Out Of Box

Out Of Box

Share

Right Time Right Product Delivering to you.

28/02/2025
04/12/2024

গোপন কিছু!

07/06/2024

টাকা উড়ানো সহজ উপার্জন নয়! শিল্পপতি লোহানী সাহেবের ছেলের বাস্তব জীবনের গল্প!

ঘটনাটি ১৯৯৭ সনের, আমি আমার শিল্পপতি বাবা লোহানী সাহেবের একমাত্র ছেলে রবিন চৌধুরী। তখন আমি এ লেভেলের ছাত্র। একে তো শিল্পপতির ছেলে তার উপর ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াশুনা করি ভাবই আলাদা। ফ্রেন্ডস নিয়ে ক্লাবে ক্লাবে পার্টি, ট্যুর, নতুন নতুন ড্রিংকস করা, সব কিছু মিলিয়ে অন্য রকম একটা মাস্তির লাইফ কাটছিল।

বন্ধুদের মধ্যে আমার লিডার লিডার একটা ভাবছিলো। তার কারন আমি সবচেয়ে বেশি খরচ করতাম। একদিন প্লান করলাম বন্ধুরা মিলে

থাইল্যান্ড যাব ট্যুরে। আর আমার এইবারের বার্থডে সেখানেই সেলিব্রেট করবো। এর মধ্যে আমার দুই বন্ধু একটু গরীব তাদের খরচ আমাকে বহন করতে হবে।

আজ বাবা বাসায় ড্রয়িং রুমে বসে কফি খাচ্ছে। বাবার সামনে যেতেই আমি কিছু বলার আগে বাবা বললো এমাউন্ট কতো?? না মানে বাবা সামনে আমার জন্মদিনতো তাই মানে এই আর কি। বাবা উচ্চ স্বরে রেগে গিয়ে বললো আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি এমাউন্ট কত?? ২ লক্ষ বাবা। হুম!!!

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান তুমি। জন্ম নিয়ে এই জাতিকে কৃতার্থ করেছ, তোমার জন্মদিনে মাত্র ২ লক্ষ টাকা খরচ হবে কম হয়ে গেলনা??? এর মধ্যে মা চলে আসছে। কি হয়েছে?? আমাদের একমাত্র ছেলে এই সম্পদ সব কিছুইতো একদিন ওর হবে। দিয়ে দাও, ওর মনে কষ্ট দিওনা।আমি যদি আমার ছেলেকে একটা উড়ন্ত বিমানের পাইলটের সিটে বসিয়ে তোমার ছেলের উপর প্লেনের দ্বায়িত্ব দিয়ে নেমে পরি। তখন কেমন হবে তুমিই বল?

শোন রবিনের মা এই সম্পদ একদিনে আসেনি। এর দ্বায়িত্ব নিতেও নিজেকে যোগ্য করে তুলতে হয়। ঠিক আছে আমি তোমার ছেলেকে ২ লক্ষ টাকা দিব যদি সে আগামীকাল আমাকে পরিশ্রম করে ২০০ টাকা উপার্জন করে এনে দিতে পারে। সারা রাত নাক ডেকে ঘুমিয়েছি মাত্র ২০০ টাকা লুল, বাবা আগামী কালই দেখতে পারবে আমি তার সম্পদের দায়িত্ব নেয়ার মতো যোগ্য হয়েছি।

পরের দিন সকাল ৭ টায় বাবা আমাকে ডেকে ঘুম থেকে উঠিয়ে দিল। কি যে বিরক্ত লাগছিল মাত্র ২০০ টাকার জন্য এতো সকালে ঘুম থেকে উঠতে হবে?? রেডি হয়ে একে বারে ফুল বাবু সেজে ২০০ টাকা উপার্জন করতে বের হয়েছি। পকেটে এক টাকাও নাই সাথে বাবা একজন স্পাইও দিয়েছে।

