22/05/2026
------অধরা পূর্ণিমা-----
তুমি বাসোনি ভালো বলে, কেউ বাসেনি আর,
ঘৃণার চাদর জড়িয়ে দিয়েছ মোরে হৃদয়ের অন্তরাল।
তুমি চাওনি বলে, কেউ চায়নি আমায়,
বারবার করেছ প্রত্যাখ্যান, একি বুঝি নিয়ম তোমার?
আমায় চাহিলে কি হতো সখা?
কষ্ট পেতে বুঝি জনম ভর?
নাকি যোগ্য নই বলে এমন করেছ নিঠুর প্রত্যাখ্যান?
তোমার যোগ্য কে হবে সখী?
কার আছেই বা এত জৌলুস?
তুমি তো পূর্ণিমা, কার আছে সাধ্য তারে ছোঁয়ার!
বাসিতাম না ভালো, রাখিতাম না প্রেম,
যদি প্রথমেই দিতে মোরে তাড়িয়ে।
কাছে টেনে তবে দূরে সরিলে কেন,
কেন করিলে এমন প্রত্যাখ্যান?
জানিবে না কখনো কি চলিছে এ হৃদয়ে,
শুনবে কি কভু মোর দহনের কথা?
তোমার কাছে বার্তা পাঠাব—
বন্ধ করে দিয়েছ সব মাধ্যম।
ভালোবাসবে না জানি,
তাই বলে কি দেখা দেবে না একবার?
দূর থেকে না হয় পর্দার আড়ালে,
একবার দেখিতাম তোমায়—
সে পথও তো রেখেছ বন্ধ করে।
এই ধরায় বুঝি আমিই পাপী?
আমিই গুনাহগার?
কী বলিব সখা!
আর কতকাল বহিয়া বেড়াব এ নিদারুণ যন্ত্রণা,
বুঝিবে না কভু ভগ্ন হৃদয়ের যন্ত্রণা,
বাসোনি তো কভু ভালো, পড়োনি তো প্রেমে,
হৃদয় বুঝিতে তুমি—যদি ভালো বাসিতে।
🔏 তাসলে জালি ইয়াহিয়া।
17/05/2026
আল্লাহ আসমানসমূহ ও জমিনের আলো। তাঁর আলোর উদাহরণ এমন—যেন একটি কুঠুরি, তার মধ্যে একটি প্রদীপ; প্রদীপটি একটি কাঁচের ভিতরে; কাঁচটি যেন উজ্জ্বল নক্ষত্র। তা প্রজ্বলিত হয় এক বরকতময় জলপাই গাছের তেল থেকে, যা না পূর্বের না পশ্চিমের। তার তেল এমন উজ্জ্বল যে আগুন না লাগলেও যেন জ্বলে ওঠে। (এটি) আলো উপর আলো। আল্লাহ যাকে চান তাঁর আলোর পথে হিদায়াত দেন। আল্লাহ মানুষের জন্য দৃষ্টান্ত দেন এবং আল্লাহ সব বিষয়ে সর্বজ্ঞ।
15/05/2026
"تہِ بحرِ ظلمات میں دوڑا دیے گھوڑے ہم نے
صحراء تو صحراء ہیں، دریا بھی نہ چھوڑے ہم نے"
কনস্টান্টিনোপল অবরোধের সময় উসমানী সেনাপতি বালতোগলু সুলাইমানের নেতৃত্বে সেই বিখ্যাত নৌযুদ্ধ, যেখানে উসমানী নৌবহরকে নির্দেশনা দিতে দিতে সুলতান মেহমেদ তার ঘোড়া ছুটিয়ে দিয়েছিলেন দরিয়া অভিমুখে। ১৪৫৩ সনের ২০ এপ্রিলের সেই ঐতিহাসিক নৌযুদ্ধ....
