নিয়তের বিশুদ্ধতা ও অন্যটি রাসুলের সা. তরীকা। একটি অপরটির পরিপূরক। নিয়ত ঠিক হলেও কেবলমাত্র রাসুলের অনুসৃত পন্থায় না হলে কিংবা রাসুলের সা. তরীকামতে হল কিন্ত নিয়তে সমস্যা- আমল ব্যর্থ হবে। ঈমাম বুখারী রহ.সেকারণে তার হাদীস সংকলনে প্রথম হাদীসটিই নিয়ত পরিশুদ্ধতার উপর লিখেন।

৬.দোয়া শুরু করার পূর্বে আল্লাহর প্রসংশা ও রাসুলের সা. উপর দরুদ পড়ুন

ফাদালা ইবন উবায়েদ (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এর সাবাহী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুনতে পান যে, জনৈক ব্যক্তি আল্লাহ্‌র শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা ও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর দরূদ পাঠ ব্যতিরেকে দুআ করতে শুরু করে। তিনি বলেনঃ সে তাড়াহুড়া করেছে। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি ঐ ব্যক্তিকে বা অন্য কাউকে ডেকে বলেনঃ যখন তোমাদের কেউ নামায আদায় করবে, তখন সে যেন সর্বপ্রথম আল্লাহ্‌র প্রশংসা ও নবীর উপর দরূদ পাঠ করে। ( আবু দাউদ,তাহকীক ১৪৮১)

৭.সন্দেহমুক্ত হয়ে দোয়া করা

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কখনো এ কথা বলবে না যে, হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে দয়া করুন। বরং দৃঢ় আশা নিয়ে দু‘আ করবে। কারণ আল্লাহকে বাধ্য করার কেউ নেই। ( বুখারী তওহীদ পাব. ৬৩৩৯ মুসলিম ৪৮/৩, হাঃ ২৬৭৯, আহমাদ ৯৯৭৫)

৮.খালিস দিলে তওবা করে দোয়ায় অগ্রসর হওয়া

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি, এক বান্দা গুনাহ্ করল। তারপর সে বলল, হে আমার রবব! আমি তো গুনাহ্ করে ফেলেছি। তাই আমার গুনাহ্ ক্ষমা করে দাও। তার প্রতিপালক বললেনঃ আমার বান্দা কি একথা জেনেছে যে, তার রয়েছে একজন রবব যিনি গুনাহ্ ক্ষমা করেন এবং এর কারণে শাস্তিও দেন। আমার বান্দাকে আমি মাফ করে দিলাম। তারপর সে আল্লাহর ইচ্ছে অনুযায়ী কিছুকাল অবস্থান করল এবং সে আবার গুনাহতে জড়িয়ে গেল। বান্দা আবার বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমি তো আবার গুনাহ্ করে বসেছি। আমার এ গুনাহ্ তুমি মাফ করে দাও।

তখন আল্লাহ্ বললেনঃ আমার বান্দা কি জেনেছে যে, তার আছে একজন রবব যিনি গুনাহ্ ক্ষমা করেন এবং এর কারণে শাস্তিও দেন। এরপর সে বান্দা আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী কিছুকাল সে অবস্থায় থাকল। আবারও সে গুনাহতে জড়িয়ে গেল। সে বলল, হে আমার রবব! আমি তো আরো একটি গুনাহ্ করে ফেলেছি। আমার এ গুনাহ্ মাফ করে দাও। তখন আল্লাহ্ বললেনঃ আমার বান্দা কি জেনেছে যে, তার একজন রবব আছেন, যিনি গুনাহ্ মাফ করেন এবং এর কারণে শাস্তিও দেন। আমি আমার এ বান্দাকে মাফ করে দিলাম। এরকম তিনবার বললেন। ( সহীহ বুখারী আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৮)

৯.আল্লাহ পাকের সুন্দর সুন্দর নাম মোবারক বলে দোয়া করা

আল্লাহ তা’আলা বলেন,
‎وَلِلَّهِ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ فَادْعُوهُ بِهَا ۖ وَذَرُوا الَّذِينَ يُلْحِدُونَ فِي أَسْمَائِهِ ۚ سَيُجْزَوْنَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ
আর আল্লাহর জন্য রয়েছে সব উত্তম নাম। কাজেই সে নাম ধরেই তাঁকে ডাক। আর তাদেরকে বর্জন কর, যারা তাঁর নামের ব্যাপারে বাঁকা পথে চলে। তারা নিজেদের কৃতকর্মের ফল শীঘ্রই পাবে।
(সূরা আরাফ,আয়াত ১৮০)