ঘর থেকে বের হওয়ার পর এখন মনে হচ্ছে আমি একটা সমুদ্রের মাঝে পরে গেলাম। বিনা পুঁজিতে টাকা কোথায় পাই। কার কাছে থেকে ধার করতে পারছি না, কারো সাহায্য নিতে পারছিনা। ভিক্ষাও করতে পারবো না। ভাবতে ভাবতে দুপুর হয়ে গেল। অবশেষে একটা রিক্সার গ্যারেজে গেলাম, মনে মনে ভয়ও পাচ্ছিলাম অনেক মানুষ আছে রিক্সাওলার গায়ে হাত তুলে যদি আমাকে কেউ রিক্সাওয়ালা ভেবে মারে??

তখনি বিবেক আমাকে বুঝিয়ে দিল রিক্সাওয়ালাও আমারি মতো মানুষ। তাদের গায়ে হাত তুলা অন্যায়। রিক্সার গ্যারেজে গেলাম কিন্তু অপরিচিত মানুষকে তারা রিক্সা দিবেনা। হঠাৎ মাথায় বুদ্ধি এলো রিক্সা না পেয়েছিতো কি হয়েছে রিক্সা ঠেলতেতো পারবো। আমি আমার বাবার ছেলে এতো সহজে হার মানবোনা। তখন উচুঁ উচুঁ ব্রিজগুলোকে পেছন থেকে একজনকে রিক্সাওলার সাথে ঠেলে উঠিয়ে দিতো হতো। বিনিময়ে যাত্রীরা ১ টাকা করে দিতো।

জীবনে কোন কাজ করিনি, এক গ্লাস পানিও নিজে ঢেলে খাইনি। আর আজ তপ্ত রোদে রিক্সা ঠেলেছি, এই ভাবে ১ ঘন্টায় ১০ টা রিক্সা ঠেলে ১০ টাকা উপার্জন করেছি, ১১ নাম্বার রিক্সা ঠেলতে গিয়ে পরে হাঁটু ছিলে গেল। আবার উঠে দাড়ালাম। যখন যাত্রী আমার হাতে ১ টাকার একটা কয়েন দিচ্ছিল তখন চোখ দিয়ে কেন যেন কান্না চলে আসলো। ঘন্টা খানেক পর হাঠুর ব্যথা আরো তিব্র হতে লাগলো।

সন্ধ্যা পর্যন্ত গুনে দেখি মাত্র ৪০ টাকা হয়েছে। আর পারছি না। প্রচন্ড ক্লান্ত হয়ে মনে হচ্ছে শরীরও যেন নিজের সাথে প্রতারণা করছে, আমার সঙ্গ ছেড়ে দিচ্ছে। অবশেষে ৪০ টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেলাম। বাবার সামনে গিয়ে দাড়ালাম ৪০ টাকা বাবার হাতে দিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললাম, আমি পারিনি বাবা। ভেবেছিলাম আমার বিধ্বস্ত ক্লান্ত চেহারা, হাঠুর কাছে ছেঁড়া পেন্ট দেখে বাবাও হয়তো কেঁদে দিবে। হয়তো আমার মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিবে।

না সে এগুলো কিছুই করেনি। বরং আমাকে বললো এখন আমার সাথে ধানমন্ডি থেকে হেঁটে বুড়িগঙ্গা সেতুর কাছে যাবে, কোন প্রশ্ন না।

আমি অবাক হলাম। এখন মনে হচ্ছে তিনি সত্যিই একজন ব্যবসায়ী। এরপরেও প্রশ্ন করলাম বাবা হেঁটে কেন। তিনি বললেন বাবা আমিতো আজকের এই পজিশনে এই ভাবে একটু একটু করেই এগিয়ে এসেছি। গাড়ি বা বিমানের গতিতে আসিনি। তুমিতো মাত্র একদিন কষ্ট করছো। একটু ধৈর্য ধর।

বাবাকে কি করে বুঝাই আমার ক্লান্তির কথা। এর চাইতে মৃত্যু যন্ত্রণা অধিক শ্রেয়। বাবা আমার হাত ধরে হাটতে হাটতে রাত তিনটায় আমরা ব্রিজ উঠলাম। শান্ত নদী ব্রিজে আমি আর বাবা। ব্রিজের রেলিং ধরে দাড়িয়ে বাবা আমাকে বললো দেখ রবিন নিচের কেমন অথৈই পানি টলমল করছে। তুমি আমার হাতে ৪০ টাকা দিয়েছে তাই না!!