15/05/2026
হে ঈমানদারগণ! তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। কেউ শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করলে সে তাকে নির্লজ্জতা ও অপকর্মের আদেশ দেবে, তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকলে তোমাদের একজনও কক্ষনো পবিত্রতা লাভ করতে পারতো না। অবশ্য যাকে ইচ্ছে আল্লাহ পবিত্র করে থাকেন, আল্লাহ সবকিছু শোনেন, সর্ববিষয়ে অবগত।
- সূরা আন নূর - ২১
14/05/2026
কেন ত্রিপুরা আসাম কলকাতা সব হবে না এ বাংলার?
12/05/2026
আল-জ্বিন-এর ১৩ থেকে ১৫
আয়াত ১৩:
"অতঃপর আমরা যখন সেই সত্যপথের দিশা (আল-কুরআন) শ্রবণ করলাম, তাতে আমরা অকুণ্ঠ চিত্তে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। বস্তুত যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার প্রতি ঈমান আনে, তার না থাকে কোনো প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা, আর না থাকে কোনো জুলুমের ভয়।"
আয়াত ১৪:
"আমাদের মাঝে একদল যেমন আল্লাহর অনুগত ও সমর্পিত, তেমনি অন্যদল সত্যবিচ্যুত ও সীমা লঙ্ঘনকারী। যারা সত্যের পথে আত্মসমর্পণ করেছে, তারা আসলে নিজেদের জন্য কল্যাণের ও সঠিক পথের সন্ধান পেয়েছে।"
আয়াত ১৫:
"পক্ষান্তরে, যারা সত্যবিমুখ ও বিপথগামী, তারা তো হবে জাহান্নামের দাউ দাউ করে জ্বলা আগুনের জ্বালানি।"
11/05/2026
قُلۡ اُوۡحِیَ اِلَیَّ اَنَّہُ اسۡتَمَعَ نَفَرٌ مِّنَ الۡجِنِّ فَقَالُوۡۤا اِنَّا سَمِعۡنَا قُرۡاٰنًا عَجَبًا ۙ
(হে রাসূল!) বলে দাও, আমার কাছে ওহী এসেছে যে, জিনদের একটি দল মনোযোগ সহকারে (কুরআন) শুনেছে অতঃপর (নিজ সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে) বলেছে, আমরা এক বিস্ময়কর কুরআন শুনেছি।
Say, “It has been revealed to me that a group from Jinn has listened (to the Qur’ān), and said (to their people), ‘Indeed we have heard an amazing Recital (Qur’ān)
শানে নুজুলঃ
শানেনুযূল: রাসূলুল্লাহ ﷺ মক্কার কাফেরদেরকে কয়েক বছর পর্যন্ত যতই বুঝালেন মাত্র কয়েকজন ব্যতীত তারা ঈমান আনল না । এজন্য রাসূলুল্লাহ ﷺ মক্কার বাইরে তায়েফ গমন করে তথাকার লোকদের বুঝাতে যাওয়ায় ও অকৃতকার্য হয়ে ফিরবার পথে বর্তনে নাখলা নামক স্থানে ফজরের নামাযে কোরআন পাঠ করছিলেন । নাসীবাইন এর নয়জন জ্বীন তাদের আসমানে আরোহণের পথ বন্ধ হওয়ার কারণে খোঁজে এসে কোরআন শুনে বুঝতে পারল । ফলে তারা ঈমান আনল এবং স্বীয় সম্প্রদায়কে হেদায়েত করল । (তাফঃ হক্কানী)
—আল জ্বিন - ১
11/05/2026
বর্ণনাকারী: ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘আমর (রাঃ)
জনৈক ব্যক্তি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করল, ইসলামে কোন্ জিনিসটি উত্তম? তিনি বললেন, তুমি খাদ্য খাওয়াবে ও চেনা অচেনা সকলকে সালাম দিবে।
(২৮, ৬২৩৬; মুসলিম ১/১৪ হাঃ ৪২, আহমাদ ৬৭৬৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১১)
রেফারেন্স:
হাদিস নং 12
সহিহ বুখারী