১০.দোয়া করার পূর্বে তাহাজ্জুদ বা কয়েক রাকাআত নফল সালাত আদায় করুন

আলী (রাঃ) বলেন, আবু বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ) আমার নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করেন এবং হল্‌ফ ছাড়াই আমি তাঁর বর্ণিত হাদীস সত্য বলে গ্রহণ করি। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যদি কেউ গোনাহে লিপ্ত হাওয়ার পর উত্তমরূপে উযূ করে নামাযে দণ্ডায়মান হয়ে দুই রাকাত নামায আদায় করে, অতঃপর ইস্তিগ্‌ফার করে, আল্লাহ তাআলা তার ঐ গোনাহ মর্জনা করেন। অতঃপর আবু বাক্‌র (রাঃ) কুরআনের এই আয়াত তিলাওয়াত করেনঃ

‎وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَن يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا اللَّهُ
তারা কখনও কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা কোন মন্দ কাজে জড়িত হয়ে নিজের উপর জুলুম করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন? (সূরা আলে ইমরান,আয়াত ১৩৫)( আবু দাউদ,তাহকীক ১৫২১)

আশা করি,এই আদবসমূহ রক্ষা করে দোয়া করতে পারলে আমাদের দোয়া সার্থক হবে,মনে প্রশান্তি আসবে এবং আল্লাহ তা’আলা বান্দাকে দোয়া মন্জুরের যে ওয়াদা দিয়েছেন “ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব” তা ইনশাআল্লাহ পূর্ণ হবে।

Photos from 𝗥𝗔𝗜𝗡𝗕𝗢𝗪 𝗤𝗨𝗥𝗔'𝗡's post 13/11/2021

Pʀᴏ Max Eᴅɪᴛɪᴏɴ QURAN

সহজ কোরআন "৩০ পারা"
আটটি চোখ জুড়ানো রঙে প্রকাশিত হলো সহজ কোরআন
"কালো, নীল, লাল, গোলাপি, সাদা, পেস্ট, রোজ গোল্ড ও ক্বাবা ডিজাইন"

🔹প্রকাশনী : ওয়ান পাবলিকেশন
🔹বিষয়:
★৭ রঙের তাজওয়ীদ কালার কোডেড
★উচ্চারণ ও অনুবাদ
★বিষয় ভিত্তিক আয়াত আলাদাভাবে চিহ্নিত করা
★ওয়াক্বফ ও ইবতিদা চিহ্নিত করা (যাদের দম ছোট তাদের জন্য কোথায় থামতে হবে "ওয়াক্বফ" ও আবার কোন যায়গা থেকে শুরু করতে হবে "ইবতিদাহ")
🔹অনুবাদক: অধ্যাপক মুহাম্মাদ মোজাম্মেল হক
🔹সার্বিক তত্ত্বাবধান: শায়েখ মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দিন খাকী, মুহাম্মাদ ইবরাহীম ইবনে আদম
🔹পেপার: ১০০ জি-এস-এম গ্লোসি আর্ট পেপার
🔹আরবী ফন্ট: কলিকাতা বড় বড় অক্ষরে ছাপানো, যাতে সব বয়সের পাঠকদের পড়তে সুবিধা হয়
🔹বাইন্ডিং: ৩৫০ জি-এস-এম আর্টকার্ডে ফোল্ডেড ও এম্বুস করা কভার
🔹সাইজ: ১১ X ৮.৫ ইঞ্ছি
🔹ওজন: ৩ কেজি (প্রায়)
🔹হোম ডেলিভারি: (ঢাকার মধ্যে ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা রয়েছে)
🔹কুরিয়ার: (নিকটস্থ কুরিয়ার থেকে সংগ্রহ করতে হবে, সেক্ষেত্রে হাদিয়া অগ্রিম পরিশোধ যোগ্য)

অর্ডার করতে এখনি কল করুন @ ০১৩ ১২৩৬ ২৫৫৫
অথবা ইনবক্সে মেসেজ দিন

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address

Lakecity Concord
Dhaka
1229