জ্বি বাবা, আমার জীবনের প্রথম উপার্জন। আমি জানি রবিন এই টাকা গুলো উপার্জন করতে তোমার অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। এখন তোমাকে যা বলি শোন। আমি জানি আমার ছেলে ছোট বেলা থেকেই ম্যাথমেটিক্সে খুবই ভাল। তাহলে ভাল গুনতেও পারো আশা করি। এখন আমি তোমার উপার্জনের ৪০ টাকা দূরে পানিতে ছুড়ে ফেলবো আর তুমি বলতে থাকবে বাকি কয়টা রইলো।

বাবার কথা শুনে আমার চোঁখে আবার পানি চলে আসলো। বাবা তার সমস্ত শক্তি দিয়ে একটা কয়েন সেতু থেকে দূরে পানিতে ছুড়ে ফেলে বললো রবিন এখন কয়টা রইলো। আমি কাঁদতে কাঁদতে বললাম বাবা ৩৯ টা। এই ভাবে এক এক করে আমার চোখের সামনে আমার জীবনের প্রথম উপার্জিত এতো কষ্টের সব গুলো টাকা পানিতে ফেলতে লাগলো আমি এক এক করে গুনছি।

এমন একটি পরিস্থিতির বর্ননা দেয়ার ভাষা আমার জানা নেই। শুধু জানি আমার চোঁখ থেকে ঝরে পরা প্রতিটি অস্রু যেন কেরোসিনের তেলের মতোই আমার হৃদয়কে পুড়িয়ে ছাই করে দিচ্ছে। বাবা আমার গায়ে কোন দিন হাত তুলেননি, কোন দিন একটা বকাও দেয়নি, আজ মনে হচ্ছে সব সুদে আসলে পুসিয়ে নিচ্ছে। শেষের টাকাটা বাবা ফেলোনা।

তারপর বললো রবিন তোমার উপার্জনের ৪০ টাকা আজকে আমি নষ্ট করতে তুমি কাঁদলে আর আমার কতো টাকা তুমি এইভাবে নষ্ট করেছো কোথায় আমিতো একবারও কাঁদিনি। তোমার অনুভুতিতে যেমন কষ্ট লাগেছে আমারও ঠিক তেমনি অনুভূতি আছে কষ্ট উপলব্ধি করার জন্য। তোমার শেষের টাকা আমি রেখে দিলাম এটা আমার সন্তানের প্রথম উপার্জিত টাকা এটা এক জন পিতার জন্য গর্বের একটা প্রাপ্তি, এটা স্মৃতি হিসেবে আমি মৃত্যু পর্যন্ত সাথে রাখবো।

তুমি কাল তোমার মায়ের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নিয়ে নিও। বাবার এই কথা গুলো শুনার পর নিজেকে বড় বেশি অপরাধী মনে হচ্ছিল। আবেগ আর ধরে রাখতে পারছিলাম না। আমি বাবাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে কান্না করতে করতে বললাম বাবা আমার টাকা লাগবে না।আমি এতো দিন স্কুলে কলেজে কিছুই শিখিনি, যেটা তুমি আজকে শিখালে, তুমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা। একজন আদর্শ বাবার চাইতে বড় শিক্ষক কেউ হতে পারেনা। একজন আদর্শ পিতাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক।

04/06/2024

গাড়ি কেনার আগে জেনে নিন কি কি যাচাই করা দরকার

✅ গাড়ির বনেট তুলে চ্যাসিস মার খাওয়া কিনা সেটা দেখবেন।চেসিস হল গাড়ির মেরুদন্ড
আর মেরুদন্ড শক্ত না হলে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না এটা আপনি নিজেই জানেন।
তাই আগে দেখে নিন চেসিস মাইর খাওয়া আছে কিনা!যদি চেসিস খুব বেশি আঘাত না লাগে তবে পরবর্তী স্তরগুলোতে যেতে পারেন নয়তোবা এই গাড়ি কেনার ডিসিশন এখান থেকে বাদ দিন এবং আরেকটা খোঁজা শুরু করুন।

✅ চেসিস নাম্বার ,ইঞ্জিন নাম্বার মিলিয়ে দেখুন কাগজের সাথে এক কিনা (এগুলো আপনি ফিটনেস পেপারে পাবেন)

✅ ইঞ্জিন স্টার্ট করার পর অয়েল গেজটি তুলুন , এক্সেলেরেটর প্যাডেলে চাপ দিন যদি সাদা ধোঁয়া বের হয় তাহলে ইঞ্জিন বদলাতে হবে এটা ধরে নিতে নিন অন্যথা ভালো ইঞ্জিন।

✅ ইঞ্জিন স্টার্ট করে স্টিয়ারিং সিটে বসুন এরপর হেড লাইট অন করুন। তারপর ব্যাক গিয়ারে দিন যদি ঝাঁকি দেয় তবে ধরে নিবেন গিয়ারবক্স খুব শীঘ্রই বদলাতে হবে অন্যথায় গিয়ারর্বক্স ভালো আছে। বাকি গিয়ার গুলো পরিবর্তন করে দেখুন , স্মুথলি শিফট হয় কিনা। যদি স্মর্টলি শিফট হয় তবে ভালো নতুবা ধরে নিন গিয়ার বক্স খুব শীঘ্রই বদলাতে হবে। (অনেক সময় গিয়ার বক্স বস করলে প্রবলেম এর সমাধান হয়ে যায় কিন্তু সমাধান না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি তাই খরচটা হাতে ধরে নিবেন)

✅ গাড়ির সামনে বা সামনে ডানে বামে মার খাওয়া কিনা তা বোঝার জন্য স্টিয়ারিং ফুল ডানে-বামে কাটুন এবং দেখুন ফেন্ডারের নিচে ঝালাই করা আছে কিনা। যদি ঝালাই থাকে তবে বুঝবেন মাইর খাওয়া।

✅ গাড়ির সামনে পিছে নাম্বার প্লেট একদম স্টেট আছে কিনা সেটা মিলিয়ে নেবেন মাইর খাওয়া হলে একদম বাজে অবস্থায় চলে যাবে নতুবা ঠিক থাকবে।

✅ পুরো গাড়ির অন্য কোথাও কোন মাইর আছে কিনা সেটা দেখেন। ভাড়ায় চালিত গাড়ি হলে অনেকাংশেই পিছনে মাইর খাওয়া থাকে দাম কম পেলে কিনতে পারেন অন্যথায় বাদ দিন।

✅গাড়ির ইন্টেরিয়র দেখুন ভালো কন্ডিশনার খারাপ কন্ডিশন নিজেই বুঝতে পারবেন।

✅ইঞ্জিন স্টার্ট করে এসি অন করে দেখুন আপনাকে পর্যাপ্ত ঠান্ডা করতে পারে কিনা (টোয়োটা সিডান কার গুলোতে এসি এসি মেরামত করতে 2500 টাকা থেকে 30 হাজার টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে)।

✅ইঞ্জিন স্টার্ট করার পর সাইলেন্সার পাইপ দিয়ে দেখুন কোনরকম কালো অথবা সাদা ধোয়া অনবরত বের হয় কিনা যদি হয় তাহলে ইঞ্জিনের কাজ করাতে হবে (যদি vvti ইঞ্জিন হয় তাহলে দাম বেশি না 30 থেকে 35 হাজারে কমপ্লিট করতে পারবেন)

✅ টায়ার গুলো দেখুন নতুন আছে কিনা মধ্যম মানের থাকলেও ভালো অন্য তা আবার বিষ হাজার টাকা খরচ।

✅ সুযোগ পেলে গাড়ি সামনে ড্রাইভ করে দেখুন স্টিয়ারিং ডানে বামে মোড় নেওয়ার সময় বাজে আওয়াজ হয় কি না ।
যদি হয় তবে সিবি জয়েন্ট বদলাতে হবে (খরচ ২৮০০-১০০০০ টাকা)

✅ গাড়ির মালিক আপনাকে সাথেসাথে মালিকানা বদলি করে দিবে কিনা সেটা নিশ্চিত করুন।

✅ সম্ভব হলে পেপারস এর এক কপি brta তে চেক করূন(গাড়ির মালিক দেখে সন্দেহ হলে করতে পারেন)। এবং কোন মামলা আছে কিনা তাও জেনে নিন অন্যথা কেনার পরে অহেতুক ঝামেলায় পড়তে পারেন।

✅ গাড়ির পেপারস কতদিন আপডেট আছে সেটাও দেখে নিন চেষ্টা করবেন অন্তত ছয় মাস আপডেট থাকে এমন গাড়ি কিনতে।

✅ সুযোগ পেলে একটু ভাঙ্গা রাস্তায় চালিয়ে সাসপেনশন এর অবস্থা দেখে নিন ভাঙ্গা রাস্তা চালানোর সময় যদি ঢকঢক আওয়াজ করে তাহলে বুঝবেন সাসপেনশনের কাজ করতে হবে।
✅ যদি উবারে চালান তাহলে ১ নম্বর পয়েন্ট কোন মেজর ইস্যু নয় , দাম কম পেলে নিতে পারেন।

✅ গাড়িতে কোন রংয়ের কাজ আছে কিনা দেখে নিন। ব্যবহৃত গাড়ি হলে রংয়ের কাজ থাকবেই এটাই স্বাভাবিক | ব্যবসায় থেকে কিনেন তাহলে ব্যাপারটা অন্তত ভালো পাবেন।

✅ গাড়িতে সিএনজি করা থাকলে সিলিন্ডারের মেয়াদ কত দিন আছে সেটা দেখে নিন।

✅সিএনজি ভিতি পরিহার করুন এতো দিন যা শুনে আসছেন তা ভুলে যান।একটা vvti ইঞ্জিনের মূল্য ৩০-৩৫ হাজার টাকা।তাই প্যারা নেওয়ার দরকার নাই।

⚠ সরাসরি মালিকের কাছ থেকে না কিনে একজন ব্যবসায়ী থেকে কিনুন তাতে আপনার 50000 টাকা বেশি খরচ হলেও ভালো জিনিস পাবেন কারণ ব্যবসায়ীরা মাইর খাওয়া গাড়ি কম কিনেন। এবং অন্তত অনেক বিষয় যেগুলো আপনার মাথায় যাবে না সে ব্যাপার গুলো ব্যবসায়ীর আপনাকে বুঝিয়ে দেখেয়ি দিতে পারবেন।
পরবর্তীতে তাদেরকে আপনি ধরতে পারবেন।

সরাসরি মালিক হলে শুধু একটা কথা আপনাকে বলবে ভাই আপনি তো দেখেই কিনছেন যা ব্যবসায়ী রা বলতে পারেনা। কারণ ব্যবসা করে তার পেট চালাতে হবে এবং আপনার মত দশজন কাস্টমারকে খারাপ কি জিনিস দিলে তা ব্যবসার একসময় নষ্ট হয়ে যাবে।

🚫 নোট:মিস্ত্রি বা ডিগ্রি বিহীন লোক গাড়ি চেকিং এর জন্য নিয়ে যাওয়া পরিহার করুন (অধিকাংশ মিস্ত্রি লোক মালিকের সাথে একটা বনাবনি করে ফেলে এবং আপনার ঘাড়ে অনেক কিছু গুছিয়ে দিবেন আপনি টেরও পাবেন না। এটা ব্যক্তিগত মতামত ভালো না লাগলে ইগনোর করুন।)(সব মিস্ত্রি আবার এক না)
কেনা হয়ে গেলে শখের গাড়ির যত্ন নিন।

02/06/2024

আমরাই শেষ জেনারেশন,
গরুর গাড়ি থেকে সুপার সনিক কনকর্ড জেট দেখেছি। পোস্টকার্ড, খাম, ইনল্যান্ড লেটার থেকে শুরু করে আজকের হোয়াটস্যাপ চ্যাটিং, ফেসবুক, ই-মেইল পর্যন্তও করছি। অসম্ভব মনে হওয়া অনেক জিনিসই সম্ভব হতে দেখেছি।

আমরা জেনারেশন,
টেলিগ্রাম এসেছে শুনলেই ঘরগুষ্টির মুখ শুকিয়ে যেতে দেখেছি…

আমরাই শেষ জেনারেশন,
মাটিতে বসে ভাত খেয়েছি আর প্লেটে ঢেলে চা খেয়েছি সুরুৎ শব্দে।

আমরাই শেষ জেনারেশন,
ছোটবেলায় বন্ধুদের সাথে লুকোচুরি, বাঘবন্দি, ডাঙ্গুলি, দাড়িয়াবাধা, গোল্লাছুট, মার্বেল খেলেছি, কাঁচা বেলের আঠায় কাগজের ঘুড়ি বানিয়ে আকাশে উড়িয়েছি, নাড়া ক্ষেতে ফুটবল বানিয়ে খেলেছি।

আমরাই শেষ জেনারেশন,
হ্যারিকেন আর কূপির আলোতে পড়াশুনা করেছি, বেত থেকে পাখার ডাঁটির চাবকানি খেয়েছি আর চাদরে হাফ বডি ঢুকিয়ে উপুড় হয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে পড়েছি দস্যু বনহুর, কুয়াশা, মাসুদ রানা, স্বপন কুমারের সিরিজ।

আমরাই শেষ জেনারেশন,
ফ্যান, এসি, হিটার, ফ্রীজ, গ্যাস, মাইক্রোওভেনের অস্থাবর সুখ ছাড়াই ছোটবেলা কাটিয়েছি।

আমরাই শেষ জেনারেশন,
ঈগল পেন থেকে বমি করা সুলেখা কালি হাতে মেখে মাথায় মুছে ‘বাবরের যুদ্ধবৃত্তান্ত’ লিখেছি, বড়দের পকেটে বড় নিবের উইংসাঙ দেখেছি আর নতুন বই-খাতার একটা আলাদা গন্ধ আর আনন্দ উপভোগ করেছি।

আমরাই শেষ জেনারেশন,
বিনা টিফিনে স্কুলে গেছি, ইস্কুলে টিচারের হাতে মার খেয়ে, বাড়ি এসে নালিশ করাতে সেকেন্ড-রাউন্ড বেদম ফ্রি-ষ্টাইল ওয়ান-ওয়ে ফাইট সহ্য করেছি, দোষ তো আমার নাহলে টিচার মারবেন কেন?

আমরাই শেষ জেনারেশন,
বড়দের সন্মান করেছি এবং এখনো করে যাচ্ছি।

আমরাই শেষ জেনারেশন,
জোৎস্না রাতে ছাদে ট্রানজিস্টরে বিবিসি’র খবর, অনুরোধের আসর আর বিবিধ ভারতীর শেষ সাক্ষী।

আমরাই শেষ জেনারেশন,
টেলিভিশনে খেলা দেখার জন্য ছাদে উঠে এ্যন্টেনা এডজাস্ট করে স্যিগনাল ধরার চেষ্টা করেছি। আমাদের ছিল তিন লাঠির এন্টেনা, আর ছিল টিভি স্ক্রিনে পার্মানেন্ট ঝিলমিলানি, তাতে কোনও প্রব্লেমই হোত না, ওটা জীবনের অঙ্গ ধরাই ছিল। গন্ডগোল পাকাতো ঐ লোডশেডিং।

আমরাই শেষ জেনারেশন,
আত্মীয় স্বজন বাড়িতে আসার জন্য অপেক্ষা করেছি। ইচ্ছে করে বৃষ্টি ভিজে ইস্কুল থেকে বাড়ি ঢুকেছি।

আমরা শেষ জেনারেশন,
সূর্য ডোবার আগেই বাড়ি ঢুকেছি।

আমরা শেষ জেনারেশন,
পূজো বা ঈদের সময় শুধু একটা নুতন জামার জন্য অপারগ বাবার দিকে চেয়ে থেকেছি।

আমরা শেষ প্রজন্ম,
রাস্তাঘাটে স্কুলের স্যারকে দেখামাত্র রাস্তাতেই নির্দ্বিধায় পায়ে হাত ছুঁয়ে প্রণাম করেছি।

আমরাই লাষ্ট জেনারেশন এখনও বন্ধু খুঁজি। জীবনের চলার স্রোতে হারিয়েছি জীবনের স্বর্গ।

লস্ট প্যারাডাইস।

এখন পৃথিবী রিটার্ন ব্যাক করবে ধীরে ধীরে সেই পিছনের দিনে ফিরে যাবে। আধুনিকতা বলতে আর কিছু সামনের দিকে আসবে না।

পৃথিবীর নানা রকম অবক্ষয় হতেই থাকবে।

18/05/2024

সময় করে পড়ে নিতে পারেন!অসাধারণ লিখনি।

15/05/2024

প্রায় ত্রিশ বছরের বেশি সময় আমি রিকশা চালাই। এই ত্রিশ বছরে আমি দেখসি অধিকাংশ প্যাসেঞ্জারেরই মাথা গরম। তারা হুদাই বকাঝকা করে।

এক সকালের কথা। এক বাপ তার মেয়েরে কলেজে নেওয়ার জন্য আমারে ডাক দেয়। বাপটা আমারে বারবার বলতাছিল, সাবধানে চালাবেন কিন্তু! তিনি মেয়েরেও বলতেছিলেন- রিকশায় শক্ত করে ধরে রাখবা। মেয়েটারে নিয়া আমি যখন রিকশা ছাড়মু তিনি আমারে আবারও বললেন- "দেখে শুনে আস্তে সাবধানে চালাবেন, আমার মেয়েটা যেন ব্যাথা না পায়।"

বেশ খানিকটা দূর, আমি রিকশা চালাইতেছি, শুনলাম পিছনে ফুপাইয়া ফুপাইয়া কান্নার শব্দ, মেয়েটা কানতেছে। ভাবলাম জিগাই- সব ঠিক আছে তো। কিন্তু মেয়েটা আমারে পিছন ফিরতে দেখে উল্টা ধমক দিয়া বলল, "আপনে রিকশা চালান, পিছন ফিরবেন না!"

কিছুক্ষণ পর মেয়েটা রিকশা থামাইতে বলল তার মোবাইল বের করে কারে যেন কল দিতে লাগল। সে জোরে জোরে কথা বলতাছিল আর তখনও কানতাছিল। আমি যা বুঝার বুঝে গেলাম। মেয়েটা কোন ছেলের সাথে বাড়ি থেকে পালাইতাছে। কিন্তু সেই ছেলের দেখা নাই।

আচমকা আমি কিছু বোঝার আগেই মেয়েটা রিকশা থেকে লাফ দিয়া নেমে গেল। যাওয়ার আগে সিটের উপর টাকা ছুড়ে দিল। আমি দেখলাম মেয়েটা রেললাইনের দিকে যাইতাছে। আমি আর কী করব, রিকশা ঘুরাইয়া চলে যাইতে চাইলাম। মেয়েটার বাপের জন্য আমার কেন জানি খুব কষ্ট হইতাছিল। আমার খালি মনে হইতাছিল, কোনো বাপ এই দৃশ্য সহ্য করতে পারবেনা।

আমি ফিরে যেতে চাইয়াও যাইতে পারলাম না। আমার কানে শুধু বাজতাছিল মেয়ের বাপের কথাগুলা, সাবধানে চালাবেন...। আমি আমার রিকশা থামাইলাম। পিছন ফিরলাম আর দৌড়ে মেয়েটার কাছে গেলাম।

সে তখন রেললাইনে, উল্টাপাল্টা ভাবে হাটতেছে যেন নিজেকে শেষ করে দিবে আজই। আমি তার কাছে ছুটে গেলাম আর কইলাম- আমার সাথে চলেন। মেয়েটা অদ্ভুত চোখে আমারে দেখল। সে পাগলের মতো কানতাছিল। আর আমারে বলছিল, "চলে যান, মূর্খ অশিক্ষিত।"

কিন্তু অপরিচিত জনহীন জায়গায় আমি মেয়েটারে একা ফালাইয়া যাইতে পারি নাই। মেয়েটা কানতেছিল, আমি অপেক্ষা করতাছিলাম। এভাবে প্রায় তিন ঘণ্টা, আকাশ কালো হইয়া গেল, মেঘ জমছে, বৃষ্টি হইব। বৃষ্টি নামার ঠিক আগ মুহূর্তে মেয়েটা উঠে দাঁড়াইলো আর আমারে কইলো, "আপনার রিকশা নিয়ে আসেন।"

বাকি রাস্তা আমরা আর কোন কথা কই নাই। সে বলল - "চাচা, আপনি আর কোনদিন এ বাড়িতে আসবেন না, এবং কাউকে কোনদিন বলবেন না আপনি আমাকে চিনতেন।"
আমি মাথা নামিয়ে চলে আসছিলাম। আমি সেদিন কাউরে কিছু বলি নাই।

ঐদিন ঘরে গিয়া আমি কিছুই খাইতে পারি নাই। কেবল মনে হইতাছিল -
এইটাই বোধহয় ভালো, আমার কোন কন্যা সন্তান নাই।


আট বছর পর, এইতো কিছুদিন আগে আমার একটা অ্যাকসিডেন্ট হয়, আমি জ্ঞান হারাইয়া ফেলছিলাম। রাস্তার মানুষজন ধরাধরি কইরা আমারে হাসপাতালে নিয়া যায়। যখন আমার জ্ঞান ফিরা আসে আমি দেখি একটা মেয়ে আমার যত্ন নিতাছে।
সে আমারে জিজ্ঞাস করল, আমার এখন কেমন লাগতাছে। তারপর কইলো আমি তারে এতো বছরে একবারের জন্যও আর কেন দেখতে যাই নাই!

সাদা পোশাক পরা সেই মেয়েটারে আমি চিনতে পারি নাই।
খুব ভালা চিকিৎসা হইছিল আমার। খুব বড় ডাক্তার আমারে দেখতে আসছিল। যখন বড় ডাক্তার আমারে দেখতে আসল মেয়েটা উনারে বলছিল,
"স্যার, ইনি আমার বাবা।"

সেই বড় ডাক্তার মেয়েটারে ইংরেজিতে কিছু বলতাছিল। মেয়েটা তখন আমার ব্যাথার জায়গায় হাত বুলাইয়া দিয়া বলছিল- "সেদিন যদি আমার এই বাবা না থাকত, আমি আজ ডাক্তার হতে পারতাম না"

হাসপাতালের ছোট বিছানায় আমি চোখ বন্ধ করে শুইয়া ছিলাম। আমি কাউরে কোনদিন বুঝাইতে পারবনা, সেদিন আমার মনের মধ্যে কেমন লাগতাছিল।

আমার মতো রিকশা চালকের একটা কন্যা আছে, একটা ডাক্তার কন্যা।
-চলবে।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Gulshan 2
